চিত্র এক: ২০০০ সাল
২০০০ সালে আমি যখন স্কুলে পড়ি, তথন আমার চার বান্ধবীকে নিয়ে “Mankind Group of Ideal (MGI)” নামের একটি স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন গড়ে তুলি। এটি গড়ার ক্ষেত্রে “প্রথম আলোর” একটি বিশেষ ভূমিকা ছিল। বলা যায়, প্রথম আলোই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিল এই সংগঠন করতে। একটু খুলেই বলি।
১৯৯৯ সাল থেকে আমাদের বাসায় “প্রথম আলো” রাখা শুরু হয়, এর আগে আমাদের বাসায় রাখা হত “জনকন্ঠ” ও “আজকের কাগজ”। প্রথম থেকেই প্রথম আলোর “নারীমঞ্চ” পাতাটি আমাকে খুব টানতো। পুরো ১৯৯৯ সালটা আমি নারীমঞ্চ পাতাটি পড়ে খুব অসহায় বোধ করতে লাগলাম। কারণ, তখন নারীমঞ্চে এসিড সন্ত্রাস নিয়ে খুব লেখালেখি হতো। একটা বছর ধরে এগুলো পড়তে পড়তে এক সময় আমি অনুভব করলাম কিছু করতে হবে। হ্যাঁ, আমাকেই কিছু করতে হবে। ক্রমেই “নারীমঞ্চ” আমার কৈশোর জীবনে নতুন কিছু করার অনুপ্রেরণা দিতে লাগলো। আমার মনে হতে লাগলো-– এসিডদগ্ধদের জন্যই কিছু করা দরকার। অনেক চিন্তা করে ঠিক করলাম -– না, শুধু এসিডদগ্ধদের জন্য কিছু করলেই হবে না। বরং এসিড সন্ত্রাস ঠেকাতে হবে। তবে এটাই সব নয়। আমাদের এই ঘুনে ধরা সমাজকে সুন্দর পথে পরিচালিত করতে হলে আমাদের আরও লড়তে হবে। হ্যাঁ, আমাদের লড়তে হবে; লড়তে হবে এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, লড়তে হবে বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে, লড়তে হবে বহু বিবাহ ঠেকাতে, লড়তে হবে মাদকের বিরুদ্ধে, লড়তে হবে সকল অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে………………। আমার মনের কথা খুলে বললাম আমার খুব কাছের বান্ধবী – শারমিন, রুমানা, বনানীকে। ওরাও আমার সাথে একমত হল। শুরু হলো আমাদের পথচলা।
প্রথমেই আমরা এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য প্রচারণা শুরু করলাম। আমার স্কুল “সরকারী করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়” থেকে আমাদের যাত্রা শুরু হল। এরপর খুলনা জিলা স্কুল, সেন্ট যোসেফ স্কুল, সরকারী মন্নুজ্জান স্কুল, উদয়ন স্কুল, মডেল স্কুল, পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, ইকবাল নগর বালিকা বিদ্যালয়, পাইনিয়র স্কুল, ফাতেমা স্কুল, সানফ্লাওয়ার নার্সারী স্কুল, জোহরা খাতুন শিশু বিদ্যানিকেতন সহ খুলনা শহরের বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে গিয়ে আমরা আমাদের প্রচারণা কার্যক্রম চালাতে লাগলাম। এরই মাঝে আমাদের সাথে যোগ দিয়েছিল মুন, পুষ্প, রনি, এ্যানিসহ আমাদের আরও কিছু বান্ধবীরা। পায়ে হেঁটে, টিফিনের পয়সা জমিয়ে, যোগাযোগ ভাড়া বাঁচিয়ে আমরা আমাদের ফান্ড তৈরী করতে লাগলাম। তারপর নারীমঞ্চ ও প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবর গুলো কেটে ফটোকপি করে সেগুলো দিয়ে কোলাজ বানিয়ে তৈরী করে নিলাম রঙবেরঙের পোষ্টার, আর তাতে জুড়ে দিলাম বিভিন্ন স্লোগান। স্কুলগুলোর দেয়ালে দেয়ালে লাগিয়ে দিলাম সেগুলো। এরপর আমাদের সাথে যুক্ত হলো আরও অনেকে। তখন আমরা “এসো এসিডদগ্ধদের পাশে দাঁড়াই”; “এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও, আর একটি মুখ ও যেন এসিডে ঝলসে না যায়”; “মাদক হতে সাবধান”; “মৃত্যু নয়, সুন্দর জীবন চাই, চাই মাদক থেকে মুক্তি”; “শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করুন”; “শিশুশ্রম বন্ধ করুন”; “নকলমুক্ত পরীক্ষাকেন্দ্র চাই”; “এসো গাছ লাগাই, গাছের পরিচর্যা করি – সুস্থ থাকি এবং সবুজ পৃথিবী গড়ি” সহ একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে কাজ করতে লাগলাম। সেই সাথে নিয়মিত যেতে শুরু করলাম প্রথম আলোর পাঠক ফোরাম “বন্ধুসভা” ও দৈনিক যুগান্তরের পাঠক ফোরাম “স্বজন সমাবেশের” সভা গুলোতে। বাড়তি অনুপ্রেরণা পেতে লাগলাম তাদের কাছ থেকে। চারজনকে নিয়ে গড়া MGI এর সদস্য সংখ্যা দিনে দিনে বাড়তে লাগলো। স্কুল জীবনের সমাপ্তি ঘটিয়ে যখন আমরা কলেজের মাঠে, তখন আমাদের সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯৮ এ। এছাড়া আছি আমরা কমিটির সদস্যরা। আমাদের “নীতিমালা” ছিল বড়ই কঠিন। যারা আমাদের সাথে যুক্ত হবে তাদেরকে অবশ্যই অধূমপায়ী হতে হবে, এটা ছিল আমাদের প্রথম শর্ত। যে শর্তটি ভেঙে ফেলল অনেকেই। সেই সাথে নীতিমালা বর্হিভূত কাজ শুরু করল আরো বেশ কজন। তাই যারা “নীতিমালা” বর্হিভূত কাজ করছিল তাদেরকে প্রথমে সতর্কবানী ও পরে কিছুটা জোর করেই সংগঠন থেকে বাদ দিতে হল। তখন আমাদের এই ছোট্ট সংগঠনটি খুলনার বুকে বেশ পরিচিত । তাই এতে নাম লেখাতে অনেকেই আগ্রহী। কিন্তু আগ্রহ থাকার পরও অনেককেই আমরা আমাদের পরিবারের সদস্য করতে পারছিলাম না তাদের চারিত্রিক কারণ ও আমাদের নীতিমালা মানতে রাজি না থাকার কারণে। আর সেটাই কাল হয়েছিল আমাদের জন্য। ২০০৪ সালে একদিন জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাস শেষ করে বাইরে বের হতেই দুঃসংবাদটি পেলাম। আমাদের চারজনের ঘামে, শ্রমে, তিল তিল করে গড়া, স্বপ্নের মত করে সাজানো MGI এর সব ফান্ড, কাগজপত্র, ছবি, পেপার কাটিং,স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় আমদের কার্যক্রম প্রকাশিত হওয়ার খবর সংগ্রহীত পত্রিকা গুলি, ক্যামেরা সহ আমাদের সব সম্বল নিয়ে আমাদেরই কোষাদক্ষ কেটে পরেছে । কেন? কারণ, কোন এক ছাত্রদল নেতাকে আমরা আমাদের সংগঠনের সাথে যুক্ত করতে রাজি হয়েছিলাম না। এটা তারই শাস্তি !
আমাদেরই নাকের ডগা দিয়ে ঘুরে বেড়ালো সেই ছাত্রদল নেতা। প্রতিবাদ করতে গিয়ে হেনাস্তা হতে হয়েছে বারবার । বাসায় হুমকি দিয়ে চিঠি আশা শুরু করলো। নানাভাবে অপমানিত হতে হল, অনেক অপবাদ, আর লাঞ্ছনা সহ্য করতে হল আমাদের । শেষ পর্যন্ত যখন আমি অসুস্থ হয়ে পরলাম, তখন সংগঠনটি পুনরায় দাঁড় করানোর স্বপ্ন ভেঙে গেল সবার ! থেমে যেতে হল আমাদের !! একটি স্বপ্নের মৃত্যু ঘটলো এভাবেই !!!
আমাদের সেই সংগঠনের অনেকের সাথে এখনও আমার যোগাযোগ আছে। খুব ভালোলাগে যখন শুনি, তারা এখনও সেই সব নীতিমালা মেনে চলে, যখন শুনি তারা এখনও অধূমপায়ী। আজ আমাদের একেকজন এক এক যায়গায়, কেউ চিকিৎসক, কেউ প্রকৌশলী, কেউ চাকরিজীবি, কেউ শিক্ষকতা পেশার সাথে জড়িত, কেউ গৃহিনী , কেউবা এখনও শিক্ষার্থী। আজও আমাদের মাঝে আছে সেই আগের নীতিবোধ, আগের মত ইচ্ছা, আছে উদ্যম। আজ শুধু সময়ের বড় অভাব আমাদের। পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা সেদিন যা করতে পারতাম, ব্যস্ত এই নগর জীবনে আজ আমরা আর তা করতে পারিনা।
চিত্র দুই: ২০১২ সাল
রাজশাহীর তানোর একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী আরিফা। নিজ গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে গ্রামের ১৫ জন কিশোর কিশোরী মিলে গড়ে তুলেছে “নোনাপুকুর মাদকবিরোধী গণগবেষক দল”। যতটা সম্ভব কাজ করছিল ওরা। কিন্তু একই গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম তা হতে দিবে কেন? তাহলে যে তার ব্যবসা লাটে উঠবে! সুতরাং, শুরু হল অত্যাচার। ক্ষিপ্ত আমিনুল বিভিন্ন ভাবে আরিফাকে অত্যাচার করতে লাগলো। আরিফার উপর হামলা চালিয়ে আহত করলো মেয়েটিকে। আহত আরিফাকে তাই ১২ দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়েছে। কিন্তু তারপর ও ক্ষান্ত হয়নি আমিনুল। অবশেষে মেয়েটিকে হত্যার হুমকি দিয়ে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অগ্যতা আরিফাকে নিজের জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে রাজশাহী মহিলা অধিদপ্তরের নিরাপদ নিবাসে (সেফ হোমে)।
সূত্র: “গ্রাম মাদকমুক্ত করতে গিয়ে বাড়িছাড়া স্কুলছাত্রী”, পাতা –-৫,বিশাল বাংলা, প্রথম আলো, ১২ জুন, ২০১২।
আটটি বছর – কিন্তু চিত্র একই:
২০০৪ থেকে ২০১২ সাল, আটটি বছর কেটে গেছে। কিন্তু বদলায়নি আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। আট বছর আগে যেভাবে আমাকে থেমে যেতে হয়েছিল, আট বছর পর আজ আরিফাকেও সেই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। আরিফার মাঝে আমি আমাকে খুঁজে পাচ্ছি। আরিফার কষ্টটা আমার নিজের কষ্ট বলে মনে হচ্ছে। খুব কষ্ট হচ্ছে আমার। আরিফাকেও কি আমার মতই থেমে যেতে হবে?
এবং কিছু কথা: আরিফার কাজটি সত্যিই প্রসংশনীয়। যখন পাড়ায় পাড়ায় ছেলেরা ইভ টিজিং এ ব্যস্ত, তখন আরিফার মত একটি স্কুলছাত্রীর এমন উদ্যোগ অন্যদের জন্য শিক্ষনীয়। এটা অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে আশা করি। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আরিফা ও আরিফার মত অন্য সবাইকে নিরাপত্তা দিতে হবে। জানিনা আমাদের প্রসাশন ব্যবস্থা আরিফাকে কতটুকু সাহায্য করবে… ! সবারই উচিত এধরনের কাজে সহায়তা করা। আমি আশা করবো প্রথম আলো নিশ্চয়ই কিছু করবে এ ব্যাপারে, বদলে যাও বদলে দাও মিছিলে রাজশাহীর যত বন্ধুরা আছেন তারা আরিফার পাশে থাকবেন অবশ্যই। রাজশাহী বন্ধুসভার বন্ধুদের কাছেও আমি একই অনুরোধ করবো । আরিফাকে যেন থেমে যেতে না হয়।
বাংলাদেশের ঘরে ঘরে আরিফার জন্ম হোক, এটাই আমার প্রত্যাশা।
তোমাকে বলছি আরিফা :
আরিফা তোমাকে অনেক অনেক অভিনন্দন আর ভালোবাসা জানাতে চাই। ভাল কাজে বাধা আসবেই। তোমার মত আমরাও কিছু বান্ধবী মিলে এমন কাজ শুরু করেছিলাম । আমাদেরকেও অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। অনেক কথা শুনতে হয়েছে। অনেক প্রতিকূলতা পার হতে হয়েছে। তোমাকে আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে আরিফা, তোমাকে থেমে গেলে হবে না। তোমরাই তো আমাদের ভবিষ্যত। আমরা আছি তোমার পাশে। অনেক শুভ কামনা রইল তোমার জন্য।






প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই আপনার দূর্দান্ত নস্টালজিক একটা লেখা পোষ্ট করবার জন্য। আপনার লেখা পড়ে আমিও চলে গিয়েছিলাম ১৯৯৩-৯৪ সালে। আমি তখন ঢাকা কলেজের সন্মান ৩য় বর্ষের ছাত্র (৯৪)। দেশের একটি প্রতিষ্ঠিত শিশু সংগঠনের সাথে কাজ করেছি। একটা শাখার কর্তা ব্যাক্তিদের একজন ছিলাম। নীতিমালা আমাদেরও কঠিন ছিল। কিন্তু সবসময় তা পালন করা মূশকিল ছিল। আমাদের শাখায় ছোটদের গান, কবিতা আবৃতি শেখানো হতো। নাটকের রিহার্সেল হতো। ইত্যাদি। একজন মাদকাশক্ত ও একজন বদমায়েশ ছেলেকে আমাদের সদস্য করতে হয়েছিল। অনেক চিন্তা-ভাবনা করেই আমরা তা করেছিলাম। প্রতি সপ্তাহে ২’দিন কর্মকান্ড চলত। মাদকাশক্ত ছেলেটিকে নেবার উদ্দেশ্য ছিল, সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা যায় কিনা। আর ঐ দুষ্ট ছেলেটিকে উদ্দেশ্য ছিল তাহলে আরো যে দুষ্ট ছেলের দল আড্ডা দিত আমাদের সংগঠনের কাছে, তাদের যন্ত্রণা থেকে পরিত্রাণ পাবার জন্য। বছর ২ পর সাফল্য ছিল ঐ বদমায়েশ ছেলেটি পরিনত হয়েছিল একজন ডেডিকেটেড / পরিশ্রমী / উদ্দ্যমী সদস্য সাথে তার বন্ধুদের মধ্যেও অনেকজন। তবে সেই মাদকাশক্ত ছেলেটি কে ফেরাতে পারিনি। কারণ সে আমাদের কাছে আসা বন্ধ করে দিল।
আপনার সাথে আমাদের পার্থক্য আমরা শুরু করেছিলাম প্রাপ্ত বয়সে। আপনারা শুরু করেছিলেন স্কুল বয়সে। আপনারা দূর্দান্ত সাহসী ছিলেন। আপনাদের কে সালাম। আপনাদের বাবা-মাকে সালাম। পরিবারের সাপোর্ট না থাকলে সংগঠন করা যায় না। আপনার লেখা পরেছি ২বার। কিছু প্রশ্ন ছিল। আপনাদের সদস্য (৯৮) সকলে কি মেয়ে ছিল? আপনাদের কোষাধক্য সেও কি মেয়ে ছিল? আপনাদের চলার পথ বন্ধ হবার কারণ কি শুধু ঐ একটি মাত্র কারণ? নাকি সময়ের সাথে, পড়া-শুনার খাতিরে এলাকা পরিবর্তন?
যাই হোক, পরিশেষে বলতে চাই এত হতাশ হবার কিছু নেই। আপনি আমি বা আপনার বন্ধুরা যারা আজ বিভিন্ন পেশায় জরিত, আমরা যার যতটুকু দ্বায়ীত্ব আছে তা যদি সঠিক ভাবে পালন করি তাহলেই সমাজ ব্যবস্থা আপনা-আপনি ভাবেই পাল্টে যাবে। সাথে আমার পূর্বের লেখা’র মন্তব্য রিপিট করছি “ একটা “ফ্রেস জেনারেশন” দরকার। যারা অবৈধ কথার অর্থ জানবে না। খারাপ, কি জানবে না। ঘুস দিয়ে সরকারি চাকুরি পাওয়ার চেষ্টা করবে না বা জানবেও না। বাসে চড়ে ভাড়া না দেবার জন্য অহেথুক ঝগরা বাদাবে না। কিছুক্ষন আগে যে বাসে ঝুলে ছিল একটু বসতে সুযোগ পেয়ে বসার পড় বাসের হেলপারকে, “সিটিং বাসে দাড়িয়ে লোক নিচ্ছিস কেন, ভাড়া পাবি না” বলবে না। আর কথায় কথায় সব কিছুর জন্যই সরকারকে দায়ী করবে না। আসুন না আমরা সেই টার্গেট নিয়ে আমাদের পরবর্তি প্রজন্মকে তৈরী করি। ধন্যবাদ, আবারও।
@ anisuzzaman anis
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর লেখাটির জন্য। প্রথমেই আপনাকে অভিনন্দন জানাই দুষ্টু ছেলেটিকে সাথে নেবার সাহসি পদক্ষেপ গ্রহণ করে সফল হবার জন্য। এরপর আসি আপনার প্রশ্নের জবাবে।
আমাদের সংগঠনটি প্রথমে আমরা কয়েকটি মেয়ে মিলে শুরু করেছিলাম কিন্তু পরে আমাদের এখানে ছেলে মেয়ে সবাই সদস্য হতে পেরেছে, শুধুমাত্র যারা নীতিমালা মানতে রাজি হয়নি তারা বাদে। তবে তাদের সবাই ছিল শিক্ষার্থী, যারা বিভিন্ন স্কুলে, কলেজে এবং কিছু সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ত। আমাদের কোষাদক্ষও একটি ছেলে ছিল যে কিনা সেই ছাত্রদলের নেতার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাজটি করেছিল। আর হ্যাঁ ঐসময় আমাদের চলার পথ থেমে যাওয়ার কারণ ওটাই ছিল, কারণ তখন আমরা পড়াশোনার জন্য এলাকা পরিবর্তন করার সময়ে ছিলাম না। আমরা ঐ ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর পড়াশোনার খাতিরে এলাকা পরিবর্তন করি, তাও সবাই না। আশা করি আপনার প্রশ্ন গুলির জবাব ঠিক মত দিতে পেরেছি। এ বিষয়ে আরও কোন কিছু জানার থাকলে নিঃসংকোচে জানাতে পারেন।
আপনার কথা গুলো অনেক সুন্দর। খুব ভাল লাগলো পড়ে-
“একটা ‘ফ্রেস জেনারেশন’ দরকার। যারা অবৈধ কথার অর্থ জানবে না। খারাপ, কি জানবে না। ঘুস দিয়ে সরকারি চাকুরি পাওয়ার চেষ্টা করবে না বা জানবেও না। বাসে চড়ে ভাড়া না দেবার জন্য অহেথুক ঝগরা বাদাবে না। কিছুক্ষন আগে যে বাসে ঝুলে ছিল একটু বসতে সুযোগ পেয়ে বসার পড় বাসের হেলপারকে, ‘সিটিং বাসে দাড়িয়ে লোক নিচ্ছিস কেন, ভাড়া পাবি না’ বলবে না।”
আমরা সেই দিনটির আশায় আছি, যেদিন সত্যিই আমরা একটি ‘ফ্রেশ জেনারেশ’ পাবো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
ধন্যবাদ @ মাসউদ ভাইৃয়া।
আমি মাঝে একদিন এভাবে লিখেছিলাম কারণ ঐদিন আমার http://www.bodlejaobodledao.com/archives/19048 টি কাজ করছিলনা। আমি সব অক্ষর অভ্র কীবোর্ড এ লিখতে পারি না , এবং অভ্র কীবোর্ড এ লিখতে আমার অনেকটা সময় লাগে ।ঐদিন আবার আমার পরীক্ষা ছিল, তাই আমি ওভাবে লিখেছিলাম। তবে হ্যাঁ, আমার উচিৎ ছিল ইংরেজীতে লেখা।
আর আপনার সাথে আমি একমত। আমরা নারীদের জন্য কিছু করতে পারি। আসুন একটা প্রস্তাব দেই বদলে দাও বদলে যাও মিছিলকে। তারপর সবাই মিলে কাজ শুরু করি।
আপনার সাংগঠনিক মনোভাবের প্রতি অনেক শ্রদ্ধা জানাই । আসলে আমাদের সামাজিক পরিবর্তনের জন্য যেটা সবচেয়ে বেশী দরকার তা হলো এই ভালো মানুষগুলোর সাংগঠনিক রুপ । যদি দলগত দিক থেকে ভালো মানুষগুলো একসাথে কাজ করতে পারে তবেই রাজনৈতিক পরিবর্তনগুলো খুব কাছে চলে আসবে । আমরা এখানে যারা লিখছি তাদের অনেকেরই নিজ;স্ব সংগঠন রয়েছে । কাজও করছে অনেক । আর সবচেয়ে বড় কথা এখানকার সবাইতো আমরা লেখার মাধ্যমে সংগঠিত হচ্ছি । এই সংগঠনটিও সামাজিক পরিবর্তনে অনেক ভূমিকা রাখবে এ আশাই করি । আর কাজ যদি করতেই পারি তবে আরিফার মত মেয়দের কেন থামতে হবে ?
যে কোন সময় শুধু একটি ডাকের অপেক্ষা । যে কোন ভালো কাজের জন্য । আসুন একত্র হয়ে নিজেদের দেশের জন্য মেলে ধরি ।
অশেষ ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা আপনার লেখাটির জন্য ।
@ SAYED CHOWDHURY: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, লেখাটি পড়ার জন্য এবং আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য। আসলে আমিও এটাই ভেবেছি যে এই “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের মাধ্যমেই আমরা একটি সাংগঠনিক রূপে এগিয়ে যেতে পারি।MGI বা “বদলে যাও, বদলে দাও”….নামে কি বা আসে যায়, কাজটাই তো আসল। আজ আমরা যদি এই “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের মাধ্যমে কিছু করতে চাই বা করি তবেই তো আমার MGI এর উদ্দেশ্য পূরণ হবে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
“বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া আশা করবো। তাহলেই আমরা নতুন ভাবে শুরু করতে পারবো।
এমপিদের ভদ্রতার সুচক মাপার বিধান করা হউক -মীর আব্দুল আলীম
Mir Abdul Alim
অসভ্য জাতি স্বাধীনতার আলোয় সভ্য হয় কিন্তু চার দশকে আমরা কোথায় এসে পৌঁছলাম। কোথায় চলেছি আমরা ? আলো থেকে অন্ধকারে! আজ কেন দেশের নীতিনির্ধারক সংসদ সদস্যরাও অশালীন আচরণ,মাস্তানী আর খিস্তি খিউড়ের উর্ধ্বে থাকতে পারছেন না। জাতীয় সংসদ অভ্যন্তরে অশ্রাব্য ভাষার প্রয়োগ,গালাগালি, মারমুখী আচরণ হচ্ছে । জাতীয় সংসদ চত্বরের সুরক্ষিত এমপি হোস্টেলেও তরুণীর গলিত লাশ দেশবাসীকে
বিস্তারিত..
সময়োপযোগী একটি লেখা পড়ে অনেক ভাবনার উদ্রেক হলো।
শুভ কামনা
ধন্যবাদ @ ভূতের আছর।
আমার এই পোষ্টটি বেশ বড়। তারপরও ধৈর্য্য সহকারে লেখাটি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আসলে গতকাল প্রখম আলোয় আরিফার খবরটি পড়ার পর থেকেই খুব কষ্ট হচ্ছিল আমার। আজ আমার পরীক্ষা ছিল। কিন্তু বইয়ের অক্ষর গুলো আমার চোখে ঝাপসা হয়ে আসছিল। অবশেষে মনের কথা গুলি লিখে কষ্ট লাঘব করতে চেয়েছিলাম।
২০০১ সালে আমি বা আমরা যা করতে পারিনি, আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি আজ আরিফারা তা করতে পারবে। আরিফাদের নেতৃত্বে একদিন বদলে যাবে আমার প্রিয় বাংলাদেশ। আমি সেই দিনটির অপেক্ষায় আছি…..।
আমরা যেন আরিফাদের পাশে থাকতে পারি, তাদের সাহস আর প্রেরণা দিতে যেন কখনো পিছ পা না হই। আরিফারা জেগে উঠুক, জেগে উঠুক বাংলাদেশের ঘরে ঘরে।
আপনাকে সাহসি অভিনন্দন । আরিফার জন্য শুভ কামনা । আশা করি আরিফাকে নিয়ে সরকারের শুভ ধারনার উদয় হবে ।
ভাই Mr. masud khan, সরকারের শুভ ধারনার উদয় নিয়ে আশা করে ভুল করলেন কি-না….! সরকারের এসব নিয়ে ভাবার সময় আছে নাকি? ওরা ক্ষমতার গন্ধে মাতোয়ারা।
এখনও পর্যন্ত যতটুকু জানি, আমাদের আইন প্রশাসন আরিফাকে সাহায্য করছে। এটাকেও আমরা সরকারী সহযোগিতা হিসাবেই ধরে নিচ্ছি। কিন্তু কতক্ষণ তারা তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন, সেটাই প্রশ্ন।
তবে এটাই সত্যি যে সরকারের শুভ ধারণার উপর ভিক্তি করে বসে থাকলে চলবে না আমাদের। আর সেজন্যই তো প্রথম আলার সহযোগিতা চেয়েছি আমি।
সেটাই আমাদের আশা। সরকার যেন আরিফাকে সব ধরনের সাহায্য করে।ধন্যবাদ ভাই্য়া লেখাটি সময় নিয়ে পড়ার জন্য।
আপনাকে বিনীত ধণ্যবাদ জানাই কিছু বাস্তব ঘটনা উল্লেখ করে এত চমত্কার একটি পোষ্ট দিয়েছেন আপনি। আশাকরি আপনার এই পোষ্টটি ‘বদলে যাও বদলে দাও ব্লগে’ ফিচার হিসেবে প্রকাশিত হবে।
এত আগে খুলনার মতো জায়গায় এত মহান একটি উদ্দ্যেগ নিয়েছিলেন আপনারা, কিন্তু সেখানে বাধা এসেছিল। বাধা আসাটা স্বাভাবিক, এত বছর পরও এখন যদি আবার MGI-এর কার্যক্রম শুরু করেন এখনও বাধা আসবে কারণ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এখন দূর হয়নি মানুষের মন থেকে। তবে বর্তমান সময়ে অনেক নারী-পুরুষ এই ব্যাপারগুলোতে কিছুটা সচেতন হয়েছে। তবে আপনাদের MGI সংগঠনে আক্রমনকারীরা শুধু নীতিমানা না মানার বিসয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল বলে মনে হয়না। আক্রমনকারীরা সম্ভাবত পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় আচ্ছন্ন ছিল, তাই তারা আপনাদের সংগঠনের সফলতা চায়নি, মন থেকে মেনে নিতে পারেনি MGI কে। যাইহোক, সময়- সুযোগ থাকলে MGI এর মতো মহান সংগঠনের কার্যক্রম আবার শুরু করতে পারেন এবং এই ব্লগের অধিকাংশ ব্লগারের সহযোগিতা পাবেন বলে মনে করি।
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া, আমাকে আবারো স্বপ্ন দেখানোর জন্য। আসলে অনেক পরে আমি আবার MGI এর কার্যক্রম নতুন করে শুরু করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ততদিনে উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনে আমরা এক একজন দেশটির এক এক প্রান্তে। তবুও আশাহত না হয়ে আমি আবারো MGI এর কার্যক্রম শুরু করতে চেয়েছিলাম নতুনদেরকে নিয়ে। কিন্তু আফসোস,এখনকার বেশিরভাগ তরুনদের এসব করার সময় বা মানসিকতা কোনটিই নাই। আমি খুব অবাক হয়েছিলাম যখন দেখলাম, যে নতুন প্রজন্মের হাতে আমরা দেশটি নেতৃত্বের ভার তুলে দিতে চাই, তারা আসলে এসব কাজকে Backwards ধারনা বলে মনে করে।
তবু আজ আবার আশার আলো পেলাম আপনার লেখাটি পড়ে। আমারও ধারনা যে, এই ব্লগের সবাই মিলে আমরা ভাল কিছু করতে পারবো। যা আমাদের এই মরিচা পড়া সমাজটিকে বদলে দিতে সাহায্য করবে। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আমাকে নতুন করে ভাবেত অনুপ্রাণিত করার জন্য।
sister liza, i don’t have bangla fond, so i am writing in english. please don’t take it otherwise. sister, in this blog, i hope every one is looking for an umbrella to get together. through this blog you can start again your dream organisation MGI, i am with you, hope you will get more and more. tel me what can i do for your MGI. good- luck. ( shohagy1@yahoo.com)
Thanks a lot bhaia @ Zanasir.
আসলে এটা ব্যাপার না যে আপনি কোন ভাষায় লিখছেন।বরং আপনি কি লিখছেন, সেটাই বিষয়।আপনার লেখাটি পড়লাম, ভালো লাগলো। এই বিষয়ে আরও বলেছেন মাসউদ ভাই।তখন আমি বিষয়টা নিয়ে ভাবি।MGI আমার অতি কষ্টে গড়া স্বপ্নের সংগঠন, এটা সত্যি। কিন্তু তার থেকেও বড় সত্যি হল এর মাধ্যমে আমি যা করতে চেয়েছিলাম, তা করতে পারা না পারা।আজ আমরা সবাই ব্যস্ত জীবনযাপন করছি। এখন কি আর কেউ সেভাবে দৌঁড়াতে পারবে যেভাবে আমি বা আমরা ছুটে বেড়াতাম! দিনের পর দিন আমরা এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে, এক কলেজ থেকে আরেক কলেজে ছুটে গিয়েছি। ছুটে গিয়েছি বস্তিতে বস্তিতে। ছুটে গিয়েছি যখন যেখানে প্রয়োজন। আজ কি আমরা পারবো সেভাবে ছুটে যেতে? আজ যে আমাদের বড়ই পিছুটান…। কিন্তু তাই বলে থেমে যাবো না। আপনি ছাতার কথা বলেছেন। খুবই দরকারি একটি কথা। কিন্তু ভাইয়া আমার তো মনে হয় “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলই আমাদের সেই ছাতা হতে পারে। আমি যা করতে চেয়েছিলাম MGI এর মাধ্যমে, তার সবই আমরা করতে পারি “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের এই ছাতার তলে এক হয়ে। আজ যদি আমরা সবাই রাজি থাকি তবে আসুন না, “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের মাধ্যমেই শুরু করি, এই ছাতার নিচে এক হয়ে আমরা হয়তো অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবো।
আপনি হয়তো বাংলা লিখতে পারছেন না। প্রথমে আমি এই সমস্যায় পরেছিলাম। পরে এই ব্লগের অনেকের সাহায্যে আমার সমস্যা দূর হয়েছে। আপনি সেখান থেকেই দেখে নিতে পারেন। আমি নিচে Link টি দিয়ে দিচ্ছি।
http://www.bodlejaobodledao.com/archives/19048
অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মতামতের জন্য।
Ms. Farhana Zaman Liza,
‘বদলে যাও বদলে দাও’ মিছিলটি নারীদের সবসময় সন্মানের আসনে রাখে। তাই এই মিছিলের সদস্য হয়ে আমরা নারীদের অধিকার নিয়ে কিছু একটা করতে পারবো। আমরা রুখে দাড়াতে পারি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে। এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীরা মানুষ হিসেবে তাদের অধিকারটুকু পাচ্ছে না, এটার জন্য দরকার সামগ্রীকভাবে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, কিন্তু হিংস্র পুরুষদের কাছ থেকে নারী সর্বদা আঘাত, নির্যাতন, লাঞ্চনা পেতেই থাকবে (?) এটা সচেতন মানুষগুলো মেনে নেবে না। তাই প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই হবে। সেই সাথে নারীদের মানসিকভাবে ও আর্থিকভাবে শক্তিশালি হওয়া জরুরী।
(আপনি তো ভালভাবেই বাংলা লিখতে পারেন, কিন্তু মাঝে মাঝে বাংলা কথা ইংরেজিতে লেখেন.. বাংলা লিখতে পারলে বাংলায়ই লেখা ভাল অথবা ইংরেজিতে ও লেখা যেতে পারে। কিন্তু ইংরেজি অক্ষর ব্যবহার করে বাংলা পড়াটা একটু বিরক্তিকর, আর বড় কথা হলো এটা সঠিক পদ্ধতি না।)
ভাল থাকবেন।
Farhana Zaman Liza আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আপনার আত্মপ্রত্যয়ীকতা নিশ্চয়ই সবাইকে মুগ্ধ করবে। আপনার চোখে যা কিছু স্বপ্ন তা এদেশের অগনিত নারীদের স্বপ্ন। আমাদের দেশের নারীরা হাজারও কন্টক পথ অতিক্রম করে, শত বাধা ছিন্ন করে এগিয়ে আসছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি সেই আলোর মিছিল। এখন নারীরা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে আত্মবিশ্বাসী। এই বিশ্বাস তারা নিজেরাই তৈরি করে নিয়েছে। অনেক সফলতাও এসেছে। এখন আর পেছনে তাকানোর সময় নেই।
এটা ঠিক আমাদের সমাজ ব্যবস্থা সবচেয়ে বড় অন্তরায়। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা সহজে নারীকে ছাড় দিতে চায় না। আমাদের বেশি সমস্যা করেছে পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা আর আচরণ। এটা নারী পুরুষ উভয়েই লালন করে। অনেক মুসলিম রাস্ট্র পুরুষতান্ত্রিক থাকলেও মানসিকতায় উন্নত। যেমন মালয়শিয়া কথা বলা যায়। আপনার সাংগঠনিক তৎপরতা আর সংগ্রামী চেতনার প্রতি বদলে যাও বদলে দাও মিছিল বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলেই লিজা আর আরিফারা অগনিত ছড়িয়ে আছে। তাদের এগিয়ে আসার পথ তৈরি করে দিতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে, সাহস দিতে হবে। আপনার প্রজ্ঞা, চৈতন্য দিয়ে তাদের দিকে নির্ভয়ের হাত বাড়িয়ে দিবেন। বদলে দাও বদলে যাও মিছিল আপনাদের বিশ্বস্ত বন্ধু হয়ে পাশে আছে। আপনাকে অভিনন্দন চমৎকার নিবন্ধ পোস্ট দেয়ার জন্য।
প্রথমে মাসউদ ভায়ের মন্তব্য ও তারপর “বদলে যাও, বদলে দাও” এর মন্তব্য পড়তে পড়তে জানিনা কেন, চোখ ভিজে উঠল। এতটা ভালোবাসা আমি আশা করিনি। নিজের দায়িত্ব বোধ থেকেই তো সংগঠনটি করা। তার উপর ছিল আমার প্রাণ প্রিয় বান্ধবীদের সাহা্য্য আর আমার আব্বু আম্মুর সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণা। অনুপ্রেরণা পেয়েছি অনেক বড় ভাই বোনদের কাছ থেকে। অনুপ্রেরণা পেয়েছি বন্ধুসভার বন্ধুদের কাছ থেকে। অনুপ্রেরণা পেয়েছি স্বজন সমাবেশের স্বজনদের কাছ থেকে। আমি তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।আজ আমি যে ভালোবাসাটুকু পেযেছি “বদলে যাও, বদলে দাও মিশিলের” কাছ থেকে তার ভাগীদার আমি একা নই, তার ভাগীদার আমার পাশে যারা ছিলেন তারা সবাই। অনেক অনেক ধন্যবাদ “বদলে যাও, বদলে দাও” কে।
আমি প্রথম থেকেই “প্রথম আলোর” প্রতি কৃতজ্ঞ।তাদের “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিলের উদ্যোগটি খুব চমৎকার এবং সময়োপযোগী একটি উদ্যোগ। “বদলে যাও, বদলে দাও” মিছিল সত্যিই একদিন আমাদের এই ঘুনে ধরা সমাজটিকে বদলে দিবে, এটাই আমার প্রত্যাশা।
সব আরিফারা যখন এক হবে তখন সেই সম্মিলিত শক্তিকে কেউ সহজে ভেঙে দিতে পারবে না। প্রতীক্ষায় আছি, আরিফাদের এক হওয়ার প্রতীক্ষা। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ আপু। জানিনা আমাদের প্রতীক্ষার শেষ কোথা্য়। তবে আরিফারা একদিন নিশ্চয়ই সব প্রতিকূলতা দূর করে সামনে এগিয়ে যাবে।
আপনার লেখাটা পড়ে ভীষন ভাল লাগল।আপনার এবং আরিফার মতই মানুষ এই সমাজের জন্য দরকার।ধন্যবাদ।
সমাজটাকে বদলানোর জন্য আসলে আমাদের সবাইকেই দরকার।কারণ আমরা সবাই এই সমাজেরই অংশ।শুধু একটু সুস্থ মানসিকতার প্রয়োজন। তবেই না আমরা পারবো সব বাঁধা জয় করতে।ধন্যবাদ আপু লেখাটি ধৈর্য্য নিয়ে পড়ার জন্য।
আপনার লেখাটি পরে অভিভূত হলাম।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
আপনাকেও অসংথ্য ধন্যবাদ আপু। আপনি, মাসউদ ভাইয়া আর সাঈদ ভাইয়া যদি আমাকে লিখতে সাহায্য না করতেন তাহলে হয়তো এই কথা গুলি আজ আমি এখানে লিখতে পারতাম না।