Home » ইভটিজিংমুক্ত বাংলাদেশ চাই » ইভটিজিং সমস্যা: নারী কতটুকু দায়ী? চাই সমাধান

ইভটিজিং সমস্যা: নারী কতটুকু দায়ী? চাই সমাধান

795 বার পঠিত

সংস্কৃতি একটি গতিশীল প্রক্রিয়া। সংস্কৃতি ধাপে ধাপে আধুনিকের দিকে ধাবিত হয় কারণ প্রত্যেক দেশই চায় আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার করতে এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে একটা সংস্কৃতি যেমন হঠাৎ করে দুই/এক দিনে পরিবর্তন হতে পারে না, তেমনি একটা দেশের বা অঞ্চলের সংস্কৃতিকে দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থানের মধ্যে রাখা যায় না।
খোলামেলা পোশাক দেখলে কামাবেগ আসতে পারে, এটা স্বাভাবিক। খোলামেলা পোশাক দেখায় কামউত্তেজনা আসাটা প্রত্যেকের নিজ নিজ সংস্কৃতির উপর নির্ভরশীল। প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে-মেয়েদের জন্য এটা খুবই স্বাভাবিক এবং সার্বজনীন। কামাবেগ এমন নয় যে, যেদিনই বিয়ে করা হবে সেদিন থেকেই এটা শুরু হয়ে যাবে। অনেকে ভেবে থাকেন ছেলেরা জন্মগতভাবে একটু হিংস্র এবং কামাবেগপ্রবন হবে মেয়েদের থেকে, এবং তার বহিঃপ্রকাশ থাকতে পারে। আর মেয়েরা এগুলো সহ্য করার মতো ক্ষমতা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এসব ধারণা পুরুষতন্ত্রের তৈরি; আমাদের সমাজব্যবস্থা আমাদেরকে এগুলো শেখায়। যার ফলে ইভটিজিংয়ের মত অপরাধকে অনেক অবিভাবক অপরাধ না মনে করে অপরাধী ছেলেদের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন দেখায়। কামাবেগের ফলে কাউকে কি জোর করে যৌন নির্যাতন করতে হবে? ইভটিজিং- যৌন নির্যাতন অনেকটা পুরুষতন্ত্রের তৈরি করা মানসিকতা।
গত ১০ জানুয়ারী ২০১২ প্রথম আলোয় মানবাধিকার কর্মী আইরিন খান (অ্যামনেস্টি ইন্টারণ্যাশনালের সাবেক মহাসচিব) লিখেছেন- “আমাদের সংস্কৃতি ও রীতিতে- আইন ও ধর্মের দ্বারা জোরদার হয়ে-পুরুষকে ভাবা হয় রক্ষক, প্রতিপালক, জন্মদাতা ও হুকুমদাতা হিসেবে। আর নারীকে দেখা হয় অধীনস্ত ও ঘরকুনে সেবাদাত্রী।”
একটু প্রগতিশীল নারী ও তার কাজকে সমাজ বাকা চোখে দেখে। এখনও হোষ্টেলে থাকা মেয়েকে সমাজ ভালভাবে মেনে নিতে পারে না; হোষ্টেলে থাকা মেয়েকে মনে করা হয়- বেশি স্মার্ট, অবাধ্য, ইচ্ছামতো যেখানে-সেখানে যেতে পারে, অনেক ছেলে বন্ধু থাকে, অতি চালাক হয়, এরা স্বামী কথা মতো চলবে না ইত্যাদি।
টেলিভিশনে বা ইন্টারনেটে ভিন্ন সংস্কৃতির কিছু বা খোলামেলা পোশাকের দৃশ্য দেখলেই কি আমাদের মানসিকতা ইভটিজিংয়ের জন্য তৈরি হয়ে যাবে? এখন ইন্টারনেটের যুগ; ক্লিক করলেই জগতের সবকিছু, পৃথিবীর যেকোন মানুষের সংস্কৃতি আমাদের সম্মুখে চলে আসে।

ইভটিজিং প্রতিরোধে সামাজিক বিনোদনের একটা সম্পর্ক আছে। যারা বখাটে যাদের কোন কাজ থাকেনা, অযথা সময় নষ্ট করে ঘুরে বেড়ায় তারাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইভটিজিং করে থাকে। মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে; অনেক সময় শারিরীক নির্যাতন করে; প্রতিবাদকারীকে মারধর করে এমনকি খুনও করছে।
খেলাধূলা ছেলেমেয়েদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি দিক। তাই সামাজিক বিনোদনের জন্য ব্যবস্থা রাখা খুবই দরকার। এখনই উচিত সরকারি ভাবে খেলাধুলার জন্য মাঠের ব্যবস্থা রাখা; বিকালের অবসর সময়ে ছেলে-মেয়েরা সেখানে খেলতে পারবে । খেলাধুলার ভেতরে থাকলে শিশু-তরুণদের অসমাজিক কোন কাজের প্রতি বা ইভটিজিংয়ের প্রতি আগ্রহ জন্মাবে না।
এজন্য দরকার খেলাধুলার জন্য যতেষ্ঠ জায়গা; যা হতে পারে শিশু-কিশোরদের বিনোদনের এক দেশি ভান্ডার। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা পায় শারিরীক পরিশ্রম; এবং খেলাধূলা শিশুদের মানসিক বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে।

একটা ছোট ছেলে যদি দেখতে দেখতে বড় হয় অন্য ছেলেরা পথে/ঘাটে মেয়েদের দেখলেই কটুবাক্য বলে; কুমন্তব্য করে, মেয়েদের উদ্দেশ্যে অশালীন কোন কথা বলে তাহলে সে বড় হয়ে তেমন করতে চাবে। সে তার সংস্কৃতির অংশ মনে করবে। কাজেই ইভটিজিং এর মতো সমস্যা এখনই দূর করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

পিতামাতাকে নিজেদের সন্তানের প্রতি আরও বেশি সচেতন করতে হবে। ঠিক তেমনি ইভটিজিংয়ের শিকার এমন মেয়ের কথাকে পিতামাতার অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তা-না হলে মেয়েটি বেশি অসহায়বোধ করতে পারে। আবার সামান্য কারণে অভিভাবক কর্তৃক অধিক শাসন সন্তানের জন্য বখাটেপনার সম্ভাবনা অনেক বেশি। স্কুলে শারীরিক শাস্তি বন্ধ করতেই হবে। শারীরিক শাস্তির ভয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল বিমুখ করতে পারে। আর স্কুলে না যাওয়া ছেলেদের বখাটে হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
পাঠ্যপুস্তকে ইভটিজিং সম্পর্কে, সঠিক যৌনতা ও যৌন নির্যাতন সম্পর্কে পড়াশোনার বিষয় অবশ্যই থাকা উচিত।
বিদ্যালয় থেকে; পরিবার থেকে একটা ছেলে কি শিখছে? কিভাবে বড় হচ্ছে, তাকে কি শেখানো হচ্ছে? ইত্যাদি বিষয় গুলো পর্যালোচনার সময় এসেছে অন্তত বর্তমান সময়ের ইভটিজিং সমস্যা রোধে। নৈতিকতা-মনুষ্যত্ব-মানবিকতা তৈরির জন্য বিদ্যালয় অনেক বড় ভুমিকা রাখতে পারে।
মোতাহের হোসেন চৌধুরী ‘সংস্কৃতি কথা’ প্রবন্ধে লিখেছেন-
“আমাদের সমাজ প্রেমকে করেছে নিষিদ্ধ আর কামকে রেখেছে আড়ালে; ফলে প্রেম হারিয়ে গেছে আর কাম হয়েছে গোপন; চোরের মতো।”
যা কিছু গোপন করা হয় তা অসুস্থ্য। এবং নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি মানুষের আগ্রহ বেশি থাকাই স্বাভাবিক। এখন যদি বেশি প্রগতিশীলতা ও বেশি আধুনিকতার কথা বলতে গিয়ে যদি বলি- দেশে পর্নোগ্রাফির উম্মুক্ততা দরকার। তবে তা হবে অবশ্যই নৈতিকতা বিরোধী, কারণ এটা আমাদের সংস্কৃতির বিপরিত। এবং সবচেয়ে বড় কথা আমাদের দেশের আইনে পর্ণোগ্রাফি তৈরি করা, দেখা, ক্রয়-বিক্রয় অপরাধ।
তবে আমাদের পাশের দেশ ভারতে সমালোচিত এই বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক- সেদেশের সুনম পান্ডে ও যৌন আবেদনময়ী মডেল বেদিতা বলেছেন- পর্নোগ্রাফিকে আইনি বৈধতা দিতে। তারা বলেছেন- আইনি বৈধতা পেলে পর্নোগ্রাফির প্রতি সবার আকর্ষণ কমে যাবে। বেদিতা বলেন, “নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি আগ্রহ থাকাই স্বাভাবিক। আসলে পর্নোগ্রাফি দেখাটা রোমাঞ্চ তৈরি করেনা, প্রকৃত রোমাঞ্চ হলো আইন ভাঙায়।” এসব বলে তারা অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
আমাদের দেশে এমন কথা হয়তো বলা যেতে পারে আরও (৫০) পঞ্চাশ বছর পরে। কারণ ততদিনে আমাদের সংস্কৃতির রূপ অনেক পরিবর্তন হয়ে যাবে।

ইভটিজিং রোধ করতে হলে- কিশোরী-তরুনীদের বিশেষ ক্ষমতা দিতে হবে যাতে করে ওরা যেন বখাটেদের প্রতিরোধ করতে পারে। তরুনীরা যেন রুখে দাঁড়াতে পারে ঐ বখাটেদের বিরুদ্ধে। আমরা কখনই দেখিনা নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতিত হতে।
অধিকাংশ সময় গরীব মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মেয়েরা ইভটিজিং ও নির্যাতনের শিকার হয়। কোন ধনী লোকের মেয়ে যদি প্রাইভেট কার থেকে নেমে বেশি খোলামেলা পোশাক পরে ঘুরে বেড়ালেও বখাটেরা সহজে তাদেরকে কটুবাক্য বা টিজ করতে সাহস পায়না।

ইভটিজিংয়ের কারণ হিসেবে অনেকেই নারীদের দায়ী করে থাকেন তাদের ব্যবহৃত পোশাকের জন্য। অনেকেই ইভটিজিং রোধে নারীর উপর দোষ চাপিয়ে মেয়েদের সচেতনতার উপর গুরুত্বআরোপ করে থাকেন। যেমন মেয়েরা যখন রাস্তাঘাটে বের হয়ে চলবে সংযত হয়ে চলবে মার্জিত পোশাক পরবে ইত্যাদি। এমন মতামতের পুরোপুরি বিরোধিতা করতে চাই।
এখন প্রশ্ন করতে চাই, কোন ছেলে যদি গায়ে জামা না পরে বা আকর্ষণীয় বা যৌন আবেদন ময়ী পোশাক পরে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায় মেয়েরা কি তাকে দিকে কুবাক্য বলে বা টিজ করে? করে না। ছেলেরা যেকোন পোশাক পরে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। এমন প্রশ্ন করলে অনেকেই বলবে- ছেলেদের এতটা শরীর ঢাকার নিয়ম নেই এবং এমনটা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমাদের সমাজ পুরুষের কামাবেককে স্বাভাবিক মনে করলেও নারীদের বেলায় সেটা নিষিদ্ধ।
নারীদের উপর দোষ চাপিয়ে এমন পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব অবশ্যই দূর করতে হবে। বিনা দোষে নারীরাই যেখানে নির্যাতনের শিকার সেখানে অপরাধের বোঝা কোনভাবেই ধমান্ধদের মতো নারীর উপর চাপানো ঠিক নয়।
ধর্মান্ধরা বলবে বোরকার তলে থাকতে। কিন্তু বোরকা কি সমাধান দিতে পারে? ধরে নিলাম আমাদের দেশে মেয়েরা সবাই বোরকা পরে বা খুবই মার্জিত পোশাক পরে এবং দেশে কোন ইভটিজিং হচ্ছে না। এখন যদি পশ্চিমা দেশ থেকে পর্যটনে কোন ব্যক্তি বা তাঁর পুরো পরিবার তাদের সংস্কৃতির পোশাক পরে আমাদের দেশে আসে, তাদের দেখে আমাদের দেশের তরুণরা কী টিজ করা এবং যৌন নির্যাতন করা শিখে ফেলবে? অথবা আমাদের দেশ থেকে কোন তরুণ পশ্চিমা দেশ বা পাশের দেশ ভারতে গিয়ে খোলামেলা পোশাক পরা মেয়েদের দেখলেই ইভটিজিং করা শিখে ফেলবে?
অথবা বোরকা যদি ইভটিজিংয়ের সমাধান হয়, যারা হিন্দু, খিষ্টান বা অন্যান্য ধর্মের লোকেরা বাস করেন তারাও কি আমাদের দেশে বোরকা পড়ে ঘুরে বেড়াবে?

ব্যাপারটা যেন নারী খত্ণা দেওয়ার মতো, অর্থাৎ সমাজে কোন অনৈতিক কাজ, ব্যভিচার, জেনার পরিমান বেড়ে গেলে দোষ দেওয়া হতো নারীদের কামুকতাকে। তাই প্রচলিত হয়েছিল নারী খত্ণা। যা এখনও আফ্রিকার অনেক দেশে প্রচলিত। যদিও ব্যভিচারের জন্য দায়ী পুরুষ; আর এসব কাজের ভুমিকা নিতে হয় পুরুষকেই। তারপরও শাস্তি পায় নারী; নারী খত্ণার কারণে নারীর এক বিশেষ অধিকারকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

কাজেই মেয়েদের পোশাককে দোষ দিয়ে লাভ নেই। আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে আগে। আর মেয়েদের দেখে কটুবাক্য করা শুধু বর্তমানের সমস্যা নয়। এ অপরাধটি বেশ আগে থেকে হয়ে আসছে। তাই, দরকার কঠোর আইন ও আইনের প্রয়োগ।

মানুষের পারস্পারিক বিপরিত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ একটা স্বাভাবিক ও সার্বজনীন বিষয়। তাই বলে কি বিপরিত লিঙ্গের প্রতি বিদ্রুপ, অসন্মান, অবহেলা করতে হবে? ছেলেরা তো খোলামেলা ভাবে চলে কিন্তু কোন মেয়ে কি ছেলেদেরকে বাজে মন্তব্য বা নির্যাতন করে?
কিশোরী-তরুণীদের বিশেষ ক্ষমতা দিতে হবে যাতে করে ওরা যেন বখাটেদের প্রতিরোধ করতে পারে। তরুণীরা যেন রুখে দাঁড়াতে পারে। তাই নারীদের শারিরীক, মানসিক ও আর্থিক ভাবে শক্তিশালী হতে হবে। তাহলে পুরুষের মানসিকতা স্বয়ংক্রীয়ভাবে পরিবর্তন হতে বাধ্য। পুরুষ যুগ যুগ ধরে নারীকে অবলা মনে করে ঘরকুনে বানিয়ে রেখেছে।
সম্প্রতি ইভটিজিং রোধে খুবই সুন্দর এবং বাস্তববাদী একটি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসন। উত্ত্যক্তকারী বখাটের হাত থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য স্কুল-কলেজগামী ছাত্রীদের কারাতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছেন ঐ জেলার জেলা প্রশাসন। (কিছুদিন আগে প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত)। জেলা প্রশাসনের উদ্দ্যেগে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহাবিদ্যালয়ের সমাবেশে বক্তব্য দিয়েছিলেন পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তাদের এই উদ্দ্যেগ বাস্তবায়ন হোক। এটার ফলে ছাত্রীদের মানসিক শক্তি বৃদ্ধি করবে বলে আমি আশা রাখি।
আমাদের সমাজে নারীরা শারিরীক ও মানসিকভাবে দুর্বল। যদিও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের দুর্বল করে রাখা হয়েছে; এবং দুর্বল করে রেখেছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা।
ইভটিজিং প্রতিরোধ:
ইভটিজিং সমাধান কল্পে ২ টি পদপে নিতে হবেঃ ক) তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ খ) দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ;
ক) তাত্ক্ষণিক পদক্ষেপ:
এখনই যে পদক্ষেপ নিতে হবে-
ইভটিজিংয়ের অপরাধের জন্য আইনি সহায়তা পেতে যেন থানা পর্যন্ত না যেতে হয়। মোবাইলেই একটি এসএমএসের মাধ্যমে যেন থানায় অভিযোগ এবং জিডি করা যেতে পারে। প্রতিটি থানায় থাকবে নিদ্রিষ্ট কোড বা মোবাইল নং যে নাম্বারে একটা মেসেজ পাঠিয়ে ইভটিজিংয়ের শিকার যেকোন মেয়ে বা অভিভাবক অভিযোগ পাঠাতে পারবেন। কোন কিশোরী বা তরুণী কোন রকম হুমকি বা প্রথমিকভাবে ইভটিজিংয়ের শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে থানায় ইনফর্ম করতে পারে বা জিডি করতে পারে সে সুযোগ দিতে হবে। মোবইলের উক্ত কোড বা নম্বার গুলো প্রতিটি বিদ্যালয় এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাইলাইটস আকারে প্রদান করা যেতে পারে। যেহেতু সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে চায় তাই এই প্রস্তাবটি সরকার ভেবে দেখতে পারে।
নারীর ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বা যৌন নির্যাতন কমাতে থানা-আইন-মামলা সংক্রান্ত ব্যাপারগুলি হতে হবে সহজ। এবং সেই সাথে কোন প্রকার কুপ্রস্তাব বা ইভটিজিংয়ের কবলে পড়লে মেয়েরা যেন সম্মিলিতভাবে তার জবাব দিতে পারে; সে ব্যবস্থা করতে হবে।
সব পুরুষেরা কিন্তু ইভটিজিং, যৌন নির্যাতন করে না। মেয়েদের খোলামেলা পোশাক দেখলেও কিন্তু বাজে মন্তব্য করে না; ইভটিজিং করে না। যাদের এমন অনৈতিক মানসিকতা আছে তারা ইভটিজিং করে থাকে। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
রেডিও, টিভি, পত্রিকা ইত্যাদি গণমাধ্যমের সাহায্যে সকলকে সচেতন করা যেতে পারে। ইভটিজিংয়ের শাস্তি সম্পর্কে এসব গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন আকারে প্রচার করা যেতে পারে। সেই সাথে প্রচার করতে হবে- অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। কোন বড় নেতা, রাজনৈতিক নেতা, প্রভাবশালী ব্যক্তি কেউ তাকে সুপারিশ করতে পারবে না। আইন সম্পর্কে জানাতে হবে সাধারণ মানুষকে। এক কথায় আইনের প্রয়োগ ঘটাতে হবে। তবেই না ইভটিজিং সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করি।

খ) দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ:
উপরে উল্লেখিত আলোচনা (তাত্ক্ষনিক পদক্ষেপ ছাড়া) দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপের মধ্যে পড়ে। এছাড়া সামাজিক মূল্যবোধ, মনুষ্যত্ব, মানবিকতা, নারীর প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, নারীকেও আমাদের মতো মানুষ ভাবা; এসব বিষয়গুলো শেখানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাথে বিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই বিষয়গুলি চর্চা করার সুযোগ প্রদান করতে হবে। বিদ্যালয়ের পাঠ্য বইয়েও এই বিষয়গুলির স্থান দিতে হবে। নারীর ক্ষমতায়ণের দিকে জোর দিতে হবে। পাঠ্য পুস্তকে নারী নির্যাতন (ইভটিজিং) / ধর্ষণ / যৌনতা সম্পর্কে শ্রেণীভেদে বিষয় থাকা উচিত।

আল মাসঊদ খান

মন্তব্য
  • আফছানা বেগম অর্থী মে 18, 2012 at 12:21 পূর্বাহ্ন

    যে পাখির ডানা সুন্দর ও কণ্ঠস্বর মধুর তাকে খাঁচায় বন্দি করে মানুষ গর্ব অনুভব করে। তার সৌন্দর্য সমস্ত অরণ্যভূমির, এ কথা সম্পত্তি লোলুপরা ভুলে যায়। মেয়েদের হৃদ্যয় মাধুর্য ও সেবা নৈপুণ্যকে পুরুষ সুদীর্ঘকাল আপন ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে করা পাহারার বেরা দিয়ে রেখেছে। মেয়েদের নিজেদের স্বভাবেই বাঁধনমানা প্রবনতা আছে, সে জন্যই এটা সর্বত্র এত সহজ হয়েছে।

    • Al Masud মে 18, 2012 at 4:06 অপরাহ্ন

      অনেক শিক্ষিত মেয়েরাই জানেনা- পৃথিবীতে তাদের কিছু অধিকার আছে; বুঝতে চায় না, পৃথিবীটা শুধু পুরুষের নয়; নারীরও। তাইতো পুরুষ সুযোগ পেয়েছে নারীকে শারিরীক-মানসিক-ও আর্থিকভাবে দুর্বল করে রাখতে। আর নারীকে বন্দি রাখার বিধান তৈরি করেছে পুরুষ; সে-তো বহুদিন আগে থেকে। ধন্যবাদ- আফছানা বেগম অর্থী

      • summiya tabassum মে 18, 2012 at 8:59 অপরাহ্ন

        Al Masud,ধন্যবাদ আপনাকে।সত্যিকার ার্থে, য়ুগে য়ুগে কন্যা শিশুকে এমন এক পরিবেশে াভ্যস্থ করা হয় য়েখানে সে পায়না য়থায়থ আচরণ,য়ত্ন। ঘর থেকে বাইরের পরিবেশে বেরোলে পারিপাশ্বিক বিরুপ পরিস্থিতি তাকে করে তোলে াসহায়।সে হারিয়ে ফেলে তার আত্নবিশ্বাস। আমাদের সমাজে আপনিও হয়তো লক্ষ্য করবেন একটি ১ বছরের ছেলে শিশুকে খেলনা দেয়া হয় ব্যাট,বল,সাইকেল ইত্যাদি। য়েখানে কন্যা শিশুটির হাতে এ সমাজ ধরিয়ে দেয় খেলনা তৈজসপত্র। যেখানে প্রথম ধাপে সমাজ একটি শিশুর জগতটাকেই এভাবে বিভাজিত করে দেয় সেখানে আমরা একজন নারীর বাঁধনমানা প্রবনতা (!) কে কিবা বলতে পারি।

        • Al Masud মে 19, 2012 at 8:53 পূর্বাহ্ন

          বেগম রোকেয়ার ‘সুলতানার স্বপ্নে’ র মতো নারী যদি সমাজের প্রভু হতো; হতো নারী শ্বাসিত সমাজ অর্থাত্ নারীতান্ত্রিক সমাজ তবে নিশ্চয়ই ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও ইভটিজিংয়ের মতো অপরাধগুলো সমাজে থাকতো না।
          ধন্যবাদ summiya tabassum

  • Al Masud মে 14, 2012 at 3:53 অপরাহ্ন

    “ইভটিজিং সমস্যা: নারী কতটুকু দায়ী? চাই সমাধান” লেখাটি পড়ে অনেকে মন্তব্য করছেন, আইন করে সবকিছুর সমাধান হয় না। আমি বলি অবশ্যই হয়।
    এখন সবাই টাকার জন্য দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে, টাকার জন্য সবাই নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিচ্ছে। যেকোন সরকারী প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গেলেই ঘুষ লাগে এবং এটা এখন সবাই মেনেও নিয়েছে; তাই দুর্নীতি এখন আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছে বলা যায়। এখন এই সংস্কৃতি কিভাবে পরিবর্তন হবে? যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। কি পদক্ষেপ নিতে হবে?
    আইনের মাধ্যমেও একটা দেশের সংস্কৃতি পরিবর্তন করা সম্ভব । দুর্নীতির মতো বিষয়টি আইন করে বন্ধ করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আইন করে যদি আইনের প্রয়োগ ঘটানো যায় যে, সরকারী প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মী যদি ১০ টাকা পরিমান ঘুষ বা দুর্নীতি করে ধরা পড়ে তবে তার চাকরী থেকে বহিস্কার করা হবে। তবে কি সরকারী প্রতিষ্ঠানে ঘুষ-দুর্নীতি থাকবে?
    এখন আমরা চাই না, দুর্নীতির মতো ইভটিজিংয়ের মতো অপরাধটি আমাদের সংস্কৃতির অংশ হয়ে যাক। কাজেই ইভটিজিং অপরাধটি দমাতে হলে অবশ্যই কঠোর আইনের দরকার।
    ধন্যবাদ সবাইকে

  • Al Masud মে 13, 2012 at 2:50 অপরাহ্ন

    Mr. shopnoshiri আপনি (মে 12, 2012 at 7:41 অপরাহ্ন) সময়ে মন্তব্য করে কিছু কথা লিখেছেন, ইভটিজাররা বলে থাকে- “তারা দেখাইতে পারে আমরা বলতে পারব না? সবাইকে মা বোন ভাবলে বউ বা gf হবে কে? এই বয়সে যদি একটু আধটু নিয়ম নীতি না ভাঙ্গি বৃদ্ধ হইলে নাতি নাতনিরে কি জবাব দিব ?”

    হ্যাঁ, আমি এদের মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী পদক্ষেপের কথা বলেছি এবং সংশোধনের জন্য তাত্ক্ষনিক পদক্ষেপ ও আইনের কথা বলেছি।
    আর আপনি আইনের ব্যাপারে যে সমস্যাগুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলো আমাদের দেশের জন্য অনেক বড় সমস্য। আর সেইজন‌্য কঠোর আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন চাই। আমি আমার লোখায় আইনের প্রয়োগ ঘটানোর কাথা বলেছি।

  • Al Masud মে 13, 2012 at 12:39 অপরাহ্ন

    Mr. shopnoshiri আপনাকেও ধন্যবাদ। আমাদের দেশের সার্বিক দিকটা পরিবর্তনের খুবই দরকার তা না হলে আমাদের সংস্কৃতি টা দুর্নীতি-অসত্, নীতি নৈতিকতাহীন, মানবতা বিরোধী ও মননশীলতা বিরোধীর দিকে চলে যাচ্ছে। যার পরিবর্তন এখনই দরকার।

  • Al Masud মে 13, 2012 at 12:13 অপরাহ্ন

    আহমেদ ইউসুফ- আপিনই লিখেছিলেন-
    ”মডেলিং ও ফ্যাশন জগতের কিংবা শহুরে আধুনিক সমাজের ছেলেমেয়েদের একত্রে খোলামেলা চলাফেরা ও মেলামেশা একজন ইভটিজারকে প্রভাবিত করতে পারে। সেও চাইতে পারে পছন্দের মেয়েটির সাথে অন্তরঙ্গ হতে। আর মেয়েটি যখন ছেলেটির প্রস্তাবে সম্মতি দিবে না, ছেলেটি জোর করতে চাইবে। আর তখনই সেটা হবে ইভটিজিং।”
    এর জবাবে আমি লিখেছিলাম-
    (প্রাপ্ত বয়স্ক দু’টি ছেলে-মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক; অন্তরঙ্গ সম্পর্ক হতে পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মেয়েটির সম্মতির দরকার হবেনা! মেয়েটির নিজস্ব মতামতার গুরুত্ব থাকবেনা? ছেলেটির প্রস্তাবে মেয়েটি সাড়া না দিলে ইভটিজিং করতে হবে? মেয়েটিকে ডিষ্টার্ব করতে হবে? যৌন নির্যাতন করতে হবে?)
    আমি বলতে চাইছি, ছেলেটা কোন প্রস্তাব দিলে অবশ্যই মেয়েটির সম্মতির দরকার। দু’জনের সম্মতি থাকলে প্রেম-ভালবাসা- অন্তরঙ্গ সম্পর্কের অসুবিধা কোথায়?
    ধন্যবাদ আহমেদ ইউসুফ

  • Ahmed Yousuf মে 12, 2012 at 10:53 অপরাহ্ন

    ইভটিজিং একটি নিকৃষ্ট কাজ। আমাদের সবারই উচিত তা থেকে দুরে থাকা। মূলত একজন সুস্থ্য মস্তিষ্কের মানুষ ইভটিজিং করতেই পারেন না। মানসিকভাবে অসুস্থ্য ও বিকারগ্রস্থ মানুষই ইভটিজিং এর মতো জঘন্য কাজ করতে পারেন। জনাব মাসুদ আপনি বলেছেন Ñ“
    প্রাপ্ত বয়স্ক দু’টি ছেলে-মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক; অন্তরঙ্গ সম্পর্ক হতে পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মেয়েটির সম্মতির দরকার হবেনা! মেয়েটির নিজস্ব মতামতার গুরুত্ব থাকবেনা? ছেলেটির প্রস্তাবে মেয়েটি সাড়া না দিলে ইভটিজিং করতে হবে? মেয়েটিকে ডিষ্টার্ব করতে হবে? যৌন নির্যাতন করতে হবে? ” কিন্তু ভাইয়া চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। সুতরাং ইভটিজিং না করে উপায় কি বলুন? হ্যা উপায় অবশ্যই আছে এবং সেটা আমাদের খুজে বের করতে হবে। আসুন আমরা সম্মিলিতভাবে সবাই একযোগে কাজ করি। গাছের আগায় পানি না ঢেলে গোড়ায় পানি দেয়ার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ সবাইকে।
    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা, ১২ মে ২০১২ ইং

  • Al Masud মে 12, 2012 at 12:10 অপরাহ্ন

    Mr. Hasan ধন্যবাদ আপনাকে,

    আপনি (Hasan মে 10, 2012 at 8:14 অপরাহ্ন) লিখেছেন-
    ‘ভালো লাগলো লেখা, কিন্তু ওনেকের কমেন্ট বুঝলাম না।’
    অনেকে বাস্তবতা কে দূরে রেখে কমেন্টস্ করে। আসলে এটাও ঠিক সবার পারসেপশন তো এক নয়।

  • Al Masud মে 12, 2012 at 11:57 পূর্বাহ্ন

    আপনি লিখেছেন-
    shopnoshiri আপনি এই (মে 10, 2012 at 8:27 অপরাহ্ন) সময়ের মন্তব্যে লিখেছেন-
    ‘দেখা গেল কেউ একটা কথা শুনে হাসি দিল আবার আরেক জন শুনে ঘরে তালা দিয়ে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিল।’
    আমি বলি- যে কথা শুনে একজন ঘরে তালা দিয়ে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিবে আমরা তেমন কথা বলবো কেন? আরো একটা বিষয় আমাদের বুঝতে হবে সবাই সব কথা সমানভাবে নেয় না কারণ, সবার দৃষ্টিভঙ্গি এক নয়; বিহেভিহার ম্যান টু ম্যান ভ্যরি করে।
    আপনি আরো বলেছেন-টাকায় বিক্রি হওয়া আইনের কথা। এই টাকায় বিক্রি হওয়ার আইনের সংশোধন তো আগে করতে হবে, তা-না হলে আইনের প্রয়োগ হবে কিভাবে? অপরাধি শাস্তি পাবে কিভাবে?

    • shopnoshiri মে 12, 2012 at 7:41 অপরাহ্ন

      জি ভাই আমি এই কথাটাই বলতে চেয়েছি বিহেভিহার ম্যান টু ম্যান ভ্যরি করে , কিন্তু আমাদের অনেকেই বন্ধুদের সাথে যে ব্যাবহার করে অন্যদের সাথেও তাই করতে দ্বিধা করে না, সেখানেই ঘটে বিপত্তি। আর ভাই আমিও এক প্রশ্নই করি ” যে কথা শুনে একজন ঘরে তালা দিয়ে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিবে আমরা তেমন কথা বলবো কেন? ” আমি কয়েকটা উত্তর শুনেছি যারা ইভটিজিং করে তাদের থেকে ” তারা দেখাইতে পারে আমরা বলতে পারব না? সবাইকে মা বোন ভাবলে বউ বা gf হবে কে? এই বয়সে যদি একটু আধটু নিয়ম নীতি না ভাঙ্গি বৃদ্ধ হইলে নাতি নাতনিরে কি জবাব দিব ?” এরকম আরও অনেক জবাব আপনি পাবেন । এই উত্তর গুলি থেকে আপনি হয়ত সহজেই খুজে পাবেন তাদের কাছে এগুলি বলা কিছুই না এমনকি তাদের আপনি নীতি কথা বলেও কিছু হবে না কুকুরের লেজ যেমন সজা হয় না তেমনই ওরা ।
      আর আইনের কথা বলছেন ? আমার একটা ক্লাস মেট ধানমণ্ডি লেকে এক মেয়েকে একটা পুলিশের সামনেই অনেক বাজে কিছু কথা বলল , আমরা কয়েক জন এই ক্লাস মেটকে অনেক কথা শুনাইলাম কিন্তু পুলিশ চুপচাপ । আমাদের পাড়ায় এক মেয়ে থানায় গিয়ে বিচার চাইতে গিয়ে শুনল ” নিজের বিপদ ডাকেন কেন যা বলসে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকেন না হয় রাতের ঘুম ও হারাম হবে” । আর প্রতিবাদ করতে গিয়ে আপনি হতাশ হবেন কারন আপনার কথা শুনার মত মানুষ খুব কম পাবেন আপনি। আর যে দেশে ৪৮ ঘণ্টা কয়েক মাস হতে পারে সেখানে অন্য বিচারের অবস্থা কি হবে বুঝে নিন ।

  • Al Masud মে 12, 2012 at 11:26 পূর্বাহ্ন

    Mr. Ahmed Yousuf আপনি লিখেছেন- ‘মডেলিং ও ফ্যাশন জগতের কিংবা শহুরে আধুনিক সমাজের ছেলেমেয়েদের একত্রে খোলামেলা চলাফেরা ও মেলামেশা একজন ইভটিজারকে প্রভাবিত করতে পারে। সেও চাইতে পারে পছন্দের মেয়েটির সাথে অন্তরঙ্গ হতে। আর মেয়েটি যখন ছেলেটির প্রস্তাবে সম্মতি দিবে না, ছেলেটি জোর করতে চাইবে। আর তখনই সেটা হবে ইভটিজিং।’
    আমি বলবো- প্রাপ্ত বয়স্ক দু’টি ছেলে-মেয়ের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক; অন্তরঙ্গ সম্পর্ক হতে পারে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু মেয়েটির সম্মতির দরকার হবেনা! মেয়েটির নিজস্ব মতামতার গুরুত্ব থাকবেনা? ছেলেটির প্রস্তাবে মেয়েটি সাড়া না দিলে ইভটিজিং করতে হবে? মেয়েটিকে ডিষ্টার্ব করতে হবে? যৌন নির্যাতন করতে হবে?

  • sajib towhid মে 12, 2012 at 10:40 পূর্বাহ্ন

    গঠনমূলক লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো ।

    • Al Masud মে 13, 2012 at 4:59 অপরাহ্ন

      Mr. sajib towhid
      লেখাটি পড়ে আপনার ভাল লাগলো শুনে আমারও ভাল লাগলো। ধন্যবাদ

  • Al Masud মে 12, 2012 at 10:18 পূর্বাহ্ন

    Mr. Ahmed Yousuf আপনার লেখাটি সম্ভাবত ফন্ট মিসিং হয়েছে। নিচের লেখাটি আপনি লিখেছেন-
    ইভটিজিংয়ের কারণ হিসেবে অনেকেই নারীদের দায়ী করে থাকেন তাদের ব্যবহৃত পোশাকের জন্য। অনেকেই ইভটিজিং রোধে নারীর উপর দোষ চাপিয়ে মেয়েদের সচেতনতার উপর গুরুত্বআরোপ করে থাকেন। যেমন মেয়েরা যখন রাস্তাঘাটে বের হয়ে চলবে সংযত হয়ে চলবে মার্জিত পোশাক পরবে ইত্যাদি। এমন মতামতের পুরোপুরি
    বিরোধিতা করতে চাই”——আল মাসুদ। আমি আপনার সাথে কিছু কিছু ব্যাপারে একমত নই জনাব মাসুদ। সে ব্যাপারে আমার নিজস্ব ব্যাখ্যা উপ¯’াপন করছি।
    সৃষ্টিগতভাবে পুরুষ আক্রমানাতœক আর নারী সংযমী, সহনশীলা। অনেকে বলবেন এটা আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যব¯’ার তৈরি। নারী ও পুরুষ যে সম্পুর্ন আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও আপনি তার প্রমান পাবেন। নারী এবং পুরুষের রয়েছে আলাদা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। তাদের আকার আকৃতি, স্বভাব ও মন-মানসিকতায় ভিন্নতা রয়েছে। এমনকি মাংসপেশির টিস্যু ও হরমোনেও সুষ্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে নারী পুরুষের রয়েছে আলাদা ভুমিকা ও বৈশিষ্ট্য। এটাই ধ্রুব সত্য। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত নিয়মনীতির ব্যাত্যয় ঘটলে সেখানে অঘটন ঘটবেই। যার ফলে আজকের নয়া ইস্যু ইভটিজিং। নারী শরীর মাত্রই লোভনীয়। আর লোভনীয় জিনিসের প্রতি মানুষ মাত্রেরই রয়েছে দুর্নিবার আকর্ষন। এটা সৃষ্টির আদিকাল থেকে চলে আসছে। আর ভবিষ্যতেও থাকবে। সুতরাং লোভনীয় জিনিসকে একটু আড়ালে আবডালে তো রাখতেই হবে। তাই নয় কি? এক্ষেত্রে নারীদের শালীন পোষাকের কোন বিকল্প নাই। পূর্নাঙ্গ জীবন বিধান পবিত্র ধর্ম ইসলামেও এ ব্যাপারে রয়েছে সুষ্পষ্ট নির্দেশনা। পবিত্র কোরআনে নারী পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দা ফরয করা হয়েছে। নারীরা তাদের আপাদমস্তককে লম্বা ও ঢিলেঢালা পোষাক দিয়ে ঢেকে রাখবে আর পুরুষরা তাদের নজরকে সংযত করবে। কেই যদি তা অস্বীকার করতে চান তো আমার কিছু বলার নেই। নারীরা আকর্ষনীয়া, কমনীয়া। একজন নারীর সৌন্দর্য হাজার পুরুষের মতিভ্রমের কারন হতে পারে। পক্ষান্তরে একজন সুদর্শন যুবকের সৌন্দর্য এতটা প্রভাব বিস্তার করেনা। প্রগতিশীল নারীরা ও উদারনৈতিক নারীবাদীরা আমার কথায় রুষ্ঠ হতে পারেন। কিš‘ আমাদের প্রকৃত সত্যটা বুঝতে হবে। সত্য সবসময়ই সুন্দর। ইভটিজিং এর জন্য শুধু নারীদের পোষাকই একমাত্র কারন সেকথা আমিও বলতে চাইনা। তবে মূল ইন্ধন যোগায় একথা সর্বৈব সত্য। হয়তো দেখা গেল ইভটিজিং এর শিকার মেয়েটির এ ব্যাপারে কোন ইন্ধনই ছিল না। তারপরও সে ইভটিজিং এর শিকার হ”েছ। এটা একটা পরোক্ষ প্রভাব। মডেলিং ও ফ্যাশন জগতের কিংবা শহুরে আধুনিক সমাজের ছেলেমেয়েদের একত্রে খোলামেলা চলাফেরা ও মেলামেশা একজন ইভটিজারকে প্রভাবিত করতে পারে। সেও চাইতে পারে পছন্দের মেয়েটির সাথে অন্তরঙ্গ হতে। আর মেয়েটি যখন ছেলেটির প্রস্তাবে সম্মতি দিবে না, ছেলেটি জোর করতে চাইবে। আর তখনই সেটা হবে ইভটিজিং। এছাড়াও পর্নোগ্রাফি তরুন মস্তিষ্ককে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। পর্নোগ্রাফির অবাধ প্রচলন মোবাইলের ব্লুটুথ প্রযুক্তির মতো এক তরুন থেকে অন্যদের মাঝে ইভটিজিং এর ভুত সওয়ার করে। কেননা পুরুষ মাত্রই আক্রমনাতœক এ কথা আমি আগেই বলেছি। কেউ কেউ বলবেন সবাই তো আর এক রকম না। আমি ও স্বীকার করছি সবাই একরকম না। প্রত্যেকেরই মন-মাসকিতায় পার্থক্য রয়েছে। যে সব তরুন ছোটবেলায় নুন্যতম ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা পায়নি, যে তরুন বস্তি কিংবা এতিমখানায় বড় হয়েছ্।ে যে ছোটবেলা থেকেই মারামারি ও ঝগড়ার মধ্যে বড় হয়েছে। তার কাছ থেকে তো আপনি ভালো কিছু আশা করতে পারেন না। সুতরাং ইভটিজিং একটি সামাজিক সমস্যা। ইভটিজিং প্রতিরোধ করার জন্য সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
    পরিশেষে বলতে চাই ইভটিজিং প্রতিরোধে আমাদের পরিবার থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। পরিবার থেকেই বা”চাদেরকে নুন্যতম ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাটা দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই তাদের মন-মানসিকতায় সহমত, সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা দিতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে একথা সত্য আইন প্রয়োগ করেই অপরাধ দমন ফলপ্রসু হবেনা। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা।
    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা ১০ মে ২০১২ ইং

    • shopnoshiri মে 12, 2012 at 7:10 অপরাহ্ন

      Al Masud অনেক মানসম্মত আর বাস্তবতার নিরিখে লেখা আপনার এই মতামত, অনেক ধন্যবাদ।

  • Ahmed Yousuf মে 10, 2012 at 10:49 অপরাহ্ন

    Òইভটিজিংয়ের কারণ হিসেবে অনেকেই নারীদের দায়ী করে থাকেন তাদের ব্যবহৃত পোশাকের জন্য। অনেকেই ইভটিজিং রোধে নারীর উপর দোষ চাপিয়ে মেয়েদের সচেতনতার উপর গুরুত্বআরোপ করে থাকেন। যেমন মেয়েরা যখন রাস্তাঘাটে বের হয়ে চলবে সংযত হয়ে চলবে মার্জিত পোশাক পরবে ইত্যাদি। এমন মতামতের পুরোপুরি বিরোধিতা করতে চাই
    ”——আল মাসুদ। আমি আপনার সাথে কিছু কিছু ব্যাপারে একমত নই জনাব মাসুদ। সে ব্যাপারে আমার নিজস্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করছি।
    সৃষ্টিগতভাবে পুরুষ আক্রমানাতœক আর নারী সংযমী, সহনশীলা। অনেকে বলবেন এটা আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার তৈরি। নারী ও পুরুষ যে সম্পুর্ন আলাদা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকেও আপনি তার প্রমান পাবেন। নারী এবং পুরুষের রয়েছে আলাদা এবং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য। তাদের আকার আকৃতি, স্বভাব ও মন-মানসিকতায় ভিন্নতা রয়েছে। এমনকি মাংসপেশির টিস্যু ও হরমোনেও সুষ্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক জীবনে নারী পুরুষের রয়েছে আলাদা ভুমিকা ও বৈশিষ্ট্য। এটাই ধ্রুব সত্য। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত নিয়মনীতির ব্যাত্যয় ঘটলে সেখানে অঘটন ঘটবেই। যার ফলে আজকের নয়া ইস্যু ইভটিজিং। নারী শরীর মাত্রই লোভনীয়। আর লোভনীয় জিনিসের প্রতি মানুষ মাত্রেরই রয়েছে দুর্নিবার আকর্ষন। এটা সৃষ্টির আদিকাল থেকে চলে আসছে। আর ভবিষ্যতেও থাকবে। সুতরাং লোভনীয় জিনিসকে একটু আড়ালে আবডালে তো রাখতেই হবে। তাই নয় কি? এক্ষেত্রে নারীদের শালীন পোষাকের কোন বিকল্প নাই। পূর্নাঙ্গ জীবন বিধান পবিত্র ধর্ম ইসলামেও এ ব্যাপারে রয়েছে সুষ্পষ্ট নির্দেশনা। পবিত্র কোরআনে নারী পুরুষ উভয়ের জন্য পর্দা ফরয করা হয়েছে। নারীরা তাদের আপাদমস্তককে লম্বা ও ঢিলেঢালা পোষাক দিয়ে ঢেকে রাখবে আর পুরুষরা তাদের নজরকে সংযত করবে। কেই যদি তা অস্বীকার করতে চান তো আমার কিছু বলার নেই। নারীরা আকর্ষনীয়া, কমনীয়া। একজন নারীর সৌন্দর্য হাজার পুরুষের মতিভ্রমের কারন হতে পারে। পক্ষান্তরে একজন সুদর্শন যুবকের সৌন্দর্য এতটা প্রভাব বিস্তার করেনা। প্রগতিশীল নারীরা ও উদারনৈতিক নারীবাদীরা আমার কথায় রুষ্ঠ হতে পারেন। কিন্তু আমাদের প্রকৃত সত্যটা বুঝতে হবে। সত্য সবসময়ই সুন্দর। ইভটিজিং এর জন্য শুধু নারীদের পোষাকই একমাত্র কারন সেকথা আমিও বলতে চাইনা। তবে মূল ইন্ধন যোগায় একথা সর্বৈব সত্য। হয়তো দেখা গেল ইভটিজিং এর শিকার মেয়েটির এ ব্যাপারে কোন ইন্ধনই ছিল না। তারপরও সে ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে। এটা একটা পরোক্ষ প্রভাব। মডেলিং ও ফ্যাশন জগতের কিংবা শহুরে আধুনিক সমাজের ছেলেমেয়েদের একত্রে খোলামেলা চলাফেরা ও মেলামেশা একজন ইভটিজারকে প্রভাবিত করতে পারে। সেও চাইতে পারে পছন্দের মেয়েটির সাথে অন্তরঙ্গ হতে। আর মেয়েটি যখন ছেলেটির প্রস্তাবে সম্মতি দিবে না, ছেলেটি জোর করতে চাইবে। আর তখনই সেটা হবে ইভটিজিং। এছাড়াও পর্নোগ্রাফি তরুন মস্তিষ্ককে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। পর্নোগ্রাফির অবাধ প্রচলন মোবাইলের ব্লুটুথ প্রযুক্তির মতো এক তরুন থেকে অন্যদের মাঝে ইভটিজিং এর ভুত সওয়ার করে। কেননা পুরুষ মাত্রই আক্রমনাতœক এ কথা আমি আগেই বলেছি। কেউ কেউ বলবেন সবাই তো আর এক রকম না। আমি ও স্বীকার করছি সবাই একরকম না। প্রত্যেকেরই মন-মাসকিতায় পার্থক্য রয়েছে। যে সব তরুন ছোটবেলায় নুন্যতম ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা পায়নি, যে তরুন বস্তি কিংবা এতিমখানায় বড় হয়েছ্ধেসঢ়;। যে ছোটবেলা থেকেই মারামারি ও ঝগড়ার মধ্যে বড় হয়েছে। তার কাছ থেকে তো আপনি ভালো কিছু আশা করতে পারেন না। সুতরাং ইভটিজিং একটি সামাজিক সমস্যা। ইভটিজিং প্রতিরোধ করার জন্য সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
    পরিশেষে বলতে চাই ইভটিজিং প্রতিরোধে আমাদের পরিবার থেকেই কাজ শুরু করতে হবে। পরিবার থেকেই বাচ্চাদেরকে নুন্যতম ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষাটা দিতে হবে। ছোটবেলা থেকেই তাদের মন-মানসিকতায় সহমত, সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা দিতে হবে। আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তবে একথা সত্য আইন প্রয়োগ করেই অপরাধ দমন ফলপ্রসু হবেনা। এর জন্য প্রয়োজন সচেতনতা।
    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা ১০ মে ২০১২ ইং

    • shopnoshiri মে 10, 2012 at 11:22 অপরাহ্ন

      Ahmed Yousuf, আপনি যদি আমার মতা মত নিয়ে এমন কথা বলেন তবে বলব আমার সব গুলি কমেন্ট ভালভাবে পড়েন তাহলে আপনি বুঝবেন আমি শুধু নারীদের পোশাক নিয়ে নয় , এই প্রকাশনার উপর ভিত্তি করে কিছু কথা বলার চেষ্টা করেছি। আর চেষ্টা করেছি প্রায় সব কারন তুলে ধরতে। ধন্যবাদ

  • Hasan মে 10, 2012 at 8:14 অপরাহ্ন

    ভালো লাগলো লেখা, কিন্তু ওনেকের কমেন্ট বুঝলাম না।

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) মে 10, 2012 at 7:32 অপরাহ্ন

    পরিবারের উপর নির্ভর করে একজন মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টির বিষয়টি । শালীনতা প্রকাশ পরিবারেই শিক্ষার অংশ । আর যেন তেন ভাবে যাকে ইচ্ছা তাকে নিয়ে কামাবেগও ভালো মানুষের নৈতিকতায় পড়েনা । তার মানে এই নয় যে কামাবেগ থাকবেনা । তবে অবশ্যই লজ্জাশীল হয়ে একজন মানুষের কামাবেগ প্রকাশ করাই ধর্মের বহিঃপ্রকাশও বটে ।
    ইভটিজিং আকাশ সংস্কিৃতি নামক জালের দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে । নগ্ন পোষাক, নগ্ন চলাফেরা এবং মানুষিক নগ্ন চিন্তা এর প্রকোপ বাড়িয়ে দিচ্ছে ।
    যা করা যাবেনা তা অবশ্যই সন্তানের প্রতি বোঝানোর জন্য পরিবারেই দায়িত্ব । এই অপকর্ম থাকবেনা কারন ভালো মানুষ এর পক্ষে নয় । তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা আবশ্যক ।ধন্যবাদ ভালো লেখার জন্য ।

    • Al Masud মে 13, 2012 at 3:44 অপরাহ্ন

      A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) কে আন্তরিক ধন্যবাদ আমার লেখায় কিছু মন্তব্য দেওয়ার জন্য। আমার লেখা কতটুকু উপযুক্ত হয়েছে জানিনা তবে একটা সমাধানের প্রস্তাব দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এটা কতটুকু বাস্তবসম্মত তা আপানাদের মতো বিজ্ঞ মানুষেরা খতিয়ে দেখবেন, এই আশা রাখি। হয়তো কিছু কিছু বিষয়ে ধর্মের প্রসঙ্গ এসে যায়। কিন্তু আমি যেকোন ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করে কিছু লিখতে চাইনা।
      আসলে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার এটা সবচেয়ে বড় কথা। কিন্তু মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন তো খুব অল্প সময়ের ব্যাপার নয়। এটার জন্য দরকার সঠিক পরিবেশ, পারিবারিক শিক্ষা ও বিশেষ শিক্ষা। কিন্তু অনেক শিক্ষিত মানুষও সুশিক্ষা পায় না, ফলে ভাল মানসিকতা গড়ে ওঠে না। ভাল মানসিকতা তৈরি করার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষা দরকার। এর জন্য শিক্ষাই সবচেয়ে বড় ওষুধ বলে আমি মনে করি। কিন্তু আমরা দেখি অধিকাংশ মানুষ প্রতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শেষ করে বড় জোর কিছুদিন কয়েকটি উপন্যস জাতীয় বই পড়ে; তারপর কর্মস্থলে ঢুকে গেলেই বই হয় তার একরকম শত্রু। বই দেখলেই তাদের ঘুম আসে। অনেকেই না পড়ে পড়ে হঠাত্ কোন সময় বই সামনে পেলে পৃষ্টা উল্টিয়ে ৫ লাইন পড়তেই ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। এটা বড় বাস্তব। তাহলে এখন আমাদের মানসিকতা পরিবর্তন হবে কিভাবে? আর যারা অপরাধ করেন তাদের মানসিকতা পরিবর্তন করা হবে নাকি তাদের সংশোধনের ব্যাবস্থা করা জরুরী! এবং উপযুক্ত ও দুষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তা-না হলে মানসিকতা উন্ন করার প্রক্রিয়া অনেক দীর্ঘ সময়ের ব্যাপার।
      তবুও আমরা চাই দেশে ভাল একটা সংস্কৃতি।

      • বদলে যাও বদলে দাও মে 13, 2012 at 6:06 অপরাহ্ন

        Al Masud আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। ইভটিজিং আমাদের সমাজেরই একটি সমস্যা। আমারা সবাই এই সমাজের প্রতিনিধি। সমাজের প্রগতির পথ নানা কারণেই রুদ্ধ হয়ে যায়। রাজনৈতিক অরাজনৈতিক উভয় কারণই কাজ করে। সমাজের মানুষরাই আবার মুক্তির পথ খুঁজে বের করে। অবশ্য সমাজ যখন ভাবে, অনুভব করে এটি তার বিকাশের সমস্যা তখনই এগিয়ে আসে সমাধানে। এর জন্য কাউকে উদ্যোগ নিতে হয়।

        আমাদের দেশে দুদশক আগেও বিভিন্ন শহর এবং শহরতলীতে দেখতে পেতাম নানা রকম সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন সক্রিয় ছিল। ছোট ছোট ক্লাবগুলি থেকে আয়োজন হতো কত রকম অনুষ্ঠান, খেলাধূলা, বার্ষিক নাটক ইত্যাদি। সে সময় সবাই পাড়া মহল্লায় জোটবব্ধ হয়ে ভাই বোনের মত মিলে মিশে কাজ করতো। তখন কোন ধর্ষণের ঘটনা জন্ম দিতো না, ইভ টিজিংয়ের জন্ম দিতো না। আমি নিজেও সেইসব কর্মকান্ডের অংশীদার ছিলাম। সে সময়ের খেলাঘর, মুকুল ফৌজ, কচিকাঁচার মেলা, উদয়ন ক্লাব, নজরুল সাংস্কৃতিক একাডেমী এ জাতীয় নানা রকম সংগঠনের সক্রিয় বিস্মৃতি ছিলো সারা দেশ জুড়েই। ছিল নিজেদের উৎকৃষ্টতার প্রতিযোগিতা।

        একটি মেয়েকে যেমন তার সংগঠনের পরিচয়ে জানতাম, তেমনি তাঁর পরিবারের পরিচয়েও জানতাম। যে কোন সংগঠনের উদ্যোগে কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হলে ওমুকের বোনটি খুব ভালো নাচ করতে পারে, ওমুকের মেয়ে ভালো গাইতে পারে এসব আমাদের ঠোটেঁর ডগায় থাকতো। তাদের বাসায় অবাধ যাতায়ত করে তাদের অনুষ্ঠানে নিয়ে আসতাম আবার পৌছেঁ দিয়ে আসতাম। কোনদিন আমাদের সময়ে কারো মধ্যে অপচিন্তা মাথায় আসতো না। সে কারনে কোন ঘটনাও ঘটেনি। সেইসব সাথীদের সাথে মধ্য বয়সেও এখনো আমাদের সুন্দর সম্পর্ক অটুট রয়েছে।

        মাঝে মাঝে মনে হয় আমাদের সমাজ থেকে এই উদ্যোগগুলি বিলুপ্ত হবার কারণে নারী পুরুষের স্বাভাবিক বন্ধুত্বের সম্পর্কেরও বিলুপ্তি ঘটেছে। আমারা এগুলিকে সচল করতে পারলে এমনিতেই অনেক পরিবর্তন চলে আসতো। তখন এলাকায় যে মসজিদটি ছিল এখনো সেই জায়গাতেই আছে, একইভাবে মানুষজন নামাজ পড়ছে। কিন্তু তখন ধর্মীয় অনুশাসনের কথা কেউ বলতো না, সামাজিক নৈতিকতাই সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করে দিতো।

        এর মধ্যে কারো মনে প্রেম ভালোবাসা জন্ম নিতো না এমন নয়! সেটাও ছিলো। কিন্তু এই চিন্তার প্রকাশ করতেই এভারেষ্ট জয়ের কথা মনে হতো। আমার দুজন বন্ধু একটি চিঠি লিখতেও তিন বছর ভাবনা পরিকল্পনা করেছে। বার বার সামনে পড়তো সে তো ওমুকের বোন, ওমুকের মেয়ে। বুঝতে পেলে সর্বনাশ ঘটে যাবে। ইভটিজিং করা তো অনেক যোজন যোজন দূরত্বের ব্যাপার! এখন ভাবতেই পারি না সামাজিক সম্মানবোধের বিষয়টি পরিবার থেকেই ক্ষয়ে যাচ্ছে। আমাদের সকলের এবিষয়টি নতুন করে ভাবতে হবে বোধ করি।
        আপনার সুন্দর পোস্টের জন্য আবারও ধন্যবাদ।

        • Al Masud মে 14, 2012 at 11:04 পূর্বাহ্ন

          “বদলে যাও বদলে দাও মিছিল” কে কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদের মতো সাধারণ মানুষের মতামত পেশ করার জন্য এমন একটি মাধ্যম তৈরি করে দেওয়ার জন্য। এরকম একটি মাধ্যম পেয়ে আমরা শুধু আমাদের মনের কথা জানাতে পারছিনা; আমরা দেশের সমস্যা, অপরাধ, অন্যায়, দুর্নীতি ইত্যাদির চিত্র তুলে ধরতে পারছি। অন্যের মতামত জানতে পারছি। আরও একটি বড় ব্যাপার আমরা আমাদের মতামত-পরামর্শ-মন্তব্য দিতে গিয়ে আমাদের লেখালিখির অভ্যাসটা গড়ে উঠছে। আর লেখালিখির জন্য দরকার হয় বেশি বেশি পড়াশোনা (বিভিন্ন বই, সংবাদপত্র, ইত্যাদি)। নিজের লেখাকে অন্যের দ্বারা আলোচনা-সমালোচনার মাধ্যমে ভুল-ত্রুটিও এই প্রথম আলো ব্লগের দ্বারা জেনে নিতে পারছি। এটাও আমাদের অনেক বড় পাওয়া।
          আর দেখি, দেশটা পরিবর্তন করা যায় কি-না। আশাকরি প্রথম আলো সব-সময় আমাদের সাথেই থাকবে। আমরা এ দেশের জনগন, আমরাই পারি আমাদের দেশের পরিবর্তন আনতে।

  • Al Masud মে 10, 2012 at 4:33 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ shopnoshiri,
    সচারচর কাউকে কোন কথা বলাকে ইভটিজিং হবে কেন, কথার উদ্দেশ্যকারী তো পরিচিত বা স্বল্পপরিচিত হতে পারে। যাকে উদ্দেশ্যে করে কথা বলা হলো সে যদি ডিষ্টার্ব বোধ করে, তখন সেটা হবে অনুচিত হতে পারে সেটা ইভটিজিং। ইভটিজিং তো সাধারণ অসুবিধা নয়, এর ফলে যৌন নির্যাতন, আত্নহত্যা, হত্যা-খুন ইত্যাদি ঘটে চলেছে; মেয়ে ও মেয়েটির পরিবারের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
    ইভটিজিং কথাটি দ্বারা বোঝানো হয় পুরুষ কর্তৃক নারী নির্যাতন; নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতন কে অন্যকোন শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়। ‘ইভ’ শব্দ দ্বারা নারী জাতী কে বোঝানো হয়।
    আমি পর্নোগ্রাফির ব্যাপারে বলতে চাইছি, আইনি বাধাঁর কথা আর উম্মুক্ততার কথা উঠতে পারে ৫০ পরে; সময় বেঁধে দেয়নি।
    আর নারীদের নগ্ন হয়ে চলার কথা বলছি না; বলতে চাই নারীর স্বাধীনতার কথা; নারীর অধিকারের কথা।
    আপনি পরকীয়ার পাপাচারের কথা বলতে কি বোঝাতে চাইছেন তা ঠিক বুঝলাম না।

    • shopnoshiri মে 10, 2012 at 8:27 অপরাহ্ন

      আপনাকেও ধন্যবাদ আল মাসুদ সাহেব। আপনি বলেছেন “সচারচর কাউকে কোন কথা বলাকে ইভটিজিং হবে কেন, কথার উদ্দেশ্যকারী তো পরিচিত বা স্বল্পপরিচিত হতে পারে। যাকে উদ্দেশ্যে করে কথা বলা হলো সে যদি ডিষ্টার্ব বোধ করে, তখন সেটা হবে অনুচিত হতে পারে সেটা ইভটিজিং।”

      আপনার এই কথার মধ্যেই লুকিয়ে আছে একটা কথা তা হল আমরা এই যুগে খুব বেশি স্বাধীন ভাবে বুন্ধুদের সাথে মত প্রকাশ করি আর এর মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়াকে মেনে নেই বন্ধু বলেই , আর এই মেনে নেয়া পুজি করে অনেকে বন্ধুত্তের বাইরেও চালিয়ে যায় এসব অপ্রত্যাশিত কথাবার্তা , আর এক কথা বার্তা একেক জন একেক ভাবে নেয় বলেই ঘটে বিপত্তি । দেখা গেল কেউ একটা কথা শুনে হাসি দিল আবার আরেক জন শুনে ঘরে তালা দিয়ে খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিল।
      তাই সামাজিক একটা নীতির খুব দরকার যেন একটা মান দণ্ড পাওয়া যায়।

      আর আপনি বলেছেন ” ইভটিজিং তো সাধারণ অসুবিধা নয়, এর ফলে যৌন নির্যাতন, আত্নহত্যা, হত্যা-খুন ইত্যাদি ঘটে চলেছে; মেয়ে ও মেয়েটির পরিবারের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।
      ইভটিজিং কথাটি দ্বারা বোঝানো হয় পুরুষ কর্তৃক নারী নির্যাতন; নারী কর্তৃক পুরুষ নির্যাতন কে অন্যকোন শব্দ দ্বারা বোঝানো হয়। ‘ইভ’ শব্দ দ্বারা নারী জাতী কে বোঝানো হয়।”

      এই ধরনের নির্যাতনকে ইভটিজিং বলে ছোট করবেন না এটা নারী নির্যাতনের শামিল আর এটা কোন স্বাভাবিক পুরুষরাও করে না কিছু কাপুরুষ আছে তাদের কাজ, আমাদের টাকায় বিক্রি হওয়া আইন দিয়ে এটাকে প্রতিহত করা যাবে বলে মনে হয় না, তবে এসব কাপুরুষদের ধরে গাছের সাথে বেধে মুচলেকা দেয়া যেতে পারে ।

      আপনি বলেছেন “আর নারীদের নগ্ন হয়ে চলার কথা বলছি না; বলতে চাই নারীর স্বাধীনতার কথা; নারীর অধিকারের কথা।
      আপনি পরকীয়ার পাপাচারের কথা বলতে কি বোঝাতে চাইছেন তা ঠিক বুঝলাম না।”

      অনেক নারী মনে করেন তাকে ইচ্ছা মত পোশাক পরিধান করতে দেয়া বা যা ইচ্ছা তা করতে দেয়াটাই স্বাধীনতা, তাই অর্ধ নগ্ন বা অশালীন কাপড় পরিধান টা তাদের অধিকারের অংশ তবে মজার ব্যাপার হল একজনের বান্ধবী সে নিজে কামাবেগ পূর্ণ পোশাক পরলেও সেই লোক যখন অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকাবে লোকটার বান্ধবী বলবে ওই রকম নোংরা পোশাক পরা মেয়ের দিকে কেন তাকালে?
      আমি নারী স্বাধীনতা বিরোধী না তবে একটা নারী যেখানে মনে করে তার দৈহিক কিছু বৈশিষ্ট্য অন্য কাউকে তার দিকে আকৃষ্ট করে তবে তার কি উচিৎ না নিজেকে একটু সংযত রাখা ? একজন নারী তার মেধা, সৃজনশীলতা , কর্ম দিয়ে এগিয়ে যাবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এমন স্বাধীনতা পাক এটা আমি মন থেকেই চাই , তবে নারী এবং পুরুষের দৈহিক এই কামাবেগ প্রকাশকে মনে হয় স্বাধীনতা বলা উচিৎ হবে না কারণ এই ধরণের স্বাধীনতা তাদের প্রতি সম্মানবোধ কমাবে আর ইভটিজিং, পরকীয়া , ডিভোর্স সর্বোপরি সামাজিক অবক্ষয় বাড়াবে আমি একথা বুঝাতে চেয়েছি।

  • pantharma মে 10, 2012 at 4:15 অপরাহ্ন

    Protita manus jodi tar nij nij dhorma palonkore bamene chole tahole e sob oporad komte baddho.Emon kono dhorm nei jekhane manuser zonno khotikor kazer kingba kono asorner shikriti dea hoyese.Arober ek onddhakar juger abosan gatechilo quraner bidangulo poripurnna prowger maddhame . Allah manob sristi korese sristir sresthotto diey,mauser kollaner zonnoee manus ki korbe r ki korbena ta punkhkhaupunkhkho bornona koresen qurane.Sobai jodi e gronthotike zanto r manto notun kono aien korer dorkar hotona. Hany azkal chelerao evtizing er sikar hosse ora lozzay bolena. Khomotaban narir dara prorito hosse miththa narinirzatoner mamla hosse. Purus manusti nirobe hozom kore karon nari puske ottasar korse ete puruser powrasotta khato hobey. “Amar cheleti ebong meyeti amer ziboner cheyeo prio ora kivabe nirapod thakbe allah amake sikhiey dieysen ami nije jehetu ovabe chole nirapod chilam orao thakbe”.Apni nischoyi shikar korben amader dese ainer opaprowg hosse,ain evtising kotota bonddho korte sohayok hobe seta apekkhik.

    • Al Masud মে 13, 2012 at 4:51 অপরাহ্ন

      pantharma আপনাকে ধন্যবাদ,
      একসময় সমাজ তাদের বেশি পড়ালেখাকে মেনে নিতো না। নারীদের ভাবা হতো নির্বোধ, নিস্ক্রিয় আর পুরুষের তুলনায় নারীরা কিছুই না। আমাদের সমাজ নারীদের কাজ দেয় শুধু পুরুষের বা তাদের স্বামীদের সেবা করা; সমাজ আরও মনে করে সন্তান উত্পাদন আর লালন-পালনের কাজটি নারীর জন্য অবধারিত। এর কারণও আছে ঐ যে, প্রকৃতির নিয়মে সন্তান পেটে ধরে নারী তাই সমাজ ওদের জায়গা দিতে চায় ঘরে।
      তাইতো তালেবানরা আফগানিস্থানে-পাকিস্থানে মেয়েদের স্কুল গুলো বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়। নিশ্চয়ই তালেবানরা ভুলের মধ্যে রয়েছে…।

  • Al Masud মে 10, 2012 at 2:39 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ Nur-e-elahi আপনার সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আপনি বলেছেন- পুরুষের শূণ্যতা/ একাকিত্ব ঘোঁচাবার একমাত্র সঙ্গী নারী। কিন্তু নারীদের শূন্যতা/ একাকিত্ব ঘোঁচাবার জন্যও পুরুষের দরকার সেটা কেন বললেন না তা বুঝলাম না।

    • Nur-e-elahi মে 10, 2012 at 11:45 অপরাহ্ন

      ভাইয়া – ধর্মিয় আইন মেনে চলা আমাদের অত্যান্ত জরুরী।কিন্তু বর্তমান বিশ্বে ইসলাম ধর্মের আইন মেনে চলতে অনেক বেগ পেতে হয়।সেজন্য আমরা দিন দিন বহুবিধ সমস্যার সম্মুখিন।আমাদের ধর্মিয় বই পত্র পড়া জরুরী।সেখানে মানবজীবনেরই শুধু নয় মহাবিশ্বের সব সমস্যার সমাধান আছে, শুধু সেটা জানা আর আমাদের সেভাবে চলার অভ্যাস করা,তাহলে আর কোন সমস্যা থাকবে না ।

  • shopnoshiri মে 9, 2012 at 11:30 অপরাহ্ন

    আল মাসঊদ খান, আপনার লেখা পরলাম , আপনাকে কিছু তথ্য দেই, আপনি কি জানেন শুধু ছেলেরা না মেয়েরাও ইভটিজিং করে? আপনি কি জানেন অনেক ইভটিজিং করার ক্ষেত্রে অনেক মেয়েরা ছেলেদের সাহায্য করে অন্য মেয়েদের ইভটিজিং করতে? আমরা স্বাধীনতা বলতে শুধু পাশ্চাত্যের কথা বলি সেখানে একটা মেয়েকে যেভাবে dump করা হয় তা যদি আপনার জানা থাকে তাহলে বুঝবেন স্বাধীন সংস্কৃতি মানে পাশ্চাত্য নয়, আপনি কি জানেন যে কথা আপনি এক মেয়ে কে বললে ইভটিজিং মনে করবে সেই এক কথাই অন্য মেয়েকে বললে সে খুশি হবে? আপনি পর্ণগ্রাফির কথা বললেন বৈধতার জন্য আপনি ৫০ বছর সময় টাও বেধে দিলেন, আপনাকে একটা ছোট প্রশ্ন আপনার কি মনে হয় মা বাবার সামনে বসে পর্ণগ্রাফি দেখলেই মানুষ পর্ণ গ্রাফি দেখা ছেড়ে দেবে? মানুষ অনৈতিক কাজ করা ছেড়ে দেবে? রাস্তাঘাটে অর্ধনগ্ন বা কামাবেগ জন্মাতে পারে এমন পোশাক পরিধান করাটাকে মেনে নিলেই ইভটিজিং কমে যাবে, সমাজে পরকীয়ার মত পাপচার কমে যাবে? আমার লেখা পরে ভাবছেন আমি হয়ত ইভটিজিং কে সাপোর্ট করছি না ভাই আমি করছি না এমনকি আমি এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আহত পর্যন্ত হয়েছি, আমি শুধু এটুকু বলতে চাই নৈতিকতার বিরোধিতা , সামাজিক অবক্ষয়, কামাবেগ পূর্ণ আকাশ সংস্কৃতি( যেমনঃ এখন তোমাকে অনেক s**y লাগছে এটা কি স্বাভাবিক সংস্কৃতি? ) ,ধর্মীয় দৃষ্টি ভঙ্গির প্রতি উদাসীনতা, বিবেকহীন আর নেশায় ডুবে যাওয়া যুব সমাজ, নারী পুরুষের প্রতি সম্মান দেখানো আর পুরুষের নারীর প্রতি সম্মান দেখানোর প্রতি উদাসীনতা সর্বোপরি নারী পুরুষকে বা পুরুষ নারীকে শুধু s** toy হিসেবে দেখা, এসব বন্ধ না হলে আইন করে ইভটিজিং বন্ধ করা যাবে না।

  • Nur-e-elahi মে 9, 2012 at 11:03 অপরাহ্ন

    ভাই মাসুদ আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার সুন্দর লেখা পড়ে আমি খুশি হয়েছি তবুও মানুষের তৈরী আইন প্রয়োগ করে, কঠোর শাস্তি দিয়েও এ সমস্যার সমাধান হওয়ার না, কারন পুরুষের শুন্যতা /একাকিত্ব ঘোঁচাবার একমাত্র সঙ্গি নারী।সৃষ্টিলগ্নে পুরুষে বাম পাঁজড়ের হাড় দ্বারা তাদের সৃষ্টি করেছেন পরম করুনাময় অল্লাহ্ আর দিয়েছেন আইন( আল্ কোরআন)তাই, যে সমস্যা আজ সামাজিক ব্যধি মনে করে সমাধান খুঁজছি, তার অতি উত্তম সমাধান একমাত্র কোরআন ও হাদিস মোতাবেক পরিচালিত হওয়া ও করা । ধন্যবাদ।

© বদলে যাও বদলে দাও