Author Archive:


যে জলে আগুন জ্বলে

স্থানটির নাম নিশ্চিন্তপুর। প্রথমবারের মত নামটি শোনার পর স্বভাবতই একপ্রকার ভাললাগায় মনটা ভরে ওঠে। মনে হয়, এইদেশের সাধারণ মানুষের সহজ সরল জীবন যাপনের মধ্য দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের কত সুন্দর সুন্দর নামই না কালের বিবর্তে প্রচলিত হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এমন হয়নি যেহেতু এই জায়গাটি অনেকের কাছেই পরিচিত ছিল না সেইদিন পর্যন্ত যেদিন আগুনে পুড়ে নৃশংস

বিস্তারিত

সুখ এবং অসুখ

স্বাধীনতা অর্জনের ৪১ বছর পার হয়ে গেছে। তারপরও জনজীবনে সুচিকিৎসা নামক মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত হয়নি। বাংলাদেশের একটি বড় অংশে সুচিকিৎসার উপস্থিতি নেই। জ্বর, ডেঙ্গু, ম্যালারিয়া, পানিশূন্যতা, রক্তশূন্যতা, ডায়রিয়া- এমন বহু রোগ যা কিনা ঔষধ ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে সহজেই সারিয়ে তোলা যায়, সুচিকিৎসার অভাবে প্রতিবছর এই সাধারণ রোগগুলোই প্রাণঘাতী হয়ে শত শত মানুষের প্রান কেরে

বিস্তারিত

সহজ কথা যায়না বলা সহজে

জীবনের চলতি পথে অনেক সহজ কিছু কথা আছে যা বলা আমাদের জন্য খুবই কঠিন একটা কাজ হয়ে দাড়ায়। যেমনঃ “আমার ভুল হয়েছে”, “ক্ষমা চাইছি”, “আমি আমার দোষ স্বীকার করছি”, “আপনার উন্নতির খবর শুনে খুশি হয়েছি”, “আপনার ভবিষ্যৎ উন্নতি কামনা করছি”, “আপনি যা বলছেন তা সঠিক নয়”, “এটা অন্যায়”, “আমি অন্যায় করতে পারবোনা”-এমন অনেক ছোট, একবাক্যের

বিস্তারিত

জলের অতলে

বৃষ্টি আমি খুব ভালবাসি। অঝোর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে আর আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে কিংবা জানালার গ্রিল ধরে তা দেখছি-এটা আমার খুবই প্রিয় ও আকাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। কিন্তু ব্যস্ত নগর জীবনে ভালবাসাও যেন হিসাব কষে অনুভব করতে হয়। যেমন, কর্মস্থলে যাবার পথে যদি বৃষ্টি নামে আর রিকশা, অটো-রিকশা কিছুই যদি না পাওয়া যায়, তখন কিন্তু রাগে গজ গজ

বিস্তারিত

চির উন্নত মম শির

নশ্বর জীবনটা কত দিনের তা কিন্তু কোন মানুষই জানেন না। তাই বলা যায়, পৃথিবীতে সবচেয়ে সুনির্দিষ্ট সত্যটি হল –“মৃত্যু অনিবার্য”। আর সবচেয়ে অনির্দিষ্ট বাস্তব হল-“আগামীকালের সূর্যটা দেখার জন্য বেঁচে থাকব কিনা”। কিন্তু তারপরও দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও আমরা আগামীকালের কর্ম পরিকল্পনা করি, সেই অনুযায়ী মানুষিক প্রস্তুতি নেই কর্মযজ্ঞে নিজের ভূমিকা পালনের জন্য। এই যে আগামীকালের অপেক্ষা,

বিস্তারিত

রাজা, প্রজা আর রাজ্যের গল্প

১।আলোকিত মানুষ হবার সোপানে দাঁড়িয়েঃ মে মাসের ২৮ তারিখে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠান পালন করার জন্য আমন্ত্রণ করেছিলাম কিছু আত্মীয়-স্বজনকে। খুব বেশি কেউ না, অল্প কয়েকজন। বাসাতেই রান্না করেছিলাম কিছু মজাদার খাবার। পোলাও, মুরগির কোরমা, খাসির রেজালা-এই আর কি! আমরা গিন্নিরা যা করি তাই করলাম। অতিথিদের মাথা গুনে তাঁর থেকে কিছু বেশি পরিমানে সব কয়টা আইটেম

বিস্তারিত

আয়কর ফাঁকির সমাপ্তি ঘটালাম …

ট্রাফিক সিগনালে গাড়িটা দাঁড়িয়ে আছে বেশ অনেকক্ষণ হল। চরম বিরক্তি নিয়ে ভাবছিলাম আর কতক্ষণ এমন নিশ্চল হয়ে থাকলে যানবাহনগুলোর গায়ে মাকড়সা নামক কীটের বাসা বাঁধা শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে ভীত হওয়া যায়। এমন সময় এক অস্থি-চর্মসর্বস্ব বৃদ্ধের আবির্ভাব। কাঁপা কাঁপা হাতে দৈনিক খবরের কাগজ বিক্রি করছেন। আমাকে বললেন-“লাগবে নাকি খবরের কাগজ?” এমনিতেই অফিসে আসতে দেরি

বিস্তারিত

নিন্দিত নরকে

মাটিতে লেপটে থাকা ঘনরক্তের ধারাটা নাকি মানুষের! তাও আবার কিছু ঘণ্টা আগে ঘরে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার দরুন!খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম টিভি স্ক্রিনের দিকে গতকাল রাতে। রাতের খবর দেখতে গিয়ে জানতে পারলাম কিছু ঘণ্টা আগে সংঘটিত সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার খবর। মেঝেতে ছড়িয়ে থাকা ঘন রক্তের ধারা দেখে এতটাই অবাক হয়েছি যে ভয়ে শিউড়ে উঠতেও

বিস্তারিত

ভো-কাট্টা ঘুড়ির খেলা

ডরাই না কাউরে, আমিও এহন পার্টি করি : প্রতিটি এলাকায় বা মহল্লায় পৌরসভা দ্বারা নির্বাচিত এক বা একাধিক কর্মী থাকে যাদের দায়িত্ব হল, উক্ত এলাকার পরিচ্ছন্নতা রক্ষার্থে রাস্তা বা নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে  ফেলা ময়লাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা। এরা সরকার থেকে বেতন ও ভাতা প্রাপ্ত তাদের কাজের জন্য। তারপরও প্রতি বাসা থেকে এরা ময়লা পরিষ্কারের বিনিময়ে ২০/৩০

বিস্তারিত

একটি বিনীত ভিক্ষুকের লজ্জাজনক পেশাকে জানাই হাজার সালাম

অফিস যাওয়ার পথে প্রায়ই একটা নির্দিষ্ট জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যালে যানবাহন যখন থেমে থাকে, তখনই চেনা মুখের একজন ভিক্ষুককে দেখতে পাই। ওই থেমে থাকা সময়টুকুতে প্রতিটা যানবাহনের যাত্রীর কাছে তিনি ভিক্ষা করেন। লোকটি খুবই বৃদ্ধ। খুব ধীরে ধীরে হেঁটে হেঁটে প্রতিটা যাত্রীর কাছে যান তিনি। কেউ ভিক্ষা দেন, কেউ মাফ চান। আমিও একই রুটিনে চলি। ভাংতি

বিস্তারিত

© বদলে যাও, বদলে দাও!