Author Archive:


হরতাল…আবারও !

হরতাল! হরতাল!! হরতাল!!! আবারও হরতাল। সরকারের উল্টাপাল্টা কাজ থেকে দেশকে বাঁচাতে বিরোধীদল ডেকেছে হরতাল। আপনি আগের থেকে জেনে থাকলে ভালো। না জেনে থাকলে জেনে নিন, হরতাল ছাড়া দেশকে বাঁচানোর আর কোন রাস্তাই খোলা নাই। আর হ্যাঁ,হরতালের সুবিধা/অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান? একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসা করে দেখুন। আমার মনে হয়, হরতাল সম্পর্কে ওরাই এখন সবচেয়ে ভালো

বিস্তারিত

শুধু দশ

বন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে শুভ্র রাস্তায় এসে দাঁড়াল। ঘাড় ঝুঁকিয়ে ডানে বামে বার দুয়েক তাকালো যদি কোন রিক্সার দেখা পায়। কিন্তু আজ রাস্তায় কোন রিক্সাই নেই। অনেক রাত হয়ে গেছে এ জন্য আজকে মনে হয় ভোগান্তিতে পড়তে হবে। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শুভ্র হেঁটে হেঁটে খানিকটা দূরে একটা ছোট্ট দোকানে বসে থাকা এক অল্পবয়সী ছেলেকে

বিস্তারিত

হাইপোথিসিস

টার্মস এণ্ড কন্ডিশন্সঃ ইহা একটি হাইপোথিসিস। ইহাকে অতিশয় সিরিয়াসলি নিয়া, ইহার মধ্য হইতে নিগূঢ় তত্ত্ব বাহির করিবার চেষ্টা করিয়া, ব্যর্থ হইয়া যাহারা মনে মনে কষ্ট পাইবেন, তাহারা নিজ দায়িত্বে সেই মনঃকষ্ট লাঘব করিবার চেষ্টা করিবেন। মনঃকষ্ট লাঘব করিবার জন্য লেখকের পক্ষ হইতে কোনরূপ সহায়তা প্রদান করা হইবে না।আরও উল্লেখ থাকে যে, দেশের একটি গুরুত্বপুর্ণ স্থান

বিস্তারিত

একজন সদর আলী

ছেলেটি রাস্তার অন্যপাশে অনেকক্ষণ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল। চোখেমুখে তার মহাবিস্ময়ের ছাপ। বাবার হাত ধরে হেঁটে যেতে যেতে বাবাকে জিজ্ঞাসা করে ফেলল, “আব্বা, ঐগুলা কী?” ছেলের কথায় রাস্তার দিক থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে ছেলের মুখের দিকে তাকিয়ে সদর আলী বললেন, “কোনগুলা কী?” ছেলে হাত ইশারায় রাস্তার অপর পাশে এক রেস্তোরার সামনে আগুনে পুড়াতে থাকা কিছু একটা

বিস্তারিত

উৎসর্গ

প্রারম্ভিকাঃ ছোটবেলায় বাবাকে একটা কথা বলতে শুনতাম। বাবা বলতেন ‘উড়ু খই গোবিন্দায় নমঃ’। কথাটার সরলার্থ হলো, একটা খই বাতাসে উড়ে যাচ্ছে, দূর থেকে সেই খইটাকে দেখে ওটাকে সৃষ্টিকর্তাকে  উৎসর্গ করা। আর কথাটার ভাবার্থ হচ্ছে, নিজের নয় এমন কোন ধন দিয়ে অন্যকে তৃপ্ত করার চেষ্টা। আজ আমি সেই কাজটাই করতে যাচ্ছি। আমার নিজের নয় এমন দুটি

বিস্তারিত

দ্বিধাহীন

আপনাদের একটা প্রশ্ন করি। ‘লেখার শুরুতেই প্রশ্ন!’ ভ্রু কুঁচকে ফেললেন? ঠিক আছে থাক। প্রশ্ন করার আগে চলুন একটা গল্প পড়ে আসি। আসলে গল্প বলাটা ঠিক হবে না। আসলে এটা একটা আত্নকথন। চলুন পড়ে ফেলি। “সময়টা তখন ফুটবল বিশ্বকাপের। বিশ্বসেরা দলগুলো নিজেদের মাঝে প্রতিযোগিতা করছে । আর তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আমরাও তখন নিজেদের মাঝে প্রতিযোগিতা

বিস্তারিত

বাঙালি সাজবো না বাঙালি হবো ?

আমাদের একদিনের বাঙালিয়ানা অন্তিম প্রহর গুনছে। কাল সকাল হতেই সব বাঙালিয়ানা ধুয়ে মুছে পুরোদস্তুর অবাঙালি হবার প্রতিযোগিতার খাতায় নাম লেখাবো। আবার আরজে দের বস্তাপচা উচ্চারনে কান পচাবো। ‘র’ কে ‘ড়’ তে পরিবর্তিত হতে দেখে সাবাসি দেব। আর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করে থাকবো আরো একটি বাঙালি হওয়ার উৎসবের জন্য।  যেখানে মুখে বাংলার রঙ মেখে সামনের সারিতে

বিস্তারিত

মানুষ-অমানুষ

বলুন তো, মানুষ চেনা যায় কিসে? প্রশ্নটা সহজ মনে হলেও উত্তরটা মোটেই সহজ নয়। কারণ সর্বজন গ্রাহ্য কোন বৈশিষ্ট্য দ্বারা মানুষকে চেনা যায় না। তবে মানুষ চেনা অনেক কঠিন একটা কাজ হলেও  অমানুষ  চেনা মোটেই কোন কঠিন কাজ নয়। কী ? বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে একটা ঘটনা বলি। রংপুরের বদরগঞ্জে কয়েক দিন আগে মাতোবালা (৭৬) 

বিস্তারিত

আলতো ঘষা!

‘বদলে যাও বদলে দাও’ ছোট্ট স্লোগানে অনেক বড় দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয়। আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষই আমরা পরিবর্তনের গুরুদায়িত্ব অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়ে সমালোচনা করতে বেশি ভালোবাসি। মুল্যবান সময় ব্যয় করে নিখুত করে অন্যের খুত খুঁজে ফিরি। কিন্তু আমি নিজেও এই পরিবর্তনের ‘স্টার্টার কী’ হতে পারি সে কথা বেমালুম ভুলে যাই। কিন্তু স্লোগানে হঠাৎ

বিস্তারিত

© বদলে যাও বদলে দাও