‘চ্যানেল আই’-র সাগর ভাইকে বলছি।
আমাদের দেশে বড়দের চিত্তবিনোদনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ‘হিন্দি চ্যানেলের’ বদৌলতে রমনীরা তো থাকেন শশব্যস্ত। সময় মত বসে পড়েন রিমোট নিয়ে টিভি সেটের সামনে। কিন্তু সে তুলনায় শিশুদের ‘বাংলায়’ বিনোদন নেই বললেই চলে। যা রয়েছে তাও আবার হিন্দিতে ! অগত্যা নিরূপায় হয়েই শিশুরা হিন্দি কার্টুনের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে । এমনকি হিন্দি ভাষাটিও ক্রমান্বয়ে রপ্ত করে ফেলছে। যা কিনা শিশুদের ভবিষ্যত মনোবিকাশের পরিপন্থী । প্রসঙ্গক্রমে বলছি, আমাদের সময়ে সুস্থ বিনোদনের তো কোন অভাবই ছিল না । ছিল ছায়াসুনিবিড় গাঁয়ের খোলা মাঠ । স্কুলছুটির পর দৌঁড়-ঝাঁপ ছুটাছুটি এগাঁ থেকে ও গাঁয়ে ; হিজল তমালের শাখা থেকে পুকুরে ঝাঁপ- সাতাঁরকাটা ; বিস্তীর্ণ মাঠে ঘুড়ি ওড়ানো; কানামাছি- গোল্লাছুট ইত্যাদি খেলা কতই না দুরন্তপনায় কেটেছে শৈশব! আর আজকের শহুরে ইট-পাথরের প্রকোষ্ঠে ছকে বাঁধা নিয়মে শিশুদের বিনোদন বলতে টিভি অথবা কম্পিউটার সেট । অনন্যোপায় হয়ে শিশুরা ঝুঁকে পড়ছে সে দিকেই । ওদের জন্য সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থা করাটা কিন্তু আমাদেরই নৈতিক দায়িত্ব বিশেষ করে টিভি চ্যানেলগুলোর । প্রসঙ্গক্রমে বলছি, প্রথম আলোর ‘বদলে যাও বদলে দাও মিছিল’-এ সাড়া দিয়ে ‘গর্জে ওঠো আরেকবার বিজয়ের মিছিলে’ আমার লেখাটি ‘চ্যানেল আই’-র সাগর ভাইকে পাঠাই এবং অনুরোধ করি তরুন প্রজন্মকে জেগে ওঠার বিষয়ে তার টিভি চ্যানেলে বিশেষ ভূমিকা নিতে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এয়ারটেলের সহযোগীতায় সামির আহমেদের পরিচালনায় ও অর্ণবের সঙ্গীতে ২০ মিনিটের স্বল্পদৈঘ্য চলচ্চিত্র ‘অরুনোদয়ের তরুনদল’ ডিসেম্বরে এনটিভিতে সম্প্রচারিত হয় । তাই পুনর্বার সাগর ভাইকে অনুরোধ করছি আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য বাংলায় বিনোদনমূলক ‘শিশুতোষ কার্টুন’ বিনির্মান করুন- ধন্যবাদ ।






songslistoder kache amar onurodh ontoto sisutosh onushthangulor majhe biggapon prochar simito korben
keno??
jeno sisura biggapon birotir dirgho somoy e kono bijatio cartoon dekhar baina na kore abong avabe dhire dhire niger desh ke vule na jai. dhonnobad.