যেখানে চারিদিকে আজ সন্ত্রাস চাঁদাবাজ , প্রায় প্রতিটি নেতার নামে হাজার মামলা, লুটে পুটে খাচ্ছেন সবাই সেখানে আমি নিতান্তই সাধারন একজন ,মামলা আর চাঁদাবাজি’তো দূরের কথা আমার চরিত্র ফুলের চেয়ে পবিত্র। যেখানে আজ মানুষ দুর্নীতির ভয়ে আতঙ্কিত সেখানে আমি দুর্নীতি থেকে একশ হাত দূরে থাকি। যেখানে সততা মানুষ হারিকেন দিয়েও খুঁজে পায় না সেখানে আমি সততার সাথেই আছি। যেখানে লোভের কারনে গরিবের রেশনের টাকা মেরে খাওয়া হয় সেখানে আমি নির্লোভ । যেখানে সবাই শিক্ষার কথা বলে সেখানে আমি কয়েকটা সার্টিফিকেট পেয়ে গেছি। আর আমার নেতৃত্ব গুণ ও চোখে পরার মত।
তাহলে আমাকে আপনার ভোট দিতে সমস্যা কোথায়? নিশ্চয়ই আমাকে ভোট দিচ্ছেন তাই না?
কি নিশ্চয়ই ভাবছেন, আমি আসলে কোন দল করি তাই না? কিম্বা আমি কতটা পরিচিতি পেয়েছি , কয় বছর রাজনীতি করি?
কেন ভাই আমাকে ভোট দিতে কি আওয়ামী লীগ বা বিএনপি’র কোন একটি দলের কেউ হতে হবে? পরিচিত না হলে কি সৎ, নির্লোভ হওয়া যায় না? রাজনীতি করতে করতে চুল দাড়ি না পাকলে কি নেতা হওয়া যায় না?
এখন হয়ত ভাবছেন কিছু বলার আগেই কেন এত কথা বলা শুরু করলাম? তাহলে শোনেন কেউ কেউ ভাবেন,
এক জন নতুন প্রার্থীর সম্পর্কে কি কি প্রশ্ন তোলা যায় …
এই লোকটা কি আমাদের জন্য কাজ করতে পারবে?
এই লোকটা কি আমাদের কথা সংসদে গিয়ে বলতে পারবে?
এই লোকটার কথা কি স্পিকার বা মন্ত্রিরা শুনবেন?
এই লোকটার কি সাহস আছে এলাকার অন্য নেতা বা সন্ত্রাসদের সাথে পেরে ওঠার?
এই লোকটা কি সৎ থাকতে পারবে? নাকি অন্যদের ভয়ে বা অন্য দের সাথে হাত মিলিইয়ে আমাদের ডুবাবে ?
এই লোকটাকে যদি ভোট দেই সে ভাল কিছু করতে চাইলে যদি প্রভাবশালী মহল তাকে মেরে ফেলে বা হুমকি দেয় মেরে ফেলার?
সব শেষে এই সিদ্ধান্তে আসা হয় , এই লোকটার সততা , যোগ্যতা , অভিজ্ঞতা আর শিক্ষা দিয়ে কি হবে? তার চেয়ে বরং নৌকা বা ধানেরশীষ’কেই টিপ দেই কিছু কাজ তো করতে পারবে ,
কেউ কেউ আবার মার্কা পাগল মানুষ, তারা মার্কার এতটাই ভক্ত যে তার প্রিয় মার্কাধারি ব্যক্তি যদি সাত খুনও করে তারপরও পাবেন মাফ, মার্কা প্রিয় লোকটা তার সাফাই গেয়ে বলবেন আগের সরকারের আমলে তার চেয়ে খারাপ কিছু হয়েছে বা এই সরকারের আমলে তার চেয়ে খারাপ কিছু হচ্ছে। তাই সে বলবে পুরান পাগলে ভাত পায় না নতুন পাগলের আমদানি সৎ হইসে ত কি হইসে তারে ভোট দিয়ে কি জলে ফেলব ভোটটা?
কেউ কেউ আবার মহা আশাবাদি আমরা , আমরা ভাবি হয়তো বিরোধীদল আর আগের মত ভুল করবে না তাই এমন মানুষরা সাধারনত যে দল এ বিরোধীদল হোক না কেন তাকেই ভোট দেন।
কেউ কেউ আবার তাদের ভোট টা টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেন ।
এদের বাইরে যারা থাকেন তারা হয় ভোট দেন একটু দেখে শুনে না হয় দেন না তবে এরা সংখ্যায় তত বেশি না।
তাহলে আমি যে একজন সৎ ও যোগ্য প্রার্থী , আমাকে ভোট দিবে কে?
তাহলে আপনি বলেন উপরের কোন দলে আপনি? আমাকে ভোট দিবেন আপনি?
এই যে এত ভাল কথা বলা হয় , এত সমাজ বদলানোর কথা বলা হয় এসব শুধু কথার মধ্যেই থেকে যায়, না হয় কি করে এত দিন ধরে এই অসুস্থ ধারার রাজনিতি করে আশা লোক জন ভোট পায় ? আর পাঁচ বছর আমাদের রক্ত চুষে খায়?






shopnoshiri, ami kintu apnakei vote dibo. abar voi hoi ki janen, apnio jodi ‘ lonka gie rabon ‘ hoe jan. ashun ontoto, kharaper majhe ektu valo tritio shokti khuji.
ভাই, ধন্যবাদ । ভাই আপনার কথাটা আসলে সত্য কতক্ষণ ভাল থাকা যায় এটা বলা মুশকিল তবে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া টা দোষের কিছু না তাই ভাল থাকার চেষ্টা করছি, আর আমিও একমত আমাদের ভাল তৃতীয় শক্তির আগমন ঘটানো উচিৎ ।
shopnoshiri আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। তৃতীয় শক্তির উত্থান বা আগমন বা আসা উচিত এই প্রত্যাশাটি আমাদের দেশে গত দুই দশক ধরে হচ্ছে। যাঁরা ভাবছেন তারা শুধু অসহায়ের মত ভেবেই চলছেন। আমরা মনে করি এভাবে আর ভাবা যাবে না। নিজেকে প্রকাশ করতে হবে, শক্ত অবস্থান নিতে হবে। আপনার দেখাদেখি আরও একজন এগিয়ে আসবে তার দেখাদেখি আরও একজন। এখন আর মনে মনে ভাববার সুযোগ সময় কোনটাই নাই। যদি ঘোষণা দিয়ে বলেন বিবাদমান দু’টি দলের কাউকেই আপনি এবার ভোট দিবেন না। তাহলে আপনার মতের সাথে যারা একাত্ম হবে তাদের সংখ্যা বাড়িয়ে তুলতে হবে, সেটা প্রকাশ্যে নিয়ে আসতে হবে। আপনি যদি এরকম মতের নাগরিকদের নিয়ে একটি জেলায় সমাবেশ করতে পারেন তবে বাকি ৬৩ টি জেলায় তার মডেল হয়ে যেতে পারে। আসলে ভদ্রভাবে চেয়ে আমরা কিছুই পাচ্ছি না, নাগরিকদের কোন চাওয়া সরকারগুলি গুনতিতেই ধরে না। তারা তাদের মতই কাজ করে যাচ্ছে, যাবে…। যতদিন আমরা নিজেরা তৃতীয় শক্তি না হয়ে সামনে না আসি।
@বদলে যাও বদলে দাও, ধন্যবাদ আমাকে সমর্থন দিয়ে অনুপ্রানিত করার জন্য , আমি আমার কলম দিয়ে এসব কথা লিখে যাচ্ছি , যতটুকু সম্ভব হয় প্রতিবাদ করছি , অন্য কাউকেও প্রতিবাদ করার জন্য উৎসাহ দেয়ার চেষ্টাও করছি, কিন্তু আমাকে অবাক হতে হয় যখন দেখি আমাদের মধ্যে অধিকাংশ মানুষই এই কথাটা বলেন যে ” ভাই অযথা ঝামেলা বাড়াতে চান কেন, বাচ্চা কাচ্চা নিয়ে বেচে থাকতে দেন, মরলে ওরা কই যাবে?” কথাটা ফেলে দেয়ার মত নয় তবে এভাবে চলতে দেয়াটা কি আমাদের কন সুফল বয়ে আনছে বা আনতে পারছে? আরও একটা প্রধান সমস্যা হল আমাদের সুধী সমাজ বা সুশীল সমাজ পর্যন্ত এখন দলে বিভক্ত , তাই যারা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে তারা ছায়া খুজে পায় না … তারপর ও আমি আশা করি আমাদের এই দেশে সত্যিকারের স্বাধীনতার আমরা পাব, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি এগিয়ে যাবে। জয় হবে সব মেহেনতি মানুষের ।
অনেক ঠিক আবার গণ মানুষের বিচারে বেঠিক হয়ে যায়! এটা গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার সমস্যা/ চ্যালেঞ্জ! কী করা যায়? কোন সহজ সমাধান আছে কি?
আসলে আমাদের সেকেলে কিছু ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে তাই , সহজ সমাধান হল বদলে যান বদলে দেন, চলুন বদলে যাই বদলে দেই।
আপনাকে ভোট দিব কেন? আরে ভাই এতো সৎ হওয়া ভালো না। রাজনীতি করতে হলে একটু আধটু খারাপ হতে হয়। কারো সব দিক একসাথে ভালো হয় না। আপনি সৎ তাতে কি হয়েছে। দেখা যাবে আপনার টাকা নাই। সুতরাং আপনাকে ভোট দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। আর টাকা থাকলে তো আপনি আর সৎ থাকতেন না। আর আমরা বাঙালিরা স্বার্থের কাঙ্গাল। সুতরাং বুঝতেই পারছেন আপনার পজিশন কোথায়? এটা আমার একার কথা নয়। এটা আমাদের সাধারন মানুষের অভিব্যক্তি। না হলে কি খুনি, ধর্ষক আর যুদ্ধাপরাধীরা জনপ্রতিনিধি হয়? টাকার গন্ধ পেলে আমরা সাধারন মানুষরা হুমড়ি খেয়ে পড়ি। আমরা তক্কে তক্কে থাকি পাচ বছর এই পাতে আবার পাচ বছর অন্য পাতে। আর রাজনীতিবিদরাও মজা করে আমাদের রক্ত মাংস পাঁচ বছর ধরে চুষে চুষে খান। এবং আমরাই সে সুযোগটা তাদেরকে দেই। কারন আমাদের সামনে তৃতীয় কোন পথ খোলা নেই। আমাদের নিয়তি বাধা পড়ে আছে দ্ধুসঢ়;ই মঞ্জিলে। আমরা এতটাই ভীরু যে তৃতীয় কোন মঞ্জিল তৈরি করতে পারিনা। এটা আমাদের ব্যর্থতা। তাই আসুন আমরা একটু চেষ্টা করি———————–ধন্যবাদ স্বপ্নসিড়ি।
আহমেদ ইউসুফ
ঢাকা ০৬ মে ২০১২ ইং
জনাব, আহমেদ ইউসুফ আপনার ফন্ট টা হয়ত ইন্সটল করা হয় নাই, তাই আমি বুঝতেসি না , তাই কমেন্ট পড়তে পারলাম না বলে sorry।
ভাই এখন দেখতে পাচ্ছি আপনার মন্তব্য , আপনার কিছু কথার সাথে একমত কিন্তু কিছু কথার উত্তর আমাকে দিতে হচ্ছে , কারো সব দিক ভাল হবে না ঠিক আছে তাই বলে নেতা হবেন আমাদের অভিবাবক হবেন কিন্তু সততা থাকবে না এটা কি মেনে নেয়ার মত? ভাই কোন নেতা নেত্রিরা কি নিজের পকেটের টাকা দিয়ে দেশের জন্য কাজ করে??? যে আমার বেশি টাকা না থাকলে আমি দেশের জন্য কিছু করতে পারব না? আর টাকা থাকলে অসৎ হতেই হবে এমন কোন কথা কি কোথাও লেখা আছে? আসল কথা হল আমরা সবাই শুধু বলতে ভালবাসি কাজে প্রমান করতে নয় , আমরা রাস্তা ঘাটে , পাড়ায় ,মহল্লায়্ প্রায় সব যায়গায় আমরা শুধু কথা বলেই যাই… কিন্তু কয়টা ভাল কাজের উদ্যোগ আমরা নেই? কয়টা ভাল কাজ করতে চেষ্টা করি? কয়টা ভাল কাজে সাহায্যের হাত বাড়াই? যখন আমরা ভাল শব্দটাকে নিজের সাথে যুক্ত করতে পারব তখন আমাদের ভীরুতা দৌরে পালাবে, তৃতীয় শক্তি তো এমনিতেই আসবে, এখন আর শুধু চেষ্টা করার নয় এখন সময় গর্জে ওঠার যে যেখানে আছি সেখান থেকেই সাহসিকতার সাথে মাথা উঁচু করে এগিয়ে চলার উট পাখির মত মাথা গুজা আর নয়। আপনাকেও ধন্যবাদ আহমেদ ইউসুফ ।