Home » অন্যান্য » রাতের বেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে গিয়ে বাবা মায়ের সামনে শারীরিক নির্যাতন

রাতের বেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে গিয়ে বাবা মায়ের সামনে শারীরিক নির্যাতন

299 বার পঠিত

ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার কাতলাগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এখানকার প্রধান শিক্ষক মো: জিল্লুর রহমান একটি নিয়ম তৈরী করেন যে, ছাত্র-ছাত্রীরা রাত ১১:০০ টার আগে ঘুমাতে পারবেনা। বাড়ি বাড়ি যেয়ে যদি দেখে ঘুমিয়ে গেছে তাহলে তাকে ঘুম থেকে ডেকে বাবা-মার সামনে বেত দিয়ে অসাভাবিক শারীরিক নির্যাতন করেন।

মন্তব্য
  • ফারজানা নাজনীন এপ্রিল 29, 2012 at 4:16 অপরাহ্ন

    শারীরিক নির্যাতন ঢাকা শহরের অনেক স্কুল এই তো এখনো আছে !! বেশি কিছু ্বনামধন্য স্কুল এত খুব বেশী হারেই হয় ! স্কুল এর নাম গুলু বল লাম না !!
    গ্রামের পরিবেশ টা একেবারেই আলাদা ! ওখানে স্কুল গুলু তে শহরের স্কুল গুলুর মত পড়াশুনার চাপ কম ! কারন অইসব স্কুল গুলুতে কেবল বোর্ড এর বই গুলু ই পরান হয় ! আমি যেহেতু গ্রামে বড়ো হয়েছি তাই আমি আমার গ্রামীণ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। জদিও অনেক আগের কথা ! সেই সময় স্কুল স্যার রা রাতের বেলায় আসতেন ! দেখতেন কে কয়তা প্যন্ত জেগে আছে ! কারন আরা গ্রামের ছেলে মেয়েরা পরাশুনায় ভিশন ফাঁকিবাজ এবং অমনোযোগী ! স্কুল এর মান উন্নয়ন সাথে ছাত্রছাত্রীদের ভাল ফলাফলের জন্য ই স্যার রা এতা করে থাকেন ! শারীরিক নির্যাতন নতুন কিছু নয় ! তবে এটা র মাত্রা যদি বেপক হয় তবেই সেটার দিকে দ্রিশ্তি দেয়া দর কার ! বাবা মা সন্তনকে যখন পরাশুনা, দুস্তামির জন্য মারেন তখন কিন্তু আরা সেভাবে কেউ কিছু বলিনা !
    গ্রামের স্কুল এর ম্যানেজিং কমিটি তে যারা থাকেন তারা বেশির ভাগক্ষেত্রেই খুব বেশীশিক্ষিত না ! তাহলে তারা কি করে এক্তাশিক্ষা প্রতিস্থান কিভাবে চালালে ছাত্র ছাত্রী দের কাছ থেকে আশা নরুপ ফল পাবেন ?!! ক্ষমতার দাপটে অনেকেই কেরে নেনে অইই চেয়ার গুলু !
    আমিও ছোট বেলায় মার খেয়েছি মায়ের হাতে বোনের হাতে শিক্ষকদের হাতেও খেয়েছি !
    তবে বর্তমান এ শারীরিক নির্যাতন তা গ্রহনযোগ্য নয় !! সময়ের পরিবরতনের সাথে সাথে অনেক কিছুই বদলে গেছে বদলে যাবে ! আমাদের উচিত পুরান ধ্যান ধারনা থেকে অনেকক্ষেত্রেই বেরিয়ে আসা !

  • Dakua এপ্রিল 29, 2012 at 3:31 অপরাহ্ন

    এটার ভালো মন্দ দিক দুটোই আছে! তবে কাতলাগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ছাত্র-ছাত্রীরা যদি মন্তব্য করতেন, এটার সুফল কুফল সম্পর্কে, তাহলে অন্যরা শিক্ষা নিতে পারতো । যাহোক বেত দিয়ে অস্বাভবিক নির্যাতন অপরাধ! এটা বন্ধ হোক! বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র-ছাত্রীর খোঁজ খবর নেয়া মহৎ কাজ! ভালো করে পড়াশোনা করার জন্য পরামর্শ দেয়া উচিত! বেত্রাঘাত নয়!

  • বদলে যাও বদলে দাও এপ্রিল 29, 2012 at 2:22 অপরাহ্ন

    স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নিশ্চয় আছে। তাদের অবস্থান কি, ভূমিকা কি? রাত এগারটার সময় কোন ছাত্রকে পড়াতে শারীরিক নির্যাতন কোন ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। পড়াশোনা এক ধরনের ভালোবাসার নেশার মত। নেশাটা জাগিয়ে তুলতে স্কুলই মূখ্য প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের পড়ালেখায় ভালো করতে নানা ধরনের পদ্ধতি চর্চা হয়। শিক্ষকরা পিটিআই প্রশিক্ষণে বা অন্যান্য সরকারি প্রশিক্ষণে এসব বিষয়ে বিস্তর ধারণা পেয়ে থাকেন। এসবের কাজে লাগাতে হবে।

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) এপ্রিল 29, 2012 at 1:34 অপরাহ্ন

    গ্রামীন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শহুরে শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । তার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য গ্রামীন সমাজে বাবা মায়ের শিক্ষার ব্যপারে অসচেতনতা এবং আর্থিক অস্বচ্ছলতা । এছাড়াও রয়েছে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট বা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন । এত কিছুর পরও একটি শিক্ষার্থী গ্রামের কোন স্কুল থেকে পড়াশোনা করে উচ্চশিক্ষিত হলে অবশ্যই সবারই কিছু না কিছু অবদান থাকেই ।
    বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে আমারও কিছুদিন গ্রামের স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়েছিলো । সম্পূর্ন ভিন্ন একটি চিত্র দেখতে হয়েছে শহরের তুলনায় গ্রামে ।যাই হোক আমার স্কুলের শ্রদ্ধেয় স্যারকেও দেখতাম তিনি রাতে না ঘুমিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন । কেউ ঘুমিয়ে পড়লে কিছুটা শাস্তিও দিতেন । আমার কাছে এটা এতটা অপরাধ মনে হয় নি । তার শাসনে একটি জীবন হলেও আজ অনেক বেশী প্রতিষ্ঠিত । তবে শাসনের নামে অতিরিক্ত শারিরীক নির্যাতন উগ্র মানুষিকতারই বহিঃপ্রকাশ ।
    ধন্যবাদ ।

© বদলে যাও বদলে দাও