বিষয় : ‘গণমাধ্যমে শিশুদের জন্য বাংলায় বিনোদন চাই’


জাপানি কার্টুন ডরিমনের

জাপানি কার্টুন ডরিমনের হিন্দি ডাবিং ভার্সন বন্ধ করা নিয়ে প্রস্তাব উঠেছে সংসদে। কারণ কোমলমতি শিশু রক্ষা। এই কার্টুনটি সুইডিশ লেখিকা আস্ত্রিদ লিন্দগ্রেনের ১৯৪৫ এ সৃষ্ট বিখ্যাত চরিত্র পিপপি লংস্ত্রমের নকলে তৈরী। পিপপি লেখাপড়া করে না, শুধু খেলে এবং সে সবচেয়ে শক্তিশালী। চরিত্রটি খুব দ্রুত শিশুদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে উঠে এবং এখন পর্যন্ত সমান জনপ্রিয় কিন্তু এই

বিস্তারিত

শিশু প্রজন্ম ও শিশুদের অধিকার

শিশু শব্দটি মনে হলেই ছোট্ট মানুষের মুখের অবয়ব ভেসে ওঠে আমাদের সামনে। নিষ্পাপ শিশুর চেহারা দেখেই মা, বাবার মনটা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে ওঠে। মনটা আনন্দে নেচে ওঠে। তবে আমরা শিশুদের কতটা আনন্দ দিতে পারি? কিংবা শিশুদের বেলায় আমরা কতটা সচেতন? শিশুদের অধিকারের ব্যাপারেও কতটা সচেতন আমরা? আমাদের সচেতন হতে হবে যা অধিক জরুরী মনে করছি।

বিস্তারিত

দেশের এতোগুলো টেলিভিশন চ্যানেলে দিনে একটি ঘণ্টাও শিশুদের জন্য বরাদ্দ নয়

‘নবম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে তার বাবা প্রশ্ন করল, কি সিনেমা দেখছিস? মেয়েটি উত্তর দিল, ব্রেক কি বাদ। তার বাবা ব্রেক এর পর যানতে চাইলো আবার, সে জানাল এটি আসলে সিনেমাটির নাম’ -এই বাস্তব ঘটনা চিত্রে কৌতুকের আবেশ থাকলেও, ভয়ঙ্কর একটা অংশ রয়েছে। মেয়েটির বাসায় হিন্দীতে কথা বলে বাবার কাছেও স্বাভাবিক এবং তিনি এটাকে সহজ ভাবেই

বিস্তারিত

শিশুরা কি তাদের অধিকার পাচ্ছে?

‘শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ’, ‘শিশুরাই জাতির পিতা’ এই ধরনের সংলাপের সাথে আমরা সবাই সুপরিচত । চরম দু:খজনক হলেও পরম সত্য যে , জাতিসংঘ গঠিত হবার দীর্ঘ ৪২ বছর পর ১৯৮৭ সালে সর্ব প্রথম শিশু অধিকার সনদ অনুমোদন করা হয় । “নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো” সেই সূত্র ধরে জাতিসংঘের  শিশু অধিকার সনদের ৫৪ টি অনুচ্ছেদের

বিস্তারিত

আমাদের সংস্কৃতি কোথায়?

ভারতীয় স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো আমাদের দেশে উম্মুক্ত করে দেয়ায় দর্শক এখন ভারত মুখী হয়ে যাচ্ছে। ফলে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে ভারতের সংস্কৃতি গ্রাস করে ফেলছে। স্যাটেলাইট টিভির কল্যাণে বাংলার প্রতিটি ঘরে ঘরে এখন ভারতের চ্যানেলগুলো দেখা যাচ্ছে। বাংলা হিন্দি উভয় চ্যানেলই তারা দেখছে। চ্যানেলগুলোর মধ্যে স্টার জলসা, জি বাংলা, জি বাংলা সিনেমা ইত্যাদি। আমাদের দেশের বাংলা চ্যানেলগুলো

বিস্তারিত

সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে বাংলাদেশের সংস্কৃতি

ছেলেবেলার অনেক পুরাতন পড়া মনের মধ্যে উঁকি দিয়ে যায়। ‘মানুষ সামাজিক প্রাণী’ তেমনি একটি পড়া। সমাজবিজ্ঞান বইতে পড়েছিলাম। সমাজের ভিতরে কাধে কাধ মিলিয়ে চলতে চলতে মানুষের মাঝে একধরণের ভাল লাগা-মন্দ লাগা, কিছু রীতি-নীতি, নিয়ম-কানুন গড়ে ওঠে। তাকে সমাজবিজ্ঞানীদের ভাষায় সংস্কৃতি বলা হয়ে থাকে। প্রতিটি সমাজ-দেশ-জাতির একটি নির্দিষ্ট সংস্কৃতি আছে। প্রতিটি মানুষ তার জন্মের পর থেকে

বিস্তারিত

বাঙালি ও বাংলা

আমাদের বাঙালিদের যে ইংলিশ-প্রীতি সীমাহীন-তা অস্বীকার করার উপায় নেই। শিক্ষিত লোকেরা বাংলায় কথা বললেও তাতে ইংরেজি শব্দের মিশেল ছাড়া বলতেই পারেনা-তা কোনো সভাতেই হোক আর আটপৌরে আলাপ আলোচনাতেই হোক। ইদানিং বাংলায় কথা বলার সময় অকারন যে ইংরেজি শব্দগুলো ব্যবহৃত হয় তা হলো-so, but, share, like, address, interaction ইত্যাদি। ইংরেজি শব্দ যোগ করে বাংলায় বললে আলোচনা

বিস্তারিত

সাংস্কৃতিক টানাপোড়েন

কেন আমরা একটা সংস্কৃতিকে আরেকটা সংস্কৃতি থেকে উন্নত বলে থাকি । আসলেই কি কোনো সংস্কৃতি উন্নত বা অনুন্নত হতে পারে? নাকি একেক সংস্কৃতি একেক ভাবে ভিন্ন ও স্বতন্ত্র? যদিও ফ্রান্স বোয়াসয়ের মতো অনেক নৃবিজ্ঞানীই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চেষ্টা করেছেন এবং স্বীকার করে নিয়েছেন যে, প্রত্যেকটি সংস্কৃতিই স্বতন্ত্র । কোনোটিই কোনোটির কাছ থেকে ছোট বা

বিস্তারিত

একালের বিটিভি

গত ৪ই ডিসেম্বর ২০১২ইং তারিখ, মঙ্গলবার প্রথম আলো পত্রিকায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপর একটা প্রতিবেদন দেখে ব্লগে কিছু লেখার ইচ্ছে হল। আসলে এজীবনে দু’বার দু’টি কাজে বিটিভি ঘুরে এসে যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তার একটি শেয়ার করার ইচ্ছেটাই এখানে প্রবল হয়েছে। অনেক আগ্রহ নিয়ে প্রায় বছর খানেক পূর্বে দ্বিতীয় বারের মত বিটিভি ভবনে গিয়েছিলাম। মনের ভেতর উচ্ছ্বাস

বিস্তারিত

সংস্কৃতি: এখন চলছে উল্টো পথে হাঁটা

  আকাশ সংস্কিতি আমাদের দেশের সর্বস্তরে পৌঁছে গেছে। আকাশ সংস্কিতি থেকে আমরা ভালো কিছু না নিয়ে শুধু খারাপকে অনুসরণ করছি। চিন্তা করতেও কষ্ট হয় আমাদের ভাইবোনেরা নিজের প্রাণ দিয়েছিলেন দেশকে ভাষা উপহার দেওয়ার জন্য, অথছ এখন হিন্দি ভাষার প্রভাব দেখা যাচ্ছে। ১৯৫২ সালে আমাদের ভাইবোনেরা প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে বের হয়েছিলো যখন ঘোষনা দেওয়া হয়েছিলো উর্দুই

বিস্তারিত

© বদলে যাও বদলে দাও