Home » অন্যান্য » কেবল দিবসেই পিতাকে শ্রদ্ধা কেন?

কেবল দিবসেই পিতাকে শ্রদ্ধা কেন?

148 বার পঠিত

১৭ জুন আন্তর্জাতিক “পিতৃত্ব দিবস”। বাংলাদেশ এখনো  দিবসটি ব্যাপকতা পায়নি। ছড়ানো ছিটানো কিছু কিছু পরিবার এ দিবসটি স্মরণ করে। আজও প্রতিষ্ঠানিকভাবে সরকারি বা বেসরকারি সংস্থা কোন প্লাটফরম থেকে এই দিবস পালনের উদ্যোগ দেখা যায়নি। কিছু কিছু পত্রপত্রিকা সামান্য আযোজনে পিতৃ দিবসের কথা মনে করিয়ে দিতে দেখা যায়।১৯২৪ সালে পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রতিক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রতিবছর জুনমাসের তৃতীয় রবিবার “পিতৃত্ব দিবস” পালনের সিদ্ধান্ত হয়। তবে ১৯০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে সোনোরা স্মার্ট নারী এক বালিক ‘মা দিবসের’ মূলসূত্র সম্পকের্ অবহিত হওয়ার পর সর্বপ্রথম বিশ্ব পিতৃত্ব দিবস পালনের কথা চিন্তা করেন।পরের বছর ১৯১০ সালের ১৯ জুন সোনরা পিতার জন্মদিনে ভালোবাসা, স্বার্থপরহীনতা ও সাহসেরর প্রতি সম্মান জানাতে পিতৃত্ব দিবস পালনের আনুষ্ঠানিক আযোজন করেন। পরে ১৯২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কেলভিন কলিজ প্রতিবছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার পুরো যুক্তরাষ্ট্রে পিতৃদিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেন। সে মোতাবেক প্রতি জীবিত পিতার জন্য লাল গোলাপ এবং মৃত পিতাদের জন্য সাদা গোলাপ শুভেচ্ছা স্বারক হিসাবে চিহিৃত করা হয়।

যাই হউক আমাদের দেশে বাবা দিবস পালনের একটা নমুন দেখে নেয়া যাক।একদিন বিকেলে রাজধনীর ঢাকার এক অভিজাত মার্কেটের আন্ডারপাসে অবস্থিত এক পত্রিকা অফিসে থেকে বেরিয়ে আমারই পাড়ার এক চাচার সাথে দেখা। আকর্ষণীয় দু’টি প্যাকেট হাতে তিনি মার্কেট থেকে যেন বেরিয়ে আসছেন অনেকটা বীরদর্পে।ছালাম আর কুশলাদী বিনিময়ের পর আর কোন প্রশ্ন করার আগেই নিজ থেকেই অহমিকার সুরেই বললেন,“ভাতিজা আজ বাবা দিবস তাই বাবার জন্য কাপড় আর ভালমন্দ খাবার কিনে নিতে এসেছি।”তার কথায় হতবাক হলাম আমি! ভাবলাম কেবল বাবা দিবসেই বাবাকে শ্রদ্ধা কেন?

যে বাবা দিনের পর দিন চিকিৎসার অভাবে বিছনায় কাতড়ায়; যিনি দু’বেলা ভাল ভাবে খেতে পান না; সে বাবার জন্য শহুড়ে পদস্ত সরকারী চাকুরীজীবী পুত্র এসেছেন কেনাকাটা করতে। তাও আবার ২০ জুনের বাবাব দিবসে।

এত কথা বলার একটাই অর্থ আমার ঐ পরর্শী চাচার বিরুদ্ধে বাবা মাকে অবহেলা আর অযত্নের ঢের অভিযোগ রয়েছে আত্মীয়স্বজন এবং এলাকাবাসীর। আসলে বাবা কিংবা মা দিবসকে ঘিরে কেউ কেউ বাবা মায়ের প্রতি বিশেষ দিনটিতে যত্নবান হন। এই দিনে বাবা-মাকে ভাল খাবার আর উপহার উপঢৌকন দিয়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে  দিবসটি পালন করে থাকেন তারা।

বাবা মাকে সেবা করতে কোন বিশেষ দিবসের প্রয়োজন হয় না। দিনক্ষণ নির্ধারন করে কি বাবা মায়ের সেবা হয়? আসলে বাবা কিংবা মা দিবস পালনের একটা বিশেষ অর্থ আছে। বাবা মায়ের প্রতি সন্তানদের বেশী যত্নবান হতে শেখানোর জন্যই দিবসটি পালন হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। প্রতিটি দিবসেই একজন সন্তানকে বাবা মায়ের প্রতি সমান শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।বাবা মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা কেবল দিবস ঘিরে বাক বন্দি হয়ে থাকলেই চলবে না। হালে অনেক বখে যাওয়া সন্তানই বাবা মাকে অবহেলার দৃষ্টিতে দেখেন।

যে বাবা মা রাত দিন খেয়ে না খেয়ে ঘুম হারাম করে সন্তানদের লালন পালন করলেন সে বাবা মায়ের প্রতি অনেক সন্তানের অবহেলাই এখন হরহামেশা চোখে পরে। বখে যাওয়া নয় অনেক উচ্চ শিক্ষিত সন্তানরাও বাবা ময়ের প্রতি অবজ্ঞা করে চলেছেন অবলিলায়।

বাবা দিবসে আর আমার বাবাকে নিয়ে লিখব না তা কি হয়? আমার বাবার নাম আলহাজ্ব মীর তাজউদ্দিন আহম্মেদ। আমার দৃষ্টিতে আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও আদর্শ ব্যক্তি।

তিনি যেন এক বিরাট ছায়াদানকারী বটবৃক্ষ। শুধু তার সন্তানদের জন্য নয়, সকলের জন্য। একটা মানুষ কত বেশী নীতিবান,নিঃস্বার্থ, ধৈর্য্যশীল এবং উদার হতে পারে তা আমার বাবাকে দেখলেই বুঝা যায়। সেই ছোটকাল থেকেই যে বাবাকে দেখে আসছি আজ এই বয়সেও তিনি তেমনি আছেন, নীতি ও কর্তব্যে অটল।

যেখানে আমরা কামনা করি আমার সন্তান থাকুক দুধে-ভাতে, সেখানে আমার বাবা কামনা করেন তাঁর সন্তান থাকেন যেন ন্যায়-নীতিতে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা। তাঁর কাছে কর্মই জীবন। তাই পচাত্তর বছর বয়সেও তার বসে থাকার ফুসরত নেই।

এ বয়সেও কেন কাজ করেন এমন প্রশ্ন বাবাকে করলে বাবা বলেন “কাজ না করে খেলে খাবার হালাল হয় না। বাবাকে কখনো অন্যায়ের সাথে আপোস করতে দেখিনি। পারিবারিক বা সামাজিক যে কোন আদালতে তাঁর বিচার ছিল নিরপেক্ষ। সত্যেও ব্যাপারে কাইকেই পরোয়া করেন না। কখনো স্নেহের প্রচণ্ড শীতল হাওয়া তাঁর ন্যায় বিচারের শিখাকে নেভানো বা অন্যদিকে প্রবাহিত করতে পারেনি। তাঁর দৃষ্টি সবার উপর মানুষ সত্য তার উপরে নাই। তাকে দেখেছি তাঁর অফিসের কেরানি পিয়নকেও সম্মান দেখাতে। তিনি নিজের এবং তাঁর সন্তানের স্বার্থ অপেক্ষা অন্যের স্বার্থকে বড় করে দেখতেন। নিজের ক্ষতি ও ত্যাগ স্বীকার করেও অন্যের মঙ্গলের জন্য কাজ করেছেন। আমার বাবাকে কখনও অন্যায় করতে দেখিনি।

মিথ্যা বলতে শুনিনি। আমাদেরকে তিনি সে শিক্ষাই দিয়েছেন। এমন একজন নিঃস্বার্থ, নির্লোভ এবং ন্যায়বিচারক বাবার সন্তান হয়ে আমরা গর্ববোধ করি।

আমার বাবার স্নেহের ছায়ায় আমরা সিক্ত। তিনি ছাড়া আমাদের জীবন অন্ধকার। আমরা এ আলো হারাতে চাই না। তিনি যেন থাকেন আমাদের মাঝে আজীবন। আমার বাবার স্নেহ আমাদের কাছে স্বর্গের মত সুখকর।

একটা শিশু যখন পৃথিবীতে আসে তখন তাকে একে একে কত কিছুই না চেনাতে হয়। মাথার ওপরের নীল আকাশ, ঐ যে দূরের গাছ, গাছের ওপর চড়ুইঃ এমনি কত কি। কিন্তু তাকে কখনো শেখাতে হয় না এটা তোমার মা আর ওটা বাবা। বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মেই শিশু চিনে নেয় তার পরম নির্ভরতার এই জায়গাগুলো। কিন্তু পরিণত জীবনে পৌছে সন্তানের কাছে অনেক সময় বাবার শ্রমে-ঘামে চিনে নেয়া পৃথিবীটাতে বড় হয়ে ওঠে নিজের ইচ্ছে অনিচ্ছে।

কিন্তু সন্তানের জীবনে সাফল্যের পরিমাণ যত অগণিতই হোক না কেন, বাবার কাছ থেকে, বাবার ভালোবাসার ছায়া থেকে কিন্তু সে কখনো দূরে সরে যেতে পারে না।

আবারও বাবা প্রসংঙ্গে ফিরে এলাম। সন্তান যত বড়ই হোক, তার অভিমান আর অবহেলার গুনিতক যতই বিশাল হোক বাবার স্নেহের দরজাটা সবসময়ই খোলা থাকে তার সন্তানের জন্য। আর তাই বাবাকে যারা বেছে নিতে পারেন বন্ধু হিসেবে তারা জীবনের প্রতিটি পরতেই পান সংগ্রামের ভিন্ন এক রসদ। যে বয়সে স্কুল-কলেজে নতুন নতুন বন্ধুর সাথে বেশ জমে উঠছে সে সময়টাতে ভুলে যাওয়া চলবে না পুরোনো বন্ধুকে।

বরং নিজের জীবনের এই খোলস ছাড়াবার মূহুর্তে যদি বাবাকেও সাথী হিসেবে নেয়া যায় তাহলে বরং চেনা বন্ধুত্বগুলোও নতুন রঙে রঙ্গিন হয়ে ওঠে। অফিসের ব্যস্ততা আর ঝামেলার মাত্রাটা যতই সীমা ছাড়িয়ে যাক না কেন বাড়িতে ফিরে বাবার সাথে কয়েক মুহূর্তের জন্য হলেও বসতে হবে গল্পের ঝুড়ি নিয়ে।

তাহলেই দেখবেন কোথায় যেন দিব্যি মিলিয়ে যাবে আপনার চিন্তা-দুশ্চিন্তা। মনে রাখবেন আপনার-আমার, আমাদের বাবা কিন্তু আমাদের কাছে বড় কোনো উপহার চান না। বরং ব্যস্ততার মাঝে বের করে নেয়া একটু সময় বাবাকে দিয়েই দেখুন না কেন। এমন কোনো বাবা নেই যিনি সন্তানের এই সান্নিধ্যটুকু উপভোগ করেন না। আর বাবা যদি হন নিঃস্বঙ্গ, তবে তো সন্তানের পাশে এক মুহূর্ত বসে থাকাটা তার কাছে হয়ে দাঁড়ায় তাজমহল দেখবার চাইতেও বড় এক প্রাপ্তি।

শৈশবে বাবার কাঁধে চড়েনি এমন সন্তান খুঁজে পাওয়া ভার। বাবা নামের সাথে যুক্ত আছে পরম নির্ভরতার এক গল্প। এ দিকে মা শব্দটির সাথে মধুরতা লেগে থাকলেও বাবা শব্দটির মাঝে খুঁজে পাওয়া যায় পরম নির্ভরতা।

বাবা যেন প্রত্যেকটি সন্তানের ওপর প্রশান্তির একটা ছায়া ফেলে রাখেন সব সময়। খ্যাতিমান বাবার কোনো পুত্র যদি যোগ্য উত্তরসূরী হন তবে সবাই যেমন বলে বাপের বেটা, তেমনি কোনো বাবার কন্যা যখন তার মুখ উজ্জ্বল করে তখন বাবা মায়ের সঙ্গে গর্ব করে বলেন, দেখতে হবে না মেয়েটি কার।

আমাদের সমাজে একটি সংসারের কর্তৃত্ব সাধারণত বাবার হাতেই থাকে। সংসারের দেখভালসহ সবকিছুতে বাবার অবদান বেশি হওয়াতে তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে সন্তানরা। স্বচ্ছল সংসারের আয় রোজগারের বিষয়ে বাবা জীবিত থাকতে কন্যা কিংবা পুত্র কোনো মাথা ঘামায় না।

একজন বাবা একটি সংসার নামের ঘরের প্রধান স্তম্ভ। আর সেবাবাই যদি এক সময় হয় অবহেলিত তাহলে কি দুঃখেও সীমা থাকে?

আমাদের সমাজে আর যাপিত জীবনে বাবার ভূমিকাটাকে হয়তো কখনই অত বড় করে দেখার সুযোগ হয় না আমাদের। আর তাই বাবার ক্লান্তি, শ্রম আর ভালোবাসাটাকে যেন কখনো কখনো ‘বাবার দায়িত্ব’ বলেই উপেক্ষা করতে চাই আমরা। কিন্তু জীবনসংগ্রামে ক্লান্ত হয়ে পড়া আমাদের বাবা যে সময়টায় সামান্য একটু নির্ভরতা খোঁজেন আমাদের মাঝে তখন তাকে উপেক্ষা করা কি সন্তানের সাজে?

যে বাবা সন্তানের মঙ্গল কামনা ছাড়া অন্য কিছু কখনো প্রত্যাশা করেন না সেই বাবাকে নিজেদের ব্যক্তিজীবনে ‘বাড়তি কৈফিয়তের’ স্থান হিসেবে ভাবাটাও কি যৌক্তিক হয়? হয়তো হয় না। তবু একা একা ছুটে চলা এই সময়ের মাঝে এই অমার্জনীয় ভুলকেই যেন আমরা অনায়াসে স্থান করে দেই আমাদের মাঝে। ভুলে যাই বাবার অপত্য স্নেহের মাঝে বেড়ে ওঠা আমাদের শৈশব আর কৈশোরের দিনগুলোকেও।

ব্যস্ত শহরে আর ঠাঁস বুনোটের ভিড়ে আমাদের সব আবেগ অনুভূতিই ইদানিং বড় বেশি যান্ত্রিক। কিন্তু তাই বলে বাবাকেও কি মনে করতে হবে বিশেষ একটা দিবসের কথা ভেবে? জানি কোনো সন্তানই এতে একমত হবেন না। তবু ব্যস্ততা আর অনাবধনতা যখন বাবার সাথে তৈরি করে অদৃশ্য এক দূরত্ব তখন বিশেষ করে ভাবতে হয় অনেক কিছুই।

এখন পুরো বিশ্বজুড়েই জুন মাসের তৃতীয় রোববার পালিত হয়ে আসছে বাবা দিবস। হয়তো অনেকেই ভাবছেন, এ দিন খুব চমৎকার একটা উপহার দিয়ে বাবাকে চমকে দেবেন। হ্যাঁ সামর্থের সীমা অনুযায়ী এমন একটা কিছু আপনি দিতেই পারেন।

কিন্তু এতসব উপহারের চাইতেও যে বিষয়টি সবচেয়ে জরুরি সেটা হলো বাবা’র জন্য একান্ত করে কিছু সময় বের করে নেয়া। তার সাথে মেতে ওঠা অনর্গল কোনো কথোপকথনে। কাজের চাপ কিংবা ব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন প্রতিদিন কিছুটা হলেও সময় বরাদ্দ রাখুন মা এবং বাবার জন্য।

বাবাকে বুঝতে শিখুন, তার শাসনকে ভুল না বুঝে জীবন চলার নির্দেশনা হিসেবে বিবেচনা করুন। একটি বারের জন্য হলেও ফোন দিন। তার খোঁজ-খবর নিন। বাবাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করুন। প্রিয় মুহূর্ত আর প্রিয় স্থানগুলোতে চেষ্টা করুন বাবাকেও সঙ্গে রাখবার। কেবল বাবা দিবসকে ঘিরেই যেন বাবার প্রতি কর্তব্য বোধ জাগ্রত না হয়; এ প্রত্যাশা সকল সন্তানের প্রতি।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও সম্পাদক, নিউজ বাংলাদেশ ডটনেট।

মন্তব্য
  • ফারজানা নাজনীন জুন 20, 2012 at 2:11 অপরাহ্ন

    বছরে আমরা একবার জন্ম দিন পালন করি… বিবাহ বার্ষিকী পালন করি এমন নানা রকমের দিবশ আিমি.রা বছরে একবার পালন করি ! তার মানে ত এই না বছরের বাকি গুলুর গুরুত্ব আমাদের কাছে কম !
    বাবা দিবস
    মা দিবস
    এমন এ এটা দিন যেই দিন টাকে লক্ষ করে আমরা জমকালো আয়জন করি ! এটা বই লিখে অত বাবা কে / মাকে উৎসর্গ করা হয় ! তার মানে কি বাবা মায়ের প্রতি ভালবাসা ওখানেই সীমিত? মোটেও তা নয় ! বাবা মায়ের প্রতি ভালবাসা যাদের আছে স্রদ্ধা যাদের আছে তাদের সব সময় আছে ! তারাই দিন তাকেও উপভগ করে ! যে বা যারা ভালবাসেনা তাদের কাছে সকল দিন ই সমান !

    আমি দেখেছি আমার বাবা এই দিটাকে আলাদা করে দেখত ! অপেক্ষা করতো আরা কে কি আয়জন করি বাবা কে ঘিরে ! আজ আমার বাবা বেঁছে নেই ! আমি বুঝি আমি মিস করি প্রতিটা দিন ! বাবা’র জন্য আয়োজন থেমে গেছে ! বাবাকে ঘিরে আছে কেবলৃত্যু বার্ষিকী মিলাদ !

  • Sanat Ghose জুন 19, 2012 at 10:20 অপরাহ্ন

    বাবা দিবস,মা দিবস,ভালোবাসা দিবস এধরনের বিষয়গুলোর কোন নির্দিষ্ট একটি দিন হতে পারেনা,সারা বছর,সারা জীবনই এগুলো জীবন্ত।নির্দিষ্ট দিনের ঠুনকো বাঁধনে এদেরকে আটকাবেন না।

© বদলে যাও বদলে দাও