Home » অন্যান্য » ‘হরতাল আমি তোমাকে চাই’

‘হরতাল আমি তোমাকে চাই’

301 বার পঠিত

 মীর আব্দুল আলীম :
“প্রথমত আমি তোমাকে চাই, দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই, শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকেই চাই”। হরতালে কোলাহল মুক্ত পরিবেশে স্পস্টই শোনা যাচ্ছিল চায়ের ষ্টলে বাজানো গানটি। সেই ২০/২২ বছর আগে গানটি ছিল আমার কাছে এক ধরনের অর্থবহ। আবেগ জড়িত বিষয়। অর্ধজীবন পার করে সেই গানে এখন আর আগের স্বাদ খুঁজে পাচ্ছি না। আবেগও নেই।  গানের সাথে হরতালকে কেন যেন বাবর বার গুলিয়ে ফেলছি । গানের প্রেম ভালবাসার বিষয় গুলো বাদ দিয়ে ভাবছি অন্য ভাবে। অথচ এই আমিই একদিন গানটি কিভাবেই না উপভোগ করতাম। গানের সাথে সাথে মনে হচ্ছে হরতাল যেন আমরা চাই। জনগন চায় কি না জানি না। তবে রাজনৈতিক দল গুলো সময় ভেদে হরতালতো চায়ই ? হরতাল ছাড়া যেন চলে না । হরতাল যেন আমাদের বাঙালি জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। যারা হরতাল দেন তারা ফাঁক ফোকড় খোঁজেন হরতাল দেবার জন্য। সরকার দলে থাকলে হরতাল চান না, আর বিরোধী দলে থাকলে তারা ঠিকই হরতাল চান। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর এমনই চরিত্র লক্ষ করছি বহু কাল যাবৎ । তাই শেষ হয়েও শেষ হয় না। মহাসমারোহে হরতাল বারবার ফিরে আসছে আমাদের মাঝে । যাই হোক, হরতাল আবার ফিরে এসেছে । হয়তো দুই কি একজন পাওয়া যাবে যারা হরতাল শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন । দিনের আহার দিনেই যোগার করতে হবে যার সে কি করবে? অফিস-আদালত, ব্যবসা-বাণিজ্য? সব কি বন্ধ থাকবে? আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কতটুকু নিরাপত্তা দিতে পারবে সাধারণ মানুষের জান-মালের? জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে হরতালের আগের দিন থেকেই দেশব্যাপী ব্যাপক সহিংসতা সৃষ্টি করা হয় আর এটাই এদেশের রেওয়াজ।
২২ এপ্রিলের হরতালকে ঘিরে ২১ এপ্রিল বিকালেই রাজধানীতে ৭টি এবং চট্টগ্রামে ৮টি বাস পোড়ানো হয়েছে। খিলগাঁওয়ে বাসে আগুন লাগিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় চালক বদর আলীকে মর্মান্তিক ভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যত্রও হরতাল সমর্থনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের খবর দৈনিকগুলোতে এসেছে। এমনকি হরতালের দিনেও মানুষ মারা যাচ্ছে। নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের লাঠিপেটায় আহত হচ্ছে। এর দায় কে নেবে? রাজনৈতিক দলের কাজ কি শুধুই জনগণের ভোগান্তি বাড়ানো ? হরতাল এলেই জ্বালাও পোড়াও হয়। জান মাল উভয়ের ক্ষতি হয়। হরতালের আগুনে আর কতো পুড়বে দেশের সম্পদ? আরো কতো ভোগান্তি বাড়বে সাধারণ মানুষের ? যে দিনই, যে ইস্যুতেই হরতাল ডাকা হোক না কেন এর আগের দিন কয়েকটি গাড়ি পোড়ানো যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এর ফলে দেশের সম্পদ যে বিনষ্ট হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ যে পুড়ে মারা যাচ্ছে এদিকে কারো খেয়াল আছে বলে মনে হয় না। এর চেয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার আর কী হতে পারে? অথচ দেশের বড় দলগুলো অনেকবারই হরতালের কর্মসূচি না দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউই কথা রাখেনি, যা খুবই অনাকাক্সিক্ষত। এসবের মাঝে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনের ত্রাহি-ত্রাহি দশা। বলার অপেক্ষা রাখে না, ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা খুবই উদ্বেগের; কিন্তু হরতাল-গাড়ি পুড়িয়ে কি ইলিয়াস আলীর হদিস পাওয়া যাবে? হরতাল যে কোনো রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার; কিন্তু হরতালকে কেন্দ্র করে গাড়ি পোড়ানোর রেওয়াজ কি কোনো দেশে আছে? তাই হরতালকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার এই প্রবণতা থেকে সকলের সরে আসতে হবে। আর কোনো উদ্বেগজনক পরিস্থিতির যাতে উদ্ভব না হয় সে জন্য দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরো তৎপর হতে হবে। সর্বোপরি চলমান পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারের উচিত যতো দ্রুত সম্ভব ইলিয়াস আলীকে খুঁজে বের করা এবং বিরোধী দলের উচিত আরো সহনশীলতার পরিচয় দেয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাসে কত হরতাল হয়েছে, তার লেখাজোখা নেই। এদেশের স্বাধিকার ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অনেকটা অংশ জুড়ে ছিল হরতাল-ধর্মঘট। নব্বইয়ের আন্দোলনে হরতালই কাজ করেছে গণতন্ত্রের মুক্তির অস্ত্র হিসেবে। দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসার পরও বহু হরতাল হয়েছে। স্বাধীনতার আগে হরতাল হতো পাকিস্তানি শাসকদের মোকাবেলার জন্য। তখন হরতাল ছিল জনমুখী ও স্বতঃস্ফূর্ত। অর্থাৎ জনগণ নিজেরাই হরতাল পালন করত, কাউকে বাধ্য করা হতো না হরতাল পালনে। সে হিসেবে হরতালকে বলা হয় গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু হরতালের নামে গত দুই যুগ ধরে কী হচ্ছে? হরতাল বিএনপি করছে, আওয়ামী লীগ করেছে। ছোটখাটো দলগুলোও হরতালে কম যায় না। হরতাল করব না বলেও সে কথা কেন রাখতে পারে না রাজনৈতিক দলগুলো? ইলিয়াস আলীর নিখোঁজ ইস্যুতে হরতালে হালে পানি পেয়েছে বিরোধী দলগুলো। মনে হচ্ছে বিরোধী দলে সাহস জেগেছে। এ অবস্থায় দেশ দিন দিন হরতালের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়।

হরতাল দেয়া যেমন গণতান্ত্রিক অধিকার, হরতাল পালনে বাধ্য করা আর হরতাল ভাঙতে বাধ্য করা উভয়ই গণতান্ত্রিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন। আমাদের দেশের অনেক বড় একটি ব্যমো করেছে । দিনকে দিন বেড়েই চলেছে । গাড়ি ভাংচুর, জ্বালাও পোড়াও । ছাত্রদের দু দলে কিছু হয়েছে? রাস্তায় নামো, বাস ভাঙ্গ । মালিক দাবী মানছে না? রাস্তায় চলো- গাড়ি ভাঙ্গ । গাড়ি চাপা পড়েছে কেউ? আবার নামো রাস্তায় । ঢালো পেট্রোল; জ্বালাও গাড়ি। মিছিল-মিটিঙে পুলিশের বাঁধা? আর কি করার আছে গাড়ি ভাংচুর করা ছাড়া? এত অবলীলায় বোধ করি আর কোন দেশে এই উদ্ভট কান্ড ঘটেনা । জাতীয় সম্পদ নষ্ট করতে তাদের এতটুকুও সংকোচ বোধ নেই। যারা কাজটি ঘটাচ্ছে তারা কি বোঝে না? যারা করছে জেনে বুঝেই করছে । জেনেশুনে নিজের পায়ে কুড়াল একমাত্র মানুষই মারতে পারে । হরতাল হউক না হউক। হরতল যৌক্তিক না অযৌক্তিক তা বিষয় নয়। হরতালের যোগসূত্রে কোন গাড়ি ভাংচুর হবেনা, কোন গাড়িতে আগুন দেয়া হবেনা, চাওয়াটা কি খুব বেশি অযৌক্তিক?
ক্ষমতায় থাকলে হরতাল চান না; ক্ষমতায় না থাকলে চান। দায়িত্বশীল প্রধান দলগুলোর এমন ভূমিকায় দেশের আমজনতাকে হতাশ হতে হয়। এ অবস্থায় রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর কতটা আস্থা রাখতে পারি আমরা? জনগণের চোখে তাদের ভাবমূর্তিরইবা অবশিষ্ট কী থাকে? কারণে-অকারণে হরতাল হোক, বিশৃংখল পরিস্থিতির সৃষ্টি হোক এমনটি কেউ চায় না। হরতাল হলে শ্রমঘণ্টার অপচয় হয়, উৎপাদন ব্যাহত হয়, অর্থনীতির ক্ষতি হয়। তাই বলে দেশের কোন রাজনৈতিক দল হরতাল ডেকেছে বলে ঢালাওভাবে বিষোদগার করতে হবে, তাদের পিছু নিতে হবে, তা-ও ঠিক নয়। এ দৃষ্টিভঙ্গি গণতান্ত্রিকও নয়।

হরতাল নিয়ে দোষাদোষীতে দেশের বারোটা যে বেজে যাচ্ছে, তার খবর কে রাখে? বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলো আর কতকাল পর উপলব্ধি করবে? আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো দু’পক্ষই সরকারে থাকলে এক রকম আচরণ করে, সরকারের বাইরে গেলে করে বিপরীত আচরণ। সরকারে থাকলে তারা হরতালের বিরুদ্ধে থাকে। তখন তারা বুঝতে পারে হরতালে দেশের ক্ষতি হয়, প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। বিরোধী দলকে এসব বিষয়ে জ্ঞানদান করতে থাকে। তারা এরপর বিরোধী দলে গেলে আর হরতাল ডাকবে না, এ মর্মে প্রতিশ্রুতিও দিতে থাকে, যা কখনও পালিত হয় না। কেউ কথা রাখে না। প্রকৃতপক্ষে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই দু’দশক ধরে ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে হরতালকে ব্যবহার করে আসছে।
জনমুখী আন্দোলনের অন্যতম অস্ত্র (?) হিসেবে হরতালকে যেদিন থেকে রাজনীতিকরা গুরুত্ব দিয়েছেন, সেদিন থেকেই সর্বনাশের শুরু। সর্বনাশের আগের ধাপ কর্মনাশ। হরতালের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অব্যাহত রাখার মতো সাহস মানুষের আর নেই। বিরোধী দল ও সরকার উভয় পক্ষই হরতাল হওয়া-না হওয়ার পক্ষে শক্তির মহড়া দেয়। উভয় পক্ষই রাজপথে নেমে পড়ে। সরকার ও বিরোধী দলগুলো বিধ্বস্ত-আতংকিত মানুষের অভিব্যক্তিকেই হরতালে ‘সাফল্য’-‘ব্যর্থতা’ বলে সগর্বে প্রচার করে। হরতাল এখন দেশের জনজীবনে পথসঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশ এগিয়ে বা পিছিয়ে যাক, হরতাল তার সঙ্গে সঙ্গে আছে।

হরতাল মানেই ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও। এভাবে গাড়ি ভাঙচুর করা হবে কেন? কে ভাঙে, কেন ভাঙে, কেন হরতাল সফল হয়, কীভাবে হয়Ñ এসব সাধারণ মানুষের জানতে বাকি নেই। তবে কর্মনাশা হরতাল আদৌ কি তাদের কোন স্বার্থরক্ষা করতে পারে? সমস্যা সমস্যার জায়গাতেই থাকে। বরং হরতাল সমস্যা আরও প্রকট করে। নিছক ক্ষমতার লড়াইয়ের অংশ হিসেবে এক দলকে হটিয়ে আরেক দলের ক্ষমতায় যাওয়ার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী হরতাল ডেকে জনগণকে তাদের স্বাভাবিক কাজকর্ম থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা সংবিধানে প্রদত্ত ‘গণতান্ত্রিক অধিকারে’র পর্যায়ে পড়ে না। এতে হরতাল আহ্বানকারীদের গণতান্ত্রিক অধিকারের নামে বাদবাকি জনগণের গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়। বস্তুত আমাদের দেশে এখন যে ধরনের হরতাল হয় এবং সে হরতাল যেভাবে ‘সফল’ হয়, তা রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই নয়। দেশে যে কোন বড় রাজনৈতিক দলের পক্ষে প্রচারণার জন্য হরতালই হচ্ছে সবচেয়ে সহজ কর্মসূচি। মুক্তাঙ্গনের মতো ছোট জায়গায় সভা করতে গেলেও কিছু প্রস্তুতি দরকার হয়। স্টেজ বানাতে হয়, মাইক বাঁধতে হয়, কিছু লোকসমাগম প্রয়োজন হয়। নেতানেত্রীদেরও উপস্থিত হতে হয়। কিন্তু হরতালে এর কিছুই দরকার হয় না। কেবল ঘোষণা দেয়া। অতঃপর হরতাল ঠেকাতে সরকার ও সরকারি দলের তৎপরতাই হরতাল সফল করার জন্য যথেষ্ট। হরতাল ঘোষণাকারী নেতানেত্রীরা যার যার বাড়িতে বসে থাকলেও হরতাল হয়ে যেতে পারে। বড় দল তো বটেই, মাঝারি ধরনের জনসমর্থন আছে এমন দলের পক্ষ থেকে হরতাল ডাকা হলেও তা ‘সফল’ হতে পারে।

তবে এ হরতাল আমাদের কতটুকু কল্যাণ বয়ে আনছে, অন্তত দেশের কল্যাণে তা আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোকে ভাবতে হবে।
গণতন্ত্রে সুস্থ রাজনীতির বিকল্প নেই। সরকারে থাকাকালীন ‘হরতাল করব না’, বিরোধী দলে গেলে ‘হরতাল করব’ এমন দ্বৈতনীতি পরিহার করতে হবে। হরতালের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ছক তৈরি করতে হবে। আমাদের রাজনীতিকদের হরতালের বিষয়ে ঐকমত্য থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক অধিকারের নামে যেন দেশের অমঙ্গল না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অগত্যা হরতাল করতে বাধ্য হলে জনস্বার্থের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। হরতালের বিষয়ে দুই নেত্রীর জনগণকে দেয়া ওয়াদা যেন ঠিক থাকে, এটাই সবার প্রত্যাশা।
মীর আবদুল আলীম : প্রাবন্ধিক ও  নিউজ-বাংলাদেশ ডটকমের সম্পাদক

মন্তব্য
  • mati এপ্রিল 26, 2012 at 12:01 অপরাহ্ন

    আমাদের দেশের রাজনীতি হয়ে গেছে বাশ নীতি যে যারে বাশ দিতে পারে , উলঙ্গ রাজনীতির আতচিৎকার
    আমার গণতন্ত্ররে…….নগ্ন্য করে দিল

    • pantharma এপ্রিল 26, 2012 at 12:17 অপরাহ্ন

      মতি আপনি আইফোনে বাংলা লিখেন। আমি একটু সাহায্য চাচ্ছি।

    • pantharma এপ্রিল 26, 2012 at 12:44 অপরাহ্ন

      Deser rajniti nie eto kost passen ! Sobcheye koste ase e deser narira . Tader shami
      sonttan haranor voy tariea berae. Rege gele orjoner matra kome jae. Sahojvabe sarol poth khujun. Ami sob borngulu iphon theke likhte parina. Tai bodlejaoar misile valovabe jog dite parsina. Tha,dha,ref,sareo,sandrobinddu-e koyta borna likhte iphone-e kon letergulo use korte hoy janle ektu blun.

  • সাআখান এপ্রিল 24, 2012 at 10:18 অপরাহ্ন

    আমরা হরতাল চাইনা। আমরা সুস্থ ধারার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। হরতালের বিকল্প কোন কিছু খুঁজে নিতে হবে প্রতিবাদ জানাবার হাতিয়ার হিসেবে। হরতাল কোন সমস্যারই সমাধানের পথ নয়। আর শত ধিক এই সব সুবিধাভোগী রাজনীতিবিদদের, যারা ব্যক্তি সার্থকেই মুল্যায়ন করে বেশী।

  • আ.ন.ম. আফজাল হোসেন এপ্রিল 24, 2012 at 9:29 অপরাহ্ন

    এরা রাজনীতি করে দেশের বারোটা বাজানো এদের কাজ। আর হরতাল হচ্ছে এর আসল হাতিয়ার। ধন্যবাদ ১৮ দল।

© বদলে যাও বদলে দাও