আমার মেয়ের বয়স এখন তিন বছর দশ মাস। অতি চঞ্চল বলে এ বছর জানুয়ারীতে তাকে বাসার কাছের একটি school এ play group এ admit করিয়ে দিই। কারন হলো school যাওয়া আসা শিখবে। দু একটা অক্ষর শিখবে। যাই হোক অনেক পরিবর্তন হলো। কিছু শিখছে,এতেই আমরা খুশী। কয়েক দিন আগে school এর principal আমাকে ডেকে নিল। ডেকে নিয়ে আমাকে যা বলল আমি তো শুনে বোকা বনে গেলাম। বলল,আপনার মেয়ে তো একটু দূর্বল,আপনার মেয়েকে কোচিং এ দিয়ে দেন। ওর বেসিক ভাল হবে। তৎক্ষনাৎ কি বলব ভেবে পেলাম না। একটু ভেবে ওর বাবার সাথে কথা বলে জানাব বলে বেরিয়ে এলাম। ওর বাবার সাথে কথা না বলেই ম্যাডামকে পরদিন না করে দিলাম। প্রসঙ্গত, প্রধানশিক্ষিকা এই মাসেই school এ জয়েন করেছে। ছাএ-ছাত্রী পাবার জন্য class এর আগে school এ কোচিং করানো শুরু করেছে। class এর চেয়ে কোচিং এ ম্যাডাম বেশি মনোযোগী। এখন question হলো কোচিং এর পর class করতে কতটুকু ভাল লাগবে বা কতটুকু মনযোগ থাকবে?? সরকার যে নিয়ম করছে তা কি এই সব প্রিপারেটরী school এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কিনা? এই ছোট বয়সেই কোচিং এর ধারনা মাথায় ঢুকিয়ে দেয়া হচেছ।
যাই হোক, বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এ পড়লাম নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কোচিং ও প্রাইভেট পড়াতে পারবে না। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অংকের টাকা নিয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভেতরেই অতিরিক্ত ক্লাস নিতে পারবেন।
এই নিয়ম রেখে বৃহস্পতিবার ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা-২০১২’ চূড়ান্ত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এবং আরো কছু নিয়ম ও নীতিমালা।
একটু বড় class এ হয়তো কোচিং, প্রাইভেট দরকার কিনতু play group, nursery,এই সব class এ কোচিং কেন?
আমার বড় ভাই (ভাশুর) ব্রাক্ষনবাড়ীয়ার school এর একজন নামকরা শিক্ষক। দুদিন আগে আমি সেখানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। ভাইয়া অংক, ইংরেজী পড়ান। এবং প্রতি বিষয় তিন মাসের বেশী সময় তিনি পড়ান না। সব সময় উনি দারুন busy থাকেন কোচিং নিয়ে। আমাকে একবার বলেছিলেন,ভাত খাবার সময় হলো আমার বিশ্রামের সময়। মানে হলো ভাত ধীরে খেতে খেতে ভাইয়া একটু বিশ্রাম নেয়। এবার সরকার নীতিমালা করার একদিন পরের কথা বলছি। ভাইয়া বলল, তার school এর এমন কিছু শিক্ষক আছেন যারা মাসে দুই লক্ষ থেকে দুই লক্ষ্ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রতি মাসে আয় করে থাকেন। এবং তারা যে বিষয়গুলো কোচিং এ না পড়লেও হয় যেমন: বাংলা,কৃষি বিজ্ঞান,ধর্ম,আরো কিছু বিষয় বারো মাস পড়ান। ছাত্র ছাত্রীরা অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সারা বছর না পড়লে অন্যান্য জরুরী বিষয়গুলো পড়ান না । বাধ্য হয়েই ছাত্রছাত্রীরা অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো ও পড়ে। এই সব শিক্ষকেরা ছাত্রছাত্রীদের শিখানোর চেয়ে ব্যবসাটা ভালো করেন।
ভাইয়া বলে, সেই সব ছাত্রছাত্রীদের জন্য সরকারের নিয়মটা ভালো হয়েছে। যারা ব্যবসায়িক শিক্ষক তাদের বেলায় যাতে নিয়মটা কার্যকর হয়।
আমাদের দেশ বলে কথা, সরকারের নিয়মনীতির কোন কিছুতেই ভরসা পাই না।






কোচিংয়ের নামে বর্তমানে যেভাবে ছেলেমেয়েদের বাইরে পড়ানোর অভ্যাস করা হচ্ছে তা শুধু মেধার গুনগত মানই নষ্ট করছেনা এর কারনে নষ্ট হচ্ছে একটি ছেলে বা মেয়ের সঠিক জ্ঞানমূলক বৃদ্ধি । অনেক আগে বাবা মার কাছে শুনতাম একটি প্রবাদ তা হলো: একে বিদ্যা, দুইয়ে পাঠ, তিনে গন্ডোগোল, চারে হাট । অর্থাৎ একজন যদি একা পড়ে তবে বিদ্যা অর্জন হয়, আর দুইজনে একসাথে পড়লে পাঠ ভালো হয়, তিনজনে গন্ডোগোল শুরু হয় আর চারজন থাকলে হয় বাজার । সুতরাং কোচিংয়ে এতজন একসাথে কি পড়ানো সম্ভব তা আমার বোধগম্য নয় । বাড়িতে নিজের টেবিলে বসে পড়ার যে আনন্দ এবং স্বকিয়তা কোচিংয়ের কারনে আজ তা হারাতে বসেছে । এলোমেলোভাবে অন্যের ইচ্ছামত পড়ার কারনে শিক্ষার উদ্দ্যেশ্যও নষ্ট হচ্ছে । কোচিং এর কোন সুফল দিক নেই । তবে প্রাইভেট পড়ার ক্ষেত্রে অন্যরকম । যেমন একজন ছাত্র সে সব নাই বুঝতে পারে । সঠিকভাবে বোঝার জন্য এবং সমস্ত বই সম্পর্কে ধারনার জন্য প্রাইভেট পড়লে খারাপ হবে এমন নয় । তবে অবশ্যই প্রাইভেট পড়া উচিৎ কোন ভালো অর্থাৎ ভার্সিটি লেভেলের ছাত্র বা ছাত্রীর কাছে । স্কুলের শিক্ষকদের পড়ানোর বানিজ্যিকি করন অবস্থা থেকে বের হয়ে আশাটা খুবই জরুরী । তবে এখনও অনেক ভালো শিক্ষক রয়েছেন যারা খুব অল্প টাকায় ছেলেমেয়েদের শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন -তাদের প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা ।
একমত …। কিন্তু আমরা যারা সামনে এসএসসি দিবো তাদের জন্য আপাতত PRIVET পড়ার অনুমতি দিলে ভালো হতো
শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের বাবস্থা সীমিত হলেও রাখা হয়েছে নতুন নীতিমালায়। শিক্ষামন্ত্রণালয় গত ১৪.০৬.১২ তারিখে ’শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২’ চূড়ান্ত করেছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী নিজ প্রতিষ্ঠানের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে প্রতিমাসে অতিরিক্ত ১২ টি ক্লাসের জন্য ৩০০, জেলা পর্যায়ে ২০০ এবং উপজেলা পর্যায়ে ১৫০ টাকা রশিদের মধ্যমে নেবেন শিক্ষকরা।
আরও একটি আইন করা হয়েছে- নিজ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো যাবেনা।
সরকারী-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা নিজ প্রতিষ্ঠানের পূর্বানুমতিসাপেক্ষে প্রতিদিন ভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ১০ জন শিক্ষার্থীকে বাসায় পড়াতে পারবেন।
শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ কোচিং বাণিজ্যের কুফলের কথা উল্লেখ করে বলেন, এর কারণে শিক্ষা ক্ষেত্রে বিপর্যয় নেমে এসেছে। কোচিংয়ের নামে লুন্ঠন, শোষণ ও বানিজ্য চলছে। বর্তমান নীতিমালার মধ্যামে স্কুলগুলোকে তাদের নিজের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার একটা প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে।
Thanks bhaia, for your information.
ফারজানা নাজনীন-এর মন্তব্যটি বেশি ভাল লেগেছে। ক্লাস ওয়ানের বাচ্চাদের ২০ থেকে ২৮ টি বই পড়তে হয়, যা শিশুদের জন্য খুবই হতাশার। এমনিতে এদেশে শিশুদের বিনোদনের কোন ব্যবস্থা নেই; নেই কোন খেলার মাঠ, নেই শিশুপার্ক; আছে শুধু হিন্দি চ্যানেল আর কাঠুনের ব্যবস্থা। যা সরাক্ষণ চার দেয়ালের মধ্যে থেকে দেখার জিনিষ। কিন্তু শিশুমন চায় মুক্ত বিহঙ্গে ঘুরে-ফিরে-দৌড়িয়ে জীবনকে বিনোদনে ভরিয়ে দিতে। শিশুরা তাদের পড়াশোনায় যদি আনন্দ খুঁজে না পায়, তবে তারা উপভোগ করতে পারবে না তাদের লেখাপড়াকে; লেখাপড়ার প্রতি তাদের অনিহা দেখা দিতে পারে। চাপের মধ্যে রেখে, জবরদস্তী করে এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে শিশুদের লেখাপড়া করানোর ফল কখনও ভাল হয় না। তার উপর প্রথম শ্রেণীতে ২০ থেকে ২৮ টি বই পড়তে শিশুকে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। কিন্তু যেকোন চাপই শিশুর জন্য ক্ষতিকর। শিশুদের এতগুলো বই পড়ানোর সংস্কৃতিটা নিশ্চয়ই স্কুলের প্রধানদের দ্বারাই উত্সারিত হয়েছে। শিশুদের কে এত চাপের মধ্যে পড়ালেখা করানোর ক্ষতিটা যদি শিক্ষকরাই না বোঝেন তবে জাতি হিসেবে আমরা অন্ধকার থেকে গভীর অন্ধকারের দিকে যেতে থাকবো।
ধন্যবাদ লেখক নূসরাত আলম’কে সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে লেখার জন্য।
ধন্যবাদ আপনাকে ।আমি আমার মেয়েকে একটু ও চাপ দিই না।ওর খুশী মতোই ও পড়ে।কাউকে কিছু চাপ দিয়ে আসলে কিছু করা যায় না।চাপ দেয়া উচিত ও না।
আমার ছেলে পড়ে প্লেগ্রুপ-এ। প্রতিদিন অফিস শেষে বাসায় গিয়ে ওকে পড়াই। আমি যখন বুয়েটে পড়তাম তখন প্রচুর টিউশানী করেছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে জানি কীভাবে ছাত্রকে পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলা যায় এবং কোন পদ্ধতিতে পড়ালে ওর ভাল মনে থাকবে সবকিছু।
আমার মনে হয় আজকের নাগরিক ব্যস্ততায় বাবা-মায়েরা সন্তানকে সময় দেন কম, উপহার আর ফাস্টফুড দেন বেশী। বরং মানসম্পন্ন সঙ্গ বাচ্চাকে দিলে ওদের অন্য চাহিদা অনেক কমে যাবে; মনও বেশী ভাল থাকবে। গৃহশিক্ষক নয়, বাবা বা মায়ের কাছে শিশুরা বেশী ভালভাবে পড়াশোনা করতে আগ্রহী বলে আমার বিশ্বাস।
(কাজী মিতুল) এমত পোষণ করছি !
আমার মেয়েকে আমি পড়াই,আবার ওর নানা,নানুর কাছে পড়ে।গৃহশিক্ষক এই ছোট বয়সে দিতে চাই না।আমার মেয়েটা অনেক দুষ্ট,বেশীক্ষন পড়তে চায় না।
খুব ভালো কথা বলেছেন ভাইয়া। আমি ও আপনার সাথে একমত।
নূসরাত আলম
কোচিং একটা বেবসা ! বাসায় এসে যে বা জারা পড়ায় সেটাঅ ও কি বন্ধ করা জায় না ? ঠিক ভাবে স্কুল ও গাইড দিয়ে ?! আমি একজন ভুক্ত ভুগি মা ! অভিভাবক ! যেহেতু আমি চাকরি করি ্তাই আমার সন্তনকে আমি খুব বেশি সময় দিতে পারিনা ! তাই ভালাম যদি একজন বাসায় শিক্ষক রাখি তবে আমার ছেলের এটু বেশী কেয়ার হবে ! ২.৫ মাসে আমার ছেলের অবনতি এত বেশী হল যে বাদ্ধ হলাম উক্তশিক্ষক কে বাদ দিতে !
সন্তনকে আসলে বাবা মায়ের ই দেয়া দরকার ! ামার ছেলেকে এখন আমি এবং আমার স্বামী পালা করে পড়াশুনা দেখাই ! বোনাস আছে আমার ছোট বোন !
আমাদের শিক্ষা বেবস্থা এতো জটিল হয়ে গেছে যেটা চিন্তার অ বাইরে ! ক্লাস ওয়ান এ পরে এটি বাচ্চাকে যদি ২০/২৮ বই পড়তে হয় তবে হিম শিম আমি আ্পনি কেন সকলেই খেতে হবে ! এবং খাচ্ছে !
ক্লাস ওয়ান এটি বাচ্চার সিলাবাস দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে ! এতো পড়া কেন রতে হবে ত?!
সঠিক সিলাবাস নির্ধারণ করে সকল স্কুল গুলুতে এক নিয়ম চালু করা দরকার ! তাহলে আমারদের মত অভিভাবক রা রক্ষা পাব কোচিং নামক শিক্ষা বেবস্থা থেকে !
এই ছোট বয়সে মা,বাবাই পড়াতে পারে।আর school সঠিক গাইড দিতে পারে।আর যদি সাপোট থাকে তবে তো কথাই নেই।আপনার বোন আপনার সাপোট।ঠিক বলেছেন বাচ্চার সিলাবাস দেখলেই মাথা ঘুরে যাবে !
ভালো বলেছেন আপু। আমাদের দেশের মত শিক্ষা নিয়ে এমন ব্যবসা পৃথিবীর আর কোন দেশেই বোধ হয় নাই। আমাদের দেশের কিছু বুদ্ধিজীবিরা বহুদিন ধরেই এই ব্যবসা বন্ধের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।কিন্তু এত কিছুর পরও কোচিং ব্যবসা বন্ধ হচ্ছেনা। জানিনা সরকারের নতুন আইন কতটুকু কাজ করবে বা কয়দিন বহাল থাকবে। আর আমাদের দেশে তো শুধু আইন করাই হয় কিন্তু তা প্রয়োগ করা হয় না, এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা।কিন্তু যেভাবেই হোক কোচিং ব্যবসা বন্ধ করা উচিত। নুসরাত আপুকে ধন্যবাদ এই বিষয়টি নিয়ে লেখা সুন্দর পোষ্টটির জন্য।
আপু দেখবেন স্যার রা আন্দোলন শুরু করবে
@ Farhana Zaman Liza
ভাই তৌহিদ,
আপনার কথার সূত্র ধরেই বলছি, শিক্ষকর এই বিষয়ে আন্দোলন করতেই পারে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের দোষ দেয়া যায় না। কারণ, আমাদের দেশের শিক্ষকরা যথেষ্ট পরিমাণ সুযোগ সুবিধা পায় না।তাদের বেতন ভাতাও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।যারা দেশ গড়ার কারিগর তৈরি করবে তাদের যদি সঠিকভাবে সুযোগ সুবিধা না দেয়া হয়, তাহলে কোচিং ব্যবসা কিভাবে বন্ধ হবে? তাদের সংসার চালানোর জন্যই তো কোচিং ব্যবসা করতে তারা বাধ্য হন।
আবার ভেবে দেখেন,যদি কোচিং ব্যবসা বন্ধ করা যেত, তাহলে শুধু অভিভাবকরাই নয়, অনেক শিক্ষার্থীও উপকৃত হত। বিশ্বের বেশির ভাগ দেশেই graduate level এর শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার খরচ নিজেরাই বহন করে, ফলে বাবা- মার উপর চাপ কম থাকে। ঐসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করে কারণ ঐসব দেশে তাদের এ সুযোগ আছে। কিন্তু আমাদের দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ সুবিধা নাই। এদানিং কিছু প্রতিষ্ঠান এ সুযোগ দিলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই সামান্য। তাই কোচিং ব্যবসা যদি বন্ধ করা যেত, “তাহলে এই সব শিক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েই নিজেদের পড়া শোনার খরচ নিজেরাই চালাতে পারতো। যদিও আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীই ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে তাদের পড়াশোনার খরচ নিজেরাই চালায়।”।ফলে বাবা -মার উপর চাপ কম পরতো। তাছাড়া এইসব শিক্ষার্থীরাও নিজেদের পায়ে দাড়ানোর এবং টাকার সঠিক মূল্যায়ন করা শিখতো, কারণ তারা নিজেরাই যখন আয় করবে তখন সঠিক ভাবে ব্যয় করাও তারা শিখতে পারতো। অন্যদিকে, যেসব বাবা -মা তাদের ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন্ কোচিং এ পড়ানোর জন্য ভুরি ভুরি টাকা খরচ করেন, তারাও সস্তি পেতেন, কারণ একজন টিচারই তাদের ছেলেমেয়েদের দরকারি বিষয় গুলো পড়াতে পারতেন। এখনকার দিনের ছাত্র-ছাত্রীরাও শিক্ষকদের উপর এতটাই dependent হয়ে গেছে যে, যেসব বিষয় নিজেরাই পড়তে পারে সেগুলোও তারা শিক্ষকের কাছে কোচিং এ গিয়ে পড়ে। এক্ষেত্র এই প্রবণতাও কমে যেত।ফলে উপকৃত হত সবাই।
উপরের লেখাটিতে মাঝের দুটি লাইন লেথার সময় ভুল হয়েছে। লাইন দুটি আসলে হবে-
“তাহলে এই সব শিক্ষার্থী ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়েই নিজেদের পড়া শোনার খরচ নিজেরাই চালাতে পারতো। যদিও আমাদের দেশের অনেক শিক্ষার্থীই ছাত্র-ছাত্রী পড়িয়ে তাদের পড়াশোনার খরচ নিজেরাই চালায়।”
অনাকাঙ্খিত এই ভুলের জন্য আমি দুঃখিত।
আপনাদের সকল কে অনেক ধন্যবাদ।