ইউরোপের রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল এক বাঙালি. দুজন শ্রমিক কে দেখছে রাস্তায় কাজ করছে একজন মাটি খুরছে আর একজন তা ভরাট করে যাচ্ছে… কিছু বুঝতে না পেরে তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলো ব্যাপার কি? এখানে কি কাজ হচ্ছে তাদের একজন বললো তারা তিনজন এখানে কাজ করে একজন মাটি খুরে একজন পাইপ বসান আর একজন ভরাট করেন ২য় জন আজ কাজে আসেনি! তাই বলে আমরা আমাদের কাজ বন্ধ রাখতে পারি না, আমরা আমাদের কাজ করে যাচ্ছি… ছোট বেলায় এই গল্প শুনে আমার প্রথমেই যা মনে হয়েছিল এরা কত বোকা! আসল কাজটাই তো হচ্ছে না… এমন একটা বোকার জাতি এতো সুন্দর একটা দেশ কিভাবে করলো…
আমরা বোকার জাতি না ছোট বেলা থেকেই আমরা শেয়াল পন্ডিতের গল্প পরে বড় হই কি ভাবে সে কুমীরের সাতটা থেকে ছয়টা বাচ্চা খেয়ে ফেলে একটা বাচ্চা কে সাতবার দেখিয়ে কুমির কে বোঝায় তার সাতটা বাচ্চাই ভালো আছে…
আমাদের দেশের এমপি মন্ত্রীদের বুদ্ধি শেয়াল পন্ডিতের চেয়ে কোনো দিক দিয়েই কম না বরং অনেক বেশি… তাদের বুদ্ধি মত্তার অনেক উধারণ আছে একটা বলছি… খুব বেশি দিন হবে না ৬ কি ৭ বছর আগে আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তা বহু বছর খারপ থাকার পর তা ঠিক করা শুরু হলো… যেন তেন ঠিক না কঠিন ভাবে… বাড়ির সামনে রাস্তা ঠিক হতে দেখে আমি মনে মনে স্কেট কেনার চিন্তা শুরু করে দিলাম (অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল রাস্তা ভলো না বলে কেনা হয় নি) রাস্তাও ঠিক হলো খুব সুন্দর রাস্তা যাক শান্তি পেলাম… ঠিক ৭ দিনের মাথায় সেই রাস্তা কাটা শুরু হয়ে গেলো. রাস্তা খুড়ে সেখানে কিছু বড় সিমেন্ট এর রিং বসানো হলো… কিন্তু রিং বসানোর পর রাস্তা আর ঠিক করা হলো না….কিছুদিন থেকে আবার আমাদের রাস্তা খোড়া হচ্ছে এবার যা করা হচ্ছে তা হলো আগের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের রিং বসানো হচ্ছে. একই সময়ে আমাদের পাসের এলাকাতেও খোড়া খুড়ির কাজ করার হচ্ছে কষ্টের কথা হলো সেখানে এক মাস আগেই নতুন ঢালাই রাস্তা করা হয়ে ছিলো…
আমাদের দেশের মোটামুটি সব নেতা নেত্রী প্রাইমারী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছেন আর সবারই শেয়াল আর কুমীরের এই গল্প টাও জানা, আর এই গল্প টাই সব নষ্টের মূল এই গল্পই তাদের শেয়াল হতে সাহায্য করেছে… অধিক থেকে অধিকতর বুদ্ধিমান প্রাণী করে তুলেছে. আমাদের দেশের আর ক্ষমতা নেই এই বুধিমান প্রাণীদের লালন করার. তাই আর যেন এই গল্পের মাধ্যমে এই অধিক থেকে অধিকতর বুদ্ধিমান প্রাণী এই দেশে না হতে পারে তাই এই গল্প বাজেয়াপ্ত করা হোক এর যত কপি আছে তা পুড়িয়ে ফেলা হোক…






রাস্তার বেহাল দশা,তাতে সরকারের কি আসে যায়।এক কথা এক গান…..যুদ্ধাপরাধীর বিচার………….
ই গানে গানে ৩ টি বছর পার করল আওয়ামীলীগ।হায়রে লীগ!!
শুধু উন্নতী আর উন্নতী..
এই কথাই শুনা নেতাদের মুখ থেকে।এই ডাহা মিথ্যা কথা শুনলে লজ্জায় গাঁ জ্বলে।শয়তান ও মনে হয় মুখ লুকাবে।প্রতি বছর হাজার মানুষ সড়ক দূঘটনায় মারা যায়, কিন্তু কারোর মাথা ব্যাথা নেই।………………………………………….
টাকা নাই টাকা নাই বলে রাস্তা ঠিক করা হয় না.কিন্তু একই রাস্তা বার বার ঠিক করার জন্য টাকা দেয়ার মানে বুঝলাম না…নতুন রাস্তা কাটার বিষয়ই টা কি? একটা রাস্তা ঠিক করার পর তার স্থায়ীত্বের সময় কত ? এর জবাদিহিতার কার?
আমাদের দেশে জবাবদিহিতা আসলেই কম! বড় বড় ব্যক্তি বর্গ সবসময় ধরা ছোয়ার বাইরে থাকে! আমাদের অতীত এরকমই ! আর ছোট ছোট চামচারা ঐ বড়দের ছত্র ছায়ায় থাকে! তাই নেই জবাবদিহিতা! তবে আমরা সুশাসন চাই! জবাবদিহিতা চাই!