আমিও রাষ্ট্রের অংশ। এদেশ আমারও। এভাবেই ভাবতে হবে। রাষ্ট্রের যে কোন বিষয়ে আমাদের জানবার অধিকার আছে। বলবার অধিকার আছে। রাষ্ট্রের সাথে ব্যক্তির সম্পর্ক কতটুকু আমরা হয়ত ভাবি না, চেষ্টাও করি না ব্যক্তির হিস্যা আর অধিকার নিয়ে। আমার ব্যক্তিশ্রম কোন না কোন ভাবে রাষ্ট্রের কাঠামোতে যোগ হচ্ছে। প্রতিদিন আমরা অন্তত ব্যবহার্য পণ্যের মাধ্যমেও সরকারকে ভ্যাট, ট্যাক্স দিচ্ছি শত কোটি টাকা, রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে আমাদেরই কষ্টের টাকায়। যারা রাষ্ট্রের জিডিপি জিএনপির হিসাব মেলান তারা রাষ্ট্রের উর্ধতন মহলেই এসব তথ্য অতি যত্নে পৌছেঁ দেন।
সাধারন মানুষ কখনোই বুঝতে পারেন না তার শ্রমের হিসাব, উৎপাদনের হিসাব অথবা তার মাথা বিক্রি করে বিদেশ থেকে আনা ঋণের পরিমান। বিক্রি হয়ে যায় তার দুঃখ দারিদ্র, তার হাড্ডিসার পুষ্টিহীন শরীর, তার পড়নের কাপড়, এমনকি তার প্রজননের হিসাবও। সবকিছু গবেষণার মড়াইকলে বের করে নেয়া হয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ প্রাপ্তিতে তাদের ভীষণ প্রয়োজন। কিন্তু ঋণ প্রাপ্তির পর তাকে আর প্রয়োজন পড়ে না। রাজনৈতিক অর্থনীতির গোপন খাতায় নানা প্রকল্প, থোক বরাদ্দ, বিশেষ বরাদ্দ নামে মিলিয়ে যায় সেইসব অর্থ। দরিদ্ররা পড়ে থাকেন সেই সমুদ্রের তলদেশেই…।
যিনি বেকার, কাজের জন্য ঘুরে বেড়াচ্ছেন তার অবদানটিও সুস্পস্ট। তার পকেটে পয়সা না থাকলেও তার গায়ের পোশাকটি, তার পায়ের জুতা, চটি স্যান্ডেল, বাস ভাড়া, চাকরির আবেদনপত্রে গেঁথে দেয়া ব্যাংক ড্রাফট, সার্টিফিকেট ফটোকপি, পোস্টাল চার্জ প্রদান, ঢোপ চা দোকানে ক্লান্ত শ্রান্ত শরীরে এককাপ চা পান সবই রাষ্ট্রের চাকা ঘোরাতে আপনার কন্ট্রিবিউশন। সরাসরি অবদান। এভাবেই ভূমিহীন কৃষক, একজন প্রান্তিক পল্লীর গৃহবধূ যিনি কখনও শহরের আলোবাতি জীবনে একবারের জন্যও দেখতে আসেন নি অথবা পারেন নি তাঁর উদয়াস্ত গৃহস্থালী শ্রমের অর্থনৈতিক অবদানটিও সুস্পস্ট। তিনিঁ নিরক্ষর তাই এই হিসাবের আগামাথা কিছুই বোঝেন না। এভাবেই বৃদ্ধ হন এবং একদিন অন্তর্ধান করেন।
আমরা দেশের পনের কোটি মানুষই রাষ্ট্রের চাকা ঘোরাই। এই অর্থনৈতিক শ্রমযজ্ঞে প্রতিটি পেশার মানুষ জড়িত। আমরা যাদের ভোট দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার পবিত্র দায়িত্ব পালনের দায়িত্ব দিয়েছি তাদের সাংবিধানিকভাবেই আমাদের চাহিদার মত করে কাজ করার কথা। কিন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটা হচ্ছে না। এভাবে আর কত দিন? কত কাল ধরে চলবে? আমরা কি এভাবেই চুপ করে থাকব দশকের পর দশক ধরে? আমাদের কি কিছুই করার নেই? আর কত আপোষ করব? আর কত নির্যাতিত হব? আর কত শোষণের শিকার হব? জনগন মেনে নিতে নিতে পিঠ দেয়ালে ঠেকে সে দেয়ালও ভেঙে পড়ে গেছে। আমাদের কোন পরিবর্তন আসছে না। আমরা অদ্ভূত এক অন্ধকারে পতিত হয়েছি।
প্রিয় পাঠক, লেখকবৃন্দ আমরা বদলে যাও বদলে দাও মিছিল-এর পক্ষ থেকে দেশ নিয়ে সোচ্চার হতে চাই, প্রতিদিন প্রতিক্ষণে। আমরা দেশ ও দেশের মানুষের সমস্যা নিয়ে বিরামহীন কথা বলতে চাই। নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানে এগিয়ে আসতে চাই। ব্লগ অধুনিক তথ্য প্রযুক্তির সংযোজন। আমরা দেশের খুব সামান্য পরিমান মানুষ এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। তবে আশার কথা এখানে দিন দিনই নাগরিকদের অংশগ্রহন বাড়ছে। সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, অধিদপ্তর, এজেন্সিসমূহ এখন ব্লগ পড়তে শুরু করেছেন। ভবিষ্যতে আরও বেশি পড়বেন। একসময় দৈনিক রুটিন কাজও হয়ে যাবে তাদের। আমরা একটু চেষ্টা করলেই সে জায়গায় নিয়ে যেতে পারি।
সংবাদপত্রে স্থানের সীমাবদ্ধতা, সেখানে শব্দ হিসাব,ব্যবসায়িক হিসাব বিবেচনা করাতে নাগরিকদের মনের কথা, চিন্তা, বিশ্লেষণ, অভিযোগ, পরামর্শ, মতামত, আইডিয়া প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। ব্লগ এই ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধহীন, উন্মুক্ত। সবার অংশগ্রহনে কোন বাধা নেই। বিভিন্ন বাংলা ব্লগ এখন সচেতন নাগরিকদের মুখপত্র হয়ে উঠেছে, জনপ্রিয়তাও পেয়েছে। যারা এতদিন লড়াই করে এই জগতকে এগিয়ে এনেছেন তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমরা দেশের পরিরবর্তনের জন্য কথা বলতে সম্পূর্ণ বিশেষায়িত ব্লগ হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত হতে চাই।
দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, শিল্প-সংস্কৃতি, সুস্থ বিনোদন, শিক্ষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, তেল গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদ, অনিয়ম-দুর্নীতি, ঘুষ, লুটপাট, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, আইন শৃঙ্খলা, সিন্ডিকেট বানিজ্য, খাদ্যে ভেজাল, সন্ত্রাস, নারী নির্যাতন, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ ভোগদখল, মিথ্যাচারিতা, দেশদ্রোহীতা, ভূমিদস্যুতা, সাম্প্রদায়িকতা, ক্ষুণ, ধর্ষণ, নির্যাতন, গুম, অপহরণ, মাদক, চোরাচালান, প্রতারণা, দায়িত্বে অবহেলা, জবাবদিহিতা, রাষ্ট্রীয় সংস্কার, সকল প্রকার মানবাধিকার এবং জাতীয় ও স্থানীয় যে কোন জরুরি সমস্যা ও সংকটের ইস্যু নিয়ে আপনাদের মুক্তভাবে লিখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। বাংলাদেশ আমাদের বিষয়। বদলে যাও বদলে দাও মিছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ের, সংগ্রামের এটি সন্মিলিত প্লাটফর্ম। এটি আপনারও কথা বলার মঞ্চ। আর দেরি নয়, দেশ গঠনে কীবোর্ড হাতে তুলে নিন।






আমরা যে যেখানেই আছি- নিজ স্থান থেকে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ গড়ে তোলার মাধ্যমে রাজনৈতিক অপশক্তিকে নিশ্চিতভাবে রুখে দিতে পারবো বলেই বিশ্বাস করি। আমদের লেখার ভেতরে শুধু এই প্রতিবাদ থাকলে চলবে না; যখন যেখানে অরাজকতা দেখবো সেখানেই সাধ্যমত প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। আসুন সবাই সোচ্চার হই।
Sir akhon theke ddb group ar torun ra mukhe noi kaj kore dekhate chay ai “bodle jaw bodle daw” te j sob Idea dewa hoi segulo k ddb joto tuku pare bastobayon korbe amra ar uth pakhi thakbo na amra bangladeshi hobo
(ddb=digital dijuice bangladesh -create change in ideas) doa korben amader jonno jano amra sofol ho te pari
স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকেই বাংলাদেশ নিয়ে কথা হচ্ছে। পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে। কিন্তু কেউ কথা রাখেনী। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আমার জন্ম। এরশাদের শাসন আমার স্পস্ট মনে আছে। এরশাদ যখন পুরোপুরি সৈরাচার হিসেবে স্বীকৃত হলেন এবং সৈরাচার নিপাত যাক আন্দোলন আমাকেও তৎকালীন সময়ে রাজপথে নামিয়ে ছিল গনতন্ত্রের জন্য। স্কুল ছাত্র ছিলাম তবুও ““””গনতন্ত্র চাই” আমাকে প্রভাবিত করেছিল। সৈরাচারের পতন থেকে গনতন্ত্রে উত্তোরণ। 1991 থেকে 2012 আমার কাছে মনে হয় তথাকথিত গনতন্ত্র। এই 22 বছরে গনতন্ত্রের নামে স্বৈর শাসনই চলছে। দুটি দল থেকে দুটি জোটে আবদ্দ হয়ে পড়েছে গোটা দেশ, সাধারন মানুষ। সবার ভাবনা যেন এ থেকে উত্তোরণের কোন পথ নেই। আমার অল্প জীবনের বাস্তবতায় মনে হয় আওয়ামীলীগ এবং বিএনপি ও এ দুটি দলে জোটবদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলো দিয়ে বাংলাদেশে কোন পরিবর্তন সম্ভব নয়। এই দলগুলোর রাজনৈতিক চিন্তা চেতনা, লক্ষ্য পঁচে গেছে, নষ্ট হয়ে গেছে। এবং এদের সংগে যারা যুক্ত হয় তারাও পচে যায় নষ্ট হয়ে। তাই বলবো যারা রাজনীতি করতে চান তারা অন্তত এই জোটভূক্ত দলে যুক্ত না হয়ে স্বতন্ত্র রাজনীতির চিন্তা করুন। এই পঁচে যাওয়া, নষ্ট হয়ে যাওয়া রাজনীতির মোকাবেলা করতে হবে রাজনীতি দিয়েই। আর তাই নতুন রাজনীতির মঞ্চ নিয়ে ভাবতে হবে, কাজ করতে হবে। আর তা করা গেলেই প্রকৃত সু-শাসন, মানবাধিকার, জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। প্রতিষ্ঠিত হবে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ। তাই আসুন আলোচনা করি কেমন রাজনৈতিক দল চাই, কেমন রাজনীতি চাই এবং সে অনুযায়ী রাজনৈতিক মঞ্চ করে পঁচে যাওয়া রাজনীতিকে হটাই। রাজনীতি দিয়ে রাজনীতির মোকাবেলা না করলে শুধু আলোচনা আর প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়।
methopoth আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আপনার চিন্তাশীল মন্তব্য বদলে যাও বদলে দাও ব্লগ’কে সমৃদ্ধ করছে। মুক্তিযুদ্ধোত্তর প্রজন্ম আমাদের দেশকে অনেক বেশি ভালোবাসে, তারা অনেক বেশি প্রতিশ্রুতিব্ধ তার প্রমান আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখতে পাই। আমাদের স্বাধীনতার সম্মান, মর্যাদা রক্ষায় তারাই ভরসা। তাদের হাতেই এই স্বাধীন দেশের পতাকা। ত্রিশ লক্ষ শহীদের তালিকায় সিংহভাগই তরুণ সমাজ। তাদের রক্তেই সিঞ্চিত এদেশের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল। আমাদের হতাশ হলে চলবে না। প্রজন্ম পরষ্পরায় তরুণরাই এই দেশটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তরুণরাই এদেশের রাজনীতিকে অন্ধগহ্বর থেকে বের করে নিয়ে আসবে। বিশ্বজুরে সকল সভ্যতার পরিবর্তনে এমন ইতিহাসই সাক্ষ দেয়। এক প্রজন্ম ব্যর্থ হলে তার পরের প্রজন্ম সফল হবে, তারা না পারলে তার পরের প্রজন্ম পারবে…। আমরা যারা এই অন্ধকার অসহিষ্ণু সময় ও ইতিহাসের প্রতিনিধিত্ব করছি আমাদের দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করে যেতে পারি। আমরা এটুকু করতে না পারলে আমাদের উত্তর প্রজন্ম আমাদেরকে কাপুরুষ বলবে, আপোষকামী স্বার্থপর বলবে। তাদের কাজর জায়গাটি আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকার মধ্যেই খুজেঁ পাবে।
আপনি নব্বই-এর গণঅভ্যূত্থানের সক্রিয় কর্মী। আপনার নিশ্চয়ই মনে আছে এরশাদ পতনের পর তৎকালীন পনের দল, সাত দলের সকল নেতারা একটি নীতিমালায় স্বাক্ষর করেছিল। এটা আমাদের গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে একটি ঐক্যবদ্ধ স্বারক ছিল। সমগ্র দেশবাসি অভিনন্দন জানিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সরকারগুলো এটা আর মানলেন না। তারা নিজেদের মত করেই আমাদেরকে নতুন নতুন গণতন্ত্রের সজ্ঞা শিখিয়েছেন। প্রতিটি ক্ষমতাসীন দল আমাদের সাধারণ মানুষদের প্রত্যাশার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ইতিহাস তার আমোঘ নিয়মেই এগিয়ে যায়। কাউকে ক্ষমা করে না। এর মধ্যে দিয়েই দেশের মানুষ কানসাট, শনিরআখরা, ফুলবাড়িয়ার মত রাজনৈতিক অধিকারের আন্দোলন জন্ম দিয়েছে। এসব ঘটনাবলী আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যাবার শক্তি, প্রেরণা। আমারা হারিয়ে যাই নি। আপনার সন্তান বা আপনার পরিবারের রক্তের কোন প্রতিনিধি কোন একদিন বা পাঁচ বছর বা দশ বছর পরে আপনার লেখা মন্তব্য বদলে যাও বদলে দাও ব্লগের আর্কাইভ খুলে পড়বে না এমন নয়। ওরা এই মন্তব্য থেকে যে প্রেরণা শক্তি পাবে তা পৃথিবীর অন্য কোন জায়গা থেকে পাবে না।
আমরা তাই দেশ নিয়ে প্রতিদিন, প্রতিক্ষণে সবাক থাকতে চাই। আমার প্রতিবাদটুকু করে যেতে চাই। এদেশ বদলাবেই। দুটি স্বার্থবাদী জোট একসময় নিঃস্ব হয়ে পড়বেই। এভাবে একটি দেশ, পনের কোটি মানুষকে জিম্মি করে রাখার স্বপ্ন সব ভেঙেচুড়ে যাবে। সেই সময়টি খুব সন্নিকটে। আমরা এখন প্রমাণ পাচ্ছি কোন রাজনৈতিক দল তার আদর্শ দিয়ে কোন দলীয় কর্মী সংগ্রহ করতে পাছে না। একসময় টাকা দিয়ে জনসভায় লোক নেয়া, ক্যাডার কেনা বেচাও বন্ধ করতে বধ্য হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
কত মূর্খ হলে পৃথিবী সেরা পুরুস্কারেক তিরস্কার করা যায়
মানুষের কল্পনা কত নিম্নমানের হলে মানুষ পুরুস্কারকে তিরস্কার করতে পারে।এবার তাই শিখতে চলেছে বাংলাদেশের তরুণ সমাজ। আমরা যখন গৌরববোধ করে বলতে পারি আমরা নোবেল বিজয়ী তখন কোথাকার কোন নেতা এসে নিন্দা করতে বসেছে। এটা কেমন ধরনের প্রশ্ন মাননীয় মন্ত্রী? যোগ্যতা আছে বলেই আপনি মন্ত্রী! পারবেন একটা নোবেল এ দেশের জন্য নিয়ে আসতে? কোন যুদ্ধ বন্ধ করলেই যে শান্তিতে নোবেল পাওয়া যায় এটা আপনার একান্ত ধারণা। এমন কোন কিছু নোবেল প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শর্ত নয়! ড.মোহাম্মদ ইউনুস আমাদের জন্য যে সম্মান এনে দিয়েছেন তা দেশের ইতিহাসে স্বর্ণ অক্ষরে লিখা থাকবে। তবে সম্মানি মানুষকে সম্মান দেয়া একমাত্র সম্মানি মানুষেরই কাজ তেমনী চিরন্তন বাণী পড়েছিলাম ‘সম্মান আসে সম্মান দ্বারা’। পুরস্কার পাওয়া সেটা সামন্য হলেও মহান। তিনি যে কারণই নোবেল পান দেশের সম্মানের জন্য হলেও মন্ত্রী হয়ে এমন কথা বলা উচিত নয় বলে সাধারণ ব্লগার হয়ে মনে করছি।
@bodlejaobodledao, i have no word to express my exitment. but now i can see a light long end of the dark tunnel. i think this platform, we can make it the third power. we don’t want power, but want strenth to protest against any corruption, or wrong doing. we can force government to do better for our countrymen. little little drops of water makes the sea. get together, we can do it !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
zanasir আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আপনি মূল বিষয়টি খুব সহজেই ধরে ফেলেছেন। আমরা তো কখনো ক্ষমতায় যেতে চাই না। এটা সম্ভবও নয়। কিন্ত এমন একটি শক্তিশালী প্রতিবাদী প্লটফর্ম জরুরি হয়ে পড়েছে। আমাদের মূল্যবোধ, দৃষ্টিভঙ্গি, চেতনা সবই বাংলাদেশের জন্য। আমরা দেশের এই অবস্থার পরিবর্তন চাই। আগামী প্রজন্ম যেন আমাদের ধিক্কার না দেয়, যেন ঘৃণা না করে তার জন্য আমাদের দায়িত্বটু পালন করতেই হবে। আমরা চুপ থাকতে থাকতে আর আপোষ করতে করতে দেশটাকে এই অবস্থায় নিয়ে এসেছি। কি বিষ্ময়কর! এদেশের নেতা, আমলা, পুলিশ, ঘুষখোর, খুনি , ধর্ষক , লুটেরা…. কেউই সাধারন মানুষকে আর ভয় করে না। সবাই পাবলিক ডাকে। মানে আম জনতা! ভাবে এরা কিছুই করতে পারবে না। আমরা যদি নিজেদের প্রতি বিশ্বাস রাখি তবে খুব শিঘ্রই এই ধারণা পাল্টে দিতে পারি।
আমাদের রাজনীতি এমন একটি যায়গায় চলে গেছে যেখানে ক্ষমতাহীনদের কেউ ভয় পায় না। দুটি জোট পালা করে ক্ষমতায় আসে বলেই একটি আরেকটিকে কিছুটা হলেও ভয় পায়। যদিও সে ভয়টি শুরু হয় ক্ষমতা শেষ হয় হয় সময়ে। আমরা ক্ষমতায় না যাই কিন্তু বর্তমান ক্ষমতার বাহিরে আরেকটি রাজনৈতিক ক্ষমতার প্লাটফর্ম তৈরীর আহবানতো জানাতে পারি? নিজে না বদলালে বদলাবে না কোন কিছুই, রাজনীতি দিয়েই রাজনীতির পরিবর্তন আনতে হবে, তা না হলে বদলাবে না কোন কিছুই।
আমার জীবনের বাস্তব একটি ঘটনা বলি
সমূদ্র ও মেঘনা বেষ্টিত উপকূলীয় দ্বীপ ভোলাতে আমার আবাস। এখানে শাহবাজপুর গ্যাস ক্ষেত্র নামে একটি গ্যাস ফিল্ড রয়েছে। আবিস্কার হওয়ার দুইযুগ পর দুটি কুপ খনন করা হয়েছে। একটি থেকে কিছু গ্যাস দিয়ে 34.5 মেগাওয়াটের একটি বিদ্যুত প্লান্ট চলছে। সেখান থেকে কিছু বিদ্যুৎ ভোলা জেলার বাহিরেও সরবরাহ করা হচ্ছে।
আমার মায়ের স্বপ্ন ছিল একদিন এই গ্যাস দিয়ে রান্নার কাজ করবেন। আমার মায়ের স্বপ্ন পুরন হয়নি। তার আগেই তিনি গত হয়েছেন। আমি একটি নাগরিক আন্দোলনের সাথে যুক্ত। এই জেলায় প্রায় 20 লক্ষ মানুষের বসবাস। পাইপ লাইনের মাধ্যমে এই জেলার গ্যাস অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হবে অত্যন্ত ব্যায় বহুল। এখানে এই গ্যাসের ওপর ভিত্তি করে শিল্প-কারখানার দাবী জানিয়ে আসছি আমরা দীর্ঘদিন। তার খবরাখবর প্রথম আলোতেও প্রকাশিত হয়েছে বহুবার। এটি যেহেতু উপকূলীয় দ্বীপ তাই এখানে গাছের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত জরুরী। এই জেলায় আবাসিক ব্যাবহারে গ্যাস দেয়া হলে গাছগুলো রক্ষা পেতো। গাছ রক্ষা হলে উপকূল রক্ষা হবে, আর এই উপকূল রক্ষা হলে ঝড়, সাইক্লোন থেকে বৃহদাংশে বাংলাদেশও রক্ষা পাবে। আবাসিক সংযোগের জন্য কিছু পাইপ লাইন টানাও হয়েছিল কিন্তু অজ্ঞাত রাজনৈকিক স্বিদ্ধান্তের কারনে তা বন্ধ রয়েছে।আমি চাইনা আমার মায়ের মতো চাওয়ার অপূর্ণতা নিয়ে দেশ মাতা বাংলাদেশ ডাষ্টবিনে পরিনত হোক। আর তাই বলি রাজনীতি দিয়েই পঁচে যাওয়া রাজনীতির পরিবর্তন আনতে হবে।
প্রচারেই প্রসার কথাটা আসলেই সত্য। অনেকে হয়তো জানেনইনা এমন সুন্দর একটি প্লাটফর্ম আছে নিজের মতামত ও পরামর্শ গুলো অন্যের সামনে উপস্থাপন করার। তাই সবার দৃষ্টি গোচর হওয়ার জন্য বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে “বদলে যাও বদলে দাও” ব্লগের প্রচারণা বাড়াতে হবে।
visit us in facebook : http://www.facebook.com/groups/bdgood/
মাতৃভূমির প্রতি অকৃিত্রম ভালবাসাই দিতে পারে সব অন্ধকার ছিড়ে আলোকিত পথ।দেশের সমস্যা আর তার আলোচনা-সমালোচনার মাঝে যে চিত্র পাই তার পথ ধরেই দেশ এগিয়ে চলে। তাই দেশের অন্ধকার দূরভীত করে আলোকিত পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি প্রধান বিষয়।
সাজ্জাদ হোসাইন ভাই এর সাথে একমত পোষণ করছি। তবে আমাদের কলম থেমে থাকলে হবেনা, মুক্ত মনের চিন্তা থেকে আমদের লেখা এই সমাজকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
রফিক ভাই,ধন্যবাদ।কোন কিছুই যেন আমাদের কলম বন্ধ না করতে পারে।
শুভকামনা
ধন্যবাদ , দেশ গঠনে দল মত নির্বিশেষে সবার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ অবদান থাকা খুভ ই জরুরি । সবাই মিলে প্রতিবাদ করা শুরু করলে রাষ্ট্রযন্ত্র অপকর্ম করার সাহস পাবে না ।
@bodlejao bodledao,মতামত কামনা করছি।
ব্লগের সবাইকে নিয়ে অন্তত মাসে একটি আলোচনা অনুষ্ঠান করলে সবার ভিতর তাগিদ আসতো বেশী বেশী কাজের।এভাবে ধীরে ধীরে আলো ছড়িয়ে পরতো।সবার সৎ চর্চা এই পারে এ ব্লগ কে একটি সংগ্রামী মানুষের মঞ্চ বানাতে। সবাই হয়তো লিখে প্রকাশ করতে পারে না তাই এক জায়গাতে মাসে একবার হলেও সমবেত হলে এমন অনেক দেশপ্রেমিক ও থাকতো যারা নিয়মিত লিখতে পারছেন না তবে আমাদের সংগ্রামের সাথে আছেন,দেশ কে দিতে চায় অনেক। এই জায়গায় আমি আপনার মতামত কামনা করছি। এ একটি উদ্যোগ পারে পরিবর্তনের ডাকে নতুন কাজের হাওয়া লাগাতে।
সাজ্জাদ হোসাইন আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন করতে আমাদের দিক থেকে কোন দ্বিমত নেই। আপনারা হয়তো দেখে থাকেন প্রথম আলো দেশের অনেক বৃহত্তম ইভেন্ট আয়োজন করে থাকে। ব্লগ থেকে সেরকম কোন প্রস্তাব দিতে গেলে তারা কিছু বাস্তব তথ্য দিতে বলবে। এর মধ্যে আমরা ঠিক কতজন ব্লগার সমবেত হতে পারব? তাদের অবস্থান অর্থাৎ তারা কে কোথা থেকে আসতে পারবেন, এর মধ্যে নারী পুরুষ সংখ্যা কত ইত্যাদি প্রাথমিক তথ্য। আমরা যেখানেই সমবেত হই না কেন তার জন্য একটি ভেন্যুর প্রয়োজন হবে। অংশগ্রহনকারিদের সংখ্যা অনুপাতে ভেন্যু বুকিং দিতে হবে। আমরা মনে করি ব্লগে আলোচনার মাধ্যমে এই বিষয়গুলি পরিষ্কার হয়ে উঠুক। পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে আমাদের দিক থেকে কোন সীমাবদ্ধতা থাকবে না।
@ bodlejao bodledao, আপনাকে মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।আপনার সাথে একমত,ব্লগের আলোচনার মাধ্যমে পরে একটি অনুষ্ঠান করা যায় যেখানে আমরা সমবেত হব।এ ব্লগ হোক সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করার আদর্শ মঞ্চ।সফলতা কামনা করছি।সার্বক্ষণিক পাশে আছি।
শুভকামনা
আমার মনে হয় ব্লগের প্লাটফর্ম বাড়ানোর জন্য গনমাধ্যমে একটু এর সম্পর্কে প্রচার দিলে ভালো হয় । অনেকেই হয়ত জানেনা এমন একটি মঞ্চ বিদ্রোহী মানুষদের জন্য তৈরী হয়ে আছে । কথা বলার, জানার এবং দায়িত্ব পালনের অধিকার ও সক্রিয় অংশগ্রহন বাড়ানোর জন্য আমরা তো কাজ করেই যাচ্ছি এখন শুধু প্রয়োজন এর গতিশীলতা বৃদ্ধি করা । আর এটা সম্ভব হবে তখনই যখন মানুষ এর সম্পর্কে জানবে । তাই আমি অনুরোধ জানাবো কিবাবে সবাইকে জানানো যায় যে প্রত্যেকটি মানুষের মত প্রকাশের জন্য প্রথম আলো কাজ করছে এটা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভাবার জন্য ।
আবারও ধন্যবাদ সবাইকে ।