অনেক আগে আমাদের দেশে মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য বা ছেলেকে বিয়ে করানোর জন্য ছেলেমেয়েদের জন্মের সময় কয়েকটি করে গাছ লাগিয়ে রাখা হত । কেননা এই গাছ বিক্রি করেই ছেলেমেয়েদের বিয়ের খরচ করা হবে । আমিও দেখেছি আমার শ্রদ্বেয় নানা রাস্তার পাশ দিয়ে গাছ লাগিয়ে রাখতেন বলতেন মানুষ, পশুপাখি এই গাছের ফল খেয়ে ক্ষুধা নিবারন করবে । তখন সরকার কর্তৃক বনায়ন কার্যক্রম ছিলোনা কিন্তু ওনার মনে ঠিকই উদয় হয়েছিলো প্রতিটি রাস্তার পাশে গাছ লাগানো দরকার । বর্তমানে এমনটি আর দেখা যায় না । ব্যাংক বীমা হওয়াতে কেউ আর সঞ্চয়ের জন্য গাছ লাগান না । অনেক মানুষ রয়েছেন যারা কতদিন নিজ হাতে গাছ লাগান না তাও ভুলে গেছে । কিন্তু একটা গাছ মানুষের কতটা বন্ধু হতে পারে তা বলে ব্যখ্যা করে বোঝানো যাবে না । শুনেছি একটি নিম গাছ বাড়ির দক্ষিন পাশে থাকলে নাকি রোগ-বালাই কম হয় । কথাটা সত্যিইও অনেক । একটু লক্ষ করলেই দেখবেন যদি চালে পোকা ধরার ভয় থাকে তবে চাল যেখানে রাখা হয় সেই পাত্রের মুখে কয়েকটি নিম গাছের পাতা রেখে দিলে আর চালে পোকা ধরবে না । এর মানে সত্যিই নিম গাছের মধ্যে এমন কিছু একটা আছে যা রোগ ব্যাধী প্রতিরোধে সহায়তা করে ।
আমরা সব জানি, কিন্তু কাজের বেলায় ঠনঠনা-ঠন । এরকম হলে হবে না । আমাদের এ ধরনীকে সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য গাছের বিকল্প আর কিছুই নেই । তাই প্রত্যেকটি মানুষের নিজের জায়গা না থাক অন্যের জায়গায় হলেও নিঃস্বার্থভাবে একটি গাছ লাগান । তাতে করে দেশ সেবার প্রথম কাজটি আপনার দ্বারা হয়ে যাবে ।
জলবায়ু সংকটের মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুকিপূর্ন । তাই আমি সরকারকে অনুরোধ করছি জলবায়ুর প্রেক্ষিতে বিদেশ থেকে আপনারা যে টাকা পাবেন তার কমপক্ষে ২০ শতাংশ বৃক্ষ রোপনে ব্যয় করুন । ওরা(উন্নত বিশ্ব) যতই কার্বন নিঃস্বরন করুক না কেন আমরা সবুজ বৃক্ষমালা দিয়ে শুষে নেবো আর অন্য অর্থগুলো ব্যায় করতে পারবো অসহায় মানুষদের জন্য ।
আমি আমার জীবনের প্রথম মাসের বেতন থেকে কিছু টাকা দিয়ে প্রায় ৫০টি বিভিন্ন ধরনের গাছের চারা কিনেছি । যা আমাদের পাঠাগারের সৌজন্যে বিভিন্ন জায়গায় রোপন করা হবে । প্রতিটি গাছে একটি করে নাম ফলক করে দেওয়া হবে যাতে এগুলো পাঠাগারের সম্পদ হিসাবে বিবেচিত হয় । তবে যার জমিতে বোনা হবে বিক্রি করার পর টাকাটা সেই পাবে ।
আসুন আমরা প্রতিজনে একটি করে গাছ লাগাই । আমাদের দেশ সবুজে ভরে উঠুক ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাক নির্মল বাতাস ।






যান্ত্রিকতা আমাদের স্নিগ্ধতা কেড়ে নিচ্ছে, ধান গাছে তক্তা হয় কি না- এ অংশে আজো আটকে যায় আমাদের নতুন অতিথিরা !!!
উদাত্ত আহ্বান করেছেন- সাড়া দিতে হবে সবাইকে, যে যেভাবে পারে- বারান্দার টবে, ছাদে, বাণিজ্যিক ভাবে, ব্যাক্তিগত শখ থেকে– বৃক্ষ রোপণ আবারো হোক সেই অতীত জোয়ারের সাথী।
অনেক ভাল প্রসতাব,দেশটা তরুন প্রজনমে হাত ধরে ১দিন বদলে যাবেয়,আশা করছি আগামীতে দেশটা আবার হয়ে যাবে সবুজ.
অবশ্যই এ দেশটা এমন থাকবে না এটা আশা নয় মন থেকে বিশ্বাশ করি । তার জন্য আমাদেরই কাজ করতে হবে । আসুন সবাই মিলে একটা সুন্দর দেশ উপহার দেই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে । ধন্যবাদ ।
খুব ভালো প্রস্তাব।ভালো থাকবেন
ভালো প্রস্তাবগুলো তখনই স্বার্থক হয় যখন এই প্রস্তাবগুলো কাজে রুপান্তরিত হয় । আপনারা সবাই অনেক ভালো মানুষ । আপনারা আমরা মিলেই এই ভালো কাজগুলোর পাল্লা ভারী করে সামনে সবুজ ভবিষ্যৎ উপহার দিতে চাই । ধন্যবাদ, অনেক ভালো থাকবেন । সবসময় ।
অনেক সুন্দর এবং সচেতনতামূলক প্রস্তাব। আমিও প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি সুযোগ পেলেই গাছ রোপণ করবো। ঢাকায় এখন আবার বৃক্ষমেলা শুরু হয়েছে, তাই অন্যান্যদেরকেও বলবো- গাছ রোপন করতে। হো সেটা ফলের গাছ বা ফুলের গাছ। আর নিজ হাতে লাগানো গাছের ফল খাওয়ার আনন্দটাই আলাদা। নিজ হাতে গাছ লাগানো এবং তা পরিচর্যা করার মধ্যে একটা বিশুদ্ধ আনন্দ পাওয়া যায়।
সবচেয়ে বড় কাজ কোনটি জানেন, এই প্রস্তুতি নেওয়া । ভালো কাজের মন থাকলে সেটা হয়েই যায় । অনেক ধন্যবাদ মন থেকে আমার প্রস্তাব গ্রহন করার জন্য । আর কৃতজ্ঞতা গাছ রোপন করার ইচ্ছা প্রকাশ করার জন্য ।
আমাদের দেশ সবুজে ভরে উঠুক, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাক নির্মল বাতাস ।
খুব ভালো বলেছেন। ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য।
গাছের সবুজ মানুষের মনকেউ সবুজ করে । তাই প্রতিটি মানুষেরই উচিৎ সবুজের খুব কাছে থাকা । নিজে রোপন না করতে পারলেও পাশের জনকে উৎসাহ দিন যেন একটি গাছ এই বর্ষায় রোপন করে । পাশে থেকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা ।