ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় পূর্নিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি ।
বৈশাখী ঝরে আমরা যখন এক কাপ ধোয়া উঠা চা আশা করি তখন বস্তি বাসীরা রাস্তায় ছিলো, আমার বাংলা মায়ের অনেক শিশু একবেলা করে খেয়ে বা না খেয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত ছিলো এবং টাকার অভাব দখিয়ে কোন কোন ক্ষেত্রে আইনও দুর্বল করে রাখা হয়েছে এবং তার ফলাফল রুপে বস্তায় লাশ,বেডরুমে লাশ বা রাজপথে লাশ দেখে আমরা ভীত হচ্ছি প্রতিনিয়ত ।
এত অভাবের দেশে যেখানে একটি ছিন্নমূল শিশুকে দশ টাকা দিলে তার রাতে আনন্দে ঘুম হয় না সেই দেশের মন্ত্রির এপিএসের গাড়িতে ৭০,০০০০০ টাকা পাওয়া যাওয়া কি হিসাবে দেখলে আমরা এটাকে দুর্নীতি বা ব্যাক্তি স্বার্থ বলবোনা । যে কজন মন্ত্রি এবং সংসদ সদস্য রয়েছেন আমি নিজে থেকে তাদের মধ্যে সুরজ্ঞিত সেনগুপ্ত অর্থাৎ বর্তমান রেল মন্ত্রি মহোদয়কে নিজে থেকে সৎ মানুষ ভাবি ।
কিন্তু যে টাকা গুলো পাওয়া গেল তা কিসের ? এবং সবচেয়ে অবাককর বিষয় এত টাকা একসাথে দিয়ে মানুষ কি করে । আমাকে যদি একলক্ষ টাকা দিয়ে বলা হয় তুমি খরচ কর, আমি সত্যিই মুশকিলে পরে যাবো ।
সত্যিই আমার কান্না পাচ্ছে । কালও বস্তির অসহায়ত্ব দেখে কিছু না পারার অপরাধ বোধে দংশিত হয়েছি আর পরের দিনই এত টাকা একজনের কাছে দেখে বিস্মিত হলাম । কোন মানুষের অসহায়ত্বে, খুন হওয়ার পরে বা সব হারানোর পরে আর শান্তনা দিতে আসবেনা প্লিজ কারন এত টাকা কাছে থাকার পরও অসহায়ত্ব দেখে যারা নিশ্চুপ থাকতে পারে তারা খুনীর চেয়ে পাপের দিক থেকে কি খুব দূরে ।






টাকা গুলো ধরিয়ে দেওয়ার পিছনে গাড়ির ড্রাইভারকে দোষারোপ করেছে ঐ গাড়ির তিনজন যাত্রির মধ্যে কেউ কেউ । তাকে নাকি ৩০ লক্ষ টাকাও দেবার কথা বলা হয়েছিলো । যদি এমনটা সত্য হয় আর তাতেও ড্রাইভার লোভ না করে সত্যিই বিরত্ব দেখিয়ে টাকা ধরিয়ে দেওয়ার ব্যপারে সহায়তা করে তবে সে কি একজন সততার নায়ক নয় ? তাহলে সততা কি শুধু অসহায়দের মধ্যে থাকে ? আমরা সকল সৎ মানুষদের সমাজের নায়ক ভাবি । আমাদের মত সাধারন মানুষের কাছেই আবার হাত পাততে হবে এই মন্ত্রি নামের কতগুলো কলঙ্কিত ব্যাক্তির । যদি কলঙ্কিত হয়েই থাকে তবে এর জবাবও আমাদের নিশ্চই দিতে হবে । এটাই গনতন্ত্র । এর মজা পাবেন কিন্তু জবাব দিতে গেলে নানা ভনিতা সত্যিই কি মেনে নেওয়ার মত ?
ধন্যবাদ মিতুল ভাই, মন্তব্য করার জন্য ।
মোটর গাড়ী চালকেরা কেমন আছে একটু দেখা দরকার !
অধিকাংশ মালিকেরা ভাল আচরন করেনা।
বেতন পরিশ্রমের তুলনায় কম পেয়ে থাকে।
মালিকদের সময় তাড়না তাদের অস্থির করে তুলে।
মালিকদের অধিকাংশ সুকর্ম/কুকর্মের সাক্ষী,
অধিকাংশ সময়ে খাবারের সময় পায়না ।
গাড়ী মেরামতের কথা বললে মালিক সন্দেহের চোখে দেখে।
পুলিশের হয়রানী পিড়াদায়ক মনে করে, কাজে সহায়তাও করে।
ডাকাত,ছিনতাইকারী ও মাস্তানদের টার্গেটে থাকে।
কোন অবস্থাতেই মনে প্রানণ দুর্ঘটনা প্রত্যাশা করেনা।
সর্ব মহল থেকে দুর্ঘটনার দায় চালকের উপর দিয়ে থাকে।
পরিবারের কোন খোঁজই রাখতে পারে না।
শিক্ষাগত যোগ্যতা কম বলেই জীবনের ঝুঁকি নেয়।
এতসবের পরেও সরকারি সম্পদ রক্ষায় সচেষ্ট।
লাইসেন্স নবায়নে পরীক্ষা দিতে হবে ।
আজ চালকেরা যা বলছেন,
শিক্ষিত ডাক্তার রুগি মেরে ফেলছে। ইঞ্জিনিয়ার তার কাজে দুইনম্বরি করছে।
আমি খুবই আশাবদী মানুষ । সবকিছুর পরও স্বপ্ন দেখতে ভালো লাগে আমাদের নীতিগত দিক একদিন পাল্টাবে, আমরা স্ব, স্ব ক্ষেত্রে নিজেদের কাজের সম্মান দিতে শিখব । তারপরও অনেক ভালো মানুষ রয়েছেন যাদের কল্যানে আমাদের সমাজটা এখনও সুন্দর ।ধন্যবাদ । তবে একটা অনুরোধ কখনই হতাশ হবেন না ।
খুব ভাল লিখেছেন, ভাই! মন্ত্রী মহোদয় ধমক-ধামক দিয়ে কয়জনের মুখ বন্ধ করবেন? আমরা ১৬ কোটি লোক জানতে চাই, এত টাকা কোথা থেকে এলো? এই টাকা দিয়ে কী করার মতলব ছিল ?এবং দেশে এত টাকার বন্যা বয়ে যাচ্ছে, তার পরও কোটি মানুষ অনাহারে না মরে বেঁচে আছে ধুঁকে ধুঁকে, কেন???