Home » অন্যান্য » একটি বিনীত ভিক্ষুকের লজ্জাজনক পেশাকে জানাই হাজার সালাম

একটি বিনীত ভিক্ষুকের লজ্জাজনক পেশাকে জানাই হাজার সালাম

444 বার পঠিত

অফিস যাওয়ার পথে প্রায়ই একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যালে যানবাহন যখন থেমে থাকে, তখনই চেনা মুখের একজন ভিক্ষুককে দেখতে পাই। ওই থেমে থাকা সময়টুকুতে প্রতিটা যানবাহনের যাত্রীর কাছে তিনি ভিক্ষা করেন। লোকটি খুবই বৃদ্ধ। খুব ধীরে ধীরে হেঁটে হেঁটে প্রতিটা যাত্রীর কাছে যান তিনি। কেউ ভিক্ষা দেন, কেউ মাফ চান। আমিও একই রুটিনে চলি। ভাংতি টাকা থাকলে কখনও ভিক্ষা দেই, আবার কখনও বৃদ্ধের আকুতি এড়িয়ে যাই। ভিক্ষা দিয়ে কখনও কারো অবস্থার উন্নতি করা যায়না জানি। কিন্তু বৃদ্ধ লোকটির আকুতি শুনে ভাবি, হয়ত তাঁর ছেলে মেয়ে তাকে অবহেলিতভাবে ছেড়ে চলে গেছে স্বার্থপরের মত। তাই অবচেতন মনে গ্রহণযোগ্য যুক্তি দাড় করিয়ে কখনও বৃদ্ধ ভিক্ষুককে ভিক্ষা দেই, কখনও দেইনা। কিন্তু বৃদ্ধ ভিক্ষুকটি কিন্তু প্রতিদিন একই ভাবে বিনয়ের সাথে আমার কাছে ভিক্ষা চায়। কারন সে ভুলে যায়না যে এই সিগনাল এ দাঁড়ানো যাত্রীদের ভিক্ষা দিয়েই তাঁর অন্নের যোগান হয়। কিন্তু দেশের ভদ্রবেশী ভিক্ষুকেরা প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর ভিক্ষার ঝুলি ফেলে ভিক্ষা গ্রহন করেন, এবং সিংহাসনে বসার খুব স্বল্প সময়ের মাঝে বিনীত চেহারাটা ধুয়ে মুছে ফেলেন, ঔধ্যত্ত নিয়ে কেড়ে নেন সাধারণ মানুষের অধিকারগুলো, ভুলে যান তাঁদের ভিক্ষুকের বেশ।প্রায়ই সিগন্যাল এ দাঁড়িয়ে ভাবি, ছেড়া-খোরা নোংরা জামা পড়া,বয়সের ভাঁজে কুঁচকে যাওয়া চামড়ায় ঢাকা, নুজ্জ্য দেহের এই বৃদ্ধ ভিক্ষুকটি প্রকৃত অর্থে ও তুলনামুলকভাবে উত্তম নাগরিক। কারন, ভিক্ষা পাক আর না পাক, সে তাঁর বিনম্রতার প্রকাশ কখনও বন্ধ করেননা।

 

কিছুদিন আগে লিখেছিলাম চলমান বিদ্যুৎ ও পানি সমস্যা নিয়ে। আজ পুনরায় লিখছি। একই বিষয় নিয়ে লেখার পুনরাব্রিতি করতে বাধ্য হচ্ছি কারন চারিপাশের তথা নিজ জীবনের স্থবিরতা নির্বাক হয়ে দেখাটা অসহ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সবাক হওয়ার জন্য কলমটা তুলে নিয়েছি।

এখন প্রায় ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। একটা দিন ২৪ ঘণ্টায় যার ১২ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ ছাড়া কাটাতে হচ্ছে। এ কেমন নিয়ম-এই বিষয় নিয়ে কোন রকম তর্ক-বিতর্ক,মানসিক কষ্ট আর অনুভব করিনা। হতে পারে মনটা পাথরের আর মস্তিষ্কটা বরফের মত হয়ে গেছে।তাই অনুভূতি নামমাত্র আছে। অফিসে বিদ্যুতের অভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাজ বন্ধ রাখতে হয়। কারন জেনারেটরের তেল কিনে ভবন কর্তৃপক্ষ পুষিয়ে উঠতে পারছেন না। আর আইপিএসও বিদ্যুতের অভাবে চার্জ হয়না। বাসায়ও একই অবস্থা। বিদ্যুৎবিহীন জীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে যেসকল যন্ত্রগুলো কিছুটা সাহায্য করত সেগুলো সবই এখন অচল। যারা এমন অথর্ব অবস্থায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন তাদের নিয়ে লেখার ভাষা আমার নেই। কারন তাঁদের ক্ষতির মূল্য আমি বুঝবনা। কোটি কোটি টাকার অঙ্কের হিসাব যে আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের কাছে দুর্বোধ্য মনে হয়!বরং আমি আমার মত কিছু ক্ষুদ্র মানুষদের জীবনকথা স্বাচ্ছন্দ্যে লিখতে পারি।

একটি ৮ মাসের শিশু যে কিনা শুধু কেঁদে কেঁদে নিজের আকুতি প্রকাশ করতে পারে, সে কিন্তু চুপ করে বসে নেই। বাসার ৫ তলায় বসবাসরত ৮ মাসের ছোট্ট শিশুটি হাত পা ছুড়ে, শরীরের সর্বস্ব শক্তি দিয়ে চিৎকার করে সেদিন নিজের ক্ষোভগুলো বলে যাচ্ছিল নিজের ভাষায়। কারন বিদ্যুৎ আর পানির অভাবে, প্রচণ্ড গরমে শিশুটি একই সাথে পানি শূন্যতা আর প্রস্রাবের ইনফেকশানে ভুগছে। কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তাই ভাষার তোয়াক্কা না করে নিজ চিৎকারে মুখরিত হয়ে উঠছিল বার বার। কারন এখনও দেশের বড় মানুষদের মত নির্বাক হয়ে থাকা রপ্ত করে উঠতে পারেনি শিশুটি। আর শিশুটির বাবা বার বার আকুতি করছিল যদি বাসা পরিবর্তন করে এমন কোন বাসায় যাওয়া যায় যেখানে পানি বিদ্যুতের অভাব হবেনা। বাবাটি নিজেও জানে এই আকুতি বৃথা। কারন এই দেশে তাঁর মনের আশা পূরণ করার মত কোন স্থান নেই। “শিশুকে হ্যাঁ বলুন” শ্লোগান নিয়ে আমরা অনেক প্রচারণা করি, নানা আয়োজন করি। যেখানে একটি ৮ মাসের শিশুকে সুস্থ জীবনের জন্য, খাবার পানির জন্য, কাঠ ফাটা গরমে একটু বাতাসের জন্য আমরা “হ্যাঁ” বলতে পারছিনা, সেখানে অন্য যেকোনো বিষয়ে শিশুকে “হ্যাঁ” বলার প্রশ্ন অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক।

আরেকজন সদ্যপ্রসূতি মা আছেন বিল্ডিং-এ যার সন্তান প্রসবের সময় অপারেশন হয়েছে। পানির অভাবে ঠিক মত গোসল করতে না পেরে আর নিয়মিত পরিষ্কার পরিছন্নতা রক্ষা করে নিজের পরিচর্যা করার অভাবে তাঁর অপারেশনের সেলাইকৃত স্থানের আসে পাশে ঘা হয়ে গিয়েছে। তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পরেছেন যে নড়াচড়ার ক্ষমতা তাঁর নেই। এইদিকে ছোট্ট শিশুটি কারনে অকারনে কেঁদে যাচ্ছে সারাদিন। মায়ের কষ্ট অনুভব করার জন্য শিশুটি যে নিতান্তই ছোটো!

আমার মামীর বাবার পরিবার থাকেন শুক্রাবাদ এলাকায়।গত তিন দিন থেকে বাড়ীওয়ালা শুধু খাবার আর রান্নার পানি দিচ্ছেন।কারন পানির লাইনে পানি নেই। রাতে কিছুটা পানি আসলেও তখন বিদ্যুৎ থাকেনা। তাই কোন উপায়েই তিনি পানির জোগান দিতে পারছেন না। উল্লেখ্য যে পরিবারের সকল সদস্য গত তিনদিন থেকে গোসল করছেন না। পায়খানা-প্রস্রাবে পানি দেয়ার মত পানি নেই কথাগুলো শুনতে অরুচিশীল মনে হলেও এটাই সত্য ও বাস্তব চিত্র। আরেকটি অরুচিশীল কথা হল এহেন অমানবিক জীবনযাপনের দরুন পরিবারের একজন সদস্যের চর্মরোগও দেখা দিয়েছে। এত অরুচিশীল পরিস্থিতির মাঝে থেকেও বাড়িওয়ালার প্রতি কোন ক্ষোভ তাঁদের পরিবারের নেই। কারন বাড়ীওয়ালা নিজেও তো সাধারণ মানুষের কাতারেই পরেন। তাঁর অসাধারনত্তের ধৃষ্টতা কোথায় যে তিনি এই পরিস্থিতি থেকে সবাইকে মুক্ত করবেন?

কাল অন্ধকারে রান্না করতে করতে যখন দেখলাম ছোট্ট চার্জারটাও নিভু নিভু করছে তখন ভাবছিলাম “ডিজিটাল বাংলাদেশ” কথাটির অর্থটা সম্ভবত আমি বুঝতে অপরাগ। কারন ডিজিটাইজেশন এর প্রথা বিদ্যুৎ ছাড়া কিভাবে পরিপূর্ণ করা সম্ভব তা আমার জানা নেই। সত্যি খুব ব্যর্থ মনে হল নিজেকে নিজের দেশের ভবিষ্যতের আকাঙ্খিত স্বপ্ন “ডিজিটাল বাংলাদেশ” এর প্রকৃত অর্থ না খুঁজে পাওয়ার জন্য। কষ্ট করে বিদ্যা অর্জন করেছি, শিক্ষিত বলে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছি, অথচ নিজ দেশের স্বপ্নের অর্থ বুঝতে অক্ষম-আমার জীবনের এই অজ্ঞতা কিভাবে মেনে নেই আমি? স্বাধীনতার ৪১ বছর পার হয়ে যাবার পর আমাদের স্বপ্নটা হওয়া উচিৎ ছিল প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলগুলোতে বিদ্যুৎ ও পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা। কিন্তু চিত্রটা এতটাই বিপরীত যে বিদ্যুৎ ও পানির অভাবে শহরের মানুষও বর্বরযুগে ফিরে গিয়েছে। দেশপ্রধানরা গ্রামের প্রতিটা মানুষের কাছে কম্পিউটার প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে সংকল্পবদ্ধ। এই সঙ্কল্প অনেকটা চালকবিহীন গাড়ির মত মনে হয় আমার কাছে। এখন মনে হয়,বিদ্যুৎবিহীন জীবনটার সাথে আমরা অলিখিত সমঝোতা চুক্তি করে নিয়েছি। কিন্তু পানি ছাড়া জীবন যাপন পদ্ধতিটা এখনও ঠিক মত রপ্ত করে উঠতে পারিনি। পানির অপর নাম জীবন, এই কথাটি চিরন্তন সত্য।কিন্তু পানির চরম অভাব জীবন্মৃত পরিস্থিতির সৃষ্টি করে- এই কথাটা বাস্তব সত্য।

সুশিক্ষিত হওয়ার ধাপ পেরোনোর সময় শিখেছি-“শোনা কথায় কান দিতে নেই”। কিন্তু এও তো শিখেছি যে “ সত্যই সুন্দর” যেখানে বাস্তবে সত্যের রূপটা হচ্ছে ভীষণ কুৎসিত আর কালিগোলা জলের মত কালো। তাই একটি অসুন্দর শোনা কথার অবতারনা করছি।এক বন্ধু দেশের বৃহৎ বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার সুবাদে নানা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ঘুরে বেরায়। কারন বিনিয়োগের পূর্বে যথাযত পরীক্ষণ আবশ্যক। এক ব্যবসায়ী যে কিনা শুধুই বিলাসবহুল পণ্যের আমদানিকারক, তাঁর পণ্যের তালিকায় খাবার পানির নাম দেখে আমার বন্ধু কিছুটা অবাক হয়ে সে ব্যপারে তাকে প্রশ্ন করেন। উত্তরে জানতে পারেন যে, এই পানি সরাসরি আহরণ করা হয় উন্নত বিশ্বের একটি প্রাকৃতিক ঝর্না থেকে যার প্রতি গ্লাস পানির মূল্য বাংলাদেশী টাকার ৪৫০ টাকা। এই পানির একমাত্র ক্রেতা বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান…। এই শোনা কথাটি যদি সত্য হয় তবে তার কদর্জতা অবিশ্বাস্য। আর এই শোনা কথাটি যদি মিথ্যা হয় তাঁর কুৎসিত রূপও ভয়ঙ্কর। কারন জনসাধারণের প্রতিনিধিরা কেন এমন বিলাসবহুল জীবনযাপন করবেন যার দরুন এমন কথার আবির্ভাব হতে পারে!! শুধু বিলাশবহুলতা নয়,রাজনৈতিক প্রধানরা নিজ চলাফেরার পথে সাধারণ মানুষের জীবন অথর্ব করে দেয়ার নজিরবিহীন নিয়মের সৃষ্টি করে থাকেন। একটি রাস্তা দিয়ে তারা যখন গাড়িবহর নিয়ে যাত্রা করেন তখন ওই রাস্তা ও তাঁর সাথে সংযুক্ত অনেক রাস্তার যাত্রীবাহী যানবাহন অচল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। উল্লেখ্য যে, ইংল্যান্ড এর রাজ পরিবারের সদস্যরা বা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পথ চলার ক্ষেত্রে এমন নজীর স্থাপন করতে অপরাগ। এইসকল দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী আত্মীয়- স্বজনকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলেই এর সত্যতা যে কেউ পরীক্ষা করতে পারবেন।

মতিঝিল এলাকায় যারা অফিস করেন, তারা প্রতিদিন দেখেন নতুন সময়ের নতুন একটি চল-বিশাল আকৃতির বিলবোর্ডে দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ছবি, তাঁর নিচে কোন এক রাজনৈতিক দলের কোন নেতার ছবি,তাঁর নিচে কোন একটি আবেগপূর্ণ শ্লোগান। আজ যখন বাসার এই অসহ্য পরিস্থিতির সাথে লড়াই শেষ করে চরম অনিরাপত্তাপূর্ণ যাত্রাপথ অতিক্রম করছি অফিস যাওয়ার জন্য, তখন এমনই এক আবেগমুখর স্লোগানের উপর চোখ আটকে গেল। স্লোগানে সম্মানিত ব্যক্তিত্বের নামের নিচে লেখা-“ দেশের সাধারণ মানুষের কথা বলে”। হৃদয়ের মাঝে বোবা একটা ক্ষোভের আগুন কয়েক মূহুর্তের জন্য জ্বলে দপ করে আবার নিভে গেল। আবারো অবচেতন মনের আবির্ভাব আমাকে প্রশ্ন করল-“বিলবোর্ডে লেখা আছে-“দেশের সাধারণ মানুষের কথা বলে”, কিন্তু কোন দেশের সাধারণ মানুষ তাঁর তো উল্লেখ নাই। হতে পারে এই সাধারণ মানুষ হল আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মত বিশ্বের উন্নত অংশের সাধারণ মানুষ যারা আমাদের তুলনায় আমরা নিতান্তই আদিম যুগের বাসিন্দা। তাই বিলবোর্ডের মানুষগুলোর চেহারায় উপচে পড়া হাঁসি দেখা যাচ্ছে। হতেই পারে এমনটা। আইনেরও যেমন ফাঁক-ফোঁকর আছে, তেমন স্লোগানেরও তো থাকতে পারে। কারন দেশে বিদ্যমান অথর্ব এই পরিস্থিতিতে জীবন নামক যুদ্ধে যারা প্রতিনিয়ত হেরে গিয়ে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে টিকে থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে,তাঁদের কথা যদি বিলবোর্ডে লেখা থাকতো তবে কি এমন অসহ্য পরিস্থিতির সুরাহার কোন প্রচেষ্টা হতনা?

আজকে আমি ঠিক করেছি আর একটু সবাক হব। আজ আমি দ্বিধাহীনভাবে মনের কথা বলব। যেকোনো ধর্মে ভিক্ষাবৃতি একটি লজ্জাজনক কাজ। কোন ধর্মই ভিক্ষাকে পেশা বলে গণ্য করেনা। কিন্তু আমার মানবধর্ম বলে সিগন্যালে দাঁড়ানো ওই লোকটির ভিক্ষাবৃত্তির মাঝে কোন লজ্জা নাই। তাই আজ আমি ঠিক করেছি বাসায় যাওয়ার পথে লোকটিকে বলব যেন সে তাঁর জীবিকা নির্বাহের উপায়টি নিয়ে কোনরকম কুণ্ঠাবোধ না করে।কারন তুলনামুলকভাবে সে অনেক বেশি উত্তম উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করছে।তাই সব দ্বিধা ঝেরে ফেলে সেযেন মানুষের কাছে হাত পাতে।কারন তাঁর চাইতে অনেক বেশি হতদরিদ্র ভিক্ষুক শোষণ করছে সাধারণ মানুষকে তাঁদের অসাধারণ ক্ষমতাবলে।শোষণের মাঝে যদি লজ্জা না থাকে তো ভিক্ষার মাঝে লজ্জা কিসের???!!!!

মন্তব্য
  • Ahmed Yousuf মে 1, 2012 at 9:51 পূর্বাহ্ন

    চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী। কথাটা ধ্রুব সত্য। তার বাস্তব প্রমান আমাদের রাজনীতিবিদেরা। ওনাদের গায়ে গন্ডারের চামরা। আর আমরা অতি হীন অচ্ছ্যুৎ ব্যক্তিদের চিৎকার চেচামেচিতে ওনাদের ঘুম ভাঙবে কেন? তবুও ব্যর্থ প্রয়াস আর কি———-চলুন দেখা যাক। ধন্যবাদ আপনাকে এমন সময়োপযোগী ও জনগুরুত্বপুর্ন বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।

    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা, ০১ মে ২০১২ ইং।

  • zanasir এপ্রিল 30, 2012 at 10:02 অপরাহ্ন

    hosain farhana, wright you are. see our prime minister already started begging votes for next term. realy, that street begger is much better than the politicians vote begger.

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) এপ্রিল 30, 2012 at 8:15 অপরাহ্ন

    অসাধারন । আসলেই লজ্জা হওয়া উচিৎ তাদের । আপনার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা রইলো ।

  • সাআখান এপ্রিল 30, 2012 at 7:06 অপরাহ্ন

    হোসেইন ফারহানা, আপনার লেখাটি পড়ে খুব ভালো লেগেছে। এভাবে কখনও চিন্তা করে দেখিনিতো! আসলেই তো ১০০ ভাগ ঠিক কথা বলেছেন – “শোষণের মাঝে যদি লজ্জা না থাকে তো ভিক্ষার মাঝে লজ্জা কিসের?” তবে আমার মতে দুটোই লজ্জাজনক কাজ। ভিক্ষাও যেমন লজ্জাজনক কাজ (অবশ্য বর্তমান দ্রব্যমূল্যের দিনে কথাটি কতটুকু ঠিক, তা বলতে পারছিনা), শোষণও ঠিক তেমনিই বা তার চাইতেও অনেক লজ্জাজনক কাজ (এই কথাটি মিছিল দিয়ে বলতেও দ্বিধা বোধ করবনা)। ভালো থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ।

  • masud khan এপ্রিল 30, 2012 at 2:42 অপরাহ্ন

    এদের কান অনেক পুরু তাই সাধারন মানুষের কথা গুলু শোনার মত ক্ষমতা নেই !

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ।

  • Dakua এপ্রিল 30, 2012 at 1:52 অপরাহ্ন

    আপনার এই লেখা পড়ে নের্তৃবৃন্দ সতর্ক হবেন! জনগণের এই সকল মেৌলিক সমস্যার সমাধানের কথা বিবেচনা করে জনকল্যাণে মনোনিবেশ করবেন! নেতা নের্তৃ তো জনগণের কল্যাণের জন্যই!

© বদলে যাও বদলে দাও