প্রিয় পাঠক প্রথমেই লাল সালাম জানাচ্ছি যারা ভারত এর জুলুম , অবিচার , সীমান্ত হত্যা , টিপাই মুখ বাঁধ সহ নানা অন্যায়/অসংগতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ ইন্ডিয়ান সাইট গুলো হ্যাক করতেছে । বিনম্রচিত্তে সমর্থন করছি ”বাংলার বাঘ” দের । এবং সাথে সাথে একটি বিষয় নিয়ে পরিষ্কার ধারনা পেলাম ” দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ ” রাজনীতিবিদ ছাড়াও আরও অনেকে আছেন। যাদের কোন রাজনৈতিক দল নেই।
১৯৭১ সালের পর থেকেই ভারতের বহুমুখী অত্যাচারে আমরা দিশেহারা । সে মাত্রা আরও বেড়ে গেল যখন ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট কিছু কুচক্রী মহলের হাতে নির্মম ভাবে প্রাণ দিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব । স্বাধীনতা পরবর্তী ইতিহাস পড়লে দেখা যায় শুধু না পাওয়ার ইতিহাস। ইতিহাস শুধুমাত্র কথা দিয়ে কথা না রাখার , ইতিহাস শুধু সিমান্তে নির্মম হত্যার , ইতিহাস শুধু ফারাক্কা বাঁধের প্রভাবে দেশের একটি বৃহত্তর অঞ্চল মরুকরনের , ইতিহাস শুধু সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের , ইতিহাস শুধু ধুকে ধুকে জ্বালিয়ে মারার ।
জানিনা আর কত ইতিহাস লেখার বাকি আছে ? আর ইতিহাস গুলো কে কে বা কারা কারা লিপিবদ্ধ করছে ? শুধু একটা কথা বলতে চাই ইতিহাস শুধু যে দাদা বাবুরা এবং কিছু কুলাংগার যারা বাংলাদেশ এর চাইতে ভারতকে বেশি লাইক করে তারা লিখছে না _____ ইতিহাস আমরাও লিখছি । দেখছি একটা দেশকে কিভাবে নিঃশেষ করে দিচ্ছে আমাদের গুণধর (সুবিধাবাদি) রাজনীতিবিদরা ।
আসলে একটা কথা বার বার ভুলে যাই কুলাংগাররা তা হল বাংলার অতীত ইতিহাস । যেখানে কোন মিরজাফর এর ঠাই যে হবে না ___ এবং হলেও যে তাকে নির্মমতার বলি হতে হবে তা তার স্মরণে থাকে না ।
বর্তমান ঘটনার সুত্রপাত অনেক দিন আগে থেকে চলে আসা সীমান্ত হত্যা নিয়ে ___
দেশ যখন দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে না, যখন দেখা যাচ্ছে রাষ্ট্রযন্ত্র অচল ,যখন দেখা যাচ্ছে যারা দেশ চালায় তারাই মদদদাতা , উল্টা তারাই হোতা তখন কিছু দেশপ্রেমী এই সব অন্যায়ের প্রতিবাদ স্বরূপ _____
ইন্ডিয়ান সাইট গুলো হ্যাক করে দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে । চেষ্টা করছে স্বাধীন ভাবে বেঁচে থাকার , চেষ্টা করছে দেখিয়ে দেওয়ায় আমরা পিছিয়ে নয়, আমাদের সরকার কিছু বলছে না তার মানে এই নয় যে সরকার যা করছে অথবা যা বলছে তাই আমাদের সাধারন মানুষের কথা ।
ইতিমধ্যে আমাদের আক্রমণে দিশেহারা এবং হতবাক ইন্ডিয়ান সরকার ।
কিন্তু আমাদের সরকার কেন হতবাক …কেন তারা উদ্বিগ্ন …কিসের ভয় তাদের ? তাহলে কি বলব ইজারার কথা ! তাহলে কি বলব গোলাম আযমের কথা ” তিনি বলছেন দেশ না কি স্বাধীন হয় নি শুধু মাত্র প্রভু বদল হয়েছে ” ।
আগে পাকিস্তানিরা দমন করেছে আর এখন ভারত । কিন্তু আমরা তা শুধু অস্বীকারই করব না বরঞ্চ বুক খুলে বলতে চাই ___ আমরা স্বাধীন ,পরাধীনতার শিকল একবার যখন ভেঙ্গেছি আর কারও সাধ্য নেই যে তা আবার পরাবে ।
আজ দেখা যাচ্ছে সরকারের নির্লজ্জ আচরণ । সরকার কোন অবস্থাতেই ভারতকে চুলকাতে চায় না __ যদিও ভারতের জ্বালাই আমাদের চুলকাতে চুলকাতে পাছা ডগডগে লাল হয়ে গেছে __ বিদ্রোহ ঘোষণা করছে প্রতিনিয়ত বলছে আর চুলকাবেন না , এও বলছে এই ছোট একটি জায়গাকে চুলকাতে চুলকাতে আপনি শেষ করে ফেলছেন । তার পরেও কি চুলকাবেন? বলছে আমাদের নীতি নৈতিকতার কথা , বলছে স্বাধীনতার কথা ।
সরকারের পাশাপাশি দু’একটি মিডিয়ার আচরন দেখে থ হয়ে গেলাম । মিডিয়া কি বিক্রি হয়ে গেছে দাদা বাবু দের কাছে । হতাশার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছলাম যখন দেখলাম ” মুন্নি সাহার ” মতন একজন সাংবাদিক এটা নিয়ে নাটক করল আলোচনা আনুষ্ঠানের নামে ।
এটা কি মুন্নি সাহার খেলা না কি মহা গুণধর মাহফুজ সাহেবের দাবার চাল । বুজতে পারলাম না …বলা যাই বুজেও কি করতে হবে তাই ভেবে কুল পাচ্ছি না । ভাবছি ঘরের ইঁদুর এখন অনেক বড় হয়ে গেছে, এখন সে অবলীলাই বেড়া কাটতে পারে । এখন সে নিজে না পারলে ও দাদা বাবুদের দেখানোর জন্য হলেও কিছু একটা করার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে ।
আর এই ইঁদুরদেরকে আমরাই বড় করে তুলেছি , মোটা তাজা করেছি এবং রেখেছি । তার প্রতিদানে ইঁদুরের পারফরমেন্স দেখে ধপাস করে মাটিতে পড়ে গেলাম। দেখে বুকের বাঁ দিকে কষ্ট হচ্ছে , প্রেসারটার যে কি হল বুজতে পারছি না হাই বলব না লো বলব না কি স্থির বলব ।
আমাদের কি হবে কে বাঁচাবে আমাদের আর কতকাল ধুকে ধুকে মরব । আমাদের অভিবাবক কে হবে ?
তাহলে কি আমরা হারিয়ে যাব মহা কালের গর্ভে ! আমাদের কি আর কোন অস্তিত্ব থাকবে না? বাঁচার মত বাঁচার অধিকার কখনো পাবো না?
দেশে এত শুকুন! কাকে যে ঢিল মারি তা ভেবে কুল পাচ্ছি না । ঝাঁকে ঝাঁকে আসতেছে শকুনের দল । আমাদের আরেকজন ”জয়নাল আবেদিন” দরকার _____যে কাকে খাওয়া মানুষ গুলোর ছবি আঁকবে , ছবি এঁকে হলেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানাবে । আমাদের একজন ”জলিল” দরকার যে রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে লাশ ভারতে নেওয়ার প্রতিবাদ জানাবে , বলবে লাশ’তো করেছিস আমরা কি দাফনও করতে পারবো না ।
আর এক জন ভাসানি দরকার যে সালাম দিয়ে বিদায় দেবে ।
সর্বোপরি দরকার শেখ মুজিব-এর মত একজন নেতা , যার আহবানে দলে দলে মানুষ আবার যুদ্ধ করবে ভারতের নোংরামির বিরুদ্ধে । আবার নেমে পড়বে দেশের কুলাংগার দের বিরুদ্ধে ।
আর একজন ”জিয়া” দরকার যার তড়িৎ বুদ্ধিতে দেশ আশার আলো খুঁজে পাবে ।
দরকার ”সিরাজ সিকদার” -এর মত আজন্ম বিপ্লবী , যিনি আগেই বুঝেছিলেন ইন্ডিয়ান হায়েনাদের কথা আর বাংলার আকাশে ঘুরতে থাকা শকুনদের কথা ।
প্রিয় পাঠক দুঃখ ভরাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বলতে চাই আসুন নেমে পড়ি সত্যের পক্ষে , এবং ন্যায়ের পক্ষের একজন সৈনিক হিসেবে ।
বড্ড দেরি হয়ে যাচ্ছে _________ আর দেরি করা উচিত হবে না ।






আজস্র ধন্যবাদ আপনাকে …আগের বিতর্ক গুলু বাদ দিয়ে আসুন মানবিক সমাজ বিনির্মাণ করি ।
Mars Shohag এরকম ভ্রান্ত ধারণা নিয়েই হয়ত কিছু বাঙালী স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পক্ষে গিয়েছিল, যাদেরকে অনেকে রাজাকার বলে! যদি স্বাধীনতা যুদ্ধে বাঙালীরা পরাজিত হতো! তাহলে এই রাজাকারকে কেউই রাজাকার বলতে পারতো না বা বলতে দেয়া হতো না! কিন্তু বীর বাঙালী এতই সাহসী জাতি যে, তারা শক্তিশালী পাকিস্তানী বাহিনীকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছিল! এটা বড় গর্বের! এর থেকে বড় গর্ব আর কী হতে পারে, একটা জাতির জন্য! তবে এটা সম্পূর্ণ ঠিক, বাঙালী বাংলাদেশী কারো তাবেদারী অতীতে করেনি, ভবিষতেও করবে না! সে যেই হোক, ভারত ,পাকিস্তান কিংবা অন্য কোন দেশ! আমাদের দেশপ্রেম চিরউন্নত চিরসাস্মত হোক! আমারা উন্নত দেশ গড়ে তুলি সকলে মিলে!
Mars Shohag ভাই ঠিকই বলেছেন ___ আমরা এখন পাকিস্তানিদের হাত থেকে রেহায় পেয়ে ভারতের গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়েছি । আর স্বাধীনতার সময় লীগের কোন নেতা কোথায় ছিল তা বের হয়ে আসবে ___ যারা ভারতে গিয়ে ফুর্তি করেছিল আর দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে আসে খাঁটি দেশপ্রেমিক সেজেছিল তাদের তো আর রেহায় দেওয়া ঠিক হবে না ।
আপনি জানেন কি কেন জহির রায়হান কে গুম করা হয়েছিল , কেন জলিল কে ফাসি দেওয়া হয়েছিল এ রকম হাজারও প্রশ্নের উত্তর পাই নি আমরা !
ঠিক যেমন পাই নি তাহের হত্যার ক্লু , পাই নি সিরাজ সিকদার হত্যার হেতু । এমন একটি দল কখন হবে যারা ১৬ কোটি জনগণের কথা ভাববে ?
আসুন জেগে উঠি অগ্নিশর্মা হয়ে _____
আমরা ভাদা ও না আবার পাদা ও না ।
উল্লেখ্য ভাদা মানে :- ভারতের দালাল , আর পাদা মানে :- পাকিস্তানিদের দালাল ।
আমার কথা হচ্ছে আমরা সবাই বাংলাদেশের দালাল ।
masud khan আপনি ভালো লিখেছেন! আমরা কারো তাবেদারী/দালালী করতে চাই না! আমারা বাংলাদেশের উন্নতি চাই! তবে কারো সাথে শত্রুতা নয়! সকলের সাথে বন্ধুত্বের মাধ্যমে win-win পরিবেশে উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে!
বাংলাদেশকে স্বাধীনতায় সমর্থন দেওয়ার মানে যদি হয় পূর্ব পাকিস্তানকে পুনরায় ভারতে পরিনত করা তাহলে আওয়ামীলীগকে তো ভারতের দালাল ছাড়া আর কি বলা যায়, এই কথা বলায় আওয়ামীলীগ আমাকে হয়তো রাজাকার বলে সম্বোধন দিবে। কিন্তু আওয়ামীলীগের বর্তমান কর্মপন্থা ভ…ারতের দালালী ছাড়া আর কি হতে পারে? যা হবে রাজাকারের চেয়েও ভয়ংকর। সেক্ষেত্রে আবার এদেশের প্রকৃত রাজাকাররা জনগণের সমর্থন লাভ করবে। যা হবে জাতির জন্য আরো তিনটি কলংকঃ
১. আওয়ামীলীগের প্রকৃত রূপ/খোলস উন্মোচন হওয়া;
২. প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা;
৩. ১৯৭১ রাজাকারদের ভূমিকা যে অন্যায় ছিলনা তা প্রমানিত হওয়া।
SAYED CHOWDHURY ভাই মাঝে মাঝে হতাশ হলেও পরক্ষনে আবার ফিরে আসি বলা যাই বাধ্য হয়ে ____________ সত্য কে সবাই ধারন করতে পারে না । ক্ষমতা তা সবার নেই । রাজনিতিবিদ দের কথা বা আচার আচরন দেখে খুভ ই হতাশ ।
আমরা এমনই একটা সমাজে বাস করি যেখানে কেউ নিজে কোন ভালো কাজের প্রদিপ জ্বালাতে চায় না আবার কেউ যদি প্রদিপ হয়ে জ্বলতে চায় তবে তাকে তখনই দপ করে নিভিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় । আমাদের রাজনীতি এমনই জ্বাল বিস্তার করে রেখেছে যে, যে কোন জায়গায় র্নিদলীয়ভাবে কোন দিক নির্দেশক কথা বলতে গেলে যাতে সমাজ সেই কথা গুলো গ্রহন না করে সে ব্যপারে উৎসাহ দেওয়া হয় । শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও যে সময় যে দল ক্ষমতায় থাকে ঐ সময় ঐ দলের রাজনৈতিক মানুষদের দিয়ে কমিটি করা হয় । যার ফলে শিক্ষার প্রসারে শুধু ঐ দলের অতীত ইতিহাস, বর্তমান দলের কর্মসূচি এবং দলের ভাবমূর্তি সম্পর্ক নিয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সব অনুষ্ঠানগুলোতে কথা বলা হয় । এতে করে শিক্ষার্থিরা সঠিক দিকনির্দেশনা না পেয়ে দিকভ্রষ্ট পথে আগাচ্ছে ।যদি একজন দেশনায়ক হওয়ার মত যোগ্য মানুষ থাকেও তাদের কিন্তু এই দলগুলোর মাধ্যমে না আসলে কোন মূল্যায়ন করা হচ্ছে না । যার কারনে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি একটি সঠিক নেতৃত্ব দানের মানুষকে পাওয়া হতো । আর যারা সাহস করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তাদের জীবন বিপন্ন হয়ে যাচ্ছে । তাই সাইবার যুদ্ধের মত একটি ধোয়াসা যুদ্ধ প্রয়োজন সকল দুর্নীতি, স্বজন প্রীতি এবং দেশকে যারা বিপন্ন করে মজার খেলা খেলে তাদের বিরুদ্ধে ।
সত্যি বলছি শেখ মুজিবরের মত সাহস নিয়ে সামনে আগানোর মত শক্তি, জিয়াউর রহমানের মত তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং ভাসানীর মত বীরত্ব নিয়ে অপেক্ষায় আছি সত্য সুন্দর সুযোগ পেলে দেশটাকে পাল্টে দেওয়ার ।
আর সবচেয়ে বড় কথা হলো প্রতি জনই একেক জন দেশ নায়ক হতে পারে যদি নিঃস্বার্থ ভাবে দেশের মানুষের সেবা করে যায় ।
সব শেষে আমাদের সম্মানিত রাজনীতিকদের প্রতি আবেদন আপনারা মানুষের মনের কথাগুলো বোঝার চেষ্টা করুন । এগুলো খুব কঠিন কথা নয় ।
সিমান্তে হত্যা বন্ধ করা বড় জটিল কাজ নয় । যেখানে বেশী বেশী এ ঘটনা গুলো ঘটছে যদি বি.এস.এফ এর গুলি বন্ধ নাই করতে পারেন তবে আমাদের জনগনের দিকে তাকিয়ে হলেও দরকার পড়লে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ক্যাম্প বাড়িয়ে সীমন্তে বর্ডার গার্ডের প্রাচীর তৈরী করে হলেও মানুষের জীবন বাঁচান ।
মাসুদ সাহেব নিরাশ হয়েন না । যখন কেউ পাশে থাকেনা আল্লাহ মানুষকে সাহায্য করেন । সত্যিই সভ্যতার দিনগুলো বেশী দুরে নয়…………………