বদলে যাও বদলে দাও— একটি পরিষ্কার প্রস্তাবনা। শুনুন এবং ব্যবস্থা নিন। আপনারা জনগণের মত প্রকাশ এবং ভাবনা আদান প্রদানের মুক্ত মঞ্চ স্থাপন করে দিয়েছেন। সন্দেহ নেই, অসাধারণ এবং নান্দনিক উদ্যোগ। এখানে অন্য সব ব্লগের মত অযথা কথার ফুলঝুরি নেই, নানান চটুল এবং রসময় স্বাদের লেখার ছড়াছড়ি নেই, তথাকথিত ব্যাঙ্গ- বিদ্রুপের অনর্থক বাগাড়ম্বর নেই, নামকাওয়াস্তে সময় কাটানোর হাসি ঠাট্টা মূলক বাণী অর্চনাও নেই। তবে আছে গঠনমূলক কথামালার বাহার এবং দেশ নির্মাণের কিছু পরিকল্পনা, আছে সমস্যা নিরসনে মনন গভীর থেকে উৎসারিত পরামর্শের শুভ ডালি, আছে বাস্তব অভিজ্ঞতা আর কল্পনার মিশেলে সমাজের যত জরা-অসঙ্গতি, আছে পাঠক এবং লেখকের চমৎকার সৌহার্দ্য- যা কিনা দেশপ্রেমের এক বিন্দুতে মিলিত।
কর্তৃপক্ষ- প্রতিদিন আমাদের দৈনিক পথচলার শত অনিয়ম, দুরবস্থার কথা ভেসে আসছে এখানে। কিন্তু আক্ষেপ হয়, যখন দেখি শুধু দিন কয়েকের আলোচনা আর কীবোর্ডের ঝপঝপ টাইপের শব্দে সে সুন্দর সজ্জিত কথামালা, প্রস্তাবনা গুলো সময়ের কালো অতলে হারিয়ে যায় বাস্তব প্রয়োগের অনেক আগেই। আমরা জানি, জনসাধারণের এক পয়সার ক্ষমতা নেই কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার বা অসঙ্গতি দূর করার। ক্ষমতাপ্রাপ্ত সুধীজন আর রাষ্ট্রপক্ষই শুধু এ অধিকারের ধ্বজাবাহী। আমাদের খোলামেলা এ আলোচনা আদৌ তাদের কানে যায় কিনা, তা নিয়েও আমরা সন্দিহান, দ্বিধান্বিত।
অনুগ্রহ করে- আপনারা পদক্ষেপ নিন, যাতে জনমনের ভাবনা, স্থিরতা- অস্থিরতা, পরামর্শ, আশঙ্কা- সম্ভাবনার শুদ্ধ বচনগুলো সরকারের দৃষ্টি গোচর হয়। পাক্ষিক বুলেটিন আকারে কিংবা অন্য কার্যকরী গ্রহণযোগ্য পন্থায় সরকার এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের কর্ণধারদের অবহিত করার চেষ্টা তীব্র অব্যাহত রাখুন। দেশ টিভির বদলে যাও বদলে দাও টক শো সময়ের শুভ্র আবিষ্কার। তবে সেখানে এমপি মন্ত্রীদের কিছু গৎবাঁধা আলাপ শুনতে শুনতে কানে তালাই শুধু লাগে। সময় ধরে প্রতিশ্রুতি গুলো কতটা বাস্তবায়িত হল, সে ফলো আপ রাখার উদ্যোগ নিন। তবে হয়তো কাজ-কল্পনা সম্পাদক শ্রেণীর লজ্জার খাতিরে হলেও প্রতিশ্রুতি রাখার তোড়জোড় দেখা যেতেও পারে।
কে জানে, জনমনের আকুতি আর অন্তর-জ্বালার দহনে হয়তো মোটা চামড়ার সরকারের গা নড়াচড়া দিতেও পারে !!






জনাব masud khan আপনাকে বলছি.
আপনার অগোছানো অস্পস্ট লিখা আর আর সরকারের বিপক্ষে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়া আবার আমার পক্ষ থেকে উত্তর আহবান!
আবার আপনি চলমান রাজনীতির বিপক্ষে! তাহলে কি আপনি অচল রাজনীতির পক্ষে!
আবার ধারনা নিয়ে বলেন আমার দৌড় বেশী!
আর আপনি যে প্রশ্নগুলো করলেন নিতান্তই সাধারন মানুষের অংশ হয়ে, আমার নিকট! আমি কি অসাধারাণ!
বিঃদ্র আপনার লিখার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা আমার অধিকার এর বাইরে. অযৌক্তিক প্রশ্ন করে কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করা আমাদের কাম্য নয়.
জনাব কফিল মাহমুদ, আপনার মন্তব্য খানি হয়তো ভুলে এই লেখায় চলে আসছে। প্রকৃত অর্থে মাসুদ খান সাহেবের লেখা আরেকটি।
Md. Galib Mehadi khan যথার্থই বলেছেন আমাদের মত সাধারন মানুষের আত্নচিৎকার শাসকশ্রেণীর গণ্ডারসদৃশ চামড়া ভেদ করতে পারবে বলে অন্তত আমার মনে হয় না।কিন্তু হাল ছাড়া যাবে না,আমাদের দিন বদলের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে…যতদিন না আমরা কোন কার্যকরী ফলাফল পাচ্ছি…………
অনেকদিন লেখা পাচ্ছি না বলে একেবারে নোটিশে এসে হাজির ! অনেক ভাল লিখেছেন- চমত্কার….। এর মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে আরো ভাল কিছু প্রত্যাশী….
আল মাসুদ সাহেব— আপনাকে প্রতি উত্তরে বলার নতুন কিছু নাই…
এক রাশ হাসি…
শুধু–
সত্যি বলতে কি মাঝে মাঝে নিজেই বোকা বনে যাই এই ভেবে যে কি লাভ লিখে। কতটুকু পরিবর্তন হবে? কতজনেরই বা কাছে পৌছে এ আকুতি। উত্তর মিলে না। তবু লিখি হয়ত মনকে হালকা করার প্রয়াসে। আপনার প্রস্তাবটি অনেক ভাল লাগল। ধন্যবাদ আপনাকে।
গালিব মেহেদী সাহেব- আমার মনেও একই ভাবনা দোলা খেলে যায় মাঝে মাঝে। তবু, নিরেট ভালো লাগা থেকেই অদ্যকার সব লেখালেখির অবতারণা। আমরা পেশাদারী নই, তাই টাকা- পয়সার চিন্তা আসে না। তবুও, তবুও- হয়তো— আমাদের সবার লেখার বজ্রাঘাতে টনক নড়তেও পারে ঊর্ধ্বতনদের। বদলে যাও বদলে দাও অগ্রণী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে পারে– সাথে থাকলাম আমরা এক ঝাঁক যোদ্ধা…
একেবারেই ফেলনা আকুতি প্রকাশ তা নয় । তবে আক্ষেপটাই ওখানে যে জড় বস্তুর মত এক জায়গায় থেকেই হয়ত আমাদের এই প্রয়াসগুলো । মাঝে মধ্যে মনে ভ্যাকিউমের ভেতর আটকে কথাগুলো বলছি যার শ্রোতাও আমি, কার্যকরী নেতাও আমি । কিন্তু তার পরও নিজের কাজগুলো পরিস্ফুটিত করে জাতিকে কিছু দেওয়ার আমাদের এ আকাঙ্খা ফেলনা যেতে পারে না । আজ শুনবেনা, কাল শুনবেনা পরদিন শুনতে বাধ্য হবে । এটাইতো নিয়ম ।
তবে যেকোন কাজের ফলোআপ কাজকে গতিশীল করতে বাধ্য করে । যে যে কথা মন্ত্রি এমপিরা দেন তার বাস্তবায়ন না হলে জনগন সেটা খেয়াল রেখে তাদের বিচার করবেন এটা তাদের শেখাতে হবে । তাই আপনার প্রস্তাবের সাথে আমার সহমত প্রকাশ করছি ।
ভালো থাকবেন । ধারালো লেখার জন্য ধন্যবাদ ।
সাইদ সাহেব— ভালো কথামালা যখন মৌচাকের মত জড় হয়, সে চাক থেকে মধুই বর্ষিত হয় অকাতরে। আরব বসন্ত, মিশরের উপাখ্যান- ইত্যাদি নানান বিপ্লবের সূতিকাগার কিন্তু সাধারণ মানুষেরা। গনতান্ত্রিকতার খোলসে বাংলাদেশে প্রকারান্তরে স্বৈরাচারী বা সাম ম্যান শো (some man show, not one man show) প্রক্রিয়া চলছে অবিরাম। তবুও, বিশ্বাস করি- শত বছর পর হলেও দেশের হাল পরিবর্তন হবে…
দুর্দশার নাই কোন শেষ
তাও টিভি তে অনেককে বলতে শুনি
“আমরা নাকি আছি বেশ”
“নাই কোন সন্ত্রাস নাই কোন চিন্তা”
আমরা কি তবে নাচতে পারি ধিন তা?!!
বসে বসে করি চিন্তা:(
যদি বলি -”বাস্তবতা তো এই কথা আমাদের কানে কানে বলেনা”
তখন তাঁরা বলেন-”তা হবেনা , তা হবেনা
হাকিম নরে তবু হুকুম
নড়েনা, হুকুম হয়েছে ভালো থাকার,
শুনবেনা এই হুকুম!!!
সাধ্য কার আবার?”
আপনাকে এত ভালো লেখার জন্য অভিনন্দন
আর অনুরধ-
নিয়মিত লেখালেখিতে ঘটাবেন না কোন ছন্দপতন।
কে আই তাজ ভাই
এমন সোচ্চার কণ্ঠই তো চাই
হোসাইন ফারহানা, বাহ বাহ !! আরেব্বাহ !! প্রতিভার দেখি ঘাটতি নেই কারো !! আপনার শুদ্ধতাকে পরিপূর্ণ বিশুদ্ধ করার অভিপ্রায়ে আপনার জন্য আমার এই পদাবলী—
আমাদের রক্ত কণিকায়-
যুদ্ধ সংগ্রামের অঙ্কুর,
এনেছি স্বদেশ নবরূপে,
শোষণের অমানিশা ভেঙ্গে;
তবু প্রতিনিয়ত অন্য যুদ্ধের
সবাক আয়োজন আমাদের
যুদ্ধ করি, চেতনার সাথে-
নৈতিকতা রক্ষায়
যুদ্ধ হোক অসত্যের সাথে-
অমোঘ সত্যের-
ভয়ের সাথে অমিত সাহসের
ভিন্ন এক যুদ্ধ-
নিজের সাথে নিজের
মুহুর্মুহু অবস্থান উত্তরণের
যুদ্ধ তারুণ্যের জয়গানের-
অপশক্তির বিরুদ্ধে পরাশক্তির
অপনেশার সাথে সৃষ্টি নেশার
স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ অবিরাম
যুদ্ধ জন্মভূমি ধরে রাখার-
প্রতিটি মুহূর্তে আপন সত্ত্বায় চলছে-
নীরবে অন্য যুদ্ধের ডামাডোল।।
(c): কে আই তাজ/ যুদ্ধ নিত্য প্রহর
বুঝতে আমার সমস্যা হচ্ছে সরকার বিরোধী কোন পোস্ট এ কিছু সন্মানীত ব্লগ সদস্যকে অতি উতসাহ ও আনন্দের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে. আমাদের ভুলে গেলে চলবে না সরকার মানে আলাদা কোন জাতি বা গোষ্ঠি নয়. সরকার জনগণ দ্বারা নির্বাচিত. আর উচ্চস্বরে বলতে চাই অত্যাচারী, শোষণকারী, দুর্নিতিবাজ, জালিম ,লুন্ঠনকারী তারা সবাই এক. এসকল অপরাধমুলক কাজ যারা করে থাকেন বিষয়টি একান্ত তারা তাদের ভিতর পোষন করেন . হোক সে ক্ষমতাসীন দলের বা বিরোধী দলের বা আমাদের সমাজের কেউ বা আমাদের পরিবারের কেউ. নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা মহল কে দ্বায়ী করে কিছু শ্রেণীর খুশী মনে নিজেরাই নিজেদের প্রশংসা করার চেষ্টা …হাস্যকর বিষয় ছাড়া আর কিছু নয়.
কাফিল ভাই , ধন্যবাদ আপনাকে ভিন্নমত পোষণ করার জন্য ।
আপনার সকাশে কিছু প্রশ্ন –
১) সরকার কি দল থেকে পৃথক হতে পেরেছে ?
২) বর্তমান সরকার আসলে কোন কোন ক্ষেত্রে সফল । (মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার এবং শিক্ষা ছাড়া ) ?
৩) রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো গুলুর কি অবস্থা ?
৪) ইশতেহারের অগ্রগতি কতদূর ?
৫) আপনি বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন পদ্মা সেতু নিয়ে সরকারের অবস্থান কতটুকু যুক্তিযুক্ত ?
৬) গ্রামীণ ব্যাংক এবং ডঃ ইউনুস নিয়ে সরকারের মাথা নষ্ট কেন ?
৭) লিমন বা সামগ্রিক আইন শৃঙ্খলার কি অবস্থা ?
এ প্রশ্ন গুলুর উত্তর আপনার কাছ থেকে পাবো আশা করি । কারন আমার যা ধারনা আপনার দৌড় অনেক বেশি ।
ভালো থাকবেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা ।
বিশেষ দ্রষ্টব্য – আমি চলমান রাজনীতির ঘোর বিরোধী । এটা বুঝতে বাকি নেই যে – চলমান রাজনীতিতে সাধারন মানুষের মুক্তি সুদুর পরাহত । আমি যে প্রশ্ন গুলু করেছি তা নিতান্তই সাধারন মানুষের অংশ হয়ে । আশা করি ভুল বুঝবেন না ।
জনাব মাসুদ খান-

ভালো কিছু প্রশ্ন টেনেছেন। প্রথম প্রশ্ন তো সর্বকালের জাতীয় জিজ্ঞাসা
আপনার সদয় অবগতির জন্য…
বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য খাতে, কৃষি খাতে এবং আরও কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি সন্তোষজনক >>
একটা ব্রিটিশ প্রবাদ আছে- All seem yellow to the jaundiced eye.
kafil mahmud সাহেব-
বাঁক স্বাধীনতা মানবাধিকারের অন্তর্গত, তা কেউ রোধ করতে পারে না। দেখুন, সরকারের সমালোচনা সবাই করে, যদি সেটা করার মত হয়। এখানে দল বা লীগ বলে কিছু নেই। জড় পদার্থও যদি সরকার হয়, সেটাও সমালোচনার বাণ থেকে মুক্ত হবে না !!
এক চোখা রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে চললে অনেক কিছুই অসঙ্গত মনে হয়। অনেক কথাই শুনি- কেউ নাকি দেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়, আবার কেউ কেউ দেশকে ভারতের হাতে দিতে চায়। এই বিরোধের মাঝে আবার কেউ কেউ দুধের সরটুকু তুলে খেয়ে কেটে পড়ে।
রাজনৈতিক মত প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে ব্যাস্ত থেকে দেশের উন্নতি হবে না। যৌথ প্রয়াসে একমাত্র মুক্তি আসতে পারে। যদি দলীয়করণ ই সব হত, তবে একাত্তরে আর বাংলাদেশ আসতো না !! সকলে একত্রে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বলেই না আজ আমরা স্বাধীন নিঃশ্বাস নেই।
ধন্যবাদ ।।
কে আই তাজ ভাই, আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আপনার প্রতিবাদ প্রশংসার দাবী রাখে । ঠিকই বলেছেন, জনসাধারণের এক পয়সার ক্ষমতা নেই কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার ।আমরা যতই প্রতিবাদ করি তা প্রতিধ্বনি হয়ে আমাদের কানেই ফিরে আসে । কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের তো অন্তত আমরা এইটুকু বলতে পারি , এক মাঘে শীত যায় না ভাল থাকুন এবং নিরাপদে পথ চলুন ।
লিয়া ম্যাডাম– এক মাঘে শীত যায়না… ওই মোক্ষম মাঘের দিনই গুনছি মনে মনে, ক্ষণে ক্ষণে।
উৎসাহ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।।
আপনার মাথায় কি বোর্ড দিয়ে সজোরে চপেটাঘাত করা দরকার ! এত কম লিখেন কেন ? জবাব চাই ।
মাসুদ সাহেব, কি বোর্ডের ঘা খেলে তো অনেক কী নষ্ট হয়ে যাবে- আমার আর টাইপ করা হবে না, তখন লেখার পরিমাণ আরও কমে যাবে…
ব্যস্ততাজনিত কারণে অনেক জমে থাকা লেখাও এখানে ছড়িয়ে দিতে পারছিনা। তবে দ্রুতই লেখার ঝাঁপি খুলে দেব। ও হ্যাঁ, পাঠকের ভুমিকায় কিন্তু আমি বেশ নিয়মিত।
কে আই তাজ ভাই আপনাকে আবার ও বিনীত ধন্যবাদ।আপনি খুব সুন্দর করে বলেছেন।কথার গাথুনি দারুন।
বোন নূসরাত– প্রশংসার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি…
কে আই তাজ আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ। আমরা সকলেই জানি রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থাতেই আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে ওঠে। জনগনের প্রধান বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হল রাজনৈতিক সংগঠন। আমরাও সেই ব্যবস্থার মধ্যেই আছি এবং চলছি। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ বিশ্বাস করে এবং ভালোবেসে যে দুটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলেছে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে চলছে বারবার। দেশের সাধারন মানুষের যে আশা আকাঙ্খা, মৌলিক অধিকারগুলির প্রতিষ্ঠার জন্য যে চাওয়া তার জন্য কিছুই করা হচ্ছে না। তারা সরকারে যেয়ে জনগনের পক্ষে কাজ না করে বিপক্ষে কাজ করে।
এদেশে একটা জিনিস প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে, সংগ্রাম ছাড়া আন্দোলন ছাড়া কিছুই আদায় করা যায় না। এই কঠিন বিবর থেকে বেরিয়ে আসতে হলে আমাদের মাঠে নামতেই হবে। যত বেশি পরিমান মানুষ মাঠে থাকবে আমরা একটি সম্ভাবনাময় উদার গণতন্ত্রের দিয়ে এগিয়ে যেতে পারব। মাঠে থাকা মানে শুধু রাস্থায় নেমে বিক্ষোভ বিষয়টি তেমনও নয়। রাজনৈতিক দলগুলো সাধারন মানুষেদের অধিকারে সহজে ছাড় দিতে চায় না। এই সংস্কৃতি ভাঙ্গতে হলে, পল্টাতে হলে আমাদের সকলের বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনার চর্চার খুব বেশি প্রয়োজন। এটা হলে সংকট সম্পর্কে মানুষ দ্রুত স্বচ্ছ হতে পারে। মানুষের কাছে প্রশ্নটি পরিষ্কার হলে উত্তরটাও দ্রুত বেরিয়ে আসে। যুক্তিহীন তর্ক বিতর্ক করে আমরা অনেক সময় নষ্ট করে ফেলেছি। বদলে যাও বদলে দাও মিছিল নাগরিকদের অধিকার আদায়ে সবসময় পাশে থাকবে তার সকল শক্তি দিয়ে। আপনাদের পাশে থেকে আমরা দেশের এই অচলাবস্থার পরিবর্তন চাই, বদলাতে চাই। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।
প্রিয় কর্তৃপক্ষ- আশার বেলুনে দখিনা হাওয়া লাগে যখন আশপাশের সাহসী কিছু বাণী কানে আসে। সংগ্রামের সুফল কতটুকু পাওয়া গেল, তা সময়ই চূড়ান্ত করবে। তবে আমার একমাত্র আক্ষেপ, গণ্ডারের চামড়া সদৃশ যে কোন সময়ের সরকারই মনে করে তাদের পথ উত্তম, এবং বাইরে থেকে সমালোচনার যে ঝড়- তা নিতান্তই মামুলি ঝড়, মাঝে মাঝে আবার তা অপপ্রচার নামে খ্যাত। নিয়মিত উঠবে, আবার থেমেও যাবে। এই ধারনাগুলোকে আপনাদের হাত ধরে বাস্তবের আলোতে প্রস্ফুটিত করার মনোবাসনা নিয়ে পথ চলছি।
শত সহস্র ধন্যবাদ—
কে আই তাজ ভাই, ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার শানিত লেখার জন্য। আসলে বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের সকল গোপন রহস্যই open secret. স্বাধীনতার পর এতগুলো বছর পার হয়ে গেল আমরা এখনো বদলাতে পারিনি। আমাদের নিজেদের বদলাতে আর কত সময় লাগবে? ভাই এমন একটা কিছু কি করা যায়না যে আমরা মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে ’বদলে যাও বদলে দাও’ ব্লগের সকলে এক হয়ে এবার সত্যি সত্যি বদলে দিতে পারি?
মইন সাহেব- আপনার উদাত্ত আহ্বানে ইস্পাত কঠিন পথ চলা অসম্ভব কিছু নয়। কলমের ক্ষুরধার কারুকার্য বিফলে যায় না কখনো। আছি লেখালেখির অবিশ্রান্ত সাধনা নিয়ে… আপনাদের সাথে।
ভালোর সঙ্গে থাকুন।
কে আই তাজ ভাই,
সত্যি অনেক ভালো লাগলো আপনার প্রতি উত্তর। আমি ও বিশ্বাস করি অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিশালী। সেই কাঙ্খিত সাফল্যের আশায়ই তো এখনো …