আমরা কি পারিনা?

1,601 বার পঠিত

যে রাস্তাটি দিয়ে গাড়িটি চলছে তার সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘন্টায় ৬০ কি মি। কিন্তু গাড়িটি চলছে ৭৫ কি মিতে। যা হবার তাই হল। আড়ালে লুকিয়ে থাকা পুলিশ বেরিয়ে এসে গাড়িটি থামাল। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি যাঁচাই শেষে গাড়ি চালকের হাতে ৩০০ কানাডিয়ান ডলারের একটি জরিমানা টিকেট দিয়ে চলে গেল।৩য় বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মাঝে কানাডা অন্যতম। প্রশাসনিক অবকাঠামো, আইন-শৃংখলা ইত্যাদি ব্যাপারে তারা বেশ আধুনিক।প্রযুক্তির নিত্য নতুন ব্যবহার তাদের সর্বোত্র। পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ এর ব্যাতিক্রম কিছু নয়। তাদের হাতে রয়েছে স্পীড গান, স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা, রাডার আরো অনেক কিছু। ঐ গাড়িটি পুলিশের স্পীড গানের শিকার। গাড়ির চালক জরিমানা এরাতে পুলিশ সার্জেন্টকে কোন কিছুর বিনিময়ে মোহান্বিত করা অসম্ভব। কেনই বা তিনি মোহে পরবেন যেখানে জরিমানা ৩০০ কানাডিয়ান ডলার। এর ভিতর তার কমিশন আছেই যা সরকারের তরফ থেকে দেয়া হয়।

৩য় বিশ্বের উন্নত দেশ থেকে চোখ ঘুরিয়ে চলুন দেখা যাক ৩য় বিশ্বের উন্নয়নশিল একটি দেশ বাংলাদেশের দিকে। ১৬ কোটি মানুষের অধ্যুষিত একটি ছোট জনপদ। সমস্যার জালে জীর্ণ আমাদের এই দেশমাতৃকার অন্যতম সমস্যা সড়ক দূর্ঘটনা। সড়ক দূর্ঘটনা গোটা বিশ্বেই বিদ্যমান কিন্তু আমাদের দেশে এটা এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এর পিছনে কারণ যা  যা আছে তার মধ্যে প্রধান কারণ গাড়ি চালকদের সদিচ্ছা ও সচেতনতা। ব্যাপারটা একটু ভেংগে বলি। পরবাসে বেশ কিছুদিন কাটিয়ে কদিন আগে দেশে ফিরলাম। দেশটা ঘুরে দেখার বাসনায় বেরিয়ে পরলাম গাড়ি নিয়ে। গন্তব্য ঢাকা থেকে উত্তর বংগ।আমি নিজেই গাড়ি চালাচ্ছিলাম। মিরপুর রোডের আসাদ গেট সিগনালে রাস্তার মাঝের লেনে দাড়াঁলাম লালবাতির জন্যে। আমার ডান পাশে বড় একটি বাস দাঁড়াল।সবুজ লাইট জ্বলার পর বাসটি বামে চাপিয়ে সামনে  এগোতে লাগল। দেখলাম বাসটি বায়ে গিয়ে থামল যাত্রী নামানো ও উঠানোর জন্যে। এরই মধ্যে বেঁধে গেল যানজট। আর বাসটি ডান পাশ হতে বামে যাবার জন্যে চালককে অত্যন্ত ঝূঁকি নিতে হয়েছিল যা সে তার সদিচ্ছা ও সচেতনতার অভাবের প্রকাশ মাত্র। সে চাইলেই বাম পাশের লেনের পাশের লেনে থাকতে পারত, কারণ সে তো জানত যে সে বামে দাঁড়াবে। মহাসড়কে আমার গাড়ি বেশ দ্রুতই চালাচ্ছিলাম, ঘন্টায় ৮০-৯০ কিমি।বেশ কিছু ছোট বড় গাড়ি, বাস আমাকে ওভার টেইক করছিল। আমি যতটা সম্ভব গাড়িটি বায়ে নিয়ে ওভার টেইক করা গাড়িগুলোকে জায়গা করে দিচ্ছিলাম। সু্যোগ পেলে আমিও ওভার টেইক করছিলাম।টাঙ্গাইল বাইপাস দিয়ে গাড়ি যখন চালাচ্ছিলাম আমার সামনে বেশ কিছু ট্রাক ও বাসের সারি, পিছনেও তাই। বিপরীত থেকেও বেশ কিছু গাড়ি আসছিল। আমার সামনের গাড়িগুলো প্রায় ৬০ কিমি বেগে চলছিল আমিও ট্রাফিকের সাথে চলছিলাম।হঠাৎ পিছনের বাসটি গতি বাড়িয়ে আমাকে ওভারটেইক করতে যায়। বিপরীত দিক থেকে আসছিল একটি ট্রাক যা বাসটি থেকে বেশি দূরে ছিল না। বাসটির পেছানোর কোন পথ ছিল না। বাসটি তখন বামে এসে আমার গাড়িটি চাপ দেয়। আমার গাড়িটিকে আমি তখন রাস্তা থেকে অর্ধেকটা নামিয়ে দেই মাটিতে এবং গাড়িটিকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। আমার গাড়িটি রাস্তার পাশে থাকা খাঁদে পরে যেতে পারত এবং বড় দূর্ঘটনাও ঘটে যেতে পারত। ঐ বাস চালক সচেতন হলে তার ঐ কাজটি করার ইচ্ছা জাগত না। আমার মত আর অনেকের এই রকম ভয়াল অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমার আরো কিছু সমস্যা চোখে পরেছে যা আমি অতি অল্প কথায় লিখছি।

গাড়ির গতিসীমা, এ সমস্যার সমাধান আমার মত ছোট মাথায় আসছে না। কারণ এই সমস্যা তদারকির জন্যে রয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। তাঁরাও হয়ত নেহায়েৎ অসহায় অপর্যাপ্ত প্রযুক্তির কাছে। কিন্তু আমরা যারা সাধারণ যাত্রী বাস অথবা অন্য পরিবহনে যাতায়াত করি তাদের প্রত্যেকের এক জোড়া নয়নই কিন্তু হয়ে উঠতে পারে এক একটি আধুনিক স্পীড গান। এই সামান্য সচেতনতা কিন্তু রোধ করতে পারে অসামান্য দূর্ঘটনা।

অবকাঠামোগত সমস্যা, এটি অন্যতম একটি সমস্যা। আমাদের মহাসড়কগুলোয় মারাত্মক সব বাঁক রয়েছে যা রিতীমত ঝুঁকিপূর্ণ। এ সব বাঁকের শুরুতে নির্দিষ্ট চিহ্ন রয়েছে যা শুধু দিনের আলোতে বুঝা সম্ভব, রাতে নয়। স্পীড ব্রেকার তৈরি করেছে কতৃপক্ষ মনে হয় দায় শূন্য ভাবে। বেশিরভাগই রোড থেকে কেবল ৩-৫ ইঞ্চি উচ্চতা বিশিষ্ট, মার্কিং নেই। বাস কিংবা ট্রাক চালকেরা এইসব স্পীড ব্রেকারের উপর দিয়ে বেপরওয়া গতিতে গাড়ি চালায়। এতে জান মালের বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত সহ অনেক স্পীড ব্রেকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবার কোনটি ৬-১০ ইঞ্চি। যারা নিয়মিত একই রুটের চালক তাদের হয়ত চালাতে কখনো (দিনে বা রাতে) সমস্যা হয় না। কিন্তু যে সব চালক ঐ পথে নতুন তাদের দিনে না হলেও রাতে গাড়ি চালানোটা বিপজ্জনক।আমি মহাসড়কের বেহাল অবস্থার কথা আর না-ই বললাম। আর আরেকটা সমস্যা না বললেই নয়, তা হল রাতে মহাসড়কে গাড়ির হাই বিম। অবশ্যই দ্রুত গতির গাড়ির চালক দূরে দেখার জন্যে হাই বিম ব্যাবহার করবে। কিন্তু ঐ গাড়ির বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়ির চালকের দৃষ্টি বাঁধাগ্রস্ত হবে ঐ হাই বিমে। আর যদি এই গাড়ির চালকও হাই বিম দিয়ে গাড়ি তখন চালায় তবে দুই চালকেরই দৃষ্টি বিভ্রম হবে। এতে ভয়ানক দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাই উচিত সবসময় বিপরীত দিকের কোন গাড়ি অতিক্রমের সময় লো বিম দিয়ে গাড়ি চালানো।

এসব সমস্যা একদিনে সমাধানের নয়। দিনের পর দিন আমাদের চেষ্টা, সাধনা, প্রচারনা করতে হবে। আমাদের যেতে হবে সাধারণ যাত্রীদের কাছে তাদের অধিকার জানাতে। আমাদের যেতে হবে প্রতিটি চালকের কাছে তাদের কর্তব্য বূঝাতে। পৌঁছে দিতে হবে যাত্রী এবং চালকদের সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে। আলোর মিছিল নিয়ে আমরা কি পারিনা সময়ের এই প্রয়োজনটুকুন মেটাতে?

 

মন্তব্য
  • sushoeb7 নভেম্বর 26, 2011 at 9:26 অপরাহ্ন

    আমরা জানি বুঝি কিন্তু মানি না, আমার কথা বলি, সরকারী চাকুরীর সুবাদে জেলা শহর থেকে প্রথম ঢাকা তে আসা, মোটর বাইকে অফিসে যাতায়াত করি, রেড সিগনালে দাড়িয়ে থাকি কিন্তু সুযোগ বুঝে প্রায় সবাই চলে যায়। কিছু দিন পরের কথা আমি এখন ফুটপাত, সিগনাল অমান্য করে অতি দ্রুত ১ ঘন্টার পথ ৩০ মিনিটে চলে যাই। শেষ কথা, মহানগরের পথ আমাকে শিক্ষিয়েছে অনিয়মটাই ঢাকা শহরের নিয়ম।
    “পথ পথিক যোগায় না, পথিক পথ যোগায়”।

  • bapi নভেম্বর 26, 2011 at 5:11 অপরাহ্ন

    amio akmot. amader desh e ain ase kintu ain er proyog nai. ain thaka r proyog kora ak noi.

  • vitu নভেম্বর 26, 2011 at 11:13 পূর্বাহ্ন

    ami akmot

  • Zahid নভেম্বর 25, 2011 at 10:29 অপরাহ্ন

    শুনেছি ম্যানিলার রাস্তাগুলো ঢাকার রাস্তার মত প্রশস্ত নয়, তবে যানজট নেই। আমরা ভাল মানুষ, তবে শৃঙ্খলা নেই আমাদের মাঝে। আইনের নেই প্রয়োগ, নয় সকলের জন্য সমান। লেখককে ধন্যবাদ।

  • Bodle Jao Bodle Dao নভেম্বর 24, 2011 at 7:47 অপরাহ্ন

    kub karap lagy ai kbrgulo sunty…..kicu akta kra darkar …ar ak janno amder e aageay astay hobe…..

  • rehan নভেম্বর 24, 2011 at 6:57 অপরাহ্ন

    @ to all সবাই কে আবারও ধন্যবাদ। সামান্য স্ফুলিঙ্গ যদি এক বিশাল অগ্নিকান্ডের কারণ হতে পারে তবে আমাদের ক্ষুদ্র এই প্রয়াসও একদিন হয়ে উঠতে পারে সড়ক দূর্ঘটনা রোধের অন্যতম এক নিয়ামক। আসুন দেরি না করে আমরা একত্রিত হই, সোচ্চার হই। এই ব্যাপারে যোগাযোগ করুন ০১৯৪৭১১৭১৪০।

    • H. M. Rahat-Bin-Islam নভেম্বর 24, 2011 at 7:06 অপরাহ্ন

      right amader shober ak hoaa jaruri….khudro khudro bishoy aj ak bro dwyttakar rup neaycy….amaderakta kicu kra kub jaruri…amader ar bosey takar shmy nay…

  • prokhoralo নভেম্বর 24, 2011 at 5:53 অপরাহ্ন

    Unnoto prosason, traffic bebosta edeseo somvob jodi amra sotti sotti ta chai.amader chaoar maje golod ace ta boja jae ,jokhon amra neta nirbachon kori.Durniti grosto ,Sontrashi neta nirbachon kori and porobortite eder sechachari ichae amra bondi hoi…Amader nijeder dristivongi bodlate hobe and ebepare somo mona der eke oporke sohojogita korte hobe…..88-01745929022

  • atikulchow নভেম্বর 24, 2011 at 2:34 অপরাহ্ন

    প্রধানমন্ত্রীরা যেমন তাদের স্বজনদের হত্যার বদলা নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে,তেমনি আমার মনে হয়,সড়ক দূর্ঘনায় তাদের কেউ মারা গেলে তারাও তখন নিরাপদ সড়ক নিয়ে মরিয়া হবেন- ইনশাআল্লাহ

  • Dakua নভেম্বর 24, 2011 at 2:24 অপরাহ্ন

    নিশ্চয়ই চেষ্টা করতে পারি! আসুন সবাই চেষ্টা করি। একদিন না একদিন তো সফল হবেই!

  • shafinaz নভেম্বর 24, 2011 at 2:02 অপরাহ্ন

    shabolil o shundor uposthapon. apner shathe ekmot. apner theke aro lekha asha korchi.

  • dosshi নভেম্বর 23, 2011 at 1:15 অপরাহ্ন

    দুর্ঘটনা রোধে গাড়ি চালকের সচেতনতা, সঠিক প্রশিক্ষন সর্বোপরি মানবিকতার প্রয়োজন

  • Nil নভেম্বর 23, 2011 at 1:09 অপরাহ্ন

    হা আমরা পারি। কিনটু আমরা ওডের কাসে কি আর পৌছাবো? ওরা টো কোখোনৈ শোছেটোন হো্বায়ার নোয় । এডুকাটেড ছালোক ডেয়া জাবে।

  • NAYEM নভেম্বর 23, 2011 at 12:00 অপরাহ্ন

    In Bangladesh need a Renesa. Need a young, energetic, aggressive govt. The two parties (AL & BNP) has been crashing us. They are involve in Family politics. By using peoples economy they are busy to build their own capital. they r trying to create a AFRICAN country as Banagaladesh. Please I appeal to all Educated young personnel to involve in RENESA.

    • prokhoralo নভেম্বর 24, 2011 at 5:55 অপরাহ্ন

      Definitely I am with you to seccess Renessa….01745929022

  • Shakil Ahmed Adnan নভেম্বর 23, 2011 at 10:25 পূর্বাহ্ন

    sobar prothome dorkar valo shorok bebostha……

  • masum1679 নভেম্বর 23, 2011 at 9:31 পূর্বাহ্ন

    amio Canada eshechi 1 bosor holo. ekhaner rasta ghat dekhle khub afsos hoy, issshhh, Bangladesh er rasta ghat gula jodi emon hoto, gari gula jodi emon niom mene cholto. ekhane last 1 year a 5-7 tar beshi accident er news ami newspaper a pai nai. asun, ek hoi.

    • prokhoralo নভেম্বর 24, 2011 at 5:57 অপরাহ্ন

      Edeseo emon ti kora somvob jodi apnader moto lokera eke oporke support koren….88-01745929022

  • rehan নভেম্বর 23, 2011 at 12:51 পূর্বাহ্ন

    মন্তব্যের জন্যে আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। শুধু মন্তব্য নয়, চলুন আমরা আলোর মিছিল নিয়ে বেরিয়ে পরার লক্ষে কোথাও একত্র হই। আলাপ আলোচনা করি, কি করে আমরা শুরু করতে পারি আমাদের মিছিল, কি করে এই আলোর মিছিলের আলোক ছটা ছড়িয়ে দিতে পারি গোটা দেশময়। এটাও জানি আমরা সবাই ব্যাস্ত। কিন্তু দেশের প্রয়োজনে, দশের প্রয়োজনে সর্বোপরি আমাদের নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের মূল্যবান সময়ের কিছুটা আমরা আলোর মিছিলে দিই যাতে ভবিষ্যতে আমাদের চোখের সামনে আমাদের নিকটজনের বিভৎষ অসার দেহ পরে থাকতে দেখতে না হয়। আমি, আমরা, গোটা দেশটা আমাদের উদ্দোগের অপেক্ষায় আছে।

    • sazal00 নভেম্বর 23, 2011 at 11:11 পূর্বাহ্ন

      @rehan: vai ami apnar sathe achi, sudhu ami na deshe akhon amader moto onek manush ache jara kichu korte chai. Akta platform dorkar, Ak jon dak dilei lakho jonota joro hobe ami asa kori. Suru koren boss.

  • rashedul76 নভেম্বর 22, 2011 at 6:13 অপরাহ্ন

    বাংলাদেশের পুলিশ টাকার জন্য সব কিছু করতে পারে

  • sumon147 নভেম্বর 22, 2011 at 2:34 অপরাহ্ন

    আসলে আমাদের কাউরেও সৎ সাহস নাই

  • sumonsyl83 নভেম্বর 22, 2011 at 12:52 অপরাহ্ন

    সুন্দর সাবলীল ভাবে আপনার পোষ্ট উপস্থাপন করায় আপনাকে অসম্ভব ধন্যবাদ।
    আসলে আমাদের মূল সমস্যা আমরাই, আমাদের আইন, আমাদের জীবন সংগ্রাম। আমরা সঠিক সময়কে মূল্যায়ন না করে তা মিসইউজ করি। আমাদের পরিকল্পনা আমাদের চিন্তা ভাবনার উন্নতি করতে হবে। আমরা লিখতে পারি, বলতে পারি কিন্তু করতে পারিনা। কেন? কারন আমাদের সৎ সাহস নেই।

    আমাদের রাস্তা পারাপারের জন্য ওভারব্রীজ থাকা সত্ত্বেও আমরা সময় বাঁচাতে জীবনের ঝুকি নিয়ে ব্যস্ত রাস্তায় হাত উচু করে রাস্তা পার হই এবং অনেক সময় দূর্ঘটনার শিকার হই তখন দোষটা স্বাভাবিক ভাবেই চালককে বহন করতে হয়। অথচ সরকারী বলুন অথবা ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে আমরা সময়ের কাজ সময়ে করি না! কারন তখন আমাদের দায়ীত্ববোধ শব্দটি বিলীন হয়ে বইপুস্তকে জমা হয়। নীতিকথা আমরা আজীবন বলব এবং আজীবন শুনব কিন্তু তার বহিঃপ্রকাশ করবো না কারন আমরা আমাদের সততার অভাব। একতরফা চালক, সার্জেন্ট, ট্রাফিক অথবা পুলিশের উপর না চাপিয়ে নিজেদের উপর যদি কিছুটা রাখি তবে মনে হয় আমাদের জন্য যেমন ভালো তেমনি দেশের জন্যও। একটা দেশ গঠন করা সরকারের একার দায়ীত্ব নয় আমাদেরও আছে। আগে আমি নিজে পরিশোধিত হই তারপর অন্যকে পরিশোধিত করি তবেই আমরা সাফল্য পাবো।

    • sumon147 নভেম্বর 22, 2011 at 2:37 অপরাহ্ন

      আপনি খুব সত্যি কথা বলছেন।আপনার লেখা আমার খুব ভাল লাগছে ..।..।……।

  • srabon নভেম্বর 22, 2011 at 12:24 অপরাহ্ন

    আমাদের সার্জেন্টকেও সরকার কমিশন দেয়, তার পরও কেন হচ্ছে না তা খতিয়ে দেখতে হবে, নিজের বুঝ পাগলেও বুঝে ওরা কেন বুঝবে না…মামলা গভীর

  • sharifsorder নভেম্বর 22, 2011 at 12:18 অপরাহ্ন

    আসুন এখন থেকেই শুরু করি।

  • zomir নভেম্বর 22, 2011 at 12:16 অপরাহ্ন

    good.

  • rafikalamgir নভেম্বর 22, 2011 at 12:13 অপরাহ্ন

    এসব সমস্যা একদিনে সমাধানের নয়। দিনের পর দিন আমাদের চেষ্টা, সাধনা, প্রচারনা করতে হবে,তাই আসুন এখন থেকেই শুরু করি।

  • sharifsorder নভেম্বর 22, 2011 at 12:11 অপরাহ্ন

    আসলে আগে আমাদের নিজেদের মন মানুষীকতা বদলাতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ ।

  • ahgazi নভেম্বর 21, 2011 at 10:38 অপরাহ্ন

    দৈনন্দিন জীবনে চলার পথে আমরা নিজেরা একটু সাবধান হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটা কমানো সম্ভব বলে মনে করি । সাথে সাথে সরকারকেও যথাযতো ব্যাবস্থা গ্রহণ করতে হবে । আপনাকে ধন্যবাদ ।

  • shakil75 নভেম্বর 21, 2011 at 8:42 অপরাহ্ন

    কয়েকটি দেশের ভ্রমনের অভিজ্ঞতায় দেখিছি গাড়ি থেমে পথচারিকে পার হবার সুজুগ করে দেয় গাড়ি চালক। আমাদের দেশে এ রকম দেখা যায় কি না জানিনা। চালকদের মানসিকতা পরিবর্তন না হলে road accident বাড়তেই থাকবে। সাথে সাথে আমাদেরকেও সচেতন হতে হবে রাস্তা পারাপারের সময়।

© বদলে যাও বদলে দাও