Home » অন্যান্য » সন্মানিত ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি

সন্মানিত ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি

250 বার পঠিত

একটি মূল্যবান ভাবনা, তার আবেদন হারিয়ে ফেলে ভাষা গত অলংকারের অভাবে। একইভাবে লেখাটির সৌন্দর্য হানি হয় বানানের অশুদ্ধতায়। এক সময় বাংলা বানানের ক্ষেত্রে “ন” এবং “ণ” এর আলাদা গুরুত্ব দেয়া হত। আর তাতে বাংলার আভিজাত্যই প্রকাশ পেত। শিক্ষার্থীরা লেখার ক্ষেত্রে বানানের শুদ্ধতার দিকে খেয়াল রাখত। ইদানীং এর প্রয়োজনীয়তাকে গৌণ করে ফেলা হয়েছে। কেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। পরীক্ষার খাতায় হাতের লেখা সুন্দরের জন্য একটি আলাদা নম্বর নির্ধারিত ছিল তাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতের লেখা সুন্দর করার যে প্রতিযোগিতা দেখা যেত। তাকে নিশ্চয়ই অসুস্থ প্রতিযোগিতা বলা যায় না? একসময় বিদ্যার্জনের মূলে যে ধারনাটি বিদ্যমান ছিল তা হল জ্ঞানার্জন করা, নিজেকে আলোকিত করা। যখন থেকে তা তিরোহিত হয়ে স্থান করে নিলো আয়ের উৎসে পৌঁছানো। তখন থেকেই বোধহয় এই কাটছাঁটের শুরু। বলার অপেক্ষা রাখে না এই মানসিকতা অঙ্গহানিই করছে আমাদের প্রিয় মাতৃভাষার। নষ্ট করছে ভাষার সৌন্দর্য। তা ছাড়া কিছু বানান জনিত ভুল শব্দের ভিন্নার্থ নির্দেশ করে যা লেখকের ভাবের সঠিক প্রতিফলন ঘটানোর ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

আমাদের দেশে ইদানীং কথা বলার ক্ষেত্রেও শুদ্ধ বাংলার চর্চার বিষয়টি বাদ দিয়ে একটি নতুন বা মিশ্র ধারা সৃষ্টি করা হয়েছে। যা কারো কারো কাছে আধুনিক মনে হলেও ভাষাবিদ গন একে অশনিসংকেত বলেই মনে করছেন। আর এই ধরনের চেষ্টা আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনার সাথেও অসঙ্গতিপূর্ণ। আমরা যারা সমাজকে সচেতন করার ব্রত নিয়ে লিখতে চেষ্টা করি। এ ব্যাপারে তাদের দায়িত্বও বেশি। আমাদের উচিৎ শুদ্ধ বানানে লেখার চেষ্টা করা? আমাকে বানান জনিত সমস্যার কারণে মাঝে মাঝেই বিব্রত কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। আর তাই আমি আমার লেখা স্পেল চেকার দিয়ে একবার চেক করে নেই। সমস্যার পুরোপুরি না হলেও অনেকটাই সমাধান করা সম্ভব।

এ ক্ষেত্রে আমরা অভ্র স্পেল চেকার নামে একটি সফটওয়্যার এর সাহায্য নিতে পারি। এর ডাউন লোড লিংকটি হল: www.omicronlab.com/avro-keyboard-download.html

আমরা যারা লেখার চেষ্টা করি তাদের কেউই প্রফেশনাল নই। আর তাছাড়া নিজেকে নির্ভুল মনে করারও কোন যৌক্তিকতা নেই। যিনি লিখবেন তিনি সমালোচনা সহ্য করবেন না তাও কোন সুলেখকের পরিচয় বহন করে না। আমরা আমাদের লেখায় নিজেদের মতামতকেই তুলে ধরি। সেটাই যে সঠিক এবং সবাইকে মেনে নিতে হবে এমনতর ধারনা করা মনে হয় ঠিক নয়। সমালোচনা একজন লেখকের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে তার লেখাকে শানিত করে। যাতে প্রকারান্তরে তিনি নিজেই উপকৃত হন। তাই সমালোচনা কারীকে উৎসাহ প্রদানই বাঞ্ছনীয়। তাছাড়া প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষীই সমালোচনা করে থাকেন।

সম্মানিত ব্লগারদের কাছে বিনীত নিবেদন, আসুন আমরা সমালোচনার বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না দেখিয়ে বরং সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করি। যা ব্লগের সুস্থ পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।


 

/span

মন্তব্য
  • Ahmed Yousuf আগস্ট 23, 2012 at 11:05 অপরাহ্ন

    ঈদের ছুটির পর বেশ কিছুদিন পর আবারো ফিরে এলাম বদলে যাও বদলে দাও ব্লগে। অনুপস্থিতির কারনে বেশ কিছু পোষ্ট নজরে আসেনি। তাই মন্তব্যও করা হয়নি। যাই হোক গালিব ভাই আপনার চমৎকার পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাষার গতিময়তা অবশ্যাম্ভবী। এটা রোধ করা সম্ভব নয়। কালের বিবর্তনে পুরুষানুক্রমে ভাষার পরিবর্তন ঘটবেই। তাই বলে জেনেশুনে মাতৃভাষা বাংলাকে আমরা এভাবে নষ্ট হতে দিতে পারি না। ভাষার স্বকীয়তা ও মেৌলিকতা রক্ষার জন্য আমাদেরকে অবশ্যই সঠিক উচ্চারন ও বানানের দিকে নজর দিতে হবে। এ ব্যাপারে বাংলা একাডেমির অগ্রনী ভূমিকা নিতে হবে। সেই সাথে সাথে শিক্ষকদের এ ব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে হবে। বিদ্যার্জন যে শুধুমাত্র অর্থ উপার্জন নিমিত্ত নয় এ সারকথাটা শিক্ষার্থীদের বোঝাতে হবে।
    ইদানীং এফএম রেডিও, নাটক ও টেলিফিল্মে বাংলা ভাষার দীনতা লক্ষ্যনীয়। এ বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
    আবারো ধন্যবাদ আপনাকে।

    আহমেদ ইউসুফ
    ঢাকা, ২৩ আগষ্ট ২০১২ ইং।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 24, 2012 at 12:19 অপরাহ্ন

      ইউসুফ ভাই অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি আমার মনের কথাটিই বলেছেন। মা-মাতৃভূমি-মাতৃভাষা একে অসম্মান করা মানে নিজেকে অসম্মান করা। ভাল থাকবেন অনেক ভাল।

  • Sanat Ghose আগস্ট 23, 2012 at 8:22 অপরাহ্ন

    গালিব ভাই,আপনাকে ধন্যবাদ আমার লেখার প্রতিক্রয়া জানানোর জন্য।হ্যাঁ,নতুন বানান প্রথম প্রথম লেখতে ও দেখতে খারাপ লাগবে,তবে পড়তে নয়।কেননা স্যার<ষ্যার,হৃদয়<রিদয় প্রায় সমোচ্চারিত শব্দ।প্রথম একটু খারাপ লাগবে।আমরা যারা ষাটোর্ধ,যুবক বয়স পর্যন্ত আমাদের দেশ ছিল পাকিস্তান।২৬ মার্চ'৭১ এর পর হলো বাংলাদেশ।আগে বলতাম আমার দেশ পাকিস্তান,পরে বলতাম আমার দেশ বাংলাদেশ।তো প্রথম দিকে একটু ঝামেলা হতো,এখন ঠিক হয়ে যায়নি ?নুতনকে তো কেউই সহজে গ্রহণ করতে চায়না।সব নতুন জিনিসই ব্যবহার করা একটু ঝামেলা,পরে ok হয়ে যায়।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 23, 2012 at 10:12 অপরাহ্ন

      কি জানি দাদা, হয়ত আপনিই ঠিক। কিন্তু মন থেকে সায় মিলছে না। যা হো্‌ক, ভাষার একটি গতিময়তা আছে, অনেকটা নদীর মত। যা কখন স্ফীত কখনোবা সংকুচিত হয়। এর গতি প্রকৃতিও অনেকটাই প্রকৃতিগত বলেই জানি। তাই একে এর প্রকৃতির উপর ছেরে দেয়াই সমীচীন বলে মনে করি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকবেন।

  • leya sharker আগস্ট 22, 2012 at 2:47 পূর্বাহ্ন

    Galib ভাই,ধন্যবাদ আপনাকে । অনেক ভাল লাগল । ঈদের ব্যস্ততায় এই কদিন ব্লগ পড়তে পারিনি ।মনে হচ্ছে মিস করেছি । ভাই আমিতো ব্লগটাকে একটি পরিবার মনে করি ।মনে হয় আমরা সবাই ভাই বোন ,বন্ধু ।আমরা যখন একে অন্যের লিখা পড়ি ,তখন ভাল লিখা হলে অনেক খুশী হয়ে মন্তব্য করি। এতে আমরা অনুপ্রেরণা নিয়ে এবং দিয়ে থাকি । তবে আমি মনে করি অন্যের দোষ খোঁজার পরিশ্রম টা যদি গুণ খোঁজায় কাজে লাগাতে পারি তবে আরও ভাল্ হয় ।আর এই কঠিন কাজটা সবাই করতে পারে না বলে আমাদের মধ্যে সম্পর্কের এত অবনতি ।আমাদের গুণ খোঁজার অভ্যাসের চর্চা করা উচিত ।দেখবেন আমরা তাহলে অনেক উদার হয়ে যাব। বাকী সব সমস্যার সমাধান আপনিতেই হয়ে যাবে ।ভাল থাকুন এবং নিরাপদে পথ চলুন ।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 22, 2012 at 12:34 অপরাহ্ন

      লিয়া অনেক ভাল লাগল আপনার মন্তব্য পড়ে। এই লেখায় ভূলবশত একটি বিষয় বাদ পড়েছিল আর তা হল আমরা সমালোচনা করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই লেখককে ছোট করার চেষ্টা করি। যা প্রকা্রান্তরে মন্তব্যকারীকেই ছোট করে। এধরনের মন্তব্যের উত্তর দেয়ার প্রয়োজন আছে বলেও আমি মনে করি না।
      খেয়াল করে দেখবেন মাঝে মাঝেই “বদলে যাও বদলে দাও” এর পক্ষ থেকেও বিভিন্ন উৎসাহ ব্যাঞ্জক, দিক নির্দেশনামূলক এমনকি সাবধানবানি পর্যন্ত বিভিন্ন লেখার মন্তব্য আকারে দেয়া হয়। আমরা যদি সেই মন্তব্যগুলি থেকেই শিখতে চেষ্টা করি তাহলেও এই সমস্যাগুলো আর থাকে না। সমস্যা হল আমরা শেখার চেয়ে শেখানোটাকেই বেশি পছন্দ করি। ভাল থাকবেন অনেক ভাল। ধন্যবাদ আপনাকে।

  • FARIHA TABASSUM MOMO আগস্ট 20, 2012 at 7:45 অপরাহ্ন

    পজেটিভ সমালোচনা যেমন লেখকের জন্য মঙ্গল জনক লেখার মান উন্নয়নে , তেমনি ভাবে সমালোচনার নামে এক তরফা দোষারোপ কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ লেখককে আহত করে । ফলে লেখক তার লেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। আমাদের মনে রাখতে হবে এই ব্লগ আর অন্য সব ব্লগ থেকে ব্যতিক্রম ধর্মী। এই ব্লগ একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অতএব , ব্লগের সুস্থ , সুন্দর,প্রানবন্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়বদ্বতা রয়েছে আমাদের সকলেরই। ভাল লাগল আপনার লেখাটি জনাব গালিব ভাই

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 21, 2012 at 10:05 অপরাহ্ন

      “এই ব্লগ আর অন্য সব ব্লগ থেকে ব্যতিক্রম ধর্মী। এই ব্লগ একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। অতএব , ব্লগের সুস্থ , সুন্দর,প্রানবন্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার দায়বদ্বতা রয়েছে আমাদের সকলেরই”।
      খুব ভাল বলেছেন। ভাল থাকবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

  • Subash Roy আগস্ট 19, 2012 at 6:49 অপরাহ্ন

    বৈচিত্রের মাঝে একটা বিশেষ একত্বও রয়েছে। বোধকরি পৃথিবীর এমন কোন ভাষা নেই যার মধ্যে বানান বৈচিত্র খুজেঁ পাওয়া যাবে ন্। আমাদের অতিপরিচিত ইংরেজির দিকে খেয়াল করলে দেখতে পাব, এ ভাষায় বানান এক রকম উচ্চারণ আরেক রকম। যেটা আমরা বাংলার ক্ষেত্রেও লক্ষ করি। বানান এবং উচ্চারণ আলাদা। বিশেষ করে অ, এ, স, ষ, শ,হ্ব,হ্ম-এর ক্ষেত্রে এটা ঘটতে দেখা যায়। এটা রপ্ত করতে যেমন বেগ পেতে হয়, আবার একবার রপ্ত হয়ে গেলে সেটা আনন্দের ব্যাপার হয়ে যায়। আমরা কিছু ভাষাভাষী যেমন, ইংরেজি, চীনা, আরবি ইত্যাদির তুলনায় অনেক বেশি ভাগ্যবান। কেন না আমাদের ভাষাটি অন্য অনেক ভাষার চেয়ে সহজ। এ বিষয়টি অন্য ভাষাভাষীদেরকে বাংলা শেখার ক্ষেত্রে উৎসাহিত করবে। এতে কোন সন্দেহ নেই।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 21, 2012 at 10:08 অপরাহ্ন

      Subash Roy অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আমাদের ভাষাটি অন্য অনেক ভাষার চেয়ে অনেক বেশি সমৃদ্ধ। ভাল থাকবেন।

  • Sanat Ghose আগস্ট 18, 2012 at 8:48 অপরাহ্ন

    বাংলা বানান এর জট থেকে মুক্তি পাবার লক্ষে আমার একটি প্রস্তাব।ই ও ঈ কার এর মধ্যে যে কোনো একটি, উ ওঊ কারের মধ্যে যেকোন একটি, তিনটি স(স শ ষ) এর মধ্যে একটি,ন ও ণ এরমধ্যে একটি থাকবে-বাকিগুলো বাদ যাবে।তাহলে বাংলা লেখতে অনেকটা সহজ হবে।মনে রাখা উচিৎ এক সময় বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ছিল ১২টি,এখন ১১টি।’হ্রস্ব লি-৯’ এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ল এর পর ব(অর্থাৎ ২টি ব)ছিল।এখন ৯ ও ব বাদ দেয়া হয়েছে।সময়ে অনেক কিছু পরিবর্তন হয় এবং এবিষয়ে যা সহজ তাই আমাদের গ্রহণ করা উচিৎ।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 21, 2012 at 10:02 অপরাহ্ন

      Sanat Ghose বিনীত ধন্যবাদ আপনাকে। স্যার এর স্থলে ষ্যার, হৃদয় এর স্থলে রিদয়, ঈদ এর স্থলে ইদ আপনার কাছে ভাল লাগবে? বোধহয় না। ভাল থাকবেন।

  • কে আই তাজ আগস্ট 17, 2012 at 12:47 পূর্বাহ্ন

    গালিব সাহেব-
    ভাষা ও বানানের শুদ্ধতা সংক্রান্ত আহ্বান বেশ ভালো লাগলো। আসলেই সঠিক বানান লেখার অলংকার। ভুল বানান চোখে তীরের মত এসে গেঁথে যায়। :)

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 17, 2012 at 9:20 পূর্বাহ্ন

      ধন্যবাদ কে আই তাজ ভাই ভাল থাকবেন।

  • Sanat Ghose আগস্ট 16, 2012 at 8:02 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে addressকরার জন্য।আসলেই আজকাল কোনোকিছু লিখতে গেলেই ভয় লাগে,বানানটা কীভাবে লিখবো-ই কার দিয়ে না ঈ কার দিয়ে।কিছু শব্দ একসময় ঈ কার দিয়ে লিখা হতো,এখন ই কার দিয়ে লিখতে হয়,যেমন-বাড়ি,গাড়ি,পাখি ইত্যাদি।খোদ বাংলা একাডেমীকে মাঝখানে একসময় ‘একাডেমি’ লিখা হতো।এখন আবার ‘একাডেমী’।কাহিনি এভাবে আর বাহিনী এভাবে।আরো এধরনের অনেক বানানের জট আছে,কীভাবে মনে রাখা সম্ভব?

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 16, 2012 at 11:35 অপরাহ্ন

      দাদা, আমার ভূল হয় অনেক বেশি। আর তাই এই স্পেল চেকারের দারস্ত হয়েছি। অনেটা সাহায্য মেলে। ভাল থাকবেন।

  • A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY) আগস্ট 16, 2012 at 7:34 অপরাহ্ন

    ভালো একটি লেখা কখনও শুদ্ধতার জন্য পিছিয়ে পড়ে । বানান যেকোন লেখার মান অনেকখানি বৃদ্ধি করে থাকে ।আপনার এই লেখাটির জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা দুইই প্রাপ্য । আরেকটি ব্যপার বলেছেন সেটা হলো সমালোচনা । আসলে সমালোচনা হলো নিজেকে শুধরে নেওয়ার অনেক বড় একটা সুযোগ । কিন্তু এমন কিছু সমালোচনা থাকে যা শুধরে নেওয়ার চেয়ে নিজের উপর বিরক্ত এসে যায় । কারন সমালোচক লেখার উদ্দেশ্য বা ধারা না বুঝেই নিজের মত অনেক মন্তব্য করে ফেলেন । যা কখনই গ্রহনযোগ্য নয় আবার নিজের কাছে উৎসাহ ব্যঞ্জকও নয় । তাই গ্রহন যোগ্য সমালোচনা সবার কাছ থেকে কাম্য ।
    ধন্যবাদ অনেক ভালো থাকবেন, আরো ভালো লিখবেন ।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 16, 2012 at 11:32 অপরাহ্ন

      সাঈদ ভাই ঠিক বলেছেন “গ্রহন যোগ্য সমালোচনা সবার কাছ থেকে কাম্য” অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভাল থাকবেন।

  • masud khan আগস্ট 16, 2012 at 3:45 অপরাহ্ন

    ধন্যবাদ আপনাকে । অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন । বানানে গুরুত্ব কমার জন্য কি বাংলা একাডেমী দায়ী নয় ?

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 16, 2012 at 4:41 অপরাহ্ন

      মাসুদ ভাই বাংলাভাষার সম্মান রক্ষার দ্বায়ীত্ব বাংলা একাডেমীর। কিন্তু দেশটা তো বাংলাদেশ ভাই! আপনার প্রোফাইল ছবিটা এত ঘন ঘন পরিবর্তন করছেন কেন? পাঠক তো বিভ্রান্ত হয়।

      • masud khan আগস্ট 25, 2012 at 11:51 পূর্বাহ্ন

        গালিব ভাই , ছবি পরিবর্তনের কারন হচ্ছে – অনেকে মনে করে আমি খুভ বয়স্ক লোক তাছাড়া প্রথম আলোতে লেখা ছাপার পরে অনেকে মেইল এবং ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন , সবাই কথা বলে খানিকটা অবাক হয়েছেন । অনেকে বলেছেন আপনি মাসুদ তো , আমি হ্যাঁ বলার পরে অনেকে অট্টহাসিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন । আমিও নিজে নিজে অনেক হেসেছি এবং বলেছি ভাই আমি ২৪ বছরের টগবগে এক তরুন, যে মুক্তির আশায় পথ চেয়ে আছে । তাই লিখে যাওয়া, তাতেও যদি খানিকটা মনের কষ্ট লাগব হয় ।

        ঘন ঘন ছবি পরিবর্তনের কারনে আমার পরম পূজনীয় কোন পাঠক যদি বিভ্রান্তিতে পড়ে থাকেন তাহলে বিনীত ভাবে ক্ষমা চাচ্ছি । আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।

        আপনাকে ধন্যবাদ ।

  • প্রীতি রাহা আগস্ট 16, 2012 at 3:40 অপরাহ্ন

    আলোচনা এবং সমালোচনা না থাকলে কোন কাজ নির্ভুল হতে পারে না।
    লেখাটি পড়ে ভালো লাগলো।

    • Md. Galib Mehadi khan আগস্ট 16, 2012 at 4:37 অপরাহ্ন

      আমরা আমাদের লেখায় নিজেদের মতামতকেই তুলে ধরি। সেটাই যে সঠিক এবং সবাইকে মেনে নিতে হবে এমনতর ধারনা করা মনে হয় ঠিক নয়। সমালোচনা একজন লেখকের ভুল-ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে তার লেখাকে শানিত করে। যাতে প্রকারান্তরে তিনি নিজেই উপকৃত হন। তাই সমালোচনা কারীকে উৎসাহ প্রদানই বাঞ্ছনীয়। তাছাড়া প্রকৃত শুভাকাঙ্ক্ষীই সমালোচনা করে থাকেন। অনেক ধন্যবাদ প্রীতি আপনাকে, ভাল থাকবেন। ঈদ মুবারক।

© বদলে যাও বদলে দাও