এক.
ছোট মাইয়ার মুখে শিহাব শুনে,ই-য়া বড় সাইজের কুকুর গলির মুখে । লোকজন ভীড় করে দেখছে। মেয়েকে সাথে নিয়ে, সেও এলো । সাথে তার প্রিয় ডিজিটাল ক্যামেরা। আইসা দেখে , ভিন্ন চিত্র। কুকুরটি তো অসুস্থ ? সারা শরীরে পানি নামছে! যে কোন সময় আল্লাহর প্যায়ারা হয়ে যাবে।
আশে পাশে দারোয়ান/ দোকান মালিকদের জিজ্ঞেস করল, কেইস কি ? বললো, এক বিবি সাব গাড়িতে বসা ছিল। ড্রাইভার গাড়ি থেকে নেমে, পিছনের বনেট খুলে, কুকুর ডার্লিং’কে ফেলে দিয়ে গেছে। শিহাব বুঝেছে, প্রিয় পোষা প্রাণীর অসুস্থতার কাছে, ম্যাডামের আগ্রহ, আদরের অপমৃত্যু ঘটেছে। কিছু নারীর কুকুর প্রীতি,শিহাবকে নানা নটি/দুষ্টু চিন্তায় উৎসাহিত করে। এটা তো কুকুর! কথা কয় না। বুঝে না। যা করবে, নো প্রবলেম – বলে মেনে নিবে।
দুই.
শিহাব ভাবছে, কিন্তু বৃদ্ধ মা বাবা ? যারা আজ ছেলে কিংবা মেয়ের কাছে, বোঝা হয়ে বেঁচে আছেন ? উপেক্ষায়,অনাদরে, তাচ্ছিল্যে, অবহেলায় ও নির্যাতনের মধ্যেও বয়সের ঘানি টেনে চলেছেন ? তারা ? কিছু লোক অর্থের জোরে হয়তো চলে যাচ্ছেন,বুঁড়াদের জেলখানা বা বৃদ্ধাশ্রম। তাদের কি এক জীবন ?
সেই শ্রদ্ধেয় আমার বাবা মা’র জন্য কি,বৃদ্ধাশ্রমের জেলখানার জীবন মেনে নেয়া সম্ভব ? অলস বসে বসে, প্রিয়জন থেকে পাওয়া কষ্ট, উপেক্ষা, অবহেলা কিংবা নির্যাতনের স্মৃতি মনে করে, কি বেঁচে থাকা যায় ? নিজের সন্তান থেকে প্রত্যাসার সাথে, কল্পনায় ঘৃণাটা মিলিয়ে দেখি তো ? বেঁচে থাকা যায় কি না ? কি যে কষ্ট ? বুকটা ফেটে যায়! আহরে… আহ। এই আমাদের ভালবাসা ?……………..
তিন.
শিহাব ভাবে, রাস্তায় ফেলে দেয়া, প্রিয় পোষা প্রাণীটির সাথে আমাদের বাবা মা’দের কি খুব বেশি অমিল ? শুধু একটি জায়গায় মিল নেই! কোনটি ? এখনও শুনিনি,কোন সন্তাণ তার বাবা মাকে গাড়ির বনেটে করে ড্রাইভার দিয়ে, রাস্তায় ফেলে গেছে….আজ ফেলে দেয়নি তো কি ? কাল দিবে। শিহাবকে ? হাসি দিয়েন না, আপনাকেও দিবে ? আর যিনি ? যে লিখছে ? তাকেও দিতে পারে………..
=’font-z�;�\






kichui bolar roilo na ……………………………………………………..
osonkho dhonnobad. baparti amake o vabay.
আপনাকে ধন্যবাদ। ব্যাপারটি আপনাকে ভাবায় শুনে আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা। আপনার অনুভূতি ও উপলব্ধি আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা।
কঠিনতম সত্য লিখেছেন ভাই । আমরা ব্যস্ততার দোহাই দিয়ে এমন মনুষ্যবোধের অবক্ষয় তৈরী করছি যা আমাদের নিজের পরিচয়ই ভুলিয়ে দিচ্ছে । বাবা মাতো সেই হিসু করার সময়ে আমাদের ফেলে দেয় নি কিন্তু আমরা নিজেদের স্বাচ্ছন্দ এর মধ্যে রাখার জন্য সবচেয়ে কাছে রাখার সময়ে বাবা মাকে ঠেলে দিচ্ছি সবচেয়ে অনিশ্চয়তার মুখে । আমরা যেন কেউই এমন না হই । এটা আমাদের অস্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ নয় । বাবা মাকে পরম শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি । আপনাকেও ধন্যবাদ সমস্যটি তুলে ধরার জন্য ।
প্রথমে দুঃখ প্রকাশ করছি,আপনার মন্তব্যের উত্তর ইচ্ছে থাকা সত্বেও সময় মত দিতে পারিনি বলে। আপনাকে ধন্যবাদ। বাবা মাকে নিয়ে আপনার অনুভূতিআমাকে মুগ্ধ করেছে। ভাল থকবেন। শুভেচ্ছা।