কেউ যদি কবিতা লিখতে ব্যর্থ হয়, তবে তার খেসারত তাকে দিতে হয় সারা জীবন খ্যাতিহীনভাবে বেঁচে থেকে। কেউ ব্যবসায় ব্যর্থ হলে তার খেসারত দিতে হয় দেউলিয়া বা কপর্দকশূন্য হয়ে। কিন্তু কেউ যদি গাড়ি চালাতে গিয়ে মুহূর্তের ভুলে সামান্য এদিক-ওদিক করে ফেলে, তবে তার ক্ষতিপূরণ হয় খুবই নির্মম—হয় অন্য কারও জীবন পিষে মেরে, নয়তো নিজের জীবন ধ্বংস করে। এই চালক যদি বাসের বা ট্রাকের হয়, তবে কেবল নিজের নয়, একমুহূর্তে সে বহু মানুষের রক্তাক্ত মৃত্যু ঘটিয়ে বসতে পারে, যা প্রায় প্রতিদিন আমাদের দেশে হচ্ছে।
এ জন্য কে কবি বা নৃত্যশিল্পী হবে বা হবে ব্যবসায়ী, আইনজীবী, শ্রমিক বা নির্বাহী—তাদের চেয়ে একটা রাষ্ট্রকে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন থাকতে হয় চালকদের নিয়ে, বিশেষ করে ট্রাক আর বাসের চালকদের লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে। আগের পেশাগুলোর তুলনায় একজন চালক নিতান্তই সামান্য মানুষ, কিন্তু দুর্ঘটনাজনিত অসংখ্য মৃত্যু, দুর্ভাগ্য আর চোখের পানি এড়াতে একটা রাষ্ট্রকে এটা অনন্যোপায় হয়েই ভাবতে হবে।
এ জন্য উন্নত দেশগুলো কাউকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে থাকে খুবই হুঁশিয়ার। লাইসেন্স দেওয়ার আগে দেখে নেওয়া হয়, তিনি একজন শিক্ষিত বা সচেতন মানুষ কি না, ড্রাইভিংয়ের জটিল নিয়মকানুন বোঝার, আত্মস্থ করার বা মুহূর্তের দরকারে প্রয়োগ করার মতো ক্ষিপ্র মেধা তাঁর আছে কি না, চারপাশের মানুষ, পৃথিবী ও পরিবেশ সম্বন্ধে তিনি সজাগ বা মানবিক বোধে জাগ্রত কি না। কেননা, একজন অকর্ষিত নির্বোধ বা হিতাহিতজ্ঞানশূন্য মানুষকে একটা বাস বা ট্রাকের লাইসেন্স দেওয়া আর ভোজালি হাতে একজন দুর্বৃত্তকে খুন করার ঢালাও লাইসেন্স দিয়ে কোনো লোকালয়ে ঢুকিয়ে দেওয়া প্রায় একই ব্যাপার।
এসবের পরও ওই সব দেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা সহনীয় রাখতে সরকারকে হিমশিম খেতে হয়। তাই ড্রাইভিং লাইসেন্সের ব্যাপারে এত কড়াকড়ি। ওই সব দেশের বহু মানুষকেই বলতে শুনেছি, এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া পিএইচডি করার চেয়ে কঠিন। কথাটা যে মিথ্যা নয়, তা বোঝা যায় ওই সব দেশে হাজার হাজার শিক্ষিত আর বুদ্ধিমান মানুষকে ড্রাইভিং লাইসেন্স টেস্টে বছরের পর বছর ফেল করতে দেখে। তা ছাড়া লাইসেন্স পেলেও গাড়ি চালানোর ছোট-বড় ভুলের জন্য কীভাবে চালকদের নম্বর কাটা হতে হতে একসময় তাদের লাইসেন্স বাতিল হয়, তা-ও আপনারা সবাই জানেন।
অথচ ড্রাইভিং লাইসেন্সের মতো এমন একটি বিপজ্জনক জিনিস আমাদের দেশে বিক্রি হয় প্রায় পানির দামে। এ যেন ‘গভর্নমেন্ট কা মাল দরিয়ামে ঢাল’। মানুষের জীবনকে গরু-ছাগলের জীবনের চেয়ে সস্তা মনে করার এমন নজির হয়তো আর কোনো দেশে নেই। অধিকাংশ সময় সামান্য ঘুষের বিনিময়ে, পরীক্ষা নিয়ে বা না নিয়ে, ভালো-মন্দ বিবেচনায় অক্ষম কিছু অবোধ মূঢ় ও জন্তুসুলভ মানুষের হাতে এ জিনিস অবাধে বিকিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে লাইসেন্স পাওয়া চালক দেশে আছে চার লাখের ওপর। কখনো কখনো ঘটে আরও দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতি বা শ্রমিক ফেডারেশন এগুলো লুট করে নেয় স্রেফ পেশিশক্তির তাণ্ডব চালিয়ে, চালকদের ন্যূনতম যোগ্যতা বা পরীক্ষা ছাড়াই। এই সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। অনেকে আবার কোনো লাইসেন্সই করে না, রাস্তায় নির্বিকারে গাড়ি চালিয়ে যায় ভুয়া লাইসেন্স দিয়ে। না, পাকা লাইসেন্স কখনো করতেও হয় না এদের। রাস্তায় এদের ধরতে পুলিশের ঘুষের ভাগ্য খুলে যায়, তাদের গোঁফের ফাঁকে হাসির রেখা ফুটে ওঠে। ফলে তাদের এরা পাকড়াও করবে কি, এদের সংখ্যা বৃদ্ধির জন্যই আল্লাহর দরবারে আবেদন জানায়। এদের সংখ্যাও তিন লাখের কম নয়। ফলে আজ দেশের রাস্তায় গোটা জাতির জীবন পুরো নিরাপত্তাহীন হয়ে উঠেছে। সড়কপথে আমাদের জীবন ও বাঁচা-মরা এখন কিছু দুর্বৃত্তের হাতের নিছক খেলা আর লুটের জিনিস। ফলে অসংখ্য মানুষের রক্ত আর আর্তনাদ নিত্যদিন হাজার হাজার সড়ক দুর্ঘটনার মাধ্যমে দেশের রাস্তাগুলো বিভীষিকায় ভরিয়ে তুলছে।
বাংলাদেশে লাইসেন্স পাওয়া পেশাদার চালক বর্তমানে সাড়ে ছয় লাখ। বললে হয়তো ভুল হবে না যে এদের মধ্যে পাঁচ লাখ চালকই হয়তো ওই ধরনের, যাদের অনেকে এর মধ্যে হয় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে, নয় যেকোনো মুহূর্তে ঘটাতে পারে। এদের অধিকাংশই শিক্ষার সুযোগবঞ্চিত, প্রশিক্ষণহীন, নিজের বা অন্যদের জীবনের মূল্য বোঝার ক্ষমতাবিবর্জিত এক ধরনের মূঢ় মানুষ; যারা সচেতনভাবে নয়, অবোধ ও হিতাহিতবোধশূন্যতার কারণেই ওই দুর্ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে।
পত্রপত্রিকায় এসেছে, এ ধরনের বিপজ্জনক ও অযোগ্য চালকের সংখ্যা ভয়াবহ রকমে বিপত্সীমা অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুক্তিহীন ও নির্বিবেক দাপটে। এ সংগঠনটির ‘কার্যকরী সভাপতি’ শাজাহান খান বাংলাদেশ সরকারের নৌপরিবহনমন্ত্রী। জানা যায়, বাংলাদেশের মোট সাড়ে ছয় লাখ চালকের মধ্যে এক লাখ ৯৬ হাজার ৫১৬ জনকে তাঁর বেপরোয়া চাপের মুখে বিআরটিএকে ‘কোনোরকম শিক্ষা ও যোগ্যতার পরীক্ষা ছাড়াই’ ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হয়েছে। এই চালকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষ খুন করে বলব না, তবে এদের অশিক্ষা আর অযোগ্যতার খেসারতে হররোজ অসংখ্য মানুষ রাস্তায় রাস্তায় খুন হয়। এক লেখক রসিকতা করে লিখেছেন, ‘শাজাহান খানের তালিকা অনুযায়ী লাইসেন্স পান বলে বিআরটিএর কর্মীরা এদের “খানসেনা” বলেন।’
সম্প্রতি তিনি নতুনভাবে হুমকি দিয়েছেন, তাঁর নতুন তালিকা অনুযায়ী আরও ২৮ হাজার জন ‘অশিক্ষিত’ চালককে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। দাবিটি শুনে এক ভদ্রমহিলা ডেইলি স্টার-এর কাছে মন্তব্য করেছেন: দেশে ‘আরও ২৮ হাজার নতুন খুনি আসছে’। তিনি কেবল দাবি তোলেননি, মিডিয়ার প্রতিরোধের মুখে তিনি তাঁর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষ ব্যবহার করে সংবাদ সম্মেলন করছেন এবং নানাভাবে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন।
শাজাহান খানের সঙ্গে আমার পরিচয় মাত্র বছর খানেক আগে, একটি সেমিনারে। একই মঞ্চে বসে আমি তাঁর বক্তৃতা শুনছিলাম। বক্তৃতায় নৌপরিবহনমন্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁর সাফল্যের দিকগুলো তুলে ধরছিলেন। আজকাল হাতেগোনা দু-একজন বাদে জনগণ কোনো রাজনীতিবিদের কথা বিশ্বাস করে না। আমিও হয়তো করতাম না। কিন্তু তাঁর প্রদীপ্ত আত্মবিশ্বাস, বলিষ্ঠ বাচনভঙ্গি ও সরলতা তাঁর ব্যাপারে আমার মনে আস্থার ভাব জাগিয়ে তোলে। মুহূর্তের বিভ্রমে তাঁর কথাগুলো আমার কাছে সত্যি বলে মনে হয়। কিন্তু সম্প্রতি পত্রপত্রিকা মারফত তাঁর অতীত ও বর্তমানের যেসব কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি উঠে এসেছে, তাতে আমার সেই বিভ্রমের অবসান ঘটেছে।
সেমিনারের সেই বক্তৃতায় তিনি বারবার বলেছিলেন, এখন তাঁর আর চাওয়ার কিছু নেই। যার মানে, এখন জাতিকে শুধু দেওয়াই তাঁর একমাত্র স্বপ্ন। কিন্তু এসব অশুভ তত্পরতার পর তাঁর ওই বক্তব্য সত্যি মনে করার কোনোরকম কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। মনে হতে চায়, এখনো তাঁর চাওয়া শেষ হয়নি। চালকেরা যোগ্যতার পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স নেবে—এটাই দেশের আইন। এ ব্যাপারে নাক গলাতে কেন আসছেন তিনি? এই নির্মম বেকারত্বের যুগে আজ দেশে কি চালক হতে চাওয়া অল্প শিক্ষিত যুবকের অভাব আছে? তবে কেন যোগ্যদের নিচে ফেলে তিনি অযোগ্যদের সুবিধা দিতে চান? হেলপারদের করতে চান চালক? আমরা দেখে এসেছি, এ দেশে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ ধরনের গণহারে সুবিধা নেওয়ার পেছনে বিরাট অঙ্কের আর্থিক লেনদেন থাকে। তাঁর ব্যাপারে ওই প্রসঙ্গ না টেনেও বলি, এসব ন্যায়নীতিবিরুদ্ধ তত্পরতার উদ্দেশ্য কী—ক্ষমতা? মন্ত্রিত্ব? তা-ও তো তিনি পেয়েছেন। তাতেও কি তাঁর চাওয়া শেষ হয়নি? আবারও চাই ক্ষমতা? অনৈতিকতার মাধ্যমে চিরদিনের জন্য আমৃত্যু ক্ষমতা?
তাঁর এসব অপরাধমূলক কাজের জন্য দেশে যে লাখ লাখ দুর্ঘটনা ঘটেছে, সে সঙ্গে যে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু, পঙ্গুত্ব আর হাহাকার উঠছে, তার মূল হোতা বা হত্যাকারী হিসেবে দেশের জনগণ ওই অশিক্ষিত-অবোধ চালকদের বদলে যদি তাঁর দিকে আঙুল উঁচায়, কী জবাব হবে তাঁর?
আগে তিনি ছিলেন একজন শ্রমিকনেতা, আজ তিনি মন্ত্রী। আজ তাঁর গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ে, যা আমার মতো দেশের বাকি ১৬ কোটি মানুষের জন্য নিষিদ্ধ। এই পতাকার মানে কি তাঁর জানা আছে? না থাকলে তাঁকে জানাই, এর মানে আজ তিনি এই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মর্যাদার প্রতীক, জনগণের জীবন, সম্পদ, স্বার্থ ও সুবিচারের রক্ষক। এই মর্যাদা নিয়ে কী করে তিনি এমন ন্যায়নীতিহীন ও আইনবিরুদ্ধ ব্যাপারে চাপ সৃষ্টি করেন? করতে চাইলে শ্রমিকনেতা হয়ে তা করাই তো ভালো। মন্ত্রিত্ব বা রাজনীতির মানে কি শুধু জাতিকে নির্বিবেকভাবে লুণ্ঠন করার অবারিত মওকা?
তিনি বারবার বলছেন, দেশে এক লাখ ২০ হাজার চালক রয়েছে, এই ঘাটতি পূরণ হবে কী করে? উত্তরে বলব, এ ব্যাপারে মাথাব্যথা রাষ্ট্রের। এর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় আছে। এ নিয়ে তাঁকে মাথা না ঘামালেও চলবে। মন্ত্রীর কর্তৃত্ব ও মর্যাদা নিয়ে এ ধরনের অপরাধ বা অপরাধীদের রক্ষক ও পৃষ্ঠপোষক হওয়ার কী অধিকার আছে তাঁর?
এ প্রসঙ্গে একটা প্রস্তাব দিয়ে শেষ করি। দুর্ঘটনা ঘটানো গাড়িগুলো পত্রপত্রিকায় প্রায়ই ‘ঘাতক ট্রাক’ বা ‘ঘাতক বাস’ বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু আমার ধারণা, ‘ঘাতক ট্রাক’ বা ‘ঘাতক বাস’ বলে আসলে কিছু নেই। আছে ‘ঘাতক ড্রইভার’ বলে একটা জিনিস। এখন প্রশ্ন, এই ঘাতক চালক লোকটি কে? ‘ঘাতক ড্রাইভার’ লোকটি সে-ই, যে নিজের জীবনের মূল্য বুঝতে পারে না। ফলে অন্যদের জীবনের মূল্য বোঝাও তার পক্ষে সম্ভব হয় না। এ জন্যই মালবোঝাই ট্রাককে রাস্তার পাশের দোকানপাটের ওপর তুলে দেওয়া বা গাড়িভর্তি মানুষ নিয়ে বাসকে খাদে ফেলে দিতে তার বিবেকে বাধে না। এখন প্রশ্ন, নিজের জীবনের মূল্য বোঝে না কোন মানুষ? উত্তর একটাই: যার শিক্ষা নেই। মনে রাখতে হবে, শিক্ষা শুধু মানুষকে লিখতে-পড়তে বা আর্থিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে শেখায় না, এর ভূমিকা আরও অনেক বড়। এটি মানুষকে সচেতন করে; চারপাশ সম্বন্ধে সজাগ ও অবহিত করে; জীবন, পৃথিবী, পারিপার্শ্ব বা জীবনের ভালো-মন্দ সম্বন্ধে উচ্চতর মানবিক বোধের জন্ম দেয়। ফলে নিজের জীবনের মূল্য, অর্থ বা গুরুত্ব সে আরও স্পষ্ট করে বুঝতে পারে। তাই অন্যের জীবনের দাম বা ক্ষতির বেদনাও তার কাছে আরও স্পষ্ট হয়ে ধরা পড়ে। ফলে সে তখন শুধু গাড়ি চালায় না, পাশাপাশি মানুষকে রক্ষাও করে, একটা নিরাপদ ও স্বস্তিময় নিশ্চিত সড়কপথের জন্ম দেয়। দীর্ঘদিন শ্রমিক আন্দোলন করতে গিয়ে শিক্ষার এ দিকটির কথা মন্ত্রী হয়তো ভেবে দেখারও সময় পাননি। ফলে ড্রাইভিং সম্বন্ধে তাঁর ধারণা হয়ে গেছে স্থূল, একপেশে আর যান্ত্রিক। গাড়ি চালানোকেই তিনি ড্রাইভিং মনে করেন। চালকের সংখ্যা বাড়ানোর দরকারটাই তিনি বোঝেন, এর সঙ্গে জড়িত মানবিক বা সামাজিক সমস্যাগুলো বুঝতে পারেন না।
এখন প্রশ্ন, ন্যূনতম কতটুকু শিক্ষা থাকলে একজন মানুষ নিজের জীবনের মূল্য বুঝতে শুরু করে? আমার ধারণা, ন্যূনতম এসএসসি পাস করলে। এর চেয়ে কম শিক্ষাও শিক্ষা; কিন্তু এসএসসি শুধু শিক্ষা নয়, এটা একটা সনদ। এই সনদ একজন সাধারণ মানুষের সামনে ভবিষ্যত্ সম্ভাবনার স্বপ্ন এনে দাঁড় করায়, জীবন সম্বন্ধে তাকে আশাবাদী করে। ফলে নিজের জীবনের মতো অন্যদের জীবনের মূল্যও তখন তার কাছে ধরা পড়ে।
তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের কাছে আমার প্রস্তাব, অতীতে যা হওয়ার হয়েছে; কিন্তু এখন মাঝারি থেকে বড় গাড়ির চালকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনপক্ষে এসএসসি করা হোক। শক্ত করে ব্যাপারটা কার্যকর করুন। আমি বিশ্বাস করি, দেশ অচিরেই এর সুফল পাবে। কেননা, মানবিক বোধের উত্কর্ষের চেয়ে বড় রক্ষাকবচ পৃথিবীতে আর নেই। তবে বাসের চালক কোনোভাবেই বিএ পাসের নিচে হওয়া উচিত নয়; যেহেতু তাদের গাড়ির গতি রাস্তার ট্রাক বা অন্য অধিকাংশ গাড়ির গতির চেয়ে অনেক ঊর্ধ্বশ্বাস এবং তাদের সামান্যতম ভুলের মাশুলও মর্মান্তিক। [২৭ আগস্ট ২০১১, প্রথম আলো]
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি।






স্যার
আমাদের দেশের সমস্যা গুলো তো এখানেই যার যা হওয়ার কথা সে তা না হয়ে অন্যজন। মন্ত্রী এমপি আপনাদের মতো লোকজনের হওয়ার কথা কিন্তু আপনারা তো রাজনীতির ধারে কাছ দিয়ে ও যান না। বলেন নোংরা রাজনীতিতে নিজেকে কলংকিত করতে চান না। আপনারা কেউ এগিয়ে না আসলে আমাদের তো এ অবস্থার মধ্যে দিয়েই যেতে হবে চিরকাল। আপনার সমাজের আয়না । আমাদের জন্য আপনারা কিছু করুন, নইলে ভবিস্যৎ প্রজন্ম কিন্তু………………..
dear sir jeu deser minister kind bolte pare gore sago chin lei license sea hobe r sei dese kind sombob darn govt, aro darn tar ministry
Dear Abu Saeed sir , I have a strong doubt about the educational background about transport minister. This uneducated person should be removed from this post. if minister is illiterate then what’s the fault f the drivers? it’s much more dangerous.
Sir Amra korbo joy
If we really want to reduce accident rate we can do it. I urge to all to do something practical to gain it. Why not this process start right now from each and every station. It’s not a matter of drawing room culture.
In our country “Accident” is not occurred by accident. We all let this happen. I feel guilty as I am also responsible for that as I have not done anything for that. When train runs with full of passengers on his roof, overloaded Launch/Bus left without any fitness then what we do. Just nothing.
While I am writing, who knows how may people are falling on that hazards. So, I like to aware who are pretending to aware the common people.
M. A. Mahmud
উন্নত দেশগুলো কাউকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে থাকে খুবই হুঁশিয়ার।
এখনই ঘর ছেরে বাহিরে আসতে হবে। প্রতিবাদ করতে হবে। আমাদের আর সময় নেই।
স্যারের প্রস্তাব সরকারের কানে যাবে কি? সরকার তো নিজের কথাই নিজে শুনেন না ?
I have to think what we can do then others.
More than 1000 cadets from Marine fisheries academy now serving in Bangladesh & worldwide merchant navy.Minister shajahn khan denied to give them CDC & RECOGNITION.But every day giving permission for private Marine college due to financial interest.As a ex-cadet of MFA, his son/daughter should die by mistake of uneducated driver.
aj bhore mymanshing theke ashlam.ticket chilona but office korte hobe tai shamne bonet e boshe ashlam.dhore boshar kono jaiga chilo na.emni te to shob shomoy garite uthar age bhabi je ei buji sesh.but ajke drissho tai chilo onno rokom.sorashori dekha,shamne ena er ekta bus truck overtacking kortase pichone amader bus rastai kuwasha dan pashe 2 jon helper khub tikno bhabe rasta dekhe direction dicche tara bollo baran baran,driver o overtaking suru korlo but jokhon ena er bus ta left e dhuklo totkhonat shamne ekti truck ………..ami shobar shamne theke hoito mriituta dekhlam.driver onek experienced chilo biday kibhabe je ektur jonne beche ashchi nijeo bolte parbo na.think korlam jodi unexpert driver hoto tahole?????hoito ei cmnt ta ar kora hoto na………………………..
চাকুরীর প্রয়োজনে আমাকে প্রচুর ভ্রমন করতে হয় সারা দেশে। এই চল্লিশ বছর বেচে আছি স্রেফ ভাগ্যের জোরে কারন প্রত্যেক ট্যুরের সময় বাসা হতে বের হই শেষ ট্যুর ধরে নিয়ে। পরিবারের আপনজনেরা বাসায় না ফেরা র্পযন্ত চরম দুঃশ্চিন্তায় প্রতিটি প্রহর গুনতে থাকে। বাসায় ফিরে আসার পর তাদের প্রাণ ধড়ে ফিরে আসে! কিন্তু আমাকে আবার ট্যুরে যেতে হয়, আবার একই চিত্রনাট্য, তারেক ও মিশুক মুনীরের মত প্রতিযশা মানুষেরা সড়ক দূর্ঘটনায় হারিয়ে গেলেন, আমাকেও কি এভাবে চলে যেতে হবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই আমাদের রাস্তায়।
পল্লব/ কোন নিশ্চয়তা নেই! জীবনে কোন কিছুরই নিশ্চয়তা নেই! তবুও আশা নিয়ে মানুষ বেঁচে থাকে!
সবাই বোযে কিনটু সরকার বুঝে না।
vul kotha…..sobai bujhe na…sobai bujhle sorkar emnitei thik hoye jeto…
উন্নত দেশগুলো কাউকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে থাকে খুবই হুঁশিয়ার। লাইসেন্স দেওয়ার আগে দেখে নেওয়া হয়, তিনি একজন শিক্ষিত বা সচেতন মানুষ কি না, আপনার সাথে একমত স্যার, কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের কয়জন শিক্ষিত মানুষেই এই পেশায় আসবে? আসবেনা তাই বলে কি রাস্তায় গাড়ি চলা বন্ধ থাকবে? তাই সরকারের উচিত যারা আছে তাদের কেই অনেক বেশি সচেতন করে তোলা।
asole amader dese shotik kono aain ace bole amar ta mone hoy na….
ase ….apni nijer kasei prosno korun apni ki aain manen????
If there is human there must be law.
gada kokhono manus hoy na.
amader montri mp ra jodi er betikron hoye dekhiye dite paren tahole desh egiye jabe.
Ghotona ta goto 2nd December 2011 dupurer. Ami Rangpur theke Dhakai aschi ekti bilashbihul bus a. Jamuna Bridge a eshe dekhlam er ekpash meramot korar jonno bondho. R ekpash dia 2 diker e jaan cholachol korche. Amra jothariti bridge a uthlam ebong dekhlam j oi ekpash dia cholachol kora obosthai o garigulo ekta r ekta k bipod jonok vabe otikrom korche. Baad janni amader chalok o. 2/3 jon protibad korar por amader chalok oi bipod jonok kaz ti r korlen na. kintu ononora to theme nei. Ekhon Sir er lekha ta pore Sir er shathe amio ekmot j ashole nijer jiboner mullo ta na bujhle onner jiboner mullo bojha shomvob noi. Ekhon proshno holo nijer jibiner mullo bojhar shomoy tader kobe hobe? Amader manonio Montri ki Sir er ai lekhata porechen?
thank’s to u sir.
Sir all you have said is true but sir to our political leaders there is no significance of human life.Only significant thing to them is power.So,until and unless we get some sensible politician we can not travel safely and our highways will be like grave for our general people.
Waki/ Unfortunate to say People voted leaders thinking him as honest & patriotic but what happens later we know! For this we should not blame people for voting!
I think people should take the blame for their mistake.. as far as I know..now a days everyone knows who is the honest politician in our politics…but they don’t care about politics or country…they care about themselves…how to get benefits using political party…so now you tell me whom to blame……?????????
The root of this problem lies deep in the “judgment” of who nominated & appointed this peoples as ministers. Unfortunately no one says anything about it – so, Instead of hiding like Utpakhi – be brave and discuss this “fundamental” problem to shade some light on it.
আমাদের আবার পুরো দেশের সিস্টেম নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।
You have commented the write comment. Bravo my brother.
আমরা কেউই সমসা নিয়ে আলোচনা করি না,সবায় আমরা সমাঢান নিয়ে আলোচনা করি, এটায় সবচেয়ে বরো সমসা——————-আশা করি সবাই বেপারটা ভাববে————————————————-
দেশের রাজনীতি এতো দূষিত যে নর্দমার নালা এর থেকে ভালো আর এই জন্য ভালো কেউ এই নালায় পড়তে চায় না … সামনে যদি কেউ এই নালায় বাধ দিয়ে আটকায় তবে হয়তো ভালো কিছু আশা করা যায়।। আর প্রকাস্যে প্রতিবাদ করলে বিরোধীদলের ক্যডার বানিয়ে মামলা সাজিয়ে ফেলবে …তাই প্রতিবাদ করতে গেলেও আগ-পিছ তাকিয়ে তা করতে হ্য…কে বলতে পারে তিলরে তাল বানায়া হয়তো হাচ্চু দিলেও পুলিসকে দিয়ে ধরিয়ে দিয়ে বলবে …নাক দিয়ে হিরোইন নেয় মনে হচ্ছে …বিরাট বড় হেরোইন চক্রের সদস্য মনে হচ্ছে ।। রিমান্ডে নিলে অন্য সদস্যদের নাম বের করা যাবে
তাই আগে দরকার একজন গ্রহনযোগ্য নেতা …
গত পরশু ক্লাস শেষে ফেরার পথে শাহবাগ মোড়ে দেখলাম এক সাইকেল চালককে ধাক্কা দিয়ে একটি বাস দ্রুত চলে গেল।। কাছে দাড়িয়ে হতবাক হয়ে চেয়ে থাকা ছাড়া আর কি ই বা করার আছে…???
সবাই সবার ব্যক্তিগত লাভের কথা চিন্তা করে মনের মাধুরী মিশিয়ে যা করছে তাই এখন আইন হয়ে যাচ্ছে…সরকার নামক জিনিসটা আছে কিনা তা বলা মুস্কিল…কারন–
১) কোন সিনজি মিটারে যেতে চায় না।
২) বাসের ভাড়া বাসমালিকদের ইচ্ছা মত যার থেকে যেমন পারছে হাতিয়ে নিচ্ছে।।
৩) যেই রোডে রিক্সা নামক জিনিসটা পুরোপুরি নিষিদ্ধ সেখানে এখন অসঙ্গখ্য রিক্সা দেখা যায়।
৪) দূর্ঘটনা ঘটালে পার পেয়ে যাবে এরকম একটা টেন্দেন্সি সব ড্রাইভারদের মধ্যে ভাইরাসের মত ছড়িয়ে গেসে আর ওদের আটকানর মত কেউ নেই এটাও তারা বুঝে গেসে।
আর সরকার ও তার সঙ্গী- সাথিরা ব্যস্ত টাকা কামানোতে —সামনের বার ক্ষমতায় আসবে কিনা তার তো কোন গ্যারান্টি নাই ( উনাদেরই মুখের কথা) …আমজনতার দিকে তাকানোর সময় কই …???
এলাকায় জিগাতলা থেকে লেগুনাতে করে যাতায়াত করলে মনে হয় জীবনটাকে হাতে নিয়ে উঠলাম ।। — কার্টুনে যেভাবে গারির রেস খেলা হয় ঠিক সেভাবে লেগুনা গুলো চালায় —) একটু এদিক-সেদিক হলেই যে পিছনে বসা যাত্রীসহ কিছু একটা ঘটতে পারে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই__________ গরু আর ছাগল চিনতে পারলেই তো হলো ,…
লেখাটি পড়ে খুব আশাবাদী হলাম৷ কিন্তু সড়কে জীবন নিরাপদ করতে হলে শুধু শাহজাহান আর অশিক্ষিত ড্রাইভার কে দোষ দিলে কথা শেষ হয় না৷ কারন আমাদের দেশের সড়কই নিরাপদ নয়, খানা খন্দ দিয়ে ভরা৷ এমন রাস্তায় পি এইচ ডি করা ড্রাইভারও গাড়ি চালাতে লাগলে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সামনে ডানে অথবা বামে মেরে দেবে৷ রাস্তার সামান্য স্পিডব্রেকার পর্যন্ত সঠিন মানের না৷ কোনরকমে দুইটি ইট সাজিয়ে পিচ ঢ়ালাই করে দেয় আর সাধারন মানুষের ডাক্তারের কাছে গুনতে হয় হাজার হাজার টাকা৷ আর পাঁচ বছর চলার কথা যে গাড়ির সে গাড়ি দুই বছরেই শেষ৷ আরো যেমন যে রাস্তায় ৫০০ গাড়ি চলার কথা সেখানে ১০০০ ও নয় ১৫০০ অথবা ২০০০ গাড়ি চলছে গাদাগাদি করে৷
যা হোক আমার মনে হয় একজন মন্ত্রী তাঁর প্রধান কাজ হচ্ছে সমস্যা খুজে বের করে সেগুলোর সমাধান করা৷ শাহজাহান, আবুল হোসেন বা সরকার তা করছে না বলেই আমাদের জীবন আজ অনিরাপদ৷
অনিন্দ্য হান্নান প্রামানিক
যে স্বপ্ন দেখে যায়——-
স্যার একদম ঠিক বলেছেন। আভাবে আমরা শুধু নিরাপদ সরক এ পাব না বরং একটা শিক্ষিত জাতি ও পাবো
ek dom shothik kotha sir …
Abdullah Sir,apni ekdom sothik kotha bolesen r sei sathe ae bipod theke uddharer sundor upay bolechen.kintu amader Montri Mohodoy ki ae upodesh sonar jonno prostut????jokhon poribohon malikera Dhormoghot dake 1jon KHUNI DRIVER k bachanor jonno r amader Sorkar tader dabi mene ney tokhon khub hotash hoye vabi amra koto osohay ae MONTRI r Chalok somitir kase!!!!!amder moto sadharon manusher kono ekotaboddho somiti nei tai amader jibon aj biponno,protidin office jaoar agee ammar kase dua niye ber hoi.R kotodin amader moto sadharon manusher jibon nirapottahin thakbe????R kotodin amader Montrigon BMW/Mercedes garite bose chokh bondho kore thakben?????amder kotha ektu vaben.
অসাধারন!
Ami shompurno ek mot apnar shathe , tobe sir amader deshe driving job ta k ekhono ekta morjada purno job hishebe dekha hoy na onek khetre , ar driver license deoar je system it should be change , ekhane 90% driver k licence deoa hoy kono dhoroner traffic law test and road test chara , r test name ja kora hoy ta ritimoto hashokor eta thik korao khub joruri .
without education we can`t go through . So every driver needs technical and educational qualification . I am agree with you . Most people must know about this ” govt is not doing right thing .” We must change and so to others……… i am agree with you , sir
আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ আমার একজন প্রিয় মানুষ।এই লেখাটি পড়ে উনার প্রতি আমার শ্রদ্ধা আরো বেড়ে গিয়েছে।উনার পরামর্শ গ্রহন করে সমগ্র জাতি উপকৃত হতে পারে।
আমি এর সাথে আর একটি ব্যাপার যুক্ত করতে চাই।ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশ সরকারকে উন্নত রাস্তাঘাট এবং সিগনাল ব্যাবস্থা নিশিত করতে হবে।
তৃতীয় ব্যাপারটি হল আমাদের জনগনকে সচেতন করা।আমাদের অনেকেই জানি না কিভাবে রাস্তা পার হতে হয়,কিভাবে পাব্লিক ট্রান্সপোর্টে উঠানামা করতে হয়।স্যারকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ব্যপারটা নির্ভর করছে সরকার কি পদক্ষেপ নেয় তার উপর, আসুন আমরা স্যারের মতের পক্ষে জনমত গড়ে তুলি।
Dear Sir, we are agree with you but our countries present situation are any man can not join to driving after his SSC Exm pass. It’s reality that drivers need technical training and morality even more then educational degree.
SIR…AMAR MONE HOY APNARO GARI ACHE,R SETA APNI NISCHOI CHALAN NA,EKJON CHALOK ACHE TAI NA,AMI JANI JODI THAKE TAHOLE SE PORI PURNO SOB KICHUTE,SE JODI DURGHOTONA GHOTAY APNI KI TAKE DAI KORBEN? EKHON KOTHA HOLO 1.DUDIN GARI CHALIYE CHALOK HOYE JAOYA
2.PROYOJONER ODHIK GARI
3.RASTA GHATER OBIOSTHA
4.MANUBIK GUNABOLI NA THAKA
AMAR MONE HOY ARO KICHU LIKHA JABE JE SOB SUDHU MUL KORONI NA.RITI MOTO AMADER OBVASH HOYE GECHE.PORIBORTON HOBE KIVABE SORKAR JE NIJE KE NIYE THAKE ….
লেখা পড়ে ভাল লাগল।আপনি বললেন আমরা অল্পে হতাশ হয়ে যাই।কিন্তু আশাই বা করব কাদের নিয়ে এদেশে ক্ষমতার বদল হয় কিন্তু দেশের মানুষের অবস্তার কোন পরিবর্তন হয় না।আপনাদের মত কিছু মানুষের কারনে এ দেশের তরুনরা ভরসা পায়। এগিয়ে যান আমরা আপনাদের সাথে আছি।
Bortoman Somoy E Jara Rajnitee Korchen,Tara Jonogon K Sheba Deoar Monovab Nia Rajnitee Korey Na.Tara Tader Biniogkari Rup Ta Dhaktey Rajniteer Poshak Gaye Jorieyechen.Nirbachoner Somoy Tara Joto Taka Biniog Korechen Chokrobriddhi Shuder Hishabey Oi Taka Othano E Tader Mull Lokkho.
Sir……. you are the best.. your words are truest of the truest. But sir, dont you think that the drivers need technical training even more than educational degrees?
Sir, Thank you so much as you have been Lighting our conscience for a long period of time. Many many thanks for this nice sharing. The Existing political leaders are mentally disorder ;They do whatever they feel to do.I wish If we had some intellectual leaders to lead us to build a better future.
অসাধারণ লাগল।
SUPER,SUPER ,SUPER LIKE!!!!!
BUT SIR EKTA SHOPNO ” JODI AMRA SHOPNO DEKTE SHORO KORI AMADER CITY GOLOTE KKNO METRO RAIL ER JATHRA SHORO HOBE,JETA HOBE-LIFE SAVE,TIME SAVE,MONEY SAVE,OIL SAVE” R JEKANE CREATE HOBE PROCHUR EMPLOYMENT.
স্যার আপনি ভালো করেই জানেন বাংলাদেশ এ কোন গাড়ী কখনো বাতিল হয় না,এই জন্য প্রায় রাস্তায় দেখা যায় চলন্ত গাড়ী থেকে connecting rod, push rod এগুলো খুলে পড়ে।আর লেগুনা বলে ঢাকায় যে গাড়িগুলো চলে তা দেখলে japan গাড়ী বানানোই বন্ধ করে দিবে। আর এই শাজাহান খান,আবুল হোসেন,আবুল মাল এরা কিন্তু কোন অংশে গোলাম আযম বা তার চেয়ে কম দেশদ্রোহী না।
Sir, thanks for nice Sharing. Our vehicle drivers reflecting standards of our country drivers (Ministers). They also have no education in political studies.
স্যার ধন্যবাদ আপনার সুন্দর লেখাটির জন্য। আমি মনেকরি পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থাটাকেই ঢেলে সাজানো উচিত। এর আধুনিকায়ন প্রয়োজন, এ যুগে মান্দাতার আমলের সিস্টেম চলতে পারেনা। তা না হলে আপনি একদিক দিয়ে মেরামত করবেন অন্যদিক দিয়ে আবার চিদ্র হবে।
Sir, Amra apnader sathe ache sobsomy. Sudhu apnader daker opekhai….
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: শিক্ষাবিদ ও বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সভাপতি। মহোদয়ের লেখায় শিক্ষাগত যোগ্যতাকে অনেক বড় করে দেখানো হয়েছে! তবে এর সাথে মানবিক মূল্যবোধ ও গাড়ী চালানোর দক্ষতার সমন্বয় করে নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা নিয়ে গাড়ী চালকের লাইসেন্স দেওয়া উচিৎ। আমাদের দেশের মহাসড়কের আধুনিকায়ন না করে সড়ক দূর্ঘটনা কমানো বেশ কঠিন।
সৎ পাত্রে দান করার জন্য হয়তো অধ্যাপক আবু সায়ীদ পরামর্শটি দিয়েছেন। কিনতু আমরা কেন যেন মনে হয় যে পরামর্শটি যদি গ্রহণও করা হয়, তবে তা অসৎ পাত্রে গিয়ে পরবে!! কিভাবে?? যে ড্রাইভারদের লাইসেন্স দেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে তাদের হাতে হয়তো রাতারাতি এসএসসি’র সনদপত্র চলে আসবে!!
স্যার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের জেলাওয়ারী শাখা চাই। আমার নিজ জেলা ফেনীতেও চাই এবং এজন্য যা যা করনীয় করতে চাই। যদিও এই কলামের বিষয়বস্তুর সাথে এটা অপ্রাসংগিক কিন্তু আপনার সাথে যোগাযোগের আর কোন মাধ্যম খুজে না পাওয়াতে এখানেই আবেদন জানালাম।
স্যার আপনার সাহসী কলামের জন্য ধন্যবাদ। প্লিস আরও তথ্য নির্ভর কলাম লিখুন >>>>>>>>আমরা অনেক কিছুই জানিনা।আপনাদের মাধ্যমে আমরা কিছুটা হলেও সমাজ, দেশ ওগনতন্ত্র সর্ম্পরকে জানতে পারি। স্যার এগিয়া যান>>>>>>>>>>>>
স্যার জণগনের ভোটেই কো উনি মন্ত্রী হইছে, তাহলে এর জন্য কারা দায়ী
আমার মতে অবশ্যই জনগণ।
আপনাকে ধন্যবাদ । মন্ত্রীত্ত্বতো আজকাল স্যার দৈাড়ে ও পাওয়া যায় বলে গনমাধ্যমের কাছে শুনতে পাওয়া যায় ।তবে আরেকটি ব্যাপার স্যার চালকদের বেপরোয়া গাড়ী চালানোর পিছনে কিন্তু মালিকদের অপরিসীম লোভ ও দায়ী । পরিবহন খাতে একটা অসুস্থ প্রতিযোগীতা (আগে যাওয়ার) সৃষ্টির পিছনে সাধারন যাত্রীরা ও কম দায়ী নয় ।
স্যার একটা দুঃসাহসিক লেখা উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। বর্তমান সময়ে একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন করে লেখা সত্যিই দুঃসাহসিক। সমাজের বিবেকগুলো যদি এমন করে সব অসামন্জস্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতো তবে অনেক আগেই এই দেশটা সভ্য হতে পারত।