Home » অন্যান্য » জাগো বাংলাদেশ …জাগো

জাগো বাংলাদেশ …জাগো

187 বার পঠিত

সকল অন্যায় অবিচার আর কালো হাতের বিরুদ্ধে জেগে ওঠ বাংলাদেশ। যেমন জেগে উঠেছিলে ৫২,৭১ এ তেমন ভাবেই ওঠ জেগে বাংলাদেশ। যুগযুগ ধরে তোমার কৃতি সন্তানরা হত্যা আর গুমের স্বীকার। তবুও থেমে থাকনি বাং‍লাদেশ। যুগযুগ ধরে শাসনের নামে শাসনের জাল ছিড়ে তুমি এগিয়ে চল বাংলাদেশ। তুমি আবার জাগো! নিদ্রা থেকে উঠে আবার শুরু কর ভাঙ্গা স্বপ্নের জোড়া লাগানোর নতুন শপথ। আজ থেকে আর অচেতন হব না আর ঘুমিয়ে পড়ব না আর কোন অন্যায় দেখে মাথা নত করব না যতটুকু সামর্থ আছে নিজের কল্পনাকে বাস্তবে আকাশে-বাতাসে ছড়িয়ে দেব অচেতনতার ঘরে সচেতনতার বিন্দু জলে। শিক্ষার আলোয় সব ব্যাবধান আর অনিয়মের বিরুদ্ধে জাগ্রত করব দেশ। আসুন বদলে যাই, বদলে দেই।

মন্তব্য
  • musaddek এপ্রিল 28, 2012 at 7:02 অপরাহ্ন

    বাংলাদেশের জাগরণ ও উত্তরণের একমাত্র পথ হলো শিক্ষা।আর শিক্ষার মা‍ধ্যমেই গড়ে তোলা যায় সচেতনতা। সচেতনতা ছাড়া আমাদের মুক্তি নেই। এগিয়ে আসি শিক্ষার আলোয় আলোকিত ধেশ গড়তে।

  • Dakua এপ্রিল 23, 2012 at 10:00 পূর্বাহ্ন

    জনগণ কি রাজনৈতিক দলের কাছে সম্পূর্ণ বন্দি/ অসহায় ? জনগণের সুবিধা অসুবিধা কি তাদের বিবেচ্য নয়? তাদের নিজেদের স্বার্থই কি শুধু তাদের বিবেচ্য? আর কিছু নয়? জনগণ প্রত্যক্ষ করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে শাসন???!!! জনগণের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচী দেয়ার জন্য সকল দেশপ্রেমিক জনদরুদী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সবিনয় অনুরোধ রইলো।

  • Mir Abdul Alim এপ্রিল 23, 2012 at 1:42 পূর্বাহ্ন

    মীর আব্দুল আলীম : হরতাল মানেই ভাংচুর জ্বালাও পোড়াও। হরতাল সফল করতে আমাদের রাজনৈতিক দল গুলো এমনই সমভাব হরতালের ক্ষেত্রে। হরতালে এভাবে গাড়ী ভাংচুর করবে কেন? কার গাড়ী? কে ভাংগে ? কেন ভাংগে? কে জ্বালায় ? কেন হরতাল সফল হয়, কিভাবে হয় তা আর সাধারণ মানুষের জানতে বাকি নেই। কিন্তু সাধারণ মানুষ যেটা জানে না তা হলো, কর্মনাশা হরতাল আদৌ কি তাদের কোন স্বার্থ রক্ষা করতে পারে? সমস্যা সমস্যার জায়গাতেই থাকে। বরং হরতাল সমস্যাটাকে আরও ঘনীভূত করে; আরও প্রকট করে। নিছক ক্ষমতার লড়াইয়ের অংশ হিসেবে, এক দলকে হটিয়ে আরেক দলের ক্ষমতায় যাওয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী হরতাল ডেকে জনগণকে তাদের স্বাভাবিক কাজ-কর্ম থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা সংবিধানে প্রদত্ত ‘গণতান্ত্রিক অধিকার’-এর পর্যায়ে পড়ে না। এতে হরতাল আহবানকারীদের কথিত ‘গণতান্ত্রিক অধিকার’-এর নামে বাদবাকি জনগণের ‘গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার’ হরণ করা হয়। বস্তুত আমাদের দেশে এখন যে ধরনের হরতাল হয় এবং সে হরতাল যেভাবে ‘সফল’ হয়, তা রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছাড়া আর কিছুই নয়।

    জনমুখী আন্দোলনের অন্যতম অস্ত্র (?) হিসেবে হরতালকে যেদিন থেকে রাজনীতিকরা গুরুত্ব দিয়েছেন, সেদিন থেকেই সর্বনাশের শুরু। সর্বনাশের আগের ধাপ কর্মনাশ। হরতালের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখার মতো সাহস মানুষের আর নেই। বিরোধী দল ও সরকার উভয় পক্ষই হরতাল হওয়া-না হওয়ার পক্ষে শক্তির মহড়া দেয়। উভয় পক্ষই রাজপথে নেমে পড়ে। সরকার ও বিরোধী দলগুলো বিধ্বস্ত-আতংকিত মানুষের অভিব্যক্তিকেই হরতালে ‘সাফল্য’-‘ব্যর্থতা’ বলে সগর্বে প্রচার করে। হরতাল এখন দেশের জনজীবনে পথসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে বা পিছিয়ে যাক, হরতাল তার সঙ্গে সঙ্গে আছে।

© বদলে যাও বদলে দাও