গত তিনদিন লাগাতার হরতাল চলছে, আরো চলবে কিনা জানিনে! তবে হরতাল সরকারি অফিসকে বা সরকারি কাজকর্মকে থামিয়ে রাখতে পারে না! এটা হরতাল আহ্বানকারী জানেন, তবে কেন এই হরতাল? ইলিয়াস আলী গুম হওয়ার প্রতিবাদ? প্রতিবাদ করার ভাষা আর কি নেই? হরতালে সবচেয়ে ক্ষতিহয় সাধারণ মানুষের-শ্রমিক, দিনমুজুর, ছাত্র.. , চাকরিজীবীদের কোন ক্ষতি হয় না! এমনকি কোন কোন আন্তর্জাতিক সংস্থায় চাকুরীজীবিদের হরতালে অফিস করা লাগে না, মাস গেলেই পুরা বেতন! এরা সরকার বিরোধী নয়? তবে নিরাপত্তার অজুহাতে? যাহোক হরতালে চাকরিজীবীদের কোন ক্ষতি নেই! এটা পরিস্কার! সরকারি কাজকর্ম যথারীতি চলে! এমনকি অফিসে আসা যাওয়া হরতালের দিনে সহজ! রাস্তায় কোন জ্যাম থাকে না, যথাসময়ে আসা যায়! অর্থাৎ সুবিধা বেশি! তবে বড় কর্মকর্তাদের সরকারি গাড়ি ব্যবহারে কিছু অসুবিধা হতে পারে! নিরাপত্তার ভয়?
সমস্যাও আছে অনেক… , তবে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এইভাবে হরতাল না দেয়াটাই বাঞ্চনীয় নয় কি? দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদরা দয়াকরে অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন আশা করি। প্রতিবাদের বিকল্প পথ বের করবেন- হতে পারে ধর্ণা দেয়া, হাংগার স্ট্রাইক, মানব বন্ধন, সভা সমাবেশ, মিছিল… পদত্যাগসহ আরো কতকি হতে পারে?
ক্ষমতার মালিক জনগণ! নেতা-নেত্রী নয়! তাই জনগণের কথা ভাবুন! জনগণকে শান্তিতে থাকতে দিন! জনগণের বিদ্যুৎ, পানি , গ্যাস, দ্রব্য মূল্য.. ইত্যাদি মৌলিক সমস্যার আগে সমাধান হোক!






সাবধান, সাবধান
:মীর আব্দুল আলীম:
সাবধান, সাবধান
চোদ্দোশো উনিশে
শুভেচ্ছা জানালেও
ধরে নেবে পুলিশে
রাজাকার সন্ত্রাস
হতে হব নিমিশে,
উপরি জুটবে কিছু
পিঠে গালে দুমদাম
মুচলেকা দিতে হবে
তুমি নাকি ঘোর ডান।.
অতএব চুপ থাকো
প্রতিবাদ নাস্তি
নইলে কপালে আছে
যথোচিত শাস্তি।
কাকের কী যায় আসে
পেকে গেলে বেলটা
জাহাজ না পেয়ে কেউ
পেয়ে গেলে রেলটা ?
গুম হল, ঘুম হলো
লাখ ৭০ লুটে নিলো
নাহি বলা দরকার
ঘুষ ঘাস করে ফাঁস
জীবনটা যাবে কার?
জনগনের কথা ভাবার সময় পাচ্ছে না তারা।রাজনীতি কে করে ফেলেছে লাভজনক ব্যবসা।তাই অধিকাংশ রাজনৈতিক ব্যক্তি ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।তবে দাত-ভাঙ্গা জবাব দেয়ার সময় এসেছে এবং জনগণ জবাব দিবে সেই কামনা করি।