‘ইভ টিজিং একটি সামাজিক ব্যাধি, এটা রোধে এটা-সেটা করতে হবে’ এসব কথা শুনে আমাদের মাথা ধরে গেছে । তাই, আমি একটি নতুন উদাহরণ হাজির করছি । এই লেখাটা পড়ে হয়তো পাঠক ভাববে আমি কোন চরমপন্থি লোক ! আসলে আমি তা নই । আমি শুধু নৈতিকতা বিকাশের কথা বলছি।
এখন প্রশ্ন হল কেন ইভ টিজাররা তাদের নৈতিকতা বৃদ্ধি করবে ? তাদের মাঝে যদি ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রবেশ করানো যায় তবে তারা এ কাজ থেকে বিরত থাকবে । তারা মৃত্যু পরবর্তী জীবনের ভয়ে এসব কাজ থেকে দূরে থাকবে । এই ইভ টিজিং এর চূড়ান্ত পরিণতি ধর্ষণ বা খুন । আমাদের দেশে যদিও খুনের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় সে জন্য রাষ্ট্র পরিচালকদের আমরা সাধুবাদ জানাই । কিন্তু তারা কি ভেবে দেখেছেন যে ধর্ষণ একটি মেয়ের সারা জীবন নষ্ট করে দেয়, ভুক্তভোগী অনেক সময় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় । কাজেই, ধর্ষণের শাস্তিও হল মৃত্যুদণ্ড ।
এখন অনেক মানবাধিকার কর্মী হয়তো বলবেন, এটা নিষ্ঠুর আইন । কিন্তু এটা মোটেও নিষ্ঠুর নয় । কারণ এই ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দিলে অনেক ছেলে সতর্ক হয়ে যাবে । আমরা প্রতিশোধের জন্য কাউকে শাস্তি দেবো না, আমাদের উদ্দেশ্য হলও মেয়েদের জীবন সংরক্ষণ, তাদের সম্মানের সংরক্ষণ।
এতক্ষণ আমি ছেলেদের করণীয় বললাম । এবার মেয়েদের সম্বন্ধে একটু বলি । ধরুন, ঢাকার রাস্তা দিয়ে দুই সুন্দরী যমজ মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে । এমন সময় একজন মিনি স্কার্ট ও শার্ট পরা আর একজন পর্দানশীন বা শালীন, এখন ইভটিজাররা কাকে বিরক্ত করবে ? নিশ্চয়ই মিনি স্কার্ট পরা মেয়েটিকে । যদিও দুজনার চেহারা একই রকম, তথাপি একজনকেই ইভ টিজাররা বিরক্ত করবে । তাই, আমি বলব পোশাক এমন হতে হবে যাতে ছেলেরা অতি আকর্ষিত না হয় । এটা কখনও সম্মান হানিকর নয় । বরং কোরআন শরিফে আছে, সম্মানিত হতে হলে শালীন পোশাক পড়তে হবে ।
আমি একজন স্কুলের ছাত্র । সরকারের কাছে ছাত্র হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আপনারা দুটো কাজ করুন । (১) ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যু দণ্ড হোক, (২) ইভ টিজিং এর শাস্তি হোক মৃত্যুদণ্ড ।
পারিবারিক শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ । তাই অভিভাবকদের বলছি আপনারা ছেলেমেয়েদের ধর্মীয় নৈতিকতা শিক্ষা দিন । তাহলে, আর এভাবে আমাদের দেশের মেয়েদের মরতে হবে না ।
৫/৩০/২০১২






সঠিক শিক্ষা নারীকে শিশুকাল থেকেই আত্মপ্রত্যয়ী করে তুলবে। সব সমস্যা একা মোকাবেলা করা হয়ত যায়না, কিন্তু যে কোন অঘটনকে মোকাবেলার ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা জরুরী। ছোটকালে পড়েছিলাম চীন-জাপানের বাচ্চারা ছোটবেলা থেকেই নাকি কুংফু-কারাতে পারদর্শী। ভারতে বেশ কয়েক বছর ধরে স্কুটি বলে পরিচিত ভেসপা মোটর সাইকেলগুলো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে নারীদের কাছে। এতে বাসের পেছনে ছোটা এবং বাসের ভিড় এড়াতে পারছে তারা সহজেই। ফলে বাসে যৌন নির্যাতনের হার কমে আসবে। মালয়শিয়াতে মুসলিম নারীরা বাস এড়াতে মোটর সাইকেল ব্যবহার করেন নিজস্ব পর্দাপ্রথা মেনে চলেই। আমরা বোনের লাশ নিয়ে মাতম করতে পারি কিন্তু আত্মরক্ষার্থে বোনকে কুংফু-কারাতে শেখার সুযোগ করে দেয়ার কথা আমাদের মস্তিস্কে একবারও আসে না। আর আমাদের বোনেরা/ নারীরা ভেসপা চালালে তো জাতই চলে যাবে আমাদের, এমনটাই ভাবি। ইভ টিজিং প্রতিরোধে আন্দোলনের যে জোয়ার বইছে, এই জোয়ার যেন পূর্ণ কার্যকারিতা আনে। এমন যেন না হয়, আমরা রাজপথ কাঁপিয়ে তুলছি সুসজ্জিত ব্যানারে আর ওদিকে ইভ টিজারদের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে!
”ধন্যবাদ জনাব তাহমিদ উল ইসলাম আপনার সুন্দর, সময়োপযোগী ফিচারের জন্য। আপনার মতো সবাই যদি এভাবে ভাবত তাহলে আমাদের দেশে আর ইভটিজিং হতো না। আমাদের আসলে গোড়াতেই সমস্যা। আমরা অভিভাবকরা নিজেরাই যেখানে নীতি নৈতিকতার চর্চা করিনা যেখানে আমাদের ভবিষ্যত প্রজম্ন কি করে মহাপুরুষ হয়ে জম্ন নেবে? আমি আগে বলেছি ইভটিজিং কোন বিচ্ছ্নি ঘটনা নয়। এটা আমাদের সমাজের সামগ্রিক অধঃপতনের বহিঃপ্রকাশ। একজন মানুষ কতটা খারাপ হলে, কতটা নীতি বর্জিত বদমাশ হলে একজন নারীকে (যে কিনা তারই মা-বোনের মতো) বিরক্ত করতে পারে? এখন ধরুন, আপনার ছেলে একজন ইভটিজার। এক্ষেত্রে আপনার দায় কতটুকু? আমি বলি আপনিই ৮০% দায়ী। আপনিই আপনার ছেলেকে একজন ইভটিজার হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছেন। জানি আপনি অস্বীকার করতে চাইবেন। কিন্তু এটাই সত্য যে আপনি আপনার ছেলের নৈতিক অধঃপতনের জন্য দায়ী। কারন আপনি আপনার সন্তানকে শিশু অবস্থায় নুন্যতম ধর্মীয়-নৈতিক শিক্ষার চর্চা করান নি (আমি বলতে চাই না যে, আপনি আপনার সন্তানকে মস্ত বড় আলেম বানান। যেটুকু ইলমে দ্বীন অর্জন করা ফরজ সেটুকু করান)। বাচ্চাদের যাবতীয় অন্যায় আবদার আপনি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে আপনার সন্তান কখনো বুঝতেই পারেনি কোনটি সঠিক আর কোনটি বেঠিক। আপনি আপনার সন্তানের বিনোদনের কথা কখনো ভাবেননি। যার ফলে আপনার সন্তান আপনাকে অনুসরন করে খুব অল্প বয়সেই পাশ্চত্য সংস্কৃতির (সিনেমা, ড্রামা সিরিয়াল দেখে দেখে) প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে এবং নিজেই বাস্তব অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য কিংবা সাময়িক ভালোলাগা অর্জনে মেয়েদের কে কটুক্তি করতে দ্বিধান্বিত হচ্ছে না। অর্থাৎ ইভটিজিং এর সূত্রপাত আপনিই করছেন! সুতরাং অভিভাবক হিসাবে আপনারই আগে বিচার হোয়া উচিত।
ইভটিজিং একটি সামাজিক সমস্যা। দিন দিন এটা প্রকট আকার ধারন করছে। ইভটিজিং রোধে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রচলিত আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। শুধু মাত্র পুরুষই ইভটিজিং প্রতিরোধ করবে এটা ঠিক নয়। নারীদের আরো সচেতন হতে হবে। প্রতিবাদী হতে হবে। এছাড়া নারীদের কে শালীনতা বজায় রাখতে হবে । আমি মনে করি নারীদের শালীন আচার আচারন, পোষাক আষাক ইভটিজিং অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে। এটা সবক্ষেত্রে ইভটিজিং এর প্রতক্ষ কারন নয় তবে অবশ্যই একটি পরোক্ষ কারন। আমি আমার একটা লেখায় একথা বলেছিলাম যে “g‡Wwjs I d¨vkb RM‡Zi wKsev kû‡i AvaywbK mgv‡Ri †Q‡j‡g‡q‡`i GK‡Î †Lvjv‡gjv Pjv‡div I †gjv‡gkv GKRb BfwURvi‡K cÖfvweZ Ki‡Z cv‡i| †mI PvB‡Z cv‡i cQ‡›`i ‡g‡qwUi mv‡_ AšÍi½ n‡Z| Avi †g‡qwU hLb †Q‡jwUi cÖ¯Ív‡e m¤§wZ w`‡e bv, †Q‡jwU †Rvi Ki‡Z PvB‡e| Avi ZLbB †mUv n‡e BfwUwRs| GQvovI c‡b©vMÖvwd Ziæb gw¯Í®‹‡K e¨vcKfv‡e cÖfvweZ K‡i| c‡b©vMÖvwdi Aeva cÖPjb †gvevB‡ji eøyUz_ cÖhyw³i g‡Zv GK Ziæb †_‡K Ab¨‡`i gv‡S BfwUwRs Gi fzZ mIqvi K‡i|” (অনেকেই আমার সাথে একমত না হতে পারেন)। তাই বলছিলাম আরকি মেয়েদের একটু শালীন হলে ক্ষতি কি? বন্ধুত্ব বা প্রেমের ব্যাপারে একটু রক্ষনশীলতা অবলম্বন করলে খুব কি মানবাধিকার খর্ব হয়ে যাবে? যাই হোক ইভটিজিং আমাদের কারো কাম্য নয়। আমরা চাই ইভটিজিং নির্মুল হোক। তবে প্রধান যে বিষয়টা তা হল ”ধর্মীয় অনুশাসনের কোন বিকল্প নেই”। ধন্যবাদ আবারো জনাব তাহমিদ-উল-ইসলাম।
তাহমিদ -উল-ইসলাম আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। ইভ টিজিং নিয়ে আপনার নিবন্ধনটির জন্য অনেকেই মন্তব্য করেছেন। আমরা চাই প্রতিটি ভালো লেখার পাঠক মূল্যায়ন হোক। এতে উভয় পক্ষের সমৃদ্ধি হয়। বদলে যাও বদলে দাও মিছিল নারীর সম্মান, মর্যাদা রক্ষা এবং তাদেরকে রাষ্ট্রের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা দেশের সংবিধান অনুযায়ী তাদের সমধিকারে বিশ্বাস করি। রাষ্ট্রের চোখে নারী পুরুষ আলাদা করে দেখা হয় না, উভয়েই মানুষ হিসেবে সমান অধিকার ভোগ করবে। আমরা যদি পুরুষ হিসেবে সমাজে বেশি সুবিধা নেই এবং আমাদের পুরুষতান্ত্রিক শক্তি দিয়ে নারীদের আমাদের মত করে চলতে ফিরতে নির্দেশনা দিই, সেটা অসাংবিধানিক। প্রতিটি নাগরিকের ব্যক্তি স্বাধীনতা ভোগ করার অধিকার আছে। আপনার রুচি অনুসারে পোশাক পড়ার অধিকার আপনি সংরক্ষণ করেন। একটি নারীর ক্ষেত্রেও তাই।
এদেশে মুসলিম ধর্ম ছাড়াও অন্যান্য ধর্মের মানুষ বসবাস করে। তাদেরকে কি মুসলিম ধর্মের পোশাক বা বোরকা পড়ার কথা আমরা বলতে পারি? অবশ্যই না। সমস্যা আমাদের পুরুষদের কর্তত্বসুলভ মনোজগত, আমরা ভেবেই নিই পথে চলমান নারীটিকে আমার মন্তব্য বলবার অধিকার আছে। এর প্রধান কারণ, নারীদের আমরা সমাজের দুর্বল প্রাণী ভাবি, সে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। কিন্তু যদি উল্টোটা ভাবি তবে সাংবিধানিক অধিকারের ভিত্তিতে সেও কিন্তু আপনার মত ভূমিকা নিতে পারে।
আপনি গত দশ বছরের পরিসংখ্যানে প্রায় একশো নারী পাবেন যারা আত্মহনন করতে বাধ্য হয়েছে। এদের কারও পোশাক নিয়ে কথা ওঠেনি। কোন পুরুষ বা কখনো তার সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে তাকে টার্গেট করে দিনের পর দিন উত্ত্যক্ত করে মেয়েটির দৈনন্দিন জীবন বিভিষিকাময় করে তোলে। স্কুল কলেজের ইউনিফর্ম ড্রেস পড়া মেয়েটি যখন উত্ত্যক্ত হতে থাকে তার গায়ের পোশাকটি কিন্তু উত্তেজক নয়। ধর্মীয় অনুশাসন শুধু মেয়েটির জন্য চাপিয়ে দিলে হবে না। পুরুষের জন্যও ধর্মীয় অনুশাসন আরও কঠিনভাবে নির্দেশিত। পুরুষ নিজে পালন করবে না কিন্তু নারীকে শুধু পালন করতে বলবে এ মেন কথা? আসলে মূল সমাধান অইনের শাসন। আইন সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হলে অন্য আর কিছুর প্রয়োজন হয় না। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
ইভটিজিং আসলেই একটা বর্বরীয় আচরনের বহিঃপ্রকাশ ।মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্যের মধ্যে আবদ্ধ হয়ে তাকে যৌনতায় লালসার পাত্র বানানো কোন মানবীয় আচরন নয় । আল্লাহতাআলা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক হিসাবে । যদি এককভাবে কেউ কখনও চলতে যায় সেটা যেমনি নিজের উপর অবিচার তেমনি যে কাউকে নিজের করে ভাবা সেটাও পাপাচার । একটি মানুষের দৈহিক এবং আত্নিক সৌন্দর্য আল্লাহ কতৃক প্রদত্ত । আমরা এর প্রশংসা করে আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া করতে পারি ।
যে মানুষগুলো এই সুন্দর সৃষ্টি নিয়ে সৃষ্টিকে অবমাননা করে তারা মূর্খ । যদিও যারা ভালো মানুষ তারা সবাই এ কথাগুলো মানে কিন্তু পারিবারিক অশিক্ষা এবং দেশের বাইরের গনমাদধ্যমগুলোর অশ্লীল প্রচারনার ফলে সহজেই সহজাত নারী-পুরুষ আকর্ষন যৌন আকর্ষনে রুপ নিচ্ছে । যা সত্যিই হতাশা জনক ।
যা বন্ধ করতে হলে এখনই শিশুদের মধ্যে পারিবারিক মূল্যবোধের শিক্ষা প্রবাহিত করতে হবে । যদি এখন এটা সঠিকভাবে করা সম্ভব হয় তবে ভবিষ্যৎ ছেলে মেয়েদের মধ্যে আবার আমাদের দেশীয় সাংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং আত্ন সম্মানবোধ ফিরে আসবে ।
তবে অবশ্যই আইন প্রয়োগ সঠিকভাবে হওয়া উচিৎ এবং প্রভাবশালী মানুষদের এ ব্যপারে তৃনমূল পর্যায়ে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন । যাদের কথা মানুষ শোনে তারা যদি একজন খারাপ বা সন্ত্রাসী মানুষকে সর্বসম্মুখে ডেকে নিয়ে বলে যে তুমি এই এই কাজগুলো আর করবে না, করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে তবে ভয়ে এবং সম্মানে অপরাধ অনেকাংশে কমে যেতে পারে । শেষ কথা একটাই প্রতি পরিবারেই মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়েই শুরু হোক একটি ফুলের মত শিশুর জীবন ।
ধন্যবাদ সবাইকে ।
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও কঠোর আইনের বাস্তবায়ন থাকলে ইভটিজিং রোধ করা সম্ভব। শুধু ইভটিজিং নয় আইনের বাস্তবায়ন থাকলে…. সব সমস্যার সমাধান হতে বাধ্য, বাধ্য, বাধ্য ।।
পৃথিবীতে ধর্মের প্রবর্তন হয়েছিল অশান্তি রোধ করতে, অন্যায় প্রতিহত করতে। পরে দেখা গেল ধর্মের নামেই যুদ্ধ হয়… যারা ধর্মের কথা বলে, তারা নিজেরাও ঠিকমতো ধর্ম মানেনা।…
তারপরও ধর্মীয় চেতনা মানুষকে অপকর্ম থেকে দূরে রাখতে পারে, এটা আমি বিশ্বাস করি। তাই আপনার প্রস্তাবিত ম্যাজিকে আমারও আস্থা আছে।