সজিব তৌহিদ, রংপুর ।রংপুরে কিশোর অপরাধ আশংকাজনকহারে বাড়ছে। গত দুই সপ্তাহে রংপুরে অন্তত ৩০টিরও বেশি কিশোর অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। এসব অপরাধের মধ্যে রয়েছে চুরি, ছিনতাই ছাড়াও বড় অপরাধীদের সাথে নানাভাবে যুক্ত থাকা। কিশোর অপরাধের প্রধান কারণ হিসেবে মা-বাবার অসচেতনতাকেই দায়ী করছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন। পাশাপাশি সঙ্গদোষ, মাদকসেবন, আকাশ সংস্কৃতি, পারিবারিক অথবা ব্যক্তিগত হতাশা, দারিদ্রতা ও কুসংস্কারজনিত কারণে কিশোরেরা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপকর্মে।
রংপুরের পুলিশ সুপার এস.এম.তানভীর বলেন, “অধিকাংশ কিশোরই মাদকের টাকা জোগাড় করতে অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। সন্তান যেন কোনভাবেই মাদকাসক্ত না হয় এজন্য মা-বাবাকেই দায়িত্ব নিতে হবে “।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রংপুরের সরকারদলীয় একটি ছাত্রসংগঠনের কিছু উঠতি নেতার ছত্রছায়ায় অনেক কিশোর অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। সন্ধ্যার পর শহরের ফাঁকা রাস্তায় নিয়মিত ছিনতাই চলছে। সবচেয়ে বেশি ছিনতাই হয় আমাশু-কুকরুল, শালবন, জুম্মাপাড়া, পার্কের মোড়, মর্ডান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রোড, লালবাগ, কলেজ রোড, ধাপ এবং সুপার মার্কেটের আশেপাশে।
গত কয়েকদিনে আমাশু-কুকরুল সড়কে প্রায় দশটির মতন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইয়ের শিকার একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের স্থানীয় প্রতিনিধিও রয়েছেন। এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ছোট ছোট ছেলেরা যে হারে ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ছে তা থামাতে না পারলে রংপুর কিছুদিন পর সন্ত্রাসের রাজ্যে পরিণত হবে”। তিনি আরো বলেন, “প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে এবং পরিবার প্রধানকেও এ বিষয়ে দায়িত্ব নিতে হবে”।
কিশোরদের অপরাধপ্রবনতা বিষয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মর্জিয়া আখতার বলেন, “কেবল আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের অপরাধপ্রবনতা বন্ধ করা সম্ভব নয়। সমাজে নীতি নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে হবে এবং অবশ্যই সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে হবে”।






ভালো লাগছে, লাইক মারলাম…………………………
Cultural diffusion and practices of nuclear family are main reason of juvenile delinquency…child are in need of proper advocacy.