Home » ইভটিজিংমুক্ত বাংলাদেশ চাই » ইভ টিজিং : আমাদের ভাবনার অসারতা

ইভ টিজিং : আমাদের ভাবনার অসারতা

538 বার পঠিত

ইভ টিজিং এখন সামাজিক ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে সে ব্যাপারে কারো দ্বিমত নেই। আমরা যদি এর সঠিক কারন নির্নয় না করে এলোমেলো চিকিৎসা দেয়া শুরু করি তাহলে এর প্রভাব কমবে না বরং আরো বেশি সংক্রামিত হবে। হচ্ছেও তাই।

ইভটিজিং এর মাত্রা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে

ভালোবাসা আর ভোগ  শব্দদুটি আজ সমার্থক হয়ে গেছে। আমাদের ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া, সিনেমা, নাটকে ভালবাসা বা প্রেমকে এমনভাবে চিত্রিত করা হচ্ছে যেন ভালবাসা বলতে দুটি নর-নারীর  বোঝাপড়া, আর তাদের আবেগ উচ্ছাসে ভেসে যাওয়াকেই বোঝায়।  এটা যেন শুধুমাত্র দু’টি নারী-পুরুষের স্বপ্নের পৃথিবী ভাঙ্গা-গড়ার গল্প বই আর কিছু নয়। আর একে এমনভাবে চিত্রিত করা হচ্ছে যেন এটা ছারা কারো জীবন পূর্নাঙ্গ হয় না। আর তাই উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের অন্যতম লক্ষ হচ্ছে জীবনের পূর্নাঙ্গতা(!)পাওয়া। সে লক্ষে তারা কত কি-ইনা করছে। এই হিরো হওয়ার প্রবনতা তাদের বিকৃত মনোজগৎ গড়ে তোলে।  একটু খেয়াল করে দেখবেন। তারা যা করছে তা কিন্ত তাদের উদ্ভাবিত নয়। কোন না কোন সিনেমা বা নাটকে তারা যা দেখছে। ঠিক তাই করছে।

ভালবাসা মানে ……………

ভালবাসা একটি শক্তির প্রতিশব্দ। যে শক্তি কাজ করেছে পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে শুরু করে সভ্যতার শিখরে পৌছান অবধী। যে শক্তি আজো পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রেখেছে। ভালবাসা তখনি স্বার্থকতা লাভ করে যখন তা স্থান করে নিতে পারে সকল ভোগের উর্ধ্বে । অথচ  আজ আমরা ভালবাসাকে লালসা চরিতার্থের উপায় হিসেবে ধরে নিয়েছি। যারা আমাদের মিডিয়া অঙ্গনে কাজ করছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ সেলুলয়েডের পর্দায় ভালবাসাকে নায়ক-নায়িকার প্রেমের মত এতটা ছোট ফ্রেমে বন্দি করবেন না। এর ব্যাপ্তিটাও  দেখাতে সচেষ্ট হন। নয়ত সন্তানের প্রতি মা-বাবার, মা-বাবার প্রতি সন্তানের, বোনের প্রতি ভাইয়ের, মানুষের প্রতি মানুষের। দেশের প্রতি নাগরিকের যে সম্পর্ক তাকে কি বলবেন? শুধুই দ্বায়িত্ববোধ? ভালবাসা না থাকলে  দ্বায়িত্ব পালন সম্ভব নয়। ভালবাসা শব্দটিকে যদি মহিরুহুর সাথে তুলনা করি তাহলে দ্বায়িত্ববোধ  তার একটি শাখা মাত্র।

আশেপাশে যা দেখছি!!!!!!!!!!

ধরুন; রমনাপার্ক, কোন ভার্সিটির ক্যাম্পাস, টি এস সি অথবা যে কোন পাবলিক প্লেসে আপনার বোন বা মেয়েকে নিয়ে বেড়াতে বেড়িয়েছেন। আশেপাশে যা দেখছেন তাতে কি স্বাচ্ছন্দবোধ করছেন? নিশ্চয়ই নয়? খেয়াল করুন বেশিরভাগই তথাকথিত শিক্ষিত, ভদ্রঘরের সন্তান।এদের দেখে কি তা মনে হয়?

  • বেলাল্লাপনা আজ লজ্জাকে গিলে খেয়েছে।
  • ভালবাসা কি মানুষকে নিরাভরন হতে শেখায়?
  • ধর্মিয় অনুশাষন না হয় বাদই দিলাম মানুষের সাধারন বিবেকও যদি কাজ করত নিশ্চয়ই মানুষ এত বেহায়া হতে পারে না।
  • আজকাল  টিভি নাটকের অন্যতম উপজীব্য বিষয় হল বিবাহ পূর্ব  জৈবিক সম্পর্ক।
  • এছাড়া হাতের কাছে অবাধ ইন্টারনেট।
  • সাইবার ক্যাফের বদ্ধ ঘর।
  • পর্নগ্রাফির অবাধ সরবরাহ।

এর থেকে মুক্ত থাকা তো অনেকটা পানিতে ডুব দিয়ে জল স্পর্শ না করার মত। আজ আমরা লালসাকে ভালবাসার খোলসে মুড়ে করছি যথেচ্ছ ব্যবহার।

ধর্মিয় মূল্যবোধ, সামাজিক অনুশাসন সব কিছুই ভেসে গেছে তথাকথিত আধুনিকতার জোয়ারে। যা আমাদের নিয়ে যাচ্ছে আইয়ামে জাহিলিয়ার যুগে।

আমাদের ভাবনার অসারতাঃ

এই লেখা পড়ে কেউ হয়ত বলবেন এর বিরুদ্ধে কঠিন আইন করা উচিৎ। আমি তার সাথে দ্বিমত পোষন না করেও বলব লাভ নেই। শুধুমাত্র আইন করে যদি সমস্যার সমাধান হত। তাহলে মানুষ মানুষকে খুন করত না। কেউ হয়ত বলবেন মেয়েদের পর্দার কথা। আমি তার সাথেও দ্বিমত পোষন না করেই বলব, লাভ নেই। কারন সব নারী যদি কাল থেকে দরজায় খিল এটেও বসে থাকে তবু দূবৃত্তরা নিস্ক্রান্ত হবে না।

  • যতক্ষণ না আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলাবে।
  • যতক্ষন না নারী নিজে তার আত্মসন্মানবোধে বলীয়ান হতে পারবে।
  • যতক্ষণ না পারিবারিকভাবে নারীকে মর্যাদার আসনে বসানো হবে।
  • আমাদের সমাজে  একই নারীকে দেখা হয় বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে এবং খন্ডিতভাবে।
  • আর তাকে মূল্যায়নও করা হয় বিভিন্নভাবে।  যেমন মা, বোন, প্রেয়সী, বান্ধবী কিংবা আনন্দোপকরনমাত্র। দেখুন কখনোই তাকে পূর্নাঙ্গরুপে চিন্তা করা হয় না। যা তার  স্বত্তাকে ঠিক মানুষের পর্যায়ে না পৌছিয়ে কিছুটা যেন ছোট করে রাখার একটা চেষ্টা বলে মনে হয়। এটা কোন বিশেষ শ্রেনীর মধ্যেই যে সিমাবদ্ধ তা কিন্ত নয়। আর তাই দেখা যায়  । সমাজের সর্ব্বনিন্ম শ্রেনী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চশ্রেনী; সর্বত্রই কম বেশি নারী নির্যাতন হচ্ছে।

গলদটা কোথায়?

তাহলে গলদটা কোথায়? হ্যা এটাই আসল প্রশ্ন।  এই ব্যাধিটা আমাদের মগজের। যা সারতে হলে ধোলাইটাও করতে হবে মগজকে। নারী – পুরুষের মধ্যে যে, দৈহিক গঠন ছাড়া কোন পার্থক্য নেই। একজন নারী সবার আগে একজন মানুষ তার পরে সে নারী, সবার আগে এই বোধটুকু জাগ্রত করা প্রয়োজন।  সেই সাথে ধর্মিয় অনুশাসনকে আধুনিকতার দোহাই দিয়ে বাতিল করাকেও আমার কাছে মনে হয় মূর্খতারই নামান্তর মাত্র।

আমরা দায় এড়াতে পারি না।

আমরা স্বার্থান্ধ হয়ে গেছি। নিজেকে নিয়েই আমাদের পৃথিবী। আমার পাশের ফ্লাটে কে থাকে তা আমরা জানি না। প্রতিবেশী বলে যে একটা শব্দ আছে তাই যেন ভূলে গেছি। তারপরে আবার দ্বায়িত্ব পালন!  মানুষ সামাজিক জীব। সমাজকে নির্মান করা হয়েছিল মানুষের আর্থ সামাজিক নিরাপত্তার খাতিরেই। আজ প্রযুক্তির উন্নয়নের যুগে এসে আমরা ভাবতে শুরু করেছি আমরা প্রত্যেকেই স্বনির্ভর। এই সমাজ আমাকে কিছু দিতে পারে না বরং স্বাধীনতা খর্ব করে। তাই আমরা এড়িয়ে যাই সামাজিক দায়বদ্ধতা। ভূলে গেছি সামাজিক মূল্যবোধ। আমরা যদি ভাবতে পারতাম সবাই এক। যদি সজাগ থাকতাম আমাদের দায়বদ্ধতা সম্পর্কে তাহলে মিরপুরের হযরত আলীকে হয়ত এভাবে প্রান দিতে হত না। দেখুন সেদিন হযরত আলী কিন্ত একা ছিল না তারসাথে আরো ক’জন ছিল। যদি তারা সবাই একটি করে ইটও হাতে নিয়ে দাড়াত। তাহলে হয়ত দুবৃত্তরা গুলি ছোড়ার সাহসই পেত না। এবং তাদের ধরাও সম্ভব হত।

এরপরে আসুন আমরা আমাদের সন্তানদেরকে কি শিখাচ্ছি? আমার সন্তান দেখছে আমি তার দাদা-দাদীকে অবহেলা করছি। আমরা তাকে বৃ্দধাশ্রমে অথবা গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে সস্তির নিঃস্বাষ ফেলছি। পারিবারিক, সামাজিক মুল্যবোধ এবং দায়বদ্ধতার পাঠ তার পাঠ্য বই থেকে শুরু করে ব্যবহারীক জীবন থেকে সে কতটুকু শিখতে পারছে?

একটি দৃশ্যকল্প।

আমরা একটি পরিবারকে যদি এভাবে কল্পনা করি, ধরুন একটি পরিবার। যেটি গড়ে উঠেছে বাবা-মা, ভাই-বোন, দাদা-দাদী, চাচা-চাচী এবং চাচাত ভাই-বোনদের নিয়ে। যাকে আমরা যৌথ পরিবার বলে জানি। যেখানে সবাই একে অপরের প্রতি দায়বদ্ধ। একজন অন্যজনকে লেখাপড়ায় সাহায্য করে, বড় ছোটকে আদর করছে প্রয়োজনে শাষন করছে। তারা একসাথে খেলছে, আনন্দ করছে। যাদের আনন্দের সবচেয়ে বড় উপকরন তাদের পারস্পরিক বন্ধন। হাসি-ঠাট্টায় মেতে থাকা। পরিবারের কোন ছেলে বাহিরে কোথায় যায়, কার সাথে মিশছে, কি করছে এটা লক্ষ করার জন্য এই পরিবারের আছে কয়েক জোড়া বিশ্বস্ত চোখ। এই পরিবারের কোন মেয়েকে তার প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে আত্মহত্যা করতে হয়নি কারন কেউ কোন অনৈ্তিক সম্পর্কে জড়ায়নি। সে সু্যোগও সে পায়নি। কেননা এখানে শুধুমাত্র কয়েক জোড়া বিশ্বস্ত চোখই যে আছে তাই নয়, আছে তার অনেকগুলি হিতাকাংখীও। এই পরিবারের কোন ছেলে রাস্তায় ইভটিজিং করে না কারন প্রথমত তাকে তার আপন এবং চাচাত বোনদের দ্বায়িত্ব নিতে হয়। একত্রে বসবাস এর ফলে মেয়েদেরকে পন্য বা আনন্দপকরন হিসেবে না দেখে মানুষ বা বন্ধু হিসেবে দেখতে শিখেছে। এছাড়াও ঐ যে কয়েক জোড়া বিশ্বস্ত চোখ যা তাকে সবসময়ই তটস্ত করে রাখে। এই পরিবারের কোন পূত্রবধু নির্যাতিত হন না বা নিহত হন না কারন ঐ পর্যন্ত কোন ঘটনা ঘটার আগেই পরিবারের সদস্যরা সমাধান করে ফেলেন। এখানে একজন ভুল করলে অন্যজন তার ভুল ধরিয়ে দেন। এখানে কেউ কাউকে অন্যায় কোন কাজে প্ররোচিত করলে অন্যজন তাকে নিবৃত্ত করেন। এখানে কেউ কারো প্রতিদ্বন্দি নয় একে অপরের পরিপূরক। আর তাই একজন কর্তা গত হলে তার পরিবারের সদস্যরা অধৈ সাগরে পড়েনা।

পরিশেষেঃ

এই যে পরিবারটির কথা বললাম এটা আমার দৃশ্যকল্প মাত্র। কিন্ত একবার ভাবুন তো আপনি বা আর একটু পুরাতন যারা, তারা কি এমন কোন পরিবারেরই সদস্য ছিলেন না? আজকের এই গ্লোবালাইজেশনের যুগে সমগ্র মানব জাতীকেই যেখানে একটি পরিবারের কাঠামোতে আসা উচিৎ সেখানে আমরা একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠিই পারছি না একটি কাঠামোর মধ্যে আসতে। শুধুমাত্র আমাদের সংকির্নতা আর আমাদের স্বার্থান্ধতার জন্যে। যেদিন আমরা ভাবতে পারব সবাই আমরা এক। যে মেয়েটি রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছে সে আমারই বোন। যেদিন বিপদগ্রস্থ কোন মেয়ে নির্দিধায় আমার কাছে সাহায্য চাওয়ার সাহস পাবে। ভাববে তার পাশ দিয়ে  যে হেটে যাচ্ছে সে শুধুমাত্র পুরুষ নয়। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একজন মানুষ এবং তার শুভাকাংখী। ঠিক তখনই দূর্বৃত্ততা উলটোপথে হাটতে শুরু করবে। মানুষই মানুষকে নিরাপত্তা দেয়। প্রয়োজন মনুষত্যের। যা দিনকে দিন ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে আজ প্রায় ভঙ্গুর অবস্থায় উপনীত।

 

মন্তব্য
  • Suraiya Abedin জুন 23, 2012 at 12:14 পূর্বাহ্ন

    লেখার কথাগুলো খুবই বাস্তবসম্মত এবং এক কথায় অসাধারন… সবাই এইভাবে ভাবত এবং চলত তাহলেই হতো …
    পারিবারিক অনুশাসন আজকাল চোখেই পড়ে না… আকাশ থেকে পড়তে হয় যখন আশেপাশে শুনি মামা ভাগ্নে, খালাতো ভাই বোন একসাথে পর্ণ দেখে… ক্যান ইউ বিলিভ ইট?? এটা নাকি আধুনিকতা!!!
    যদি ছোট জামাকাপড় পড়া , আর অবাধ মেলা মেশাই আধুনিকতা হতো তাহলে তো বন্য পশু সবচেয়ে আধুনিক!!! ওরাই তো এমনভাবে জীবন যাপন করে…
    আধুনিকতার খোলসে যারা আবৃত থাকে তারা কখনোই সুখী হয় না… তারাই সুখী যারা সুশৃঙ্খল ও ধর্মীয় ভাবে জীবন যাপন করে …
    আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন দরকার… এই লেখার কথাগুলো সবার মধ্যে ধারন করা উচিৎ ।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 23, 2012 at 12:15 অপরাহ্ন

      সুরাইয়া আবেদীন, যা বলেছেন এটাই বর্তমান বাস্তবতা। আর তাই নারীবাদী নয় মানবতাবাদী হয়েই আমি লিখেছি। আমার লেখার উদ্দেশ্য, অন্তত কিছু লোক যেন নতুন করে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবেন। ধর্মকে যারা আধুনিকতার প্রতিবন্ধকতা বলে ভাবে আমি তাদেরকে বলি মোনাফেক। কারন সভ্যতার মূলে ছিল ধর্ম , সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যায় ধর্ম। এমনকি সভ্যতাকে ধরেও রাখে ধর্ম। এটা তারাও জানে এবং মানতে বাধ্য হয়। তবু মুখে অস্বি্কার করে। তারা যা বিশ্বাস করে তা বলে না। ভাল থাকবেন, অনেক ভাল।

  • সাফায়েত আমিন জুন 21, 2012 at 8:51 অপরাহ্ন

    আপনার কথাটি আসলেই ঠিক। আধুনিকতার মানে এই নয় যে আপনি আপনার ধর্মকে পেছনে ফেলে রাখবেন। আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষই মুসলমান। আমরা যদি ঠিক মতো আমাদের ধর্মকে অনুসরন করি এবং আমাদের কথাবার্তা, চালচলন, এবং পোশাকের ব্যাপারে সংযত থাকি তবে এমনিতেই ইভটিজিং অনেক কমে যাবে বলে আমার মনে হয়। ইসলাম ধর্ম নারীকে দিয়েছে তার যথাযত সম্মান এবং অধিকার যা অন্য কোন ধর্মে সত্যি বিরল।

  • mirza জুন 19, 2012 at 8:50 অপরাহ্ন

    ওরে ভাই, সব লোকের মানসিকতাকে পরিবর্তন না করে তিনশ লোকের মানসিকতাকে পরিবর্তন করা অধিক যুক্তিসঙ্গত বলে মনে হয় । সুশাসনের জন্য যেমন সচেতনতা দরকার, একই রকমভাবে সুশাসকও দরকার । ধন্যবাদ ,ইভটিজারের মানসিকতাকে দায়ী করার জন্য…..যা সুশাসন ব্যাথিত কোনভাবেই ঠিক হওয়ার নয় ।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 19, 2012 at 10:59 অপরাহ্ন

      মির্জা ভাই, বিনীতভাবেই আমি আপনার সাথে দ্বি্মত পোষন করছি। ধরুন তিনশ লোক কোন জাদুর ছোঁয়ায় শুদ্ধ হয়ে গেল। তাতে কি সামাজিক সব অসঙ্গতি দূর হয়ে যাবে? না তাদের পক্ষে দূর করা সম্ভব হবে? পরিবার থেকেই সমাজ, সমাজ থেকেই তো রাষ্ট্র। তাই সামাজিক অসঙ্গতিগুলো দূর করতে হলেও শুরুটা পরিবার থেকেই করতে হবে। রাষ্ট্র পারে সহযোগীতা করতে, সমাধান করতে পারে জনগন। আর তাই সবার আগে প্রয়োজন জনসচেতনতা। ধন্যবাদ আপনাকে।

  • Ahmed Yousuf জুন 19, 2012 at 8:32 অপরাহ্ন

    মাসুদ খানের সাথে আমি একমত। ইভটিজিং বিষয়ে এ যাবত কালের সেরা বিশ্লেষনধর্মী লেখা। আশা করি প্রথমআলো লেখকের যথাযথ মুল্যায়ন করবে। তবে একটা কথা বলতে চাই যে ইভটিজিং কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা আমাদের সমাজের সার্বিক পরিস্থিতির একটি খন্ডচিত্র মাত্র। আমাদের সমাজের সর্বত্রই অসংগতি মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও, কোন কিছুই স্বাভাবিকভাবে চলছে না। এর কারন হিসাবে অনেকেই আমাদের ব্যক্তিগত ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অভাব, মূল্যবোধের অভাব, সুষ্ঠু বিনোদনের অভাব, আর্থিক অসচ্ছলতা, অশিক্ষা ও সামাজিক অসচেতনতা ইত্যাদি হাজারো কারন উপস্থাপন করবেন। কিন্তু এসব কারনের পিছনে একটা গুরুত্বপূর্ন কারন নিহিত আছে। আর তা হল ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাব। আধুনিকতা আমাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। ধর্মের পবিত্র বানী আমাদের অন্তরকে আজ আর স্পর্শ করেনা। ভাল ও খারাপের সুষ্পষ্ট পার্থক্য আমাদের চোখে ধরা পড়েনা। কারন আমাদের চোখে আজ রঙ্গিন চশমা। এ অবস্থা চলতে দেয়া যায় না। সময় এসেছে আজ খোলা চোখে বিশ্ব দেখার। ধন্যবাদ মি.গালিব মাহাদী খান।

    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা, ১৯ জুন ২০১২ ইং।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 19, 2012 at 10:46 অপরাহ্ন

      “কিন্তু এসব কারনের পিছনে একটা গুরুত্বপূর্ন কারন নিহিত আছে। আর তা হল ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাব। আধুনিকতা আমাদের মোহাচ্ছন্ন করে রেখেছে। ধর্মের পবিত্র বানী আমাদের অন্তরকে আজ আর স্পর্শ করেনা। ভাল ও খারাপের সুষ্পষ্ট পার্থক্য আমাদের চোখে ধরা পড়েনা।”
      ইউসুফ ভাই আমি আপনার সাথে সম্পূর্নরুপে একমত। অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।

      • Ahmed Yousuf জুন 20, 2012 at 6:34 অপরাহ্ন

        ধন্যবাদ আপনাকে একমত পোষন করার জন্য।

  • কে আই তাজ জুন 18, 2012 at 12:25 অপরাহ্ন

    মূল অসঙ্গতি নির্ধারণ করতে পেরেছেন… তাই ধন্যবাদ !!
    আমাদেরকে যোদ্ধা হতে হবে— নারী মুক্তির সংগ্রামে এক একজন বীর যোদ্ধা

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 18, 2012 at 12:54 অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ আপনাকে, আবারও বলছি- এই ব্যাধিটা আমাদের মগজের। যা সারতে হলে ধোলাইটাও করতে হবে মগজকে। নারী – পুরুষের মধ্যে যে, দৈহিক গঠন ছাড়া কোন পার্থক্য নেই। একজন নারী সবার আগে একজন মানুষ তার পরে সে নারী, সবার আগে এই বোধটুকু জাগ্রত করা প্রয়োজন। সেই সাথে ধর্মিয় অনুশাসনকে আধুনিকতার দোহাই দিয়ে বাতিল করাকেও আমার কাছে মনে হয় মূর্খতারই নামান্তর মাত্র। ধন্যবাদ আপনাকে।

      • Ahmed Yousuf জুন 19, 2012 at 9:02 অপরাহ্ন

        নারী ও পুরুষের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে শারিরীক ও মানসিক পার্থক্য রয়েছে। এ ব্যাপারে সকল ধর্মগ্রন্থ এমনকি বর্তমান আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও একমত পোষন করে। সুতরাং নারীদেরকে কেন পুরুষের সমকক্ষ হতে হবে, কোন পার্থক্য করা যাবেনা এ বিষয়টা বোধগম্য নয়। নারী নারীর যায়গায় থাক না। তাকে পুরুষের প্রতিদ্বন্দী হিসাবে প্রমানের কোন যেৌক্তিকতা আমি দেখি না। তার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাই হোক আমাদের প্রধান কর্তব্য। আমরা যারা নারীর অধিকার নিয়ে এত গলাবাজি করছি তারা কি পিতার সম্পত্তির ন্যায্য পাওনা বোনদেরকে দিয়েছি? বুঝলাম আপনি নারীবাদী এখন আমার প্রশ্ন হল, আপনি সংসারের কাজে আপনার স্ত্রীকে কয়দিন সহযোগীতা করেছেন? আপনি কি কোন দুর্বল মুহুর্তে আপনার প্রথম সন্তানটি ছেলে হোক এ কামনা করেননি? যদি না করে থাকেন তবে ভাল কথা। আমি মানলাম আপনি একজন প্রকৃত নারীবাদী। পুরুষ হয়ে নারীবাদী হওয়ার মতো মহৎ মানষিকতা সবার থাকেনা। আপনাকে ধন্যবাদ। আর যদি আমার উপরোক্ত প্রশ্নের সন্তোষজনক জবাব দিতে আপনি ব্যর্থ হন তবে যতই মগজ ধোলাই করি আর গলাবাজি করি কোন লাভ হবে না। কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন করা আমার উদ্দেশ্য না। আমি বলতে চাই পরিবর্তন হোক ইতিবাচক। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিমন্ডলেই পরিবর্তনের সুচনা করতে হবে। নয়তো আমাদের যাবতীয় প্রচেষ্টা হবে লোক দেখানো ও ফাকির নামান্তর। ধন্যবাদ মি. গালিব মাহাদী খান।

        • Md. Galib Mehadi khan জুন 19, 2012 at 11:50 অপরাহ্ন

          ইউসুফ ভাই নারী-পুরুষকে ইসলাম বা অন্য সব ধর্মেই সন্মানের দিক থেকে সমান মর্যাদা দিয়েছে, বোনদেরকে অনেকেই তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে এটাও একটা সামাজিক সমস্যা। প্রথম সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে সন্তান না হোক এ মানসিকতাও মেয়েদের প্রতি বিদ্বেস প্রসূত বলার অ্পেক্ষা রাখে না এর সবই আমাদের সামাজিক সমস্যা। আমি তো শুধু একটিমাত্র সমস্যার উপরে আলোকপাতের চেষ্টা করেছি মাত্র। এক কথায় বললে এটুকুই বলব সমস্যা আমাদের বোধে। উপলব্ধিতে। আগে সেই জায়গাটা ঠিক করা দরকার। ধন্যবাদ আপনাকে।

  • Ashik Zaman জুন 17, 2012 at 12:28 অপরাহ্ন

    ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই বিশ্লেষণধর্মী লেখার জন্য।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 17, 2012 at 4:33 অপরাহ্ন

      ধন্যবাদ আপনাকেও।

  • shihab khan জুন 16, 2012 at 7:07 অপরাহ্ন

    এর জন্য মূলত দায়ী কে? সামাজিক অবক্ষয় এর জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী বলে আমি করি।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 16, 2012 at 11:08 অপরাহ্ন

      সহমত ।

  • Md. Iqbal Hossain জুন 16, 2012 at 6:03 অপরাহ্ন

    I Like your Comments MD. Galib Mehedi Khan Bai.

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 16, 2012 at 6:46 অপরাহ্ন

      Thanks a lot.

  • Al Masud জুন 16, 2012 at 9:53 পূর্বাহ্ন

    নারীকে উপস্থাপন করা হচ্ছে সৌন্দর্য্য শিখা হিসেবে, পণ্যের বিপনন প্রসারের জন্য নরীদেরকে বিজ্ঞাপন গুলোতে উপস্থাপন করা হয় অত্যান্ত আকর্ষণীয়ভাবে। বিজ্ঞাপন নির্মাতা থেকে শুরু করে চলচিত্র ও চিত্রনাট্য পরিচালকেরা সুন্দরী নারীদের কেই বেছে নেয় তাদের অনুষ্ঠানগুলো আকর্ষনীয় করতে। কোম্পানী ও কর্পোরেট অফিসগুলো অভ্যার্থনা জানানোর জন্য নারীদের কেই বেছে নেয়। এটা আমাদের সংস্কৃতির সাথে এক রকম মিশেই গেছে। নারীদের আকর্ষনীয় হিসেবে ব্যবহার করাকে শুধু আমাদের দেশের সমস্যা বলবো না, এটা এখন সারা বিশ্বেই প্রচলিত একটা ব্যবস্থা। যদি বিজ্ঞাপনগুলোতে নারীদের সৌন্দর্য্য না দেখে অপেক্ষাকৃত কম সুন্দরী ও গরীব নারীদের ব্যবহার করা হতো তাহলে বুঝতাম মিডিয়া গুলো সত্যিই নারীদের কল্যানে কাজ করছে। পৃথিবীর মানুষগুলো এখন ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যেই অবরুদ্ধ।
    ধন্যবাদ Md. Galib Mehadi khan কে, অসাধারণ লেখার জন্য।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 16, 2012 at 5:01 অপরাহ্ন

      যতক্ষণ না আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলাবে।
      যতক্ষন না নারী নিজে তার আত্মসন্মানবোধে বলীয়ান হতে পারবে।
      যতক্ষণ না পারিবারিকভাবে নারীকে মর্যাদার আসনে বসানো হবে।
      যতক্ষণ না বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে এবং খন্ডিতভাবে নারীকে দেখা বন্ধ হবে।
      ততক্ষন পর্যন্ত এর সমাধান হবে না। ধন্যবাদ আল মাসুদ আপনাকে।

  • CDT SHIBLO জুন 15, 2012 at 11:45 অপরাহ্ন

    হা, অবশ্যই, আমাদের মানশিক পরিবরতন গটাতে হবে। আর আমাদের অভিবাবকদের আর বেশী শচেতন হতে হবে।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 16, 2012 at 5:02 অপরাহ্ন

      সহমত পোষন করছি, ধন্যবাদ আপনাকে।

  • Parvin জুন 15, 2012 at 11:53 পূর্বাহ্ন

    অসাধারণ। অনেক ধন্যবাদ এই বিশ্লেষণধর্মী লেখার জন্য।
    নারীদের ঘরে বন্দি করে রাখা যেমন সমাধান নয় তেমনি আইন করে বন্ধ করা ও সমাধান নয়। পরিবর্তন দরকার আমাদের চিন্তা চেতনার,মেধা আর মননের। প্রতিটি পরিবার যতি হয় সন্তানদের নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার অন্যতম পাঠশালা তবে এই ব্যধি নির্মূল হবে। আধুনিকতার নামে অশালীনতা যেমন কাম্য নয় তেমনি নারী বলে তথাকথিত বিধিনিষেধ ও কাম্য নয়। নৈতিকতা বোধ জম্ম নেওয়ার আগেই প্রযুক্তি জৈবিক চাহিদার শিক্ষা দেয়। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অলিতে গলিতে গজিয়ে উঠা প্রযুক্তি আদানপ্রদানের সহজ ক্ষেত্র গুলো চিহ্নিত করে কার্যকন পদক্ষেপ গ্রহণে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমদের নৈতিকতা এখনো শূণ্যতে নেমে যায়নি। নৈতিকতা জাগ্রত করার দায়িত্ব আপনি শুরু করুন, আমি শুরু করব একদিন সবাই শুরু করবে।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 15, 2012 at 3:23 অপরাহ্ন

      এই ব্যাধিটা আমাদের মগজের। যা সারতে হলে ধোলাইটাও করতে হবে মগজকে। নারী – পুরুষের মধ্যে যে, দৈহিক গঠন ছাড়া কোন পার্থক্য নেই। একজন নারী সবার আগে একজন মানুষ তার পরে সে নারী, সবার আগে এই বোধটুকু জাগ্রত করা প্রয়োজন। সেই সাথে ধর্মিয় অনুশাসনকে আধুনিকতার দোহাই দিয়ে বাতিল করাকেও আমার কাছে মনে হয় মূর্খতারই নামান্তর মাত্র। ধন্যবাদ আপনাকে।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 16, 2012 at 5:03 অপরাহ্ন

      যতক্ষণ না আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলাবে।
      যতক্ষন না নারী নিজে তার আত্মসন্মানবোধে বলীয়ান হতে পারবে।
      যতক্ষণ না পারিবারিকভাবে নারীকে মর্যাদার আসনে বসানো হবে।
      যতক্ষণ না বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে এবং খন্ডিতভাবে নারীকে দেখা বন্ধ হবে।
      ততক্ষন পর্যন্ত এর সমাধান হবে না। ধন্যবাদ পারভিন আপনাকে।

  • আফছানা বেগম অর্থী জুন 15, 2012 at 10:29 পূর্বাহ্ন

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের তথ্যানুসারে, দেশে ৬৫ থেকে ৭০ ভাগ ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশপাশে। স্কুল বা কলেজে আসা-যাওয়ার পথে বখাটেদের উত্পাতের শিকার হয় ছাত্রীরা। ৪১ শতাংশ ছাত্রী স্কুল প্রাঙ্গণকে নিরাপদ হিসেবে বিবেচনা করে না। ৬৩.৬ শতাংশ ছাত্রছাত্রী বলেছে, শিক্ষকরা তাদের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। ১৬.৭ শতাংশ ছাত্রী জানিয়েছে তারা শিক্ষকদের দ্বারা যৌন হয়রানির শিকার হয়েছে। যেই শিক্ষার মাধ্যমে আমরা উঠে আসার স্বপ্ন দেখি, পরিবারের পর যেখানে আমরা শিক্ষা পেয়ে থাকি সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই যখন আমরা, আমাদের নারীরা অনিরাপদ তবে ইভ-টিজিং মুক্ত সমাজ কে মাঝে মাঝে দুঃস্বপ্ন মনে হয়! দুঃস্বপ্ন হলেও তা দেখে যাই। স্বপ্ন না দেখতে জানলে তা পূরণের আশা যে জাগে না!

    অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

    • Parvin জুন 15, 2012 at 11:59 পূর্বাহ্ন

      এতো হতাশ হলে কি চলে? আমাদের মধ্যে থেকে ভালমানুষ সবগুলো হারিয়ে যায়নি। মনূষত্যবোধ ও বিবেকের তাড়নায় আমরা অনেকে এখনো ক্ষতবিক্ষত হই। আমার অস্থির সময়ের শিকার মাত্র। আমি আপনি হয়তো থাকবো না কিনন্তু একদিন এই সমাজে সর্বত্র সুস্থিরতা বিরাজ করবে,নারীরা মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে,সম্মান পাবে। আমাদের সুন্দর আগামী গড়ার জন্য প্রতিটি বিবেকবান মানুষের উচিত সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলা। নানসিকতা আর চিন্তা চেতনার পরিবর্তনই এই অস্থির সময়কে সুস্থির করার একমাত্র উপায়। আমি আশাবাদী, দারুণ আশাবাদী।

      • Md. Galib Mehadi khan জুন 15, 2012 at 3:20 অপরাহ্ন

        হতাশ নই অনুভব করছি, সময় পার হয়ে যাচ্ছে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 15, 2012 at 3:21 অপরাহ্ন

      অর্থী ধন্যবাদ তথ্যটি শেয়ার করার জন্য।

    • Md. Iqbal Hossain জুন 16, 2012 at 6:07 অপরাহ্ন

      You are 100% Right Afsana Begum Arthi

  • masud khan জুন 15, 2012 at 12:30 পূর্বাহ্ন

    ইভ টিজিং নিয়ে আমার পড়া সেরা এবং বাস্তবতার লেশ নিয়ে একটি লেখা । সম্মানিত লেখক যে সবের অবতারনা করেছেন তা শুধু সত্যই না বলা যায় এই ঘুনে ধরা সমাজের বাস্তব চিত্র । আশা করব এই লেখাটি দীর্ঘদিন ধরে স্তিকি রাখা হবে এবং সাম্নের কিস্তিতে প্রথম আলোতে প্রকাশিত হবে ।

    • Md. Galib Mehadi khan জুন 15, 2012 at 3:12 অপরাহ্ন

      মাসুদ ভাই লেখাটি কতটা মান সম্পন্ন হয়েছে তা আপনারা ভাল বলতে পারবেন। তবে লেখাটি বিবেকের তাড়নায় লেখা, অনেকটা দায় শোধের চেষ্টা বলতে পারেন। তবে এটা ঠিক আপনাদের মত উৎসাহ প্রদানকারীদের কারনেই আমরা লেখার চেষ্টা করি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

      • nurulislamnadim জুন 21, 2012 at 6:01 অপরাহ্ন

        বাংলাদেশ থেকে ইভ টিজিং দূর করা অসম্ভাব।
        ইভ টিজিং কেন হয় ?
        এর জন্য কারা দাই ?
        ইভ টিজিং কারা করে ?
        তাদের পরিচয় কি ?
        কি কারনে ইভ টিজিং ও মেয়েদের প্রতি ছেলেরা মন্দ উক্তি করে

© বদলে যাও বদলে দাও