আমাদের কথা কেউ শোনেনা । কারন আমরা কোন বিখ্যাত মানুষ নই । কিন্তু আমাদের দ্বারা যারা বিখ্যাত, মানুষ প্রিয় মানুষ হয়ে যান তারাই বিখ্যাত হওয়ার প্রক্রিয়াকে অবজ্ঞা করেন ।একদিনে কেউ জনসাধারনের সামনে কথা বলার যোগ্যতা অর্জণ করেন না ।এটাও একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ । যারা গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে সবসময় বুলি আওড়িয়ে যাচ্ছেন তারাই নিজেদেরকে স্বৈরাচারী বলে চিহ্নিত করছেন আমাদের সামনে । আমাদের ভোটে ক্ষমতায় যেয়ে নিজের ভাবতে শুরু করেছেন নিশ্চই সারা জীবন তারা ক্ষমতায় থেকে যাবেন আর এজন্যই যাচ্ছেতাই বলে বেড়াচ্ছেন ।
একটা প্রাচীন কথা রয়েছে । যদি কেউ কোন নৌকা দিয়ে নদী পার হয় তবে নদী পার হওয়ার পর সেই নৌকাকে লাথি মেরে এত দূরে ভাসিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে যেন কেউ আর ঐ নৌকা দিয়ে পারপার না হতে পারে ।
জনগনের সমর্থন পেয়ে আপনারা যারা সবার সামনে কথা বলার অনুমোদন পেয়েছে তারা কখনই যাচ্ছে তাই বলে যেতে পারেন না ।জনগন দিয়ে ক্ষমতায় এসে জনগনকে অবজ্ঞা করলে আবার যখন নির্বাচন নামক নদীটি পার হতে হবে তখন কি করবেন ?
নোবেল পুরুস্কার আপনাদের পছন্দ না হতে পারে, হতে পারে এর প্রতি আপনাদের একটা মনোক্ষুন্নতা রয়েছে বা এও হতে পারে এই পুষ্কারের কোন মানে নেই আপনাদের কাছে কিন্তু আপনারাইতো বলেন যে কোন শিশুদের অনুষ্ঠানে যে কোন পুরুষ্কারই মানুষকে তার কর্মে উৎসাহিত করে । তবে নোবেল পুরুষ্কার কি আমাদের জাতিকে কোন ভাবেই অন্যরুপে সারা বিশ্বে আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তী বিরত্বের উপস্থিতি নির্দেশ করে না ?
আমাদের ক্ষুদ্রুঋন নিয়ে সারা বিশ্ব নতুন করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে সেখানে আপনি বলছেন শান্তিতে নোবেল তাকে দেওয়া হলো কেন । সে মুনাফা করার জন্য ব্যংক খুলে বসেছে ।আরও বললেন নোবেল কিভাবে দেওয়া হয় আপনি জানেন ।আবার দুই মহিলার উদাহরন টানলেন ।
খোলাসা করে বলবেন কি এগুলোর মানে কি ?আমরা জানতে চাই আসলে ভয়টা কি নোবেল না ইউনুসের কাছে নিজেদের অসহায় ভাবছেন । যারা রাজনীতিতে নামতে চান না তাদের এত খোঁচা দেওয়ার মানে কি ।
আশরাফ সাহেব নিজের মান রেখে আপনারা কথা বললে আমরা অনেক খুশি হবো । কেন অন্যকে অবজ্ঞা? এতে করে নিজেদের ভালো কখনই প্রকাশ পায় না । এটা নিশ্চ্ই আপনারা বুঝতে পারেন ।
সম্মানিত মানুষকে সম্মান দিন । আমরা তাই চাই ।






mr sayeed, all of our politicians do politics for their leader( hasina, khaleda ). whatever the two leaders say, others just try to say the same to put some honey on butter. if today hasina will say, yunus is pride of bangladesh, tomorow ashraf will say, yunus deserves the prize. he did very good job against poverty. so sayeed do not mind on ashraf’s comment, this just to make happy his leader (hasina).though he new, how nonesence he was talking.
রাজনীতির সাথে কেন এসব পুরুস্কার জনিত বিষয় নিয়ে আশা হচ্ছে তা আমাদের সাধারন মানুষের কাছে বোধগম্য নয় । আমরা চাই সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষগুলোর সম্মান । যদি মুক্ত মনের মানুষগুলোকে সম্মান না দেওয়া হয় তবে সামাজিকভাবেই খারাপকে গ্রহন করে নেবে আমাদের তরুন সমাজ । এজন্য প্রতিটি ঘরে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মদের সামনে আমাদের দেশের গুনী ব্যক্তিদের সম্মান করাতে শেখাতে হবে । যাতে তারা ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনাগুলো ঠিকভাবে পায় ।রাজনীতির কারনে যারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় অন্যের উপর দিয়ে ষ্টিমরোল চালায় তারা জীবনবোধ, মানবতাবোধ এবং মূল্যবোধের মূল্য না দিয়ে নিজেদেরকে অন্যের কাছে বড় করে ফুটিয়ে তুতে চায় । আর এটাই আমাদের জাতীয় জীবনে হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে ।
ধন্যবাদ আপনাকে ।
অন্ধ বিশ্বাস মানুষকে বড় অন্ধ বানায়। ড. ইউনুসের নোবেল পাওয়ার ঘটনায় আ. লীগের কযেকজন নেতা বলেছিলেন, শান্তিতে নোবেল পেলে পাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনুসের নোবেল পাওয়ার যোগ্যতা নেই। এ কথা নিশ্চয়ই হাসিনার প্রতি অন্ধ ভক্তির ফল। আর এ কথাগুলো বাংলাদেশের মানুষের সামনে বলার কি উদ্দেশ্য! নরওয়েতে গিয়ে বললে তো ভাল কিছু হতে পারে। হয়তো শেখ হাসিনা নোবেল পাইতেও পারেন।
আমরা এ রাজনীতির পরিবর্তন চাই…..।
উদ্দ্যেশ্য হীন কথা বলা আমাদের দেশের রাজনীতিকদের বদ অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে যার ফল আমরা ভোগ করছি । এদের এগুলো কথা বলা আমাদেরই বন্ধ করতে হবে ।
মূল্যবো্রেদর শিক্ষাকে প্রসার করার মাধ্যমেই এটা সম্ভব । ধন্যবাদ আপনাকে ।