Home » অন্যান্য » মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির নিকট ক্ষমা চাইতে হবে?

মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির নিকট ক্ষমা চাইতে হবে?

114 বার পঠিত

কোন কাফের যদি  আসলেই কাফের হয়েও সে মুসলমান দাবি করে তাহলে সে মিথ্যুক। কিন্তু তার এ মিথ্যা কথা থেকে প্রকৃত মুসলমানদের কি ক্ষতি হয় যে ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য তাদের পিঠে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে? লা মাযহাব বা আহালে হাদিস মাযহাব অনুসরণ করেনা তাদেরকে কেন অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে? আমি হানাফি মাযহাবের অনুসারি হলেও কেউ যদি কোন মাযহাব এর অনুসারি না হয় তাহলে কেন তাকে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে? মুসলমানদের মুল হল কোরআন এবং সুন্নাহ । পবিত্র কোরানের বা ছহি হাদিসের  কোথায় বলা আছে যে  মাযহাব মানা জরুরি অথবা মাযহাব না মানলে মুসলমান হওয়া যায়না? আমি আরও জানতে চাই আমাদের নবী হাযরত মুহাম্মদ সঃ এবং তার প্রধান চার খলিফা কোন মাযহাবের অনুসারি ছিলেন? যদি উনারা কোন মাযহাবের অনুসারি না হয়েও মুসলমান হন তাহলে আমরা কেন মাযহাব ব্যাতিত মুসলমান হতে পারবনা? (তোমরা দুনিয়ার বুকে ফিতনা স্রিস্তি করিওনা) আপনারা দেখছি ফিতনা সৃষ্টিকারি।  আপনারা এক এক সময়ে এক একটি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে  রাষ্ট্রীয়  আইন শৃঙ্খলা এর বিরুদ্দে মানুষকে উত্তেযিত করা যাহা এক প্রকার ফিতনা। কিন্তু আপনারা এই ফিতনা করে ত গোলাম আযম নিযামিকে ও পাকিস্তান  পসন্দ লোকদেরকে বিচারের হাত থেকে বাঁচাতে চান। গোটা যাতির চেয়ে আপনাদের কাচে হাতে গোনা কয়জন  গোলাম আযম নিজামীকে  ও পাকিস্তান পছন্দ  লোকেরা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল। গোলাম আযম ১৯৭১ এর ৯ মাস ঘুমিএ ছিলেন   এমন ত নয়। হয় উনি ওই সময়ে পূণ্য করেছেন নয়ত পাপ করেছেন। (অবশ্য গোলাম আযমদের ১৯৭১ এর ৯ মাসের কাজকে পূণ্যর  কাজ ধরলে মুক্তি যোদ্ধাগণ পাপ করেছিলেন)। যদি গোলাম আযমেরা পূণ্য করে থাকেন তাহলে তা প্রমান করলেই হয়। ইসলামী আইন অনুসারে  উনাদের কাজকে পূণ্যের কাজ প্রমান করুন। তাহলে আমরা খুশি হব।  পাকিস্তানের কোন শাসক ইসলামী জীবন যাপন করেছিলেন। ইয়াহিয়া (এলকোহল পান করতেন। তার সেবা করেছেন গোলাম আযম মুজাহিদরা। এটা কতটুকু শরীয়তসম্মত? এখন আপনাদের মতে মনে হয় মুক্তিযোদ্ধাগন ১৯৭১ যুদ্ধ করে এ পাপ করেছিল।  আর সে জন্য তাদের জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত!

© বদলে যাও বদলে দাও