Home » ইভটিজিংমুক্ত বাংলাদেশ চাই » নারীর অধিকার হরণ ও সভ্যতার উত্তরণ ।

নারীর অধিকার হরণ ও সভ্যতার উত্তরণ ।

352 বার পঠিত

 

সৃষ্টি জগতের যে সকল সৃষ্টি তার মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় নারী । নারী নিয়ে,নারীত্ব নিয়ে, নারীবাদ নিয়ে এত বেশি আলোচনা হয়েছে বিশ্ব পরিমণ্ডলে অন্য কিছু নিয়ে হয়েছে বলে মনে হয় না । কিন্তু এত আলোচনা – সমালোচনার পরেও কাঙ্খিত সমাধান আজোও বিরল ! নারী একাধারে একজন মাতা, একজন বউ, বোন নানান পরিচয়ে পরিচিত । প্রতিটি পরিচয়ের পেছনে আছে সুদীর্ঘ ইতিহাস । সবখানে নারীর স্নেহময় পরশ বিদ্যমান, একজন মায়ের কাছে তার সন্তান পরম আরাধ্য, একজন স্ত্রীর কাছে স্বামী নির্ভরতার অন্যতম প্রতীক, একজন বোনের সাথে ভাইয়ের সম্পর্ক দুনিয়ার সবচাইতে মধুরতম । কিন্তু নারী জাতি ঠিক কতটুকু স্বাধীন? না কি এরা চিরকাল সেবার অন্দর মহলে উৎসর্গিত থেকেই যাবে ?

আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারী হচ্ছে সভ্যতার সবচেয়ে নিষিদ্ধ কিন্তু আকর্ষণীয় উপাদান । যেটা নিয়ে নির্মল আনন্দের উপলক্ষ পাওয়া যায় । পুরুষ শাসকের মোড়কে খোলসবন্ধী নারী, যেখানে নারী অতিনিষিদ্ধ , নারীর অধিকার দাবি যেখানে বিদ্রোহীতা, যেখানে নারী শুধু মাত্র দাসী ও ভোগ্যসামগ্রী । প্রথা মানতে গিয়ে আমরা নারীবন্দীর বোতলের ছিপি টাকে নিত্যদিন টাইট করছি । নারী এখনো ও পৃথিবীর অনেক স্থানে বিপদজনক, নারী আবার কখনো কখনো অচ্ছুত ও হয়ে যায় । যেমন – ঋতুস্রাবের সময় নারীকে অনেক দূরে ঠেলে দেওয়া হয়, ক্ষেত্র বিশেষে তাকে অপবিত্র বলে অপবাদ দেওয়া হয়। তাছাড়া পুরাণ বা ধর্মগ্রন্থেও একে অত্যন্ত অশুচি বলা হয়েছে । আদিম সমাজে নারীদের ঋতুকালে নারীকে স্বাভাবিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হত । বর্তমান সভ্য সমাজেও তেমন ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে না ! কিন্তু এ সময়ে তাদের আপনজনদের সঙ্গ দরকার । নারীর ঋতুকালে যে যন্ত্রণা ভোগ করে তা শুধুমাত্র মানসিক, মনস্তাতিক বা প্রাকৃতিক কিন্তু পুরুষতান্ত্রিক সমাজে তা যেন ঘৃণ্য! ধিক্ এ ভণ্ডামিকে , মরচে পড়ুক এ ধরনের নষ্ট কু-মানসিকতায় ।

ঠিক উল্টো পথে আবার নারী সে কুমারী হোক বা অন্য কিছু হোক পুরুষের পরম আরাধনার বিষয় । তাহলে দেখা যাচ্ছে নারীর ভালো-মন্দ নির্ভর করে পুরুষ তাকে নিয়ে কি ভাবছে ? যে নারীকে পুরুষরা অপবিত্রের অপবাদ দিয়ে দূরে ঠেলে দিচ্ছে তা আবার নিজের প্রয়োজনেই, নিজের উত্তেজনা নিবারন করার জন্য বুকে টেনে নিচ্ছে । কেন এ বিপরীত চিত্র ?

প্রায় সব ধর্মে নারীর অধিকার এর কথা বলা হয়েছে, তবে তা পুরুষের অধস্থনেই । বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে তা এখন কতটুকু ন্যায্য তা বিবেচনার কি দাবি রাখে না? সৃষ্টির শুরু থেকেই নারীই যেন সমস্ত পাপের মূল, মনে হয় আগমনী দরজা । নারীকে দোষারোপ করা হয়েছে কারণে-অকারণে । সেটি আদমের স্বর্গ থেকে বিতারন বা ট্রয় নগরী ধ্বংস হোক । সবখানে নারীর অপবাদ, সবক্ষেত্রে নারীকে নিয়ে ছেলেখেলার নির্মম ইতিহাস । এই যেমন- জেনা করা সব ধর্মেই পাপ । কিন্তু শাস্তি নারী-পুরুষ ভেদে ভিন্ন ।  এবং আমাদের সমাজে মূল্যায়ন ও দুই রকম হয় এক্ষেত্রে । এক জন পুরুষ তার কাম উত্তেজনা নিবারণ করার জন্য বেশ্যালয়ের খদ্দের হতে পারে, হতে পারে দু-চারটা মেয়ের শয্যাশায়ী, কিন্তু মেয়ের ক্ষেত্রে ? তদ্রুপ পুরুষরা চাইলে হালি হালি বিয়ে করতে পারে, একের অধিক মেয়ের সাথে রাত কাটালেও এখানে সেটা তার পুরুষত্বের প্রমান, কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে ? আমাদের প্রথা মানা সমাজ এটাই অনুসরণ করে আসছে ! তাহলে বুঝাই যাচ্ছে নারী ভোগিত হয়েই যাবে আর পুরুষ তার রস আস্বাদন করবে । নারী চিরকালই রস দিয়ে যাবে, সন্তান উৎপাদনের বাক্স হয়ে থাকবে এমন ভাবধারায় মরচে পড়ুক । নব সভ্যতায় চির বিদায় নিক এইসব ভ্রান্ত ধারনার।

কথা হচ্ছে নারী স্বাধীনতা নিয়ে বা পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীর অধিকার নিয়ে । প্রথা বিরোধী লেখক হুমায়ন আজাদ এর মতে একমত হয়েই বলছি- কেউ নারী হয়ে জন্ম গ্রহন করে না, ক্রমশ নারী হয়ে উঠে । প্রথাসিদ্ধ  সমাজই দায়ী যতটা না দায়ী নারী নিজেই । রবি ঠাকুরের মতে- শুধু বিধাতার সৃষ্টি –নহ তুমি নারি, পুরুষ গড়েছে তোর সৌন্দর্য সঞ্চারী । তার মানে এটাই প্রতীয়মান হয় যে – নারীর রুপ লাবণ্য নির্ভর করে পুরুষ নারীকে কিভাবে দেখছে তার উপরে ! এখানে পুরুষের অহমিকা, কামনার প্রকাশ পেয়েছে প্রবলভাবে । কোন পুরুষকে যদি গালি দেওয়া হয়, যেমন- লম্পট, চোর , বদমাশ কিন্তু যখনি বলা হয় তুই একটা নারী, সাথে সাথে তার সম্মানে আঘাত লাগে । এ থেকে বুঝা যায় নারী পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে কেমন ! পুরুষ নারীকে তার অবস্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে সেটি অনেকক্ষেত্রে আদম হতে হাওয়ার সৃষ্টি, সহবাসের সময় নারীর অবস্থান, বা পরিবারে নারীর সেবা দাসীর ভূমিকা । যে নারীর মাংস পুরুষের কাছে সু-স্বাদু, যে নারীর পাঁজরে পড়ে থাকে পুরুষ, কিন্তু উত্তেজনা কেটে গেলে সে নারীকেই পুরুষ প্রতিবন্ধী মনে করে ! কি মিল শুধুমাত্র প্রয়োজন আর সময়ের তফাত । ধর্মগ্রন্থে আছে – স্ত্রীগনদের  সদুপদেশ দাও কেননা পাজরের হাড় দ্বারা তারা সৃষ্টি, এটিকে সোজা করতে চাইলে ভেঙ্গে যাবে, আর ছেড়ে দিলে আরও বাঁকা হবে !!

নারীকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য যা যা করা দরকার তার সবটুকু পুরুষের হাতে বিদ্যমান । নারী চিরকালই ভোগবস্তু, তার উত্তেজনা পুরুষ ছাড়া অর্থহীন । সে সবসময় অধঃস্তন , সেটা হোক কর্মক্ষেত্রে , হোক সেটা রাষ্ট্রে বা সমাজে, সমান পরিশ্রম করলেও মজুরী কিন্তু সমান না । তার উপর আবার বসদের খুশি রাখা ! সভ্যতার কি চোখ ধাঁদানো নিদর্শন ? ধিক এ সমাজ ! ধিক এ প্রথা !

সিমোন দ্য বোভোয়ার এর মতে – ইতিহাস ভরে নারী পরিণত হয়েছে পুরুষের সামগ্রীতে, নারীকে তৈরি করা হয়েছে পুরুষের অপরূপে, অস্বীকার করা হয়েছে তার নিজস্বতা এবং নিজ দায়িত্ব গ্রহনের অধিকার _________

সবশেষে বলতে চাই নারী-পুরুষ একে অপরের পরিপূরক । নারী পরিচিত হোক তার নিজস্বতা দিয়ে, পুরুষের চোখে নয়, নারী শুধু কাম-উত্তেজনা নিবারনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, থাকবে না শুধু মাত্র সেবা দাসীর ভূমিকায় । নারীর পদচারনায় মুখরিত হোক জানা-অজানাতে, সকল কিছুতেই , সকল প্রান্তে।

“ পুরুষ শিকারি, নারী শিকার “ এমন ভাবধারাই মরচে পড়বে এ আশাই আছি ।

 

 

মন্তব্য
  • masud khan এপ্রিল 20, 2012 at 9:53 অপরাহ্ন

    আপনার যুক্তি মানলাম তবে এখানে সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে নৈতিকতা _ আপনার কথার সুত্র ধরে যদি বলি _ পাঁচ বছরের মেয়েগুলু কেন ধর্ষিত হয় ? মেয়েটা শারীরিক বলি কিংবা মানসিক বলি অবশ্যই অপরিনত _ তাহলে দেখা যাচ্ছে আগে আপনাকে ভাল-মন্দের তফাৎ বুঝতে হবে ।

    পোশাকের ব্যাপারে কি বলবো বুঝতে পারছি না এটা একদিকে টার স্বাধীনতার ব্যাপার এবং আপনার এ কথাটি ও সত্য যে নারী পুরুষের আকর্ষণ চিরকাল ই থাকবে , সেটা যেন সীমা লঙ্গন না করে ।

    আপনাকে ধন্যবাদ ।

  • voboghure এপ্রিল 20, 2012 at 11:36 পূর্বাহ্ন

    masud, এখন সবকিছু পরিবর্তনশীল । আগে নারিশিক্ষার কথা কল্পনা করা যেন অন্যায় ছিল , আর এখন… দিন বদলে গেছে । মেয়েরা চাকুরী করছে এইটা কেউ সহজে মেনে নিতে পারতনা । আর এখন… সেই চিন্তা করার সময় নাই । আসলে সব কিছু সময়ের দাবী । এখন আর মেয়েদেরকে দাসী ভাবার কোন অবকাশ নাই । আমি আপনার মতের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি ।এবার আসুন মুদ্রার উল্টা পিঠ একটু দেখে নেই , স্রস্টা নারীদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে নারী শরীরের উন্মুক্ত কোন অংশ দেখলে পুরুষ শরিরে সাভাবিক উত্তেজনা আসে। এইটা কি পুরুষের দোষ? এখন কথা হল আমি তাকাব কেন?
    একটি সত্য ঘটনা বলি- একদিন ফার্মগেটে ৫ জনের একটি দল দেখি, যাদের মধ্যে একজন অনেক বয়স্ক মহিলা (৫৫/৬০), দ্বিতীয়জন ও মহিলা (৩৭/৩৮) , তৃতীয় বেক্তি ১ টি ছেলে ( ২৪/২৫) , ছোট ১ টি বাচ্চা (৫/৬) এবং সর্বশেষ ১ টি মেয়ে ১৮/ ১৯ বছরের । আমি মেয়েটির কথায় আসছি- মেয়েটির পরিধেয় পোশাক এতো পাতলা ছিল যে তার অন্তর্বাস ভেদ করে সবকিছু দেখা যাচ্ছিল । আমি বয়স্ক মহিলাটিকে সালাম দেই এবং জিজ্ঞেস করি মেয়েটি আপনার কি হয় ? জবাবে মহিলাটি বলে নাত্নি । আমি ওনাকে বলি- দেখুন মা বোন আমাদের প্রত্যেকের আছে ,মেয়েটি কে আপ্নারা এই অবস্থায় বাহিরে নিয়ে আসছেন কেন, উনি বললেন যে ওরা স্বামী-স্ত্রী ।
    এখন আমার কথা হল ১জন না হয় মেয়েটির স্বামী ,রাস্তার অন্য পুরুষরা কি মেয়েটির স্বামী । এই অবস্থায় যদি মেয়েটি ইভটিজিঙ্গের স্বীকার হয় সেই দায় কে নিবে ? সমগ্র পুরুষ সমাজ ?

  • masud khan এপ্রিল 19, 2012 at 2:42 অপরাহ্ন

    যে প্রথার কথা বলছিলাম তার ই প্রমান নারী দের ক্রমশ নারী হয়ে উঠা , এটা এক প্রকার বাধ্য তবে আমি মোটেও অস্বীকার করছি না নারীদের মনোভাব এ ক্ষেত্রে ও কিছুটা দায়ী বটে । আমাদের সমাজ নারীদের সব সময় পুরুষের অধস্থন ভাবে _ আগে এটা পাল্টাতে হবে তার উপর বাদবাকি কাজ ।

    voboghure, আপনার প্রশ্নের জবাব আশা করি এখানেই পাবেন ।

    তার মানে আমি অস্বীকার করছি না আপনার কথা গুলু কে ! কিন্তু অপরাধ আসলেই যদি সবার সমান হয়েই থাকে তাহলে জেনার শাস্তি পুরুষ মহিলা ভেদে ভিন্ন কেন ? কেন তফাৎ থাকবে সামাজিক মান মর্যাদায় ? আপনি এখানেও পুরুষত্বের তীব্র মনোভাব দেখালেন । কেও পাপী হয়ে জন্ম নেই না , সমাজ থাকে পাপী করে তোলে । ধিক এ সমাজ কে যেখানে নারীকে পুরুষের হাতের মোয়া মনে করা হয় !

  • voboghure এপ্রিল 19, 2012 at 2:32 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ এই লেখাটির জন্য, এক পিঠের মুদ্রা দেখেছেন কখনো ? আমি নিশ্চিত দেখেননি । কারন মুদ্রা কখনো এক পিঠের হয় না । সৃষ্টিকর্তা আমাদেরকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে- নর কিংবা নারী কেও কাউকে উপেক্ষা করতে পারেনা শুধু নিজেদের কারনে । শুনেছেন কখনো পুরুষ ধর্ষণের কথা ? যখন শুনবেন তখন আপনার প্রতিক্রিয়া কি হবে জানিনা । অপরাধ সবসময় অপরাধ ,অপরাধির কোন লিঙ্গভেদ নাই । যদি শুনেন একটি মেয়ে একের পর এক ছেলেদেরসাথে সম্পর্ক করে শুষে নিচ্ছে ওই পুরুষের জীবন-যৌবন । ধর্ষিত সেই পুরুষ কোন আদালতে যাবে বিচারের জন্য, বলতে পারেন? আমরা কেউ ধুয়া তুলসি পাতা নয় । আমার অপরাধের দায়ভার আমার একার,সমগ্র পুরুষ জাতির নয় । তেমনি যে মেয়েটি এইধরনের অপরাধ করেছে তার দায়ভার শুধু তার নিজের ,এইজন্য নারী জাতি দায়ী নয় । সবশেষে আবারও বলছি অপরাধীর লিঙ্গভেদ নেই । ধন্যবাদ সবাইকে ।

  • masud khan এপ্রিল 17, 2012 at 4:27 অপরাহ্ন

    যে প্রথার কথা বলছিলাম তার ই প্রমান নারী দের ক্রমশ নারী হয়ে উঠা , এটা এক প্রকার বাধ্য তবে আমি মোটেও অস্বীকার করছি না নারীদের মনোভাব এ ক্ষেত্রে ও কিছুটা দায়ী বটে । আমাদের সমাজ নারীদের সব সময় পুরুষের অধস্থন ভাবে _ আগে এটা পাল্টাতে হবে তার উপর বাদবাকি কাজ ।

  • Dakua এপ্রিল 17, 2012 at 3:12 অপরাহ্ন

    একটু যোগ করে বলতে চাই- নারী নিজেকে নারী মনে না করে মানুষ মনে করতে বাঁধা কোথায়? সমাজ নারীকে ভোগ্য পণ্য মনে করে সঠিক, কারণ এটা পুরুষ শাসিত সমাজ! তবে নারী তার সাথে সাথে সায় দিয়ে নিজেকে নারী হিসেবেই গড়ে তোলে অনেক ক্ষেত্রেই! এটা আমাদের কাম্য নয়! যেমন ভোগ্য পন্যের মত নিজেকে অপ্রয়োজনীয় আকষর্ণীয় করতে প্রচেষ্টা করা, পুরুষের উপর অনেক ক্ষেতেই খুব বেশী নির্ভরশীল হওয়া ইত্যাদি পরিহার করা উচিত সকল নারীর। তবেই আমরা নারী পুরুষ সকলের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে একটা সুষম সমাজের স্বপ্ন দেখতে পারি।

  • masud khan এপ্রিল 17, 2012 at 1:18 অপরাহ্ন

    মহসিন আলম _আপনাকে ধন্যবাদ । শুধু এটার মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ শুরু করেন ।

  • Mohsin Alam এপ্রিল 17, 2012 at 12:14 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ মাসুদ খান চমত্কার একটি লেখা লেখার জন্য

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) এপ্রিল 17, 2012 at 10:57 পূর্বাহ্ন

    সবচেয়ে দুঃখ জনক নিজ ঘরেই নারীরা সবচেয়ে পরাধীন থাকে । মত প্রকাশ, ছোট্ট কোন চাওয়া, হতাশায় শান্তনা পাওয়া বা তীব্র যন্ত্রনায় কাউকে পাশে পাওয়ার ক্ষেত্রেও এতটুকু সহানুভুতি থেকে বঞ্চিত হয় । ঘরের অধিকার নারীকে দিতে হলে আমাদের প্রত্যেকের এ বিষয়ে কাজ করা জরুরী । যা আপনার লেখায় সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছেন । মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে ।

    • masud khan এপ্রিল 17, 2012 at 1:17 অপরাহ্ন

      এ সমাজ নারীকে পরাধীন করে রাখার সমস্থ প্রক্রিয়া ঠিক করে রেখেছে, অনেক আগে থেকেই আর তার মধ্যেই আমরা পানি দিয়ে এটাকে সচল করে রাখি । নারী স্বাধীনতা বলতে আমরা কি বুঝি ? এটা নিয়ে পরিষ্কার ধারনা সবার থাকা উচিত।

  • masud khan এপ্রিল 16, 2012 at 4:13 অপরাহ্ন

    আল – মাসুদ আপনাকে ধন্যবাদ এবং সাহসী অভিনন্দন । আমি জানি খড়গ আসতে পারে । তবে প্রথা না মানতে চাইছি তাই এ লিখাটা ।

  • Al Masud এপ্রিল 16, 2012 at 4:08 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ masud khan । অসাধারণ লিখেছেন। প্রথমে পুরুষদের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দরকার। অনেক ধর্মান্ধ আপনার এই লেখার প্রতিবাদ করতেও পারে। তারা নিজেরাও জানেনা তাদের অন্ধকারের অবস্থান সম্পর্কে; তারা জানেনা প্রথার উত্পত্তি সম্পর্কে। আপনার এই নারীবাদী লেখাকে অনেক নারীই মানতে চাবে না, কারণ সেসব নারী নিজেও জানেনা তাদের অধিকার সম্পর্কে। যাই হোক পৃথিবীটা শুধু পুরুষের না নারীরও। তাই আমরাও চাই সকল প্রথার আগে আমরা মানুষ।

© বদলে যাও বদলে দাও