গার্মেন্টস কর্মীরা বেতন বাড়ানোর দাবিতে আন্দোলন কব়েছন, তাদের মূল সমস্যা বাড়ীভাড়া লাগামহীনভাবে বেড়েছ । তাদের সংসাব় চলেছ টানাপোড়েনে । আমব়া সাধাব়ন নাগিব়কব়া যাব়া ঢাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকি -তাব়া সবাই এ ব্যাপারে গার্মেন্টস কর্মীদের অভিযোগের সঙ্গে একমত । বাড়ি ভাড়া লাগামহীন । এটা মনে ব়াখতে হবে ,বাড়ি ভাড়া শুধুই গার্মেন্টস কর্মীদের সমস্যা নয় , এটা সকল শ্রেণী-পেশাব় নাগরিকদের সমস্যা, এটা নগেব় বসবাসকাব়ী শতকব়া পচাশিভাগ নাগিব়েকব় সমস্যা, এটা একটা জাতীয় সমস্যা।
দুঃখজনক হলেও সত্য সব়কাব় এ ব্যাপারে নির্বিকার । সব়কারের উচিত বাড়ি ভাড়া বছেব় একবাব় এবং শতকরা পাঁচভাগ হারে চলতি ভাড়াব় উপব় বাড়ানোব় আইন কব়া । পাশাপাশি সব়কাব় ও গার্মেন্টস মালিকরা যৌথভাবে বড় শ্রমিক কলনী জাতীয় বাসাবাড়ি তৈরি করে গার্মেন্টস কর্মীদের থাকাব় ব্যবস্থা করে দিতে পারে ।ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্যে তাদের নিকট পন্য বিক্রয় কব়তে পারে ।
সব়কারের নিকট আবেদন অবিলম্বে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ করুন ।






আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্যরা বেশিরভাগ নিজ অথবা সরকারি বাসভবনে থাকেন বলে হয়তো তাদের এ সমস্যাটির সাথে খুব একটা পরিচয় নেই, তাই হয়তো সংসদে ব্যাপারটি নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয় না।
বাড়ি ভাড়ার সমস্যাটা শুধু গার্মেন্টসকর্মী ও ঢাকাবাসীদের নয়,এটা সারা দেশের ভাড়াটেদের এক কঠিন সমস্যা।আমাদের মতো লোকের,যাদের শহরে বাড়ি নেই,’ভাড়াট্যা’ হিসাবে থাকতে হয়,তারা যে কতটা অসহায়-তা একমাত্র ভুক্তভোগীই জানে।চাকুরীজীবিদের বেতনের প্রায় অর্ধেকটা এবং আমারমতো পেনশন ভোগীদের মাসিক পেনশনের পুরোটাই বাড়িভাড়া হিসাবে দিয়ে দিতে হয়।বাকী টাকা দিয়ে কীভাবে মাস চলে,সে খোঁজ কে রাখে? এটা শুধু চাকুরে বা পেনশনার নয়,ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী,শিক্ষক(যারা টিউশনি করেন না) এধরনের লোকদেরও অনুরূপ সমস্যা।কে দেবে এর সমধান? সকল কিছুরইতো আইন আছে,কিন্তু আইনের প্রয়োগ ? আমাদের বোবা কান্না,অসহায় আকুতি সরকারের কানে কখনো পৌঁছবে কি?
আপনার সাথে একমত ভাইয়া । আপনাকে ধন্যবাদ
আজকের প্রথম আলোতে বাড়ি ভাড়ার সামগ্রিক চালচিত্র উঠে এসেছে, আশা করা যায়- আইনগত ব্যবস্থা এবং দরকারী পদক্ষেপ গৃহীত হবে
আপনাকে ধন্যবাদ।
আমিও বিষয়টা বুঝলাম না। বদলে যাও বদলে দাও ব্লগের ব্লগাররা কেন এতো নির্বিকার। এমন একটা জনগুরুত্বপুর্ন বিষয়ে কারো আগ্রহ নেই দেখে ব্যাথিত হলাম। ধন্যবাদ লেখককে এমন একটা গুরুত্বপুর্ন ইস্যু নিয়ে লেখার জন্য।