Home » অন্যান্য » বৃদ্ধাশ্রম : কঠিন এক সত্য….

বৃদ্ধাশ্রম : কঠিন এক সত্য….

400 বার পঠিত

মীর আব্দুল আলীম

“আপনের চেয়ে পর ভাল, পরের চেয়ে বৃদ্ধাশ্রম।” কঠিন এক সত্য। আর এ সত্যকে মেনেই অনেক বৃদ্ধ মা-বাবা আশ্রয় নেন বৃদ্ধাশ্রমে। সন্তানের কাছে যাদের বেশী কিছু চাওয়ার নেই; শেষ বয়সে আদরের সন্তানের পাশে থেকে সুখ-দুঃখ ভাগ করবার ইচ্ছা এতটুকুই যা চাওয়ার । আর এ নিয়েই প্রতিটি পিতা-মাতা প্রহর গুনতে থাকেন দিবা-রজনী। কিন্তু অনেকেরই সেই সন্তানের কাছে আশ্রয় না হয়ে; আশ্রয় হয় আপনজনহীন বৃদ্ধাশ্রমে। শেষ বয়সে মস্ত ফ্লাটের ঘরের কোনেও জনমদুখী মা-বাবার এতটুকুও জায়গা মিলে না। ওদের ছুঁড়ে দেয়া হয় প্রবীণ নিবাসনামীয় নরকে মীর আব্দুল আলীম “আপনের চেয়ে পর ভাল, পরের চেয়ে বৃদ্ধাশ্রম।” কঠিন এক সত্য। আর এ সত্যকে মেনেই অনেক বৃদ্ধ মা-বাবা আশ্রয় নেন বৃদ্ধাশ্রমে। সন্তানের কাছে যাদের বেশী কিছু চাওয়ার নেই; শেষ বয়সে আদরের সন্তানের পাশে থেকে সুখ-দুঃখ ভাগ করবার ইচ্ছা এতটুকুই যা চাওয়ার । আর এ নিয়েই প্রতিটি পিতা-মাতা প্রহর গুনতে থাকেন দিবা-রজনী। কিন্তু অনেকেরই সেই সন্তানের কাছে আশ্রয় না হয়ে; আশ্রয় হয় আপনজনহীন বৃদ্ধাশ্রমে। শেষ বয়সে মস্ত ফ্লাটের ঘরের কোনেও জনমদুখী মা-বাবার এতটুকুও জায়গা মিলে না। ওদের ছুঁড়ে দেয়া হয় প্রবীণ নিবাসনামীয় নরকে । তবুও প্রতিবাদ দানা বাঁধে না; মন অভিশাপ দেয় না। নাড়ী ছেঁড়া ধন ওরা। তাই চুপ থাকেন…একেবারে চুপ। তবে এ নিষ্ঠুরতা তাদের কেবলই কাঁদায় … এ কেমন নিয়তি ? ভাবি আমরা কতটাই না আধুনিক স্বার্থপর ! বৃদ্ধ পিতা-মাতার আর বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে লিখব আর নচিকেতার সেই গান গুন গুন করে গাইব না তা কি করে হয়। “ছেলে আমার মস্ত মানুষ মস্ত অফিসার মস্ত ফ্ল্যাটে যায় না দেখা এপার-ওপার নানা রকম জিনিস আর আসবাব দামি দামি সবচেয়ে কম দামি ছিলাম এক মাত্র আমি ছেলে আমার, আমার প্রতি অগাধ সম্ভ্রম আমার ঠিকানা তাই বৃদ্ধাশ্রম।” বিষয়টি টেনে না আনলেই নয়।

৪ অক্টোবর ২০১১। আমি তখন মক্কায় হজ কার্যক্রম নিয়ে ব্যাস্ত। সাথে ৩ শ ১০ জনের কাফেলা। আমরা কাবা ঘরকে ঘিরে তাওয়াফ করছি। ক্লান্তিতে অনেকটা গলদঘর্ম। এরই মাঝে চোখ গেল এক বৃদ্ধ মা ও তার সন্তানের দিকে। তিরিশউর্দ্ধ সন্তান তার বৃদ্ধ পঙ্গু মাকে কোলে নিয়ে তাওয়াফ করছেন। মক্কায় রোদের প্রখরতায়ও যেখানে ঘাম ঝরতে চায় না সেখানে ছেলেটা ভিজে একাকার। কষ্ট হচ্ছে, খুব কষ্ট। মাথা আর কপাল বেয়ে বেয়ে ঘাম ঝরছে অঝরে। সকলে আল্লাহর ধ্যানে মশগুল হলেও সবাই একপলক দেখে নিচ্ছেন ঐ আদর্শ ছেলে আর মাকে। প্রচন্ড ভিড়েও আমি তাদের কাছে যাবার চেষ্টা করলাম। সফলতা পেলাম। ভিনদেশী তাই ভাষা বুঝানো না গেলেও ঐ সন্তানের মাথায় হাত রেখে খানিকটা আদর করলাম। ভাবলাম এটাইতো হজ্জ। তওয়াফ শেষে হোটেলে এসে একই ভাবনা। ভাবনায় আমার পরিচিত এক ডাক্তার ও তার বাবা-মা চলে এলেন। যারা জমিজিরাত বিক্রি করে সন্তানকে মানুষ করে শেষ জীবনে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন গাজীপুরের বৃদ্ধাশ্রমে। ঐ ডাক্তার সাহেবই নন অনেকেই এখন পশ্চিম বিশ্বের জঘন্য রীতি পালনে অভ্যস্ত হয়ে পরেছেন। যার কারণে পিতা-মাতারা বৃদ্ধ বয়সে সে সব বৃদ্ধ নিবাসে শেষ জীবন কাটায় অবহেলায়, অযত্নে, করুণভাবে। অথবা ছেলে-মেয়েদের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়ে শেষ জীবনে বৃদ্ধ নিবাসকে বেছে নেয় তারা। বৃদ্ধাশ্রম আমাদের দেশে সংস্কৃতির অংশ নয়, বরং কিছুটা প্রয়োজন এবং অনেকটাই মূল্যবোধের অবক্ষয়ের প্রকাশ। আমাদের এখানে যাঁরা বৃদ্ধাশ্রমে থাকেন তাঁদের বেশিরভাগই যে সেচ্ছায় থাকেন তা নয়। অনেকেই সন্তানের অবহেলা বা অযত্নের কারণে, কখনও কখনও দুর্ব্যবহারের শিকার হয়ে আশ্রয় নেন এসব নিবাসে। আজ যাঁরা বৃদ্ধ তাঁরা নিজেদের জীবনের সকল সময়, ধন সম্পদ বিনিয়োগ করেছিলেন সন্তানের জন্য, নিজের জন্য রাখেননি কিছুই। কিন্ত বৃদ্ধ বয়সে সন্তানের কাছ থেকে এর একটি ক্ষুদ্র অংশও তারা পাচ্ছেন না। কখনও দেখা যায় সন্তান তার নিজের পরিবারের খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাই পিতামাতাকে মনে করছে বোঝা। নিজে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে একটু ভাল থাকার জন্য বাবা-মার ঠাঁই করে দিয়েছেন বৃদ্ধাশ্রমে। আবার এমনও দেখা যায় যে সন্তানের টাকা পয়সার অভাব নেই, কিন্তু পিতামাতাকে নিজের কাছে রাখার প্রয়োজন বোধ করছেন না, বা বোঝা মনে করছেন। হয় নিজেই পাঠিয়ে দিচ্ছেন বৃদ্ধাশ্রমে, নয়ত অবহেলা দুর্ব্যবহার করে এমন অবস্থার সৃষ্টি করছেন যেন তাদের পিতামাতা নিজেরাই সরে যান তার সাধের পরিবার থেকে। কেউ কেউ আবার এমনও বলেন, তাঁর টাকার অভাব না থাকলেও সময়ের অভাব আছে, পিতা-মাতাকে দেখভাল করা বা তাদের সঙ্গে কথা বলার মতো পর্যাপ্ত সময় তাঁর নেই। তাই বাবা বা মা একা একা নির্জন থাকার চেয়ে বৃদ্ধনিবাসে অন্যদের সঙ্গে একত্রে সময় কাটানোই তাঁদের জন্য ভাল। একবার বৃদ্ধনিবাসে পাঠাতে পারলেই যেন সকল দায়মুক্তি। এভাবে নানা অজুহাতে পিতা-মাতাকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। অনেক নামী দামী বুদ্ধিজীবী, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষক, চাকরিজীবী যাঁরা একসময় খুব বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ছিলেন, বৃদ্ধ বয়সে এসে নিজের সন্তানের দ্বারাই অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে বৃদ্ধাশ্রমের স্থায়ী বাসিন্দা হতে বাধ্য হচ্ছেন। অনেক সন্তান বা আত্মীয়সজন আর তাঁদের কোন খবরও নেন না। তাদের দেখতে আসেন না, এমনকি প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা বা জিনিসপত্রও পাঠান না। বাড়িতে কোন অনুষ্ঠানে বা ঈদের আনন্দের সময়ও পিতা-মাতাকে বাড়িতে নেন না। এমনও শোনা যায়, অনেকে পিতা বা মাতার মৃতুশয্যায় বা মারা যাবার পরও শেষবার দেখতে যান না। বৃদ্ধনিবাসের কর্তৃপক্ষই কবর দেয়া বা যে কোন শেষকৃত্য করার সকল ব্যবস্থা করেন, অথচ তাঁর প্রিয় সন্তানরাই কোন খবর রাখেন না। হয়তো এটাই নিয়তি। ইসলাম ধর্মে মাতা-পিতার যে সম্মান মর্যাদা দেয়া হয়েছে তা অন্য কোন ধর্মে নেই। অথচ সেই মুসলমানদের দেশে এই জঘন্য রীতির প্রচলন হচ্ছে। এমনকি শতকরা ৯৫ ভাগ মুসলমানদের দেশ বাংলাদেশেও এ রীতির প্রচলন ঘটতে যাচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত এদিকে দৃষ্টি দেয়া। কারণ এর দ্বারা বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে অবমাননা অকর্মনা ও অবহেলিতই প্রতিপন্ন করা হয়; যা স্পষ্টত কুফরী ও জাহান্নামে যাওয়ার পথকে সুগম করে। মনে রাখা উচিত- আজ যারা যুবক আগামীতে তারাও বৃদ্ধ হবে। তখন কী তারা এই অবহেলিত জীবন মেনে নিবে? মূলতঃ দ্বীনী মানসিকতাসম্পন্ন কোন মুসলমান এমন জঘন্য রীতি মানতে পারে না। স্মরণীয় যে সমস্ত বৃদ্ধ বা বৃদ্ধাদের কেউ নেই এবং মাথা গোঁজারও কোন স্থান নেই শুধুমাত্র তাদের জন্যই বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা নিবাস হতে পারে। বাস্তবিক পক্ষে আমাদের দেশে বাবা মায়েরা দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রক্ত পানি করে সন্তান মানুষ করেন। সন্তান বড় হয় । তাদেরও সন্তান হয়। তারপরেই শুরু হয় বৃদ্ধ বাপ মায়ের ঝড়ের রাত। কেউ লাথি গুতা খেয়ে চোখের পানিতে বুক ভাসিয়ে পরিবারের বোঝা হয়েই থাকেন । অনেককে দেখা যায় বৃদ্ধ বয়সে অন্যের বাড়িতে কাজ করতে। রেল স্টেশন, বাস টামির্ঞ্চনাল, লঞ্চ ঘাটের খালি জায়গায় শুয়ে বসে থাকা বৃদ্ধ বৃদ্ধার সাথে কথা বলে নিষ্ঠুর নির্মম যে কাহিনী বেরিয়ে আসে অনেক সময় তা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। খোঁজ নিয়ে যে সমস্ত বৃদ্ধাশ্রম, প্রবীণ হিতৈষী হোস্টেল, প্রবীণ নিবাসের কার্যক্রমের মোটামুটি বিস্তারিত জানা গেছে তার অধিকাংশ বাসিন্দাই মানসিকভাবে অসহায় হলেও আর্থিক ভাবে অসহায় নয়। কেউবা পরিবারের আচরণে অভিমান করে প্রবীণ নিবাসে আশ্রয় নিয়েছেন। সকল প্রকার বিল পরিশোধ করার আর্থিক সামর্থ্য তার নিজেরই আছে। আবার কেউ কেউ থাকেন সন্তান পুত্রবধুর প্রতিদিনের ঝগড়া ঝাটি থেকে উপদ্রপমুক্ত শেষ বয়সে একটু শান্তির জন্য। তারা এটা করেন পরিবার পরিজনের সাথে সমঝোতা করেই। বৃদ্ধাশ্রম অবহেলিত বৃদ্ধদের জন্য শেষ আশ্রয়। তাঁদের সারা জীবনের অবদানের যথার্থ স্বীকৃতি, শেষ সময়ের সম্মান ও নিরাপত্তা দেয়া হয় এসব বৃদ্ধাশ্রমে। এখানে তাঁরা নির্ভাবনায়, সম্মানের সঙ্গে, আনন্দের সঙ্গে বাকি দিনগুলো কাটাতে পারেন। প্রয়োজনে অনেক বৃদ্ধাশ্রমে চিকিৎসারও সুন্দর ব্যবস্থা করা আছে। কিন্তু সকল প্রাপ্তির মাঝেও এখানে যা পাওয়া যায় না তা হলো নিজের পরিবারের সান্নিধ্য। বৃদ্ধ বয়সে মানুষ তার সন্তান, নাতি-নাতনিদের সঙ্গে একত্রে থাকতে চান। তাদের সঙ্গে জীবনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে চান। সারাজীবনের কর্মব্যস্ত সময়ের পর অবসরে তাদের একমাত্র অবলম্বন এই আনন্দটুকুই। বলা যায় এর জন্যই মানুষ সমগ্র জীবন অপেক্ষা করে থাকে। বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় পাওয়া যায়, সঙ্গীসাথী পাওয়া যায়, বিনোদন পাওয়া যায়, কিন্ত শেষ জীবনের এই পরম আরাধ্য আনন্দটুকু পাওয়া যায় না যাঁর জন্য তারা এই সময়টাতে প্রবল মানসিক যন্ত্রণা আর ভারাক্রানত্ম হৃদয়ে আবেগাল্পুত হয়ে ওঠেন। নেহায়েত অনন্যপায় হয়ে, ইচ্ছার বাইরে যাঁরা বাবা- মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠান, তাঁদের কথা ভিন্ন। কিন্তু যাঁরা নিজের পর্যাপ্ত সম্পদ ও সময় সুযোগ থাকার পরও শুধু অবহেলা করে পিতা-মাতাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দিয়ে ভুলে যান, তাঁদের স্মরণ রাখা দরকার, এমন সময় তাঁদের জীবনেও আসতে পারে। যে বাবা-মা একসময় নিজে না খেয়েও সন্তানকে মুখে তুলে খাইয়ে দিতেন, তাঁরা আজ কোথায় কেমন আছেন সেই খবর নেয়ার সময় যাঁর নেই তাঁর নিজের সন্তানও হয়ত একদিন তাঁর সঙ্গে এমনই আচরণ করবে। বিভিন্ন উৎসবে, যেমন ঈদের দিনেও যখন তারা তাদের সন্তানদের কাছে পান না, সন্তানের কাছ থেকে একটি ফোনও পান না, তখন অনেকেই নীরবে অশ্রুপাত করেন আর দীর্ঘশ্বস ছাড়েন। এমনকি সেই সন্তানকে অভিশাপ দিয়ে কামনা করেন, তাঁর সন্তান তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করল, ভবিষ্যতে তাঁর ছেলের সন্তানও যেন একই আচরণ করে। একদিন যে সন্তানের জন্য বাবা-মা ছিলেন স্নেহময়, যে সন্তান একটু আঘাত পেলেই বাবা হয়ে উঠতেন চিন্তিত। যে সন্তানকে নিজে হাত দিয়ে খাইয়ে দিয়েছেন, কোলে-পিঠে করে মানুষ করেছেন এবং কখনই নিজের অসুবিধার কথা সন্তানদের বুঝতে দেননি।

আজকাল সমাজে এমন কিছু সন্তান দেখা যায়, যারা কি না মা-বাবার এতোসব আদর-যত্নের কথা ভুলে মা-বাবাকে ঠেলে দেয় অজানা গন্তব্যে। বৃদ্ধ ও অসহায় বলে তাদের ঠিকানা হয় বৃদ্ধাশ্রমে। ঘরের মধ্যে সবার থাকার জায়গা হলেও এখানে বৃদ্ধ মা-বাবার জায়গা হয় না। আসলে একজন মা-বাবা তার সন্তানদের জন্য যা করেন, তা তাদের পক্ষে সারা জীবনেও শোধ করা সম্ভব নয়। বুড়ো বয়সে এসে তারা চায় একটু শান্তি, ভালোবাসা ও স্নেহ। এ বয়সে একটু আদর-যত্ন পেলেই তারা খুশি হন। মা-বাবা চান সন্তানরা যেন তার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনে। আমাদের মনে রাখা উচিত আজ যিনি সন্তান, তিনিই আগামী দিনের পিতা কিংবা মা।

বৃদ্ধ বয়সে এসে মা-বাবারা যেহেতু শিশুদের মতো কোমলমতি হয়ে যায়, তাই তাদের জন্য সুন্দর জীবনযাত্রার পরিবেশ তৈরি করাই সন্তানের কর্তব্য। আর যেন কখনো কোনো পিতা-মাতার ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রম না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। তাদের জন্য তৈরি করতে হবে একটা নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী।

(লেখক- সাংবাদিক , কলামিষ্ট ও নিউজ বাংলাদেশ ডটকমের সম্পাদক) ।

মন্তব্য
  • ফারজানা নাজনীন মে 7, 2012 at 12:06 পূর্বাহ্ন

    এই শব্দটা শুনলে পড়লে কেমন যেন অসহায় লাগে একা লাগে !! কখনো নিজেকে আবার কখনো চার পাশের মানুষ গুলুকে নষ্ঠুর , স্বার্থপর লাগে !! আজ আমি ৃদ্ধ নই ! কিন্তু একদিন হব ! আমি কি আমার ভবিষ্যৎ কে দেখতে পারিনা ! আমার বাবা মায়ের মাঝে !

  • Ahmed Yousuf মে 6, 2012 at 10:16 অপরাহ্ন

    বাবা মায়ের সেবা যত্ন করা প্রত্যেক সন্তানের জন্যই অবশ্য কর্তব্য। কিন্তু আমরা যতই শিক্ষিত ও আধুনিক হচ্ছি ততই আমরা বাবা মাকে দূরে ঠেলে দিচ্ছি। এটা নব্য আধুনিকতার ফল। আধুনিক সমাজে বৃদ্ধ বাবা মা’কে আমরা বোঝা মনে করছি। এ মানসিকতা আমাদের পরিবর্তন করা উচিত। ধন্যবাদ ভাই এমন সময়োপযোগী ও গুরুত্বপুর্ণ একটা বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা ০৬ মে ২০১২ ইং

© বদলে যাও বদলে দাও