Home » প্রবাসকন্ঠ » কুয়ালালামপুরে পুলিশের গুলিতে দু’জন সন্ত্রাসী নিহত

কুয়ালালামপুরে পুলিশের গুলিতে দু’জন সন্ত্রাসী নিহত

318 বার পঠিত

কুয়ালালামপুরের আম্পাং এলাকায় পুলিশের গুলিতে দু’জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে । গতকাল  বাংলাদেশ সময় রাত আনুমানিক ৯ টার সময় আম্পাং এলাকার জালান রাজালিতে দুই জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে পুলিশ গুলি করে মেরে ফেলে। জানা গিয়েছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ার পুলিশ একটি সাদা প্রাইভেট কারের পিছু করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দেয়। আম্পাং এলাকার জালান রাজালিতে এসে পুলিশ গাড়িটি আটক করে। সে সময় গাড়িতে দুই জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে পাওয়া যায় । তাদের কাছে ছিল স্নাইপার নামন অত্যাধুনিক অস্ত্র। মালয়েশিয়ার আইন অনুযায়ী অস্ত্র পাওয়ার পর  দু’জনকে গুলি করে মেরে ফেলে পুলিশ। নিহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।  তবে তারা মালয়েশিয়ার নাগরিক বলে জানা গিয়েছে । সে সময় আম্পাং এল আর টি থেকে আম্পাং পয়েন্ট  পর্যন্ত পুলিশ ব্যারিকেট দিয়ে সড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয় । যার ফলে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় । বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ জন এসে ভীর করে সেখানে ।

মালয়েশিয়ায় কোনও আসামির কাছে অস্ত্র পাওয়া গেলে তাকে সাথে সাথে মেরে ফেলা হয় । তাই  সে  দেশে কেউ অস্ত্র বহন করার সাহস করে না । এই কারণে মালয়েশিয়া অপরাধ কম হয় । সব অপরাধীদের শাস্তি ভয়ংকর তাই কেউ অপরাধ করতে সাহস করে না ।  আমাদের দেশে যদি অপরাধীদের শাস্তি এভাবে দেয়া হতো তাহলে অপরাধীরা অপরাধ করার সাহস পেতো না ।

লেখা: রফিকুল ইসলাম সাগর,কুয়ালালামপুর,মালয়েশিয়া 

 

 

মন্তব্য
  • সাঈদ মোহাম্মদ ভাই এপ্রিল 29, 2012 at 3:49 অপরাহ্ন

    বিচার বহির্ভূত হত্যা যে কোন মূল্যেই অগ্রহণযোগ্য। নিজের অযোগ্যতাকে অন্যের দায়ভার হিসেবে চালিয়ে দেয়ার মধ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে না। শুধু যুদ্ধ-হীন বিশ্ব মানেই শান্তি নয়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে বিনা যুদ্ধেই আমরা অশান্তিতে থাকতে পারি। তা আজ আমাদের দেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে দৃশ্যমান। আপনার নৈরাশ্যের কারণ আমি অবশ্যই বুঝতে পারছি। আপনার মত আমিও মাঝে মাঝে হতাশায় আচ্ছন্ন হয়ে যাই। চারিদিকে অধৈর্য আর ন্যায়বিচারের যে অভাব। তার দায়ভার আমিও অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়ে সুখ পেতে চাই। পরোক্ষনেই মনে হয়, সন্ত্রাসকে সন্ত্রাস দিয়ে নয়, যোগ্য শাসকের শক্ত হাতে ন্যায় বিচারের মাধ্যমে মোকাবেলা করলে তবেই সমাজে শান্তি আসা সম্ভব। তা নাহলে একটি মিথ্যার জন্য যেমন দশটি মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়। তেমনি একটি অন্যায় হত্যার জন্য সমাজে আরও দশটি হত্যা-সম সমস্যার সৃষ্টি হবে, হচ্ছে। আমরা অন্যায়ের পথে হাঁটছি বলে অন্যায়কেই সঠিক পথ বলে মনে করি। কিন্তু এ পথে মুক্তি মিলবে না, মিলবে শুধু প্রবঞ্চনা।

  • Dakua এপ্রিল 29, 2012 at 3:39 অপরাহ্ন

    মানবাধীকার সমুন্নত রেখে শাস্তি দেয়াটা উত্তম! অপরাধীরও অধিকার আছে আইনে আশ্রয় লাভের! আমাদের সমস্যা আইনের সঠিক প্রয়োগ! আবার বেশী কঠোর করলে অপপ্রয়োগ হতে পারে! তাই সামঞ্জস্য/ভারসাম্য করে আইন প্রয়োগ করলে ভালো কিছু হতে পার।

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) এপ্রিল 29, 2012 at 1:42 অপরাহ্ন

    র‌্যাব যদি একজন অপরাধীকে মারে সব মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীরবিদ্ধ করে আক্রমন করে র‌্যাবের উপর । যদিও কোন কোন ক্ষেত্রে ভুল বিচারের কারনে আস্থা কমিয়ে ফেলেছে র‌্যাব তবে আমি বলবো র‌্যাবের সঠিক ব্যবহার হলে অবশ্যই আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হওয়া সম্ভব ছিলো । আসলে এমন কিছু আইন এবং এর প্রয়োগ আমাদের দেশে প্রায় বাধ্যতামূলকই হয়ে পড়ছে ।

    • Mohsin Alam এপ্রিল 29, 2012 at 3:54 অপরাহ্ন

      আপনার সাথে আমি একমত নই র‌্যাব-পুলিশ যদি প্রকিত সন্ত্রাসীদের মারে তাহলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো কখনো আক্রমন করবেনা র‌্যাবের উপর । কিন্তূ র‌্যাব-পুলিশ দুই পক্ষের সাথে গুলা গুলির নাটক করে নিরীহ মানুষকে হত্যা করে । এছাড়া এ পর্যন্ত র‌্যাব-পুলিশ বহু নিরীহ মানুষকে সন্ত্রাসী সাজিয়ে হত্যা করছে কী করতে পেরেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো? মানবাধিকার সংগঠনগুলোর কথা কী কেউ শুনছে ? এখনোতো নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।
      ‘আসলে এমন কিছু আইন এবং এর প্রয়োগ আমাদের দেশে প্রায় বাধ্যতামূলকই হয়ে পড়ছে’ আপনার এই কথার সাথে আমিও একমত। দেশে অপরাধীদের শাস্তি হচ্ছে নামে মাত্র অপরাধ করেও তারা মাফ পেয়ে যাচ্ছে তাই তাদের চোখে ভয় নেই । ভয়ংকর শাস্তি দিলে অপরাধীরা অপরাদের সাহস করবে না ।

© বদলে যাও, বদলে দাও!