আমি ১৩ বছর বয়সের একজন মেয়ে। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের একজন প্রতিনিধি। ক্লাস সেভেনে পড়ি। পত্রিকার নিয়মিত পাঠক না হলেও মাঝে মাঝে পত্রিকা পড়ি। পত্রিকার পাতা খুললেই চোখে পরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবর, ছিনতাই, সড়ক দুর্ঘটনা,নৌ দুর্ঘটনা, মর্মান্তিক মৃত্যু। নিত্যসঙ্গি দুর্নীতি তো আছেই। এইসব দেখলে মোটামুটি বোঝা যায় দেশ কেমন চলছে। আমরা অনেক ছোট, তবু আমরা অনেক কিছুর শিকার হই। মেয়ে, তাই ইভটিজিং ( আদালতের রায়ে যৌন উত্ত্যক্ততা)। স্কুলে কিছু টিচার আছে, প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় ভাল নাম্বার দেয় না। ইন্টারনেট ব্যাবহার করার জন্য বিদেশের বেশ কিছু বন্ধু জুটেছে, তাদের দেশতো কত সুন্দর ভাবে চলে। তাদের দেশে কেন এতো ভালো নিয়ম শৃঙ্খলা? যখন বড় কাউকে জিজ্ঞেস করি, “দেশটা এমন কেন?” তখন উত্তর আসে, “চুপ থাক,বেশি পাকনামি করবি না।”
হ্যাঁ, আমরা চুপ-ই থাকব! যে দেশে একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস এর মাধ্যমে নিজের মত প্রকাশ করলে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, সে দেশে কথা বলার কি কোন উপায় আছে? সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের খবর শুনে খুব খারাপ লেগেছিলো, এখনো ভুলতে পারি না। আশা করেছিলাম এর বিচার হবে দ্রুত। সাংবাদিকরা আন্দোলন করলে নাকি সব কিছু তাড়াতাড়ি হয়। কিন্তু কই? ৪৮ ঘণ্টার কথা বলে ১ মাস পার হয়ে গেল। মেঘের মত ছোট একটা বাচ্চা, সে বড় হয়ে কি ভেবে এই দেশে থাকবে? এই দেশে তার বাবা-মা নির্মমভাবে খুন হয়েছে, কোন বিচার হয়নি, সে এই দেশ থেকে কি পেয়েছে যে সে এই দেশকে কিছু দিবে? বড়রা বলে আমাদের এই প্রজন্ম বেশি পাকনা। হয়ত আমরা পাকনা। কিন্তু এসব দেখলে কার সহ্য হয়? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, “বেডরুম পাহারা দেওয়া সরকারের দায়িত্ব নয়।” এই বেডরুম এর ভেতর তাঁর নিজের কোন স্বজন খুন হলে তখন তিনি কি বলবেন? শুধু কাঁদবেন?
ঢাকা, আমার জন্ম হয়েছে এখানে। কবে যেন পড়লাম আমার জন্মভুমি ঢাকা পৃথিবীর সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহর। সর্বোপরি, আমরা আমাদের বইয়ে যতই পড়ি না কেন “সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ আমাদের এই দেশ।” আমি জানি আমরা এখনও “শ্রেষ্ঠ” উপাধিটা অর্জণ করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু যদি দেখতেন তার মেয়ে দেশকে কি ভাবে সামলাচ্ছে, তাহলে হয়ত আবার মৃত্যুবরণ করতে চাইতেন। ১৯৭১এর যুদ্ধের কাহিনী পড়লে এখনও গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। কিন্তু খারাপ লাগে, যে দেশটার জন্য ৩০লক্ষ মানুষ শহীদ হল, সেই দেশটার আজ একি করুণ অবস্থা!
সত্যিই তো! মানুষ কি এই দেশের জন্য জীবন দিয়েছে? তারা স্বপ্নে কি ঠিক এই দেশটাই দেখেছিল? আমার তো মনে হয় না। একজন দেশপ্রেমিক কখনো এমন দেশ চাবে না যে দেশে একটি শিশু তার চোখের সামনে তার পুরো দুনিয়াটা ধংস হতে দেখে। এমন দেশ কেউ চায় না যে দেশে একজন মানুষ তার মত প্রকাশ করতেও ভয় পায়। এমন দেশ, যেখানে ৩ বছর ৭ বছর বয়সের মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। এমন দেশ, যে দেশে মানুষ রাস্তায় বের হতে ভয় পায়, যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটে? আর সবচেয়ে হাস্যকর কথা, এমন দেশ যেখানে হরতাল দিয়ে সামার ভেকেশন হয়ে যায়।
আরও কিছু বলার ছিল, কিন্তু ভুলে গিয়েছিলাম, এটা বাংলাদেশ। এই দেশে ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন বিসর্জন দিয়েছে, কিছু হয় নি। ১৩ বছর বয়সের একটি মেয়ের কথায় কিসের মুণ্ডু হবে? হ্যাঁ, একটি মেয়ে কিছুই পারবে না। কিন্তু যখন অনেক মেয়ে হবে, তখন অনেক কিছুই হবে। আমি জানি না আমি এই দেশের কিছু করতে পারব কিনা, বড় হলে সবাই খারাপ হয়ে যায়। আমার কি হবে জানি না। তাই এখন যা পারি, তাই করব। আমি বিশ্বাস করি আমরা যখন দেশ চালাব, তখন অবশ্যই ভাল চালাব। এর চেয়ে শতগুণে ভালো চালাব।
বড় কেউ এই পোস্ট পড়লে বলবে মেয়েটা পাকা। কিন্তু আমি যা লিখলাম, এসব আমার না, আমার বয়সী সবার কথা। এমন দেশে বড় হতে কেমন লাগে তা বলে বুঝানোর ক্ষমতা আমার নেই।
আমি, ১৩ বছরের কিশোরী, জানি না আমার ভবিষ্যৎ কি, কিন্তু এইটা জানি, একটি শিশু এই দেশকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভাল চালাতে পারবে। বড়রা বুঝে এটা এমন যুগ যেখানে ভাল হয়ে চলার উপায় নেই, কিন্তু শিশুরা তো আর সেটা জানে না…






আরিফা আমরা বড়রা তোমার সাথে আছি তুমি ভয় পেওনা
দারুণ লিখেছ । তোমার শব্দ চয়ন আর শক্ত কথায় আমি মুগ্ধ।
খুবই পরিস্কার ধরণা দেখলাম তোমার এই প্রিয় বাংলাদেশকে নিয়ে।
হতাশা আছে। আছে অনেক অপূর্ণ স্বপ্নের বিচ্ছিন্নতা।
তবুও স্বপ্ন দেখ আমিও দেখি কারণ এটাই আমাদের শেষ সম্ভল না হলে যে আরও অবস্থা খারাপ হবে প্রিয় এই দেশের।
আপু, আরিফা!
অসাধারণ লিখেছেন, মাঝে-মাঝে এমন লেখা-লিখির অভ্যাস থাকলে এক সময় আপনার লেখনির হাত হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক বড় অস্ত্র। এখন আপনাকে বেশি বেশি পড়াশোনা করতে হবে সেই সাথে পাঠ্যপুস্তক পড়ার বাইরেও অন্যান্য কিছু কিছু পড়তে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন। শুভ নববর্ষ।
tomar egie asar jonno thanks. sotti amra choto bole keo amader patta dae na. amio tomar kachakachi. class eight e pori.
এখন এগুলি আর বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের যারা, তাদের মেনে নেওয়ার কথা নয়, কেউ অপরাধ করলে দেশে কোন অপরাধী থাকবে না ! হত্যাকান্ড ঘটলে দেশে কোন ঘাতক থাকবে না ! বস্তা ভর্তি টাকা নিয়ে কেউ রাতে গাড়িতে করে ঘুরাঘুরি করলে বিচারের মুখোমুখি হবে না।
সময় এসেছে এ সব বদলে দেওয়ার আর এই দায়িত্ব বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের।
একজন কিশোর কিশোরীর সারারাত দিনমান দেশের পরিস্থিতি ও দেশকে নিয়ে মনের ভেতর আলোড়ন/জাগরন এটা অতি সত্য এখানে ভণ্ডামি নেই, নেই ভণিতা । তার বা তাদের হৃদয় সত্য, তারা সবে শিখতে শুরু করেছে, হয় বইয়ের পাতা থেকে নয়ত গুরুজন পরিবার থেকে । তাদের হৃদয়টা এখন পরিস্কার, সমাজে মিশছে, দেখছে, জানছে আর হৃদয়ে কালিমা লেপন শুরু হয়েছে যৌবন বয়স থেকে। আমরা এমন একটা সমাজ বাবস্থা দাড় করিয়েছি যেখানে প্রতিনিয়ত,প্রতিটা কদমে হৃদয়ে কালিমা লেপনের হাতছানি । বোন বেশি বেশি বই পড়ুন আপনার ভাইবোনদের কে ও পড়ান, হৃদয়ে কালি, কয়লা কখনো স্পর্শ করবেনা । প্রতিটা পরিবার থেকে শুরু করে রাষ্ট্র একদিন এই কালি কয়লা কে ইতিহাসের আস্তাকুরে ফেলবে ।
প্রিয় আরিফা, স্বপ্ন দেখতে যেন আমরা ভুলে না যাই। তোমাদের প্রজন্মকেই প্রস্তুত হতে হবে… বাংলাদেশ একদিন শ্রেষ্ঠ দেশ হতে পারে যদি তোমার মত করে প্রত্যেকে ভাবে। বিন্দু থেকেই সিন্ধু হয়…
আমাদের এই “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলে এখন ৯,৪২৮ জন সদস্য। অচিরেই তা ১০,০০০ হবে, তারপর ১ লাখ… তারপর ১ কোটি… এভাবে একটু একটু করে বদলাবে বাংলাদেশ…. অনেক অভিনন্দন তোমাকে, মুক্তচিন্তার সাহসী প্রকাশ ঘটাবার জন্যে।
আরিফা বোন আমার । লেখার এত জ্বালানী তুমি কোথায় পাও …? তোমার মত যদি আমরা সবাই দেশটাকে নিয়ে একটু ভাবি তবে দেশটা অনেক সুন্দর হতো । তাই না…?
আরিফা , তোমার কথা শুনে দেশকে নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে ইচ্ছে করছে । অনেক আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে আছি , কবে তোমরা , তোমাদের মত বয়সীরা আর আমরা সবাই মিলে আমাদের এই সবচেয়ে খারাপ দেশটিকে সবচেয়ে ভাল দেশ বানিয়ে ফেলব । তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।
সবার আগেই যে কথাটা বলব, এখানে সব আমি লিখিনি। কিছু কিছু অ্যাডমিনই যোগ করেছে। সবার কথাগুলো ভালো লাগলো। সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
তোমাকে প্রথমেই ধন্যবাদ লেখাটির জন্য,এইসবই আমাদের সমাজের করূন চিত্র। শত প্রতিকূলতার মাঝেও মনে রাখতে হবে এ দেশটা আমাদের এবং দেশের উন্নতির জন্য নতুন প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে,এই আশা নিয়ে বেঁচে থাকা।বড় হও,মানুষের মত মানুষ হও।তোমার জন্য শূভকামনা রইল।
“বোন” প্রথমেই তোমাকে ধন্যবাদ জানাই এমন সুন্দর ও সুস্পষ্ট ভাবে নিজের মতামত জানানোর জন্য। তুমি যে বিষয় গুলোর কথা বলেছ তা আজ বাংলাদেশের কোটি মানুষের জিজ্ঞাসা। কিন্তু এর উত্তর আমাদের কারো কাছেই নাই। সংবিধানের পবিত্র বানীর (জনগনই সকল ক্ষমতার অধিকারী/স্বাধীনভাবে সকল জনগনের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে) যথার্থতা আজ আর খুজে পাওয়া যাবেনা। আমরা সাধারন মানুষ। দেশ কিভাবে চলছে তা নিয়ে কথা বলার আমরা কে? আমরা তরুন সমাজ কিছু বলতে গেলেই আমাদের কন্ঠ রোধ করা হবে। ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ সাইটে কমেন্টের জন্য জেল জুলুমের শিকার হতে হলে আর মানুষ যাবে কোথায়? যাই হোক তোমার সাহসিকতার জন্য ধন্যবাদ। তবে তুমি বলেছ বড় হলে সবাই খারাপ হয়ে যায়। এটাই বাস্তবতা। তবে ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে। আর ব্যতিক্রম না থাকলে, পৃথিবীর সবাই খারাপ হয়ে গেলে পৃথিবীটা এতদিনে ধ্বংস হয়ে যেত। তাই তোমাকেই বলছি নিরাশ হয়ো না। সবাই খারাপ হোক, তুমি অন্তত খারাপ হয়ো না। তুমি একটু ব্যতিক্রম হও। দেখবে তোমার মতো আরো অনেককেই তুমি তোমার পাশে পাবে। তোমাদের মতো তরুনরাই একসময় দেশের কর্ণধার হবে। বুকে সাহস আর প্রতিজ্ঞা থাকলেই অসাধ্য সাধন করা যায় এ আমি বিশ্বাস করি। আবারো ধন্যবাদ দিয়ে লেখা শেষ করছি।
আহমেদ ইউসুফ
ঢাকা ০৬ এপ্রিল ১২
বোন তোমার কাছে প্রথমে ক্ষমা চাচ্ছি এই দেশের একজন মানুষ হিসাবে , আমরা আজ আত্নভোলা জাতিতে রুপান্তরিত হচ্ছি,বোন রাষ্ট্র যন্ত্র আমাদের গলাটিপে ধরেছে ৷ রাষ্টের আচরণ বৈরী পরিবেশ সৃষ্টি করেছে সমাজে যেখানে মানুষ বেঁচে আছে বেঁচে থাকতে হয় বলে ৷ তোমাকে সালাম তোমাকে সংগ্রামী অভিনন্দন, আমি বিশ্বাস করি তোমার মতবড়রা বুঝে এটা এমন যুগ যেখানে ভাল হয়ে চলার উপায় নেই, কিন্তু শিশুরা তো আর সেটা জানে না…
আমি, ১৩ বছরের কিশোরী, জানি না আমার ভবিষ্যৎ কি, কিন্তু এইটা জানি, একটি শিশু এই দেশকে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়ে ভাল চালাতে পারবে। বড়রা বুঝে এটা এমন যুগ যেখানে ভাল হয়ে চলার উপায় নেই, কিন্তু শিশুরা তো আর সেটা জানে না…
কেন জানি চোখে পানি এসে গেল…………। এই কি আমাদের দেশ, যে আমাদের ছোট্ট এই বোনেরা এত কিছু ভাবে, আর আমরা একটুও পরিবর্তন হচ্ছি না………। বিবেক কি আমাদের একটুও নাড়া দেয় না……………? সাথে আছি পরবর্তী প্রজন্মের যারা সত্যিকার অর্থেই দেশের জন্য কিছু ভাবে।
তোমার লেখা পড়ে আমার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি । শুধু এইটুকু বলব তুমি মানুষ হচ্ছো । শুভ কামনা…শুভ ভাবনা…….তোমার প্রতি ।
পোষ্ট সম্পর্কে বলার আগে অবশ্যই তোমার সাহসিকতা আর লেখনি সম্পর্কে বলতে হবে।খুবই ভালো লিখেছ,এই বয়সে লেখায় যতটা হাত পাকা হওয়ার কথা আমার মনে হচ্ছে তুমি একটু বেশি এগিয়েছ।দেশ সম্পর্কে তোমার অনুভুতি সত্যি প্রশংশনীয়।এটা দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ।দেশ সম্পর্কে যে ভাবনাগুলো এখন তোমাকে পুড়িয়ে মারছে এ ভাবনা গুলোর বিস্তর ধারনা সম্পর্কে তুমি এখনো পুরোপুরি পরিচিত নয়,বয়স বাড়ার সাথে সাথে ধারনা অনেক স্পষ্ট হয়ে উঠবে সেই চিন্তা ধারারও ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে।নেতিবাচক ভাবনাগুলো ভেবে তোমরা এখন সময় নষ্ট করবেনা,তোমাদের পরিকল্পিত নতুন বাংলাদেশের চেহারা উম্মোচিত করতে তোমাদের যা করা উচিত বলে মনে কর সে দিকেই খেয়াল রাখবে,নিজের জায়গা থেকে যতটুকু সম্ভব সচ্ছতা ধরে রাখার চেষ্টা করে যাও এর সাথে বন্ধুদের যুক্ত করতে পারলেতো ভালোই।আমার বিশ্বাস তোমাদের সচ্ছ চিন্তাধারা আর দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান একদিন সুন্দর বাংলাদেশের চেহারা পরিস্ফুটিত করবেই।শুভ কামনা রইল।
আপনাকে অজশ্র ধন্যবাদ ও স্বাগতম । শিশু বলেইতো নির্মমতাকে বেশী আঘাতের বলে মনে হয় । একমাত্র শিশুমনই এখনও পবিত্রতার আঁচ বহন করে । উপলব্ধি সব ভালো মানুষেরই আছে তবে কাচের ঘরের উপলব্ধি দেখা গেলেও শোনা যায় না । আর শোনা না গেলে আকুতির বঃহিপ্রকাশ অনেকটাই ম্রিয়মান । আমরা এই অবস্থা দিয়েই যাচ্ছি । পাকামো বলে আমি অনুৎসাহিত করবো না তবে একটা কথা বলি ভালো মানুষ অনেক রয়েছে যাদের উপর বিশ্বাস রাখা যায় । এত ছোটবেলা থেকেই মানুষের উপর বিরুপ ধারনা হতে থাকলে এক সময় নিজেকে মানুষ মনে করতে কষ্ট হবে । অসুন্দর সব নষ্ট হোক, জয় হোক সুন্দরের । বড়দের মনেও শিশুদের মত পবিত্রতায় ভরে উঠুক । আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি ছোট বয়সেই দেশের স্থপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখার জন্য ।