ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানার কাতলাগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এখানকার প্রধান শিক্ষক মো: জিল্লুর রহমান একটি নিয়ম তৈরী করেন যে, ছাত্র-ছাত্রীরা রাত ১১:০০ টার আগে ঘুমাতে পারবেনা। বাড়ি বাড়ি যেয়ে যদি দেখে ঘুমিয়ে গেছে তাহলে তাকে ঘুম থেকে ডেকে বাবা-মার সামনে বেত দিয়ে অসাভাবিক শারীরিক নির্যাতন করেন।
রাতের বেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে গিয়ে বাবা মায়ের সামনে শারীরিক নির্যাতন
299 বার পঠিত
মন্তব্য
সাম্প্রতিক মন্তব্য
সুধা রেজা
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid - ভাইয়া চপেটাঘাত করার জন্য এই পোস্ট করিনি ! যা ঘটছে চারপাশে সেটি কেবল অল্প স্বল্প আকারে তুলে ধরেছি !...– মে 22, 12:30 পূর্বাহ্ন
প্রীতি রাহা
মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমি কে,বি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলাম।– মে 21, 6:42 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
বাহারি সবজি.. বাহারি দাম..। কিন্তু বাজারে গেলে বোঝা কত দামে কত সবজি..– মে 21, 6:09 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
চমৎকার..! সুধা আপা। বিদেশ পাগল ভ্রমণ পিপাশুদের চপেটাঘাত করার জন্য এই পোস্ট যথেষ্ট।– মে 21, 6:07 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
আসলে আত্মহত্যা আনেক বেশি কষ্টের এবং বেদনাদায়ক....এই কথার সাথে একমত আমার মনে হয়, আসলে জীবন মানেই যুদ্ধ। এখানে যুদ্ধ করেই টিকে থাকতে হয়। আপনি কোন...– মে 21, 6:02 অপরাহ্নDakua
গণতন্ত্র-বহুদল-বহুমত-নিজেদের মধ্যে বিভক্তি-কোন্দল-হানাহানি-প্রতিহিংসা-সহিংসতা, এইতো তৃতীয় বিশ্বের গণতান্ত্রিক রাজনীতি!! কারণ গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সহনশীলতা-আমাদের দেশে সেটার বড়ই অভাব! দেশ-সমাজ-অফিস-পরিবার সর্বত্র গণতান্ত্রিক মানসিকতার বড়ই অভাব!...– মে 21, 6:55 পূর্বাহ্নDakua
মানুষের স্বভাব যবে'জয় গুরু' 'জয় গুরু'! তবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া কি সহজ ? শাসকের চাওয়া যবে মেরুদণ্ডহীন নাগরিক! তবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া কি...– মে 21, 6:34 পূর্বাহ্ন
নূরুল আমীন
অসংখ্য ধন্যবাদ
মানুষ হওয়ার চেয়ে যেন বেঁচে থাকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ!– মে 20, 11:09 অপরাহ্ন
কে আই তাজ
ধন্যবাদ ভাই মাসুদ খান- সেমিগণতন্ত্র শব্দটি পছন্দ হল। সেটা ঠিক, সমাধান নয়। তবে বিরোধী দল সমূহের ইস্যু খুঁজে খুঁজে পরবর্তী কর্মসূচী দেওয়ার যে পাঁয়তারা যুগ...– মে 20, 10:30 অপরাহ্ন
মোহাম্মদ জমির হায়দার বাবলা
ঘূণিঝড় সে মহাসেন বা সিডর বা আইলা হোক সরকার আগে থেকে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেই না। যখন আসে তখন দেখা যাবে টাইপের প্রস্তুতি। এবারের প্রস্তুতির ক্ষেত্রে...– মে 20, 9:20 অপরাহ্ন
বি এম হারিস
ধন্যবাদ সজিব ভাই, লেখাটা পড়ার জন্য। ভাল থাকবেন।– মে 20, 8:23 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
বেঁচে থাকো চিরদিন..বেচেঁ থাকার মত বেঁচে থাকো..। ধন্যবাদ ভাই চমৎকার কবিতার জন্য।– মে 20, 6:27 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
কোটার অত্যাচারে আমরা ক্লান্ত।– মে 20, 6:20 অপরাহ্ন
মাসুদ খান
দেশে যা চলছে তাকে সেমিগণতন্ত্র আখ্যা দেওয়া যায় আর গণতন্ত্রে নির্বাচনই সব সমস্যার সমাধান না ।– মে 20, 5:54 অপরাহ্ন
সজিব তৌহিদ / Sajib Towhid
হারিস ভাই, শিক্ষামূলক পোস্টের জন্য সাধুবাদ।– মে 20, 5:15 অপরাহ্নশাহ আলম বাদশা
খুব ভাল লিখেছেন বাস্তব উদাহরণসহ। আসলে মানুষ সব সময় অপরিণামদর্শীই থাকে আর নিজ হাতে নিজের ক্ষতি করে আল্লাহকে দোষী বানানোর ফন্দী আঁটে । আল্লাহর নিয়মের...– মে 20, 3:38 অপরাহ্নশাহ আলম বাদশা
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাতি মনোযোগসহ পড়ার জন্য– মে 20, 3:32 অপরাহ্ন
A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY)
আসলে গালিব ভাই আমরা যে চরম হতভাগ্য জাতি ! আমরা কোনসময়ই সত্যিকারের সৎ মানুষের দাম দিতে জানি না । নিন্দনিয় কাজ করে যত তাড়াতাড়ি পরিচিতি...– মে 20, 3:01 অপরাহ্ন
Farhana Zaman Liza
100% Right bhaia............ I am agree with u.– মে 20, 1:43 অপরাহ্ন
এস.কে.দোয়েল
খুব গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট। ভালো লাগলো। নারীকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব পুরুষের।– মে 20, 1:32 অপরাহ্নDakua
নিশ্চয়ই মেধাবী গরীব কোটা থাকা উচিত! কোটার অপব্যবহার চরম দুঃখজনক! কোটার নিরপেক্ষ প্রয়োগ না হলে সবকিছুই অর্থহীন হয়ে যায়! স্বজনপ্রীতি,দুর্নীতির দৌরাত্ন এই জাতিকে যে শেষ...– মে 20, 6:36 পূর্বাহ্নDakua
Md. Galib Mehadi khan/ সঠিক বলেছেন। কৃষক শ্রমিকের শ্রমের মূল্য পানির দাম! আন্তর্জাতিক সংস্থার অফিসে বিদেশী বিশেষজ্ঞদের বেতন মাসে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আছে, ড্রাইভার...– মে 20, 6:18 পূর্বাহ্নDakua
নূসরাত আলম/ অনেক ধন্যাবদ! দারুণ বলেছেন! কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও!– মে 20, 6:05 পূর্বাহ্ন
Md. Galib Mehadi khan
ভুল বললেন! সবজি পানির দামে নয়। কৃষকের শ্রম পানির দামে। দালালদের(মধ্যসত্ব ভোগী) শ্রম অনেক দামী। সর্বদাই এদেশে সর্বোত্র।– মে 19, 11:31 অপরাহ্ন
Md. Galib Mehadi khan
দেশপ্রেমিকের কোটা কি রাজনীতিবীদদের জন্য? এদেশে তারা ছাড়া তো দেশপ্রেমিকই নেই!!– মে 19, 11:25 অপরাহ্ন
Md. Galib Mehadi khan
সাঈদ ভাই অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকুন সতত।– মে 19, 11:23 অপরাহ্ন
এস.কে.দোয়েল
খুব সুন্দর নির্দেশনা। অভিনন্দন।– মে 19, 7:13 অপরাহ্ন
এস.কে.দোয়েল
বাংলার গর্ব। আমাদের অহংকার।– মে 19, 6:56 অপরাহ্ননূসরাত আলম
সাইদ ভাই আপনি লাকি মানুষ।ফ্রেশ খেতে পারেন।নিজ জমিতে চাষ করা তো আমার মতে ভাগ্যের ব্যাপার।তবে আপনি পাইকারি যে দর জানিয়েছেন,তা বেদনাদায়ক।কৃষক ভাইদের এত ক্ষতি মেনে...– মে 19, 6:38 অপরাহ্নDakua
সুধা রেজা / গ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) । আশা করি কৃষক বাঁচাতে সংশ্রিষ্ট সকলে এগিয়ে আসবেন।– মে 19, 5:33 অপরাহ্ন






শারীরিক নির্যাতন ঢাকা শহরের অনেক স্কুল এই তো এখনো আছে !! বেশি কিছু ্বনামধন্য স্কুল এত খুব বেশী হারেই হয় ! স্কুল এর নাম গুলু বল লাম না !!
গ্রামের পরিবেশ টা একেবারেই আলাদা ! ওখানে স্কুল গুলু তে শহরের স্কুল গুলুর মত পড়াশুনার চাপ কম ! কারন অইসব স্কুল গুলুতে কেবল বোর্ড এর বই গুলু ই পরান হয় ! আমি যেহেতু গ্রামে বড়ো হয়েছি তাই আমি আমার গ্রামীণ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। জদিও অনেক আগের কথা ! সেই সময় স্কুল স্যার রা রাতের বেলায় আসতেন ! দেখতেন কে কয়তা প্যন্ত জেগে আছে ! কারন আরা গ্রামের ছেলে মেয়েরা পরাশুনায় ভিশন ফাঁকিবাজ এবং অমনোযোগী ! স্কুল এর মান উন্নয়ন সাথে ছাত্রছাত্রীদের ভাল ফলাফলের জন্য ই স্যার রা এতা করে থাকেন ! শারীরিক নির্যাতন নতুন কিছু নয় ! তবে এটা র মাত্রা যদি বেপক হয় তবেই সেটার দিকে দ্রিশ্তি দেয়া দর কার ! বাবা মা সন্তনকে যখন পরাশুনা, দুস্তামির জন্য মারেন তখন কিন্তু আরা সেভাবে কেউ কিছু বলিনা !
গ্রামের স্কুল এর ম্যানেজিং কমিটি তে যারা থাকেন তারা বেশির ভাগক্ষেত্রেই খুব বেশীশিক্ষিত না ! তাহলে তারা কি করে এক্তাশিক্ষা প্রতিস্থান কিভাবে চালালে ছাত্র ছাত্রী দের কাছ থেকে আশা নরুপ ফল পাবেন ?!! ক্ষমতার দাপটে অনেকেই কেরে নেনে অইই চেয়ার গুলু !
আমিও ছোট বেলায় মার খেয়েছি মায়ের হাতে বোনের হাতে শিক্ষকদের হাতেও খেয়েছি !
তবে বর্তমান এ শারীরিক নির্যাতন তা গ্রহনযোগ্য নয় !! সময়ের পরিবরতনের সাথে সাথে অনেক কিছুই বদলে গেছে বদলে যাবে ! আমাদের উচিত পুরান ধ্যান ধারনা থেকে অনেকক্ষেত্রেই বেরিয়ে আসা !
এটার ভালো মন্দ দিক দুটোই আছে! তবে কাতলাগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর ছাত্র-ছাত্রীরা যদি মন্তব্য করতেন, এটার সুফল কুফল সম্পর্কে, তাহলে অন্যরা শিক্ষা নিতে পারতো । যাহোক বেত দিয়ে অস্বাভবিক নির্যাতন অপরাধ! এটা বন্ধ হোক! বাড়ীতে বাড়ীতে গিয়ে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্র-ছাত্রীর খোঁজ খবর নেয়া মহৎ কাজ! ভালো করে পড়াশোনা করার জন্য পরামর্শ দেয়া উচিত! বেত্রাঘাত নয়!
স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি নিশ্চয় আছে। তাদের অবস্থান কি, ভূমিকা কি? রাত এগারটার সময় কোন ছাত্রকে পড়াতে শারীরিক নির্যাতন কোন ভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। পড়াশোনা এক ধরনের ভালোবাসার নেশার মত। নেশাটা জাগিয়ে তুলতে স্কুলই মূখ্য প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের পড়ালেখায় ভালো করতে নানা ধরনের পদ্ধতি চর্চা হয়। শিক্ষকরা পিটিআই প্রশিক্ষণে বা অন্যান্য সরকারি প্রশিক্ষণে এসব বিষয়ে বিস্তর ধারণা পেয়ে থাকেন। এসবের কাজে লাগাতে হবে।
গ্রামীন শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শহুরে শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায় । তার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য গ্রামীন সমাজে বাবা মায়ের শিক্ষার ব্যপারে অসচেতনতা এবং আর্থিক অস্বচ্ছলতা । এছাড়াও রয়েছে বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক সংকট বা শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন । এত কিছুর পরও একটি শিক্ষার্থী গ্রামের কোন স্কুল থেকে পড়াশোনা করে উচ্চশিক্ষিত হলে অবশ্যই সবারই কিছু না কিছু অবদান থাকেই ।
বাবার সরকারি চাকুরির সুবাদে আমারও কিছুদিন গ্রামের স্কুলে পড়ার সুযোগ হয়েছিলো । সম্পূর্ন ভিন্ন একটি চিত্র দেখতে হয়েছে শহরের তুলনায় গ্রামে ।যাই হোক আমার স্কুলের শ্রদ্ধেয় স্যারকেও দেখতাম তিনি রাতে না ঘুমিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন । কেউ ঘুমিয়ে পড়লে কিছুটা শাস্তিও দিতেন । আমার কাছে এটা এতটা অপরাধ মনে হয় নি । তার শাসনে একটি জীবন হলেও আজ অনেক বেশী প্রতিষ্ঠিত । তবে শাসনের নামে অতিরিক্ত শারিরীক নির্যাতন উগ্র মানুষিকতারই বহিঃপ্রকাশ ।
ধন্যবাদ ।