শেখ মুজিব । যাঁর একটি ডাকে রেসকোর্স ময়দানে মানুষের বন্যা দেখেছিলো আমার এ দেশ । সেই এক বন্যায় ভাসিয়ে নিয়ে গেছে অন্য দেশের নির্যাতনের সব ধরনের কৌশলকে । অনেক রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার স্বাদ নিয়ে আমার দেশের মানুষ সেদিন ঘরে ফিরেছিলো । যখন স্বাধীনতাকে আমরা শক্তিতে রুপান্তর করা শুরু করবো ঠিক সেই সময়ে আমার দেশের রাজনীতি নিয়ে বিশ্বের মধ্যে আবার চক্রান্ত শুরু । সেই চক্রান্তের বলি হয়ে গেলেন রেসকোর্স ময়দানে ডাক দেওয়া আমাদের দেশবন্ধু শেখ মুজিব ।
আমরা আর তাঁর দেখা পাইনা, কথাও শুনিনা শুধু প্রতি বছর একটি দিন শোক দিবশ হিসাবে পালন করি । বড় বড় আকারে মিটিং, কাঙালী ভোজ, দোয়া মাহফিল বা শোক মিছিল করে আমাদের দেশে সব ধরনের শোক পালন করা হয় । কিন্তু আমাদের শোক পালনের এই সংস্কৃতিতে যে কাঙালী ভোজের নামে বা মিটিং এর নামে কিছু অসৎ নেতা টাকা উপার্জনের মাধ্যম হিসাবে গ্রহন করে। ছাত্রলীগ নামের কিছু মানুষ এই অনুষ্ঠানগুলোকে পুজি করে তাদের নিজেদের থলে ভারি করে নেয় । অনেকেই মোনাজাতের পিছনে দাড়িয়েঁ হাসি ঠাট্টা বা কথায় মেতে থাকে । তবে কি শুধু ঠেকায় পড়ে বা দলের কাজ বলে এই শোক দিবশ পালন করে আমাদের দেশের স্থপতিকে অবমাননা করছিনা । আমি জানি আমার এ কথাগুলো কারও কান পর্যন্ত হয়ত পৌছবেনা । কারন আমি সাধারন জনগন । কে আই তাজ ভাই গতকালের লেখায় সাধারন মানুষের আর্তি সম্পর্কে বলেছেন । মাসুদ ভাই শোক দিবস সম্পর্কে একটা লেখাই লিখেছেন ।
তারপরও আমি লেখার দুঃসাহস করেছি । কারন দোয়া মাহফিল হোক মসজিদে মসজিদে প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর । গরীব অনাহারী মানুষদেরও খাওয়ানো হোক । হোক বিভিন্ন স্থানে মোনাজাতও । কিন্তু প্রতিটি শোক দিবসে কিছু গঠনমূলক কাজ হলে সেটা দেশের জন্যও মঙ্গল হয় এবং জাতিও বুঝবে আমার দেশের স্থপতিকে মনে রাখার জন্য প্রতি বছর একটি করে নতুন স্থাপত্য গড়ে তোলা হয়েছে । আমার দেশের অনেক অনুন্নত এলাকা রয়েছে যেখানে মানুষ একেকেজন একেক বেলা খেয়ে জীবন ধারন করে । যদি এমন হয় এই অসহায় মানুষদের শোক দিবস উপলক্ষে একবছরের কৃষিপন্ন বিনামূল্যে বিতরন করা হবে বা তাদের সবাইকে নির্দিষ্ট পরিমান জমি বর্গা নিয়ে দেওয়া হবে । যাতে তারা তাদের জীবন মান উন্নত করতে পারবে । হতে পারে শোক দিবশ উপলক্ষে একটি ঘুর্নিঝর আশ্রয় কেন্দ্র গড়ে তোলা বা কোন হাইহয়ে রাস্তায় একটি নতুন পুলিশফারি তৈরী করে দেওয়া বা একেবারে অজপাড়াগায়ে প্রাথমিক চিকিৎসার একটি হাসপাতাল তৈরীকরে দেওয়া । যদি কয়েক হাজার টাকার গাছ লাগানো হয় প্রতি বছর এই দিণে তবে আমার দেশ সবুজ হতে আর কয়দিন ।
এই কাজগুলো আমাদের স্বাধীনতার স্থপতিকে আরও অনেকদিন…..সারা জীবন আমাদের সামনে উপস্থিত করে রাখবে । কারন সেদিন স্বাধীনকামী মানুষ ছিলো এদেশের সবাই । অবস্থা বিবেচনায় কেউ যুদ্ধে যায়নি । এদেশের শেষ প্রান্তের অসহায় মানুষগুলোর জন্য, দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কাজগুলো দেশের শক্তি হিসাবে থেকে যাবে । আর শোক দিবশও আমাদের সামনে শক্তির প্রয়াস হয়ে আসবে । আর যারা কাঙালী ভোজ করে টাকা উপার্জনের আশায় থাকে তাদের মুখে কালি পড়বে । আমি যে কাজগুলোর কথা বলেছি, যে টাকা প্রতিবছর ব্যয় হয় তা দিয়ে অনাসেই তা করা সম্ভব ।
যদিও আমাদের ডাক উপর পর্যন্ত পৌছায় না তবুও বলছি কেউ যদি স্বাধীনতার স্থপতির ভালোবাসার মানুষের চোখে এই লেখাটি পড়ে তবে যেন সরকারের কান পর্যন্ত আমার এই প্রয়াসের কথা পৌছে দেওয়া হয় ।
সকল স্বাধীনকামী জনসাধারনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা জানাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ।






sayed ভাই ,অনেক ধন্যবাদ ।অনেক ভাল লাগল । ঈদের ব্যস্ততায় এই কদিন ব্লগ পড়তে পারিনি ।মনে হচ্ছে মিস করেছি ।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আমার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা জানাই। কিন্তু কষ্টের সাথে বলতে হচ্ছে ।বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে কাঙালী ভোজের খিচুড়ি খাওয়া থেকে শুরু করে মানুষ যে কত কি করলো ,বলে শেষ করা যাবে না । জানি না আমরা কবে মানুষ হব। ভাল থাকুন এবং নিরাপদে পথ চলুন ।
সকল শোক শক্তিতে পরিনত হোক । শোককে ভালোর পথের শক্তিতে পরিনত করতে পারলেই আমাদের দেশটা সুন্দরে ভরে উঠবে । ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য । অনেক ভালো থাকবেন ।
ভাই ‘বদলে যাও’/’অন্তর স্পর্শ করুন’/’FEEL THE HEART BEAT’
এই বুকভরা বেদনার দিনে, শ্রদ্ধার দিনে, দয়া করে, আমার আভূমি প্রনাম জানাতে অনুমতি দিন, বঙ্গবন্ধুর শ্রীচরণে, তিনি অকুতভয় দেশপ্রেমিক ছিলেন, ভালবাসায় ভরা মহাপ্রাণ ছিলেন,
মহাবিপ্লবী ছিলেন, বিশ্ববাসী তাঁকে ভুলতে পারেনা.আজ বাংলাদেশ নামে স্বর্ণ সম্ভাবনার দেশটি
তিনি স্বপ্ন-সাকার করেছিলেন, তিনি যতটা সম্ভব চেষ্টা করেছিলেন, দেশমাতৃকার বিগ্রহ নির্মান
করেছিলেন, মানুষের মন-রিপু তাঁকে সময় দিলনা ,আপনারা বিশ্ব-নাগরিক-বোধে, চরিত্রবান
যুবাদের দ্বারা সোনার বাংলা গড়ুন, আমরা দেখে যেতে পারলে মাতৃভূমিকে আরো প্রনাম জানাবো, বঙ্গবন্ধুর অভি-স্মৃতি কে সঙ্গে নিয়ে.
যুবা-গোষ্ঠীতে ‘Brain Storming’ করলে, মনে ভেসে উঠবে অনেক সমস্যা আর তার positive
সমাধান, আন্তরিক ভালবাসায় ঐকান্তিকতায় সমাধানের route map রূপ পরিগ্রহ করবে, তার ভেতর প্রধান spirit থাকবে ‘ত্যাগ’, ‘বহু জনের সুখেই প্রকৃত সুখ’, নাম যশ হবে বা না হবে, তা প্রকৃত কর্মবীরের উপাস্য নয়, একটি আপাত সামান্য কাজ নিস্কাম ভাবে করতে পারলে,বুকে আসে ভালবাসার আশীর্বাদ, আরো এগিয়ে যাওয়ার উত্সাহ, যে কোন কাজ শুরু করা inertia কে জয় করা, তার পর ভগবান ত্বরণ দেন , সব আয়োজন ক্রমে ক্রমে আসতে
থাকে , স্বপ্ন রূপ পরিগ্রহ করে, মানুষ তৈরি হয় ,দেশ তৈরি হয় , জগত তৈরি হয়, বঙ্গবন্ধুর মাতৃভূমি, আমাদের মাতৃভূমি অনেক উদার ব্যাপারে বিশ্বকে অনুপ্রেরনা যোগায়,সাথে সাথে
মহাপৃথিবী integrated হয়, অস্ত্র বলে নয়, মনোবলে, নিস্কাম ভালবাসার শক্তিতে, শ্রদ্ধায় I
বিশ্বের সম্পদ নিজেই আসবে সোনার বাংলায়, আসবে ব্যবসা বুদ্ধিতে নয় , বাংলার সাথে যুক্ত থাকার তাগিদে, সেখানে সবাই জয়ী !
ভালো লাগলো । ভালো থাকবেন ।