<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বদলে যাও বদলে দাও</title>
	<atom:link href="http://www.bodlejaobodledao.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.bodlejaobodledao.com</link>
	<description>বদলে যাও বদলে দাও</description>
	<lastBuildDate>Sat, 19 May 2012 12:43:11 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.2.1</generator>
		<item>
		<title>শপথ</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17602</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17602#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:42:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY)</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17602</guid>
		<description><![CDATA[আমি শপথ করছি যে, আমি যে শিক্ষা গ্রহন করেছি তার কোন ধরনের অবমূল্যায়ন করবো না । আমার শিক্ষার সঠিক ব্যবহার এবং প্রয়োগের মাধ্যমে আমি সর্বদা চেষ্টা করবো দেশের জন্য মঙ্গলময় কাজ করার জন্য । পরিবারকে শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম বিবেচনায় সকল আত্মীয় স্বজন এবং সন্তানদেরর সাথে ভালো ব্যবহার এবং সৌহার্দ স্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে মুক্ত মনের<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17602"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমি শপথ করছি যে, আমি যে শিক্ষা গ্রহন করেছি তার কোন ধরনের অবমূল্যায়ন করবো না । আমার শিক্ষার সঠিক ব্যবহার এবং প্রয়োগের মাধ্যমে আমি সর্বদা চেষ্টা করবো দেশের জন্য মঙ্গলময় কাজ করার জন্য । পরিবারকে শিক্ষার সবচেয়ে বড় মাধ্যম বিবেচনায় সকল আত্মীয় স্বজন এবং সন্তানদেরর সাথে ভালো ব্যবহার এবং সৌহার্দ স্থাপনের মাধ্যমে নিজেকে মুক্ত মনের মানুষ হিসাবে সকলের সামনে উপস্থাপন করবো । সকল ক্ষেত্রে নিজের বুদ্ধি বিবেচনা বজায় রেখে ভালো কাজের পক্ষে কাজ করবো ।</p>
<p>সবসময় চেষ্টা করবো দেশের স্বাধীনতাকে সবার উপরে স্থান দিয়ে মানুষের জন্য কাজ করতে । শিশুদের জন্য সবসময় আলাদা দৃষ্টি থাকবে । বৃদ্ধদের সেবা করায় নিজেকে উজার করে দেব । রাস্তাকে অপরিস্কার করবোনা । অযথা অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাবোনা । আইনকে সর্বদা মন থেকে শ্রদ্ধা করবো ।</p>
<p>গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় নিজের দৃষ্টিভঙ্গি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরা এবং বাস্তবায়নের জন্য আজীবন সংগ্রাম করে যাবো। সংগ্রামের ভাষা হিসাবে হরতালকে কখনই সমর্থন করবোনা । মানুষকে আঘাত করে স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টাকে ঘৃণা করবো । দুর্নীতিকে পরিত্যাগ করে চলবো । মিথ্যাকে প্রশ্রয় দেবোনা । সত্য প্রতিষ্ঠায় আমরণ লড়ে যাবো ।</p>
<p>নিজের এলাকার উন্নতির জন্য নিজের শিক্ষাকে সবার মাঝে সমানভাবে ভাগ করে শিক্ষার আলোকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করে যাবো । নেশার বিস্তারকে প্রতিরোধে সচেতনা গড়ে তোলার চেষ্টা করবো । নারী নির্যাতন বন্ধ, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, বহু বিবাহ দূরীকরনে নিজের দৃঢ় অবস্থানকে স্পষ্ট করে সামনের দিকে অগ্রসর হবো ।</p>
<p>সবার আগে ধর্মীয় মূল্যবোধকে মনের মধ্যে স্থাপন করে ধর্মের সঠিক নির্দেশনা এবং ধর্মের পালনীয় অনুশাসনগুলোকে মেনে চলবো । তবে অবশ্যই ধর্মীয় গোরামীর নামে সামাজিক অস্থিরতাকে বর্জন করে ধর্মের সঠিক শিক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করে যাব সবসময় ।</p>
<p>আরো শপথ করছি যে, যারা আমার সত্য সুন্দর কাজগুলোর সামনে বাধা হয়ে দাড়াঁবে আইনের মাধ্যমে তাদের জনমঞ্চে বিচারের সম্মুক্ষীণ করার জন্য দৃপ্ত, সাহসিক এবং গতিশীল পদক্ষেপ গ্রহন করতে দ্বিধা করবোনা । অজেও এই আমাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কাজ করা থেকে কেউ পেছনে ফেরাতে পারবেনা ।</p>
<p>সব শপথ করলাম তবে এই শপথ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারেরও কিছু ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে । যেমন আমি বলেছি আইনকে মান্য করে চলবো । কিন্তু আইনের সঠিক ব্যবহার কিভাবে বাস্তবায়িত করা যায় তা সরকারের ভালো করে ভাবতে হবে ।</p>
<p>তারপরও মনে রাখতে হবে- নিজে ভালো তো জগৎ ভালো । আগে নিজেকে ভালো করে প্রকাশ করি আস্তে আস্তে এর প্রভাব সারা দেশে পড়বে ।</p>
<p>আসুন একটি শপথ করে নিজে বদলে যাই বদলে দেই এ দেশকে । যদি প্রত্যেকে আমরা এই কথাগুলো মেনে চলার চেষ্টা করি তবে অবশ্যই সুন্দর দিন বেশি দূরে নয় । ভালো থাকুন, নিজেকে ভালোর মধ্যে রাখুন ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17602/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আমরা জীবন্ত না মৃত</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17612</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17612#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:35:06 +0000</pubDate>
		<dc:creator>sukherthikana_raja</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17612</guid>
		<description><![CDATA[আমাদের দেশের জীবন্ত মানুষগুলো মরার মত ভান করে আছে। আর আমাদের খাটিয়ায় তুলে সামনে পিছনে দুটি দল কবর স্থানের দিকে গতিশীল। আমরা জানি এভাবে চলতে থাকলে দাফন হয়ে যাব তবুও কেঊ জেগে ঊঠছি না। তাহলে কী আমদের আর জাগবার প্রযোজন নেই ? তাদের হাতেই ছেড়ে দিব আমাদের ভাগ্য । যদি তা না হয় তাহলে আসুন<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17612"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের দেশের জীবন্ত মানুষগুলো মরার মত ভান করে আছে। আর আমাদের খাটিয়ায় তুলে সামনে পিছনে দুটি দল কবর স্থানের দিকে গতিশীল। আমরা জানি এভাবে চলতে থাকলে দাফন হয়ে যাব তবুও কেঊ জেগে ঊঠছি না। তাহলে কী আমদের আর জাগবার প্রযোজন নেই ? তাদের হাতেই ছেড়ে দিব আমাদের ভাগ্য । যদি তা না হয় তাহলে আসুন এবার জেগে ঊঠি ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17612/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>2</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মাননীয় প্রধানমমন্ত্রী, হাইকোর্টের আদেশ সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে চাকুরী ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে না কেন ??</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17497</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17497#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:32:42 +0000</pubDate>
		<dc:creator>mahatab007</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17497</guid>
		<description><![CDATA[দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অডিট আপত্তি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিষ্পত্তি ও হাইকোর্টের আদেশ থাকা সত্ত্বেও তিনি স্বপদে ফিরতে পারছেন না, পাচ্ছেন না বেতন ভাতা। মিজানুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে) যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২ সালে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন এবং ১৩ আগস্ট এমপিও ভুক্ত হয়ে<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17497"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মুক্তিযোদ্ধা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে অডিট আপত্তি শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিষ্পত্তি ও হাইকোর্টের আদেশ থাকা সত্ত্বেও তিনি স্বপদে ফিরতে পারছেন না, পাচ্ছেন না বেতন ভাতা। মিজানুর রহমান (মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে) যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ৪ ফেব্রুয়ারি ২০০২ সালে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান করেন এবং ১৩ আগস্ট এমপিও ভুক্ত হয়ে যথারীতি দায়িত্ব পালন করতে থাকেন। দায়িত্বপালনকালে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর এর উপ পরিচালক মুহম্মদ জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া পরিদর্শন ও নিরীক্ষা করেন। পরিদর্শন প্রতিবেদনে প্রধান শিক্ষকের কাম্য অভিজ্ঞতা না থাকায় অডিট আপত্তিসহ অন্যান্য কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে অডিট আপত্তি উত্থাপিত হলে তা নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর হতে ব্রডশীট আকারে জবাব চাওয়া হলে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে ব্রডশীট আকারে জবাব প্রেরণ করেন। অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী) বিধান থাকা সত্ত্বেও বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষরে অস্বীকৃতি জানান। ফলে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে বিল প্রতিস্বাক্ষর করার নিমিত্তে মামলা দায়ের করেন।</p>
<p>এ ব্যাপারে বেশ কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে ঘটনাটি প্রকাশ হয়। ২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর যুগ্ম জজ আদালত বাধ্যতামূলক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষর নির্দেশ দিলে যথারীতি তিনি বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষর করতে থাকেন। কিন্তু ২০১১ সালের জুন মাসে আকস্মিক ভাবে বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষর করা বন্ধ করে দেন। কারণ হিসাবে তিনি বলেন আঃ মালেক মণ্ডল হাইকোর্টে আপিল করেছেন। আদতে আপিল স্বয়ং উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজেই করেছিলেন। হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের আদেশকে স্থগিত না করা সত্ত্বেও বেতন বিল বন্ধ করে রাখা হয়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তারিখে হাইকোর্ট আপিলটি খারিজ করে দিয়ে নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখেন। এই মোতাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথারীতি বেতন বিলে প্রতিস্বাক্ষর করতে বাধ্য থাকবেন কিন্তু তিনি তা করছেন না। ফলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিজানুর রহমান কে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন করতে হচ্ছে। এদিকে তিনি তার পদেও ফিরতে পারছেন না।</p>
<p>প্রশাসনের বক্তব্য: পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুজিব উল হক ফেরদৌসের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান এ ব্যাপারে সরকারি কৌসুলির মতামত চাওয়া হয়েছে। তিনি বিস্তারিত এ ব্যাপারে কথা না বলে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলতে বলেন। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান তিনি সদ্য যোগদান করেছেন। জেলা শিক্ষা অফিসার এনায়েত হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে কিছু জটিলতা আছে তাই সরকারি কৌসুলির মতামত চাওয়া হয়েছে।</p>
<p>মাহতাব হোসেন:</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17497/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান চাই</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17609</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17609#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:28:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Saif Ullah Munir</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17609</guid>
		<description><![CDATA[আজ দেশ এক কঠিন সময় পার করছে। নির্বাচনের এখনো দেড় বছর বাকি। দেড় বছর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের দাবিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ১০ জুনের আলটিমেটামকে ভেস্তে দিতে চায় ক্ষমতাসীন দল। বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে রাখতে সরকার তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে একসঙ্গে শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকে<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17609"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আজ দেশ এক কঠিন সময় পার করছে। নির্বাচনের এখনো দেড় বছর বাকি। দেড় বছর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। তত্ত্বাবধায়ক পুনর্বহালের দাবিতে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ১০ জুনের আলটিমেটামকে ভেস্তে দিতে চায় ক্ষমতাসীন দল। বিরোধী দলকে কোণঠাসা করে রাখতে সরকার তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে একসঙ্গে শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেপ্তার করে তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। হরতালসহ রাজপথে যেকোনো কর্মসূচিতে মাঠে নামতে না দেওয়ার পরিকল্পনায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে নতুন করে আবার রাজনৈতিক অঙ্গন অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। রাজনৈতিক সংঘাত শহর ছাড়িয়ে এখন আমাদের শান্তিপ্রিয় গ্রামের পাড়া-মহল্লায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। আর তাতে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এখন দেশের মানুষ মূলত জিম্মিদশায় উপনীত হয়েছে। তাঁদের রাজনীতির কাছে সাধারণ মানুষ অসহায়। এমন রাজনীতি কারো কাম্য নয়। রাজনীতিবিদের উদরপূর্তি স্বার্থপর রাজনীতি এবং দলীয় মনোভাবের মতো নিকৃষ্ট কার্যকলাপ পরিহার করা উচিত। সেই সঙ্গে রাজনীতিবিদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যকীয়। হরতাল, নৈরাজ্য ও দমন-পীড়নের রাজনীতি থেকে  উওরণের পথ হচ্ছে উভয় দলের মধ্যে জরুরি সংলাপ ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, প্রগতিশীল রাজনীতিবিদ, সচেতন জনগণ এবং সৎ-চরিত্রবান, মঙ্গলময় মানসিকতা। তাহলেই দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসতে পারে বলে আমি মনে করি।বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামলে উঠতে হলে সরকারকে আরো সহিষ্ণু হতে হবে। বিরোধী দলকে জনগণের কষ্টের কথা ভাবতে হবে। দুই পক্ষের যদি জনগণের কথা চিন্তা করার মানসিকতা থাকত, তাহলে এমন হতো না। সরকারি দলের উচিত হবে হিংসাত্মক রাজনীতি বাদ দিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করা। বিরোধী দলের দাবিগুলো মেনে নিয়ে তাদের সংসদে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। আসুন, আমরা ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়- এই স্লোগান মেনে চলি। এতে মানুষের মঙ্গল নিহিত।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17609/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এর পেছনে কি যুক্তি থাকতে পারে?</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17607</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17607#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:16:24 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Md. Galib Mehadi khan</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17607</guid>
		<description><![CDATA[বর্তমান সরকার কি বিতর্কপ্রিয়? এই সরকারের কার্যকালে এমন কিছু প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে যার উত্তর তারা ইচ্ছে করলেই বা একটু আন্তরিক হলেই দিতে পারতেন। এছারা তারা নিজেরাই স্বপ্রনোদিত হয়ে কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু কেন? অনেকটা ধাঁধাঁ খেলার মত। ভাবখানা এমন পারলে তোমরা উত্তর দাও। সব কিছুর পেছনে একটা যৌক্তিক ব্যখ্যা থাকে। এর পেছনে কি যুক্তি<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17607"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বর্তমান সরকার কি বিতর্কপ্রিয়? এই সরকারের কার্যকালে এমন কিছু প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে যার উত্তর তারা ইচ্ছে করলেই বা একটু আন্তরিক হলেই দিতে পারতেন। এছারা তারা নিজেরাই স্বপ্রনোদিত হয়ে কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু কেন? অনেকটা ধাঁধাঁ খেলার মত। ভাবখানা এমন পারলে তোমরা উত্তর দাও। সব কিছুর পেছনে একটা যৌক্তিক ব্যখ্যা থাকে। এর পেছনে কি যুক্তি থাকতে পারে?</p>
<p>যেমনঃ</p>
<ul>
<li>আদৌ কি প্রনিধানযোগ্য কোন যুক্তি আছে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বাতিলের পেছনে। যেটা ছাড়া বিকল্প ছিল না?</li>
<li>সাগর-রুনি হত্যাকান্ড নিয়ে কেন এমন উন্নাসিকতা?</li>
<li>সৌদি কর্মকর্তা হত্যাকান্ড নিয়েই বা এমন উন্নাসিকতা কেন?</li>
<li>পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে কেন রেল মন্ত্রীর মতো এ্যাকশনে গেলেন না?</li>
<li>ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের কেন সামাল দিতে পারছেন না বা দিচ্ছেন না?</li>
<li>সোহেল তাজ এর বিষয়টা কেন খোলাসা করছেন না?</li>
<li>নৌ পরিবহন মন্ত্রী মহোদয় কেন ভুলে যান শ্রমিক নেতার বাইরে তার এখনকার পরিচয় অনেক বেশি সন্মানের অনেক বেশি দায়িত্বপূর্ণ?</li>
<li>মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় বেডরুমের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব কার?</li>
<li>হঠাৎ করে ক্রসফায়ার বন্ধ হয়ে গুম এর ঘটনা কেন শুরু হল? এরপরেই বা কি আসছে?</li>
<li>ইলিয়াস আলী বা অন্যান্য গুম এর রহস্যের জট কেন খুলছে না?</li>
<li>কেন বেসরকারী শিক্ষকরা এই ভয়াবহ গরমের মধ্যে গরম পানির দিয়ে নির্যাতনের শিকার হন। আহত হয়ে মৃত্যু বরন করেন। তারা কি এতটাই সহিংস হয়ে গিয়েছিলেন। যে আর কোন উপায় ছিল না?</li>
<li>কেন হঠাৎ করে টক শোতে আলোচনাকারীদের জ্ঞানের সার্টিফিকেট দেয়া শুরু করলেন?</li>
</ul>
<p>এমন অসংখ্য প্রশ্ন জনমনে নিত্য দানা বাঁধছে। উত্তর মিলছে না। যা সত্যিই বড় অস্বস্তিকর। যা নষ্ট করে দিচ্ছে এই সরকারের সকল কর্মকান্ড। তথা আওয়ামী লীগের ইমেজ। আর সাধারন মানুষকে করছে আতঙ্কিত!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17607/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>নাগরিক কষ্টের ডুবসাঁতার</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17578</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17578#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 09:02:39 +0000</pubDate>
		<dc:creator>kazal</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17578</guid>
		<description><![CDATA[amar nonod amake America theke phone kore bolese vabi sunlam bangladesher oboshtha naki khub kharap.ami bollam eta r temon r ki ekhane pani line ase but pani nai gase pipe ase but sekhan theke kono gase ber hoina abar ami gorom theke bachar jonno ac niesi kintu ta chalate parina karon electiricity thakena.ekhane ami amar<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17578"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>amar nonod amake America theke phone kore bolese vabi sunlam bangladesher oboshtha naki khub kharap.ami bollam eta r temon r ki ekhane pani line ase but pani nai gase pipe ase but sekhan theke kono gase ber hoina abar ami gorom theke bachar jonno ac niesi kintu ta chalate parina karon electiricity thakena.ekhane ami amar bachake nie kothao berate jabo bachake boli kothai jabo se bole kothao jabona baire gele jamer karone rastai boshe thakte hobe ekhane nijer gari na thakle rastai darie thakte hobe ghontar por ghonta er chaite amar bacha ghore boshe nomita r dorimon dekhte onek better feel kore.amio r pressure  dite parina.amar bacha protidin 4 hour school kore but rastai katate hoi take 3 hours majhe majhe ta 4hour othocho 10 mint rasta difference ai amader desh.ekhane sokol rajnitibid tara tader sontan familly baire pathie amader nie khele tader kono chinta nai karon tar familly onek beshi surokhito onek beshi aram ayeshe jibon japon korse r vobishote tar pita ba matar poth onusoron korar opekhai jokhon tar baba ba ma r sokhom thakbena amader nie khelte.ami passport office visa section e asi ami jani 99% sochib r montri sansod meber ra tader famillyr jonno ase nvr visa nite orthat tara sokolei kono na kono desher passport holder hoe giese deshe asa ba kisu diner jonno thakar jonno tader NVR visa nie rakhe.majhe majhe amar 9 years putro amake akhep kore bole ish keno ami ekhane jonmo nilam keno oi deshe jonmo nilamna.amar kase er protibad korar kono vasha thakena karon kon mukhe bolbo ami take take tar prppo kisui jokhon dite parina keno protibad korbo?</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17578/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>শিক্ষার নামে প্রহসন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17543</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17543#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 08:59:03 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Mir Sakhawat Hossain</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[মানহীন শিক্ষার নামে প্রহসন আর কত দিন। বেকারত্য এর অভিশাপ থেকে আসুন জাতিকে বাচাই। আসুন সুন্দর একটি বাংলাদেশ গড়ি।]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17543</guid>
		<description><![CDATA[জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষার যেমন কোন বিকল্প নেই তেমনি ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীর চাপ সামলাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে পরিণত হয়েছে প্রহসনে। নিম্নমানের শিক্ষা ব্যবস্থা পঙ্গু করে দিচ্ছে এ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন। সেশন জটের কথা নাই ধরা হলো কিন্তু নিম্নমানের শিক্ষা আজ শিক্ষার্থীদের জীবনে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ও ইংরেজী দুই<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17543"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষার যেমন কোন বিকল্প নেই তেমনি ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীর চাপ সামলাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে পরিণত হয়েছে প্রহসনে। নিম্নমানের শিক্ষা ব্যবস্থা পঙ্গু করে দিচ্ছে এ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন। সেশন জটের কথা নাই ধরা হলো কিন্তু নিম্নমানের শিক্ষা আজ শিক্ষার্থীদের জীবনে অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ও ইংরেজী দুই মাধ্যমে পড়ার সুযোগ থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাংলা মাধ্যমে পড়ার ব্যপারে উৎসাহিত করা হয়। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্য যে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে উচ্চমানের বাংলা পাঠ্যপুস্তকের অত্যন্ত অপ্রতুলতা গোচর হয়। এছাড়াও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পাঠ্যপুস্তক রচিত হয় কলেজ ছাত্রছাত্রীদের হাতে কিংবা বিদেশী বইগুলোকে আংশিক অনুকরণ করে রচিত। আবার পাব্লিশার্সগুলোও কলেজের শিক্ষকদের কমিশনের ভিত্তিতে নিম্নমানের বই গছিয়ে দিচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের উপর। ছাত্রছাত্রীরাও কোন কিছু না বুঝে নিম্নমানের বই পড়ে বিশ্বায়নই নয় এমনকি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোতে ডিপার্টমেন্টে উচ্চতর পিএইচডি ডিগ্রিধারী শিক্ষকের অভাবে ক্লাসগুলোও সঠিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। পূর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা অবস্থায় শিক্ষার মান যাও ছিল এখন বর্তমানে তাও নেই। এমতাবস্থায় ইউজিসি বা মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ ব্যপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিলে দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে এ অধঃপতন হয়ত ঠেকানো সম্ভব। অন্তঃত পক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ বাতিল করে পূর্বের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজগুলোর নিকটস্থ বিশ্ববিদ্যালয় এর অধীনে করে দিলে এ অচল অবস্থা নিরসন করা সম্ভব বলে মনে করি। একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রধান অন্তরায় একটি মানহীন শিক্ষিত বেকার যুবসমাজ। ইভটিজিং এর অন্যতম কারণ বেকারত্য ও হতাশা। এ ব্যপারে সংশ্লিষ্ট মহলকে আহ্‌বান জানাচ্ছি।<br />
মীর সাখাওয়াত হোসেন</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17543/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>চট্টগ্রাম ইস্পাহানি কলেজে অনিয়মের রাজত্ব</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/14432</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/14432#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 08:54:22 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Abdullahkashem</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=14432</guid>
		<description><![CDATA[চট্টগ্রাম ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ একটি সমন্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ এ প্রতিষ্ঠানটিতে একই সাথে স্কুল ও কলেজ রয়েছে। ইস্পাহানি স্কুলের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের উচ্চতর গণিত না থাকায় ঐ শিক্ষার্থীরা অন্য কলেজে ভর্তি হতে পারে না। নবম শ্রেণীতে উচ্চতর গণিত নিতে বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করা হয়। এ কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে। কলেজের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষক নেই।<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/14432"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>চট্টগ্রাম ইস্পাহানি পাবলিক স্কুল ও কলেজ একটি সমন্বিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ এ প্রতিষ্ঠানটিতে একই সাথে স্কুল ও কলেজ রয়েছে। ইস্পাহানি স্কুলের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের উচ্চতর গণিত না থাকায় ঐ শিক্ষার্থীরা অন্য কলেজে ভর্তি হতে পারে না। নবম শ্রেণীতে উচ্চতর গণিত নিতে বিভিন্ন বাধা সৃষ্টি করা হয়। এ কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে। কলেজের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষক নেই। প্রায় প্রতি বিষয়ে মাত্র একজন করে শিক্ষক। মাত্র একজন করে শিক্ষক হওয়ায় তারা আধিপত্য বিস্তার করে রাখেন। কোনো বিষয়ের জন্য নেই পৃথক ডিপার্টমেন্ট। অন্যান্য কলেজে যেখানে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণিবিজ্ঞান একসাথে পড়ানো হয়, এ কলেজে ১ম বর্ষে উদ্ভিদবিজ্ঞান ও ২য় বর্ষে প্রাণিবিজ্ঞান পড়ানো হয়। এই দুটি বিষয়ের জন্য নেই পৃথক শিক্ষক ও পৃথক  ল্যাব। ব্যবহারিক ল্যাবে নেই প্রয়োজনীয় উপকরণ। ফলে অন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এইচএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হয়।  ব্যবহারিক এর জন্য নেই প্রদর্শক। এ কলেজে পরীক্ষার রুটিন দেয়া হয় পরীক্ষার এক দিন আগে। বোর্ড পরীক্ষায় যেখানে ৭৫ এ পরীক্ষা হয়, এখানে ১০০ তে পরীক্ষা হয়। বোর্ড পরীক্ষায় যেখানে পাস নম্বর ২৫, এখানে পাস নম্বর ৪০। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য পাস করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। অন্যান্য কলেজে যখন পুরোদমে ২য় বর্ষের ক্লাস চলে, এ কলেজের শিক্ষার্থীরা সে সময় ১ম বর্ষ চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়। অর্থাৎ ১ম বর্ষের সেশন দীর্ঘায়িত করা হয়। ইস্পাহানি কলেজে উদ্ভিদবিজ্ঞান পরীক্ষাগার নেই, জীববিজ্ঞান পরীক্ষাগার নামে শুধু একটাই পরীক্ষাগার আছে। প্রথম বর্ষে পরীক্ষাগারে নেওয়া হয় না, শুধু দ্বিতীয় বর্ষে নেওয়া হয়। কারণ কলেজ পর্যায়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানের পরীক্ষণ করার জন্য সেখানে কোনো উপকরণ নেই।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এ কলেজের গণিত শিক্ষক মুজিবুল্লাহ তার নিজের লেখা গণিত বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে যা বাজারে অপ্রচলিত ( প্রকৃতপক্ষে তিনি বই লিখেননি, বইয়ে জোরপূর্বক নিজের নাম ব্যবহার করেছেন। এ কারণে বইয়ের লেখকদ্বয় তার বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন )। তার বইয়ে তার পরিচয় কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে। কিন্তু সহকারী অধ্যাপক দূরের কথা, এ কলেজে গণিত বিভাগ কেন, কোনো বিষয়েরই বিভাগ নেই। এছাড়া তিনি তার ব্যবসায়িক পার্টনারের লেখা অনুমোদনহীন বই কিনতে বাধ্য করেন। খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, এ বইসমূহ ইস্পাহানি কলেজ ছাড়া অন্য কলেজে পড়ানো হয় না। তার এবং তার ব্যবসায়িক পার্টনারের লেখা বই ছাড়া অন্য বই আনলে তিনি ছিড়ে ফেলেন এবং গার্ডিয়ান কল করেন। শিক্ষার্থীরা ২য় বর্ষে উঠার পর তিনি ১ম বর্ষের ব্যবহারিক শুরু করেন। শিক্ষার্থীরা টেস্ট পাসের পর তিনি ২য় বর্ষের ব্যবহারিক শুরু করেন। একজন ছাত্রের বহু কষ্টে লেখা ব্যবহারিক খাতা ছিড়ে ফেলতে তিনি দ্বিধা করেন না। তিনি কলেজের পরীক্ষায় নম্বর মাইনাস করার এক অদ্ভূত, যন্ত্রণাদায়ক প্রথা চালু করেছিলেন। তিনি ব্যবহারিক খাতা স্বাক্ষর করতে গড়িমসি করেন, অথচ বলেন, সময়মত স্বাক্ষর না করালে তিনি পরে সমগ্র খাতায় মাত্র একটি স্বাক্ষর দিবেন। এ কলেজের বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর মাধ্যমিকে উচ্চতর গণিত ছিল না, অথচ তিনি অনেক অঙ্ক (সেট, ফাংশন, ভেক্টর) না করিয়ে তোমরা এগুলো মাধ্যমিকে উচ্চতর গণিতে করে এসেছ বলে নিজের দুর্বলতা ঢাকতে চান। তিনি প্রাইভেট পড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীদের ফেল করান। মুজিব শিক্ষার্থীদেরকে গণিত বাদ দিতে উৎসাহিত করে, অর্থাৎ না নিতে নিরুৎসাহিত করে। আবশ্যিক নিলে ঐচ্ছিক করতে বলে। মুজিব ২০১০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ব্যবহারিক খাতা জমা নিয়েছিল ২০০৯ সালের টেস্ট পরীক্ষার পর, ফেরত দিয়েছে এইচএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষার এক দিন আগে। এ কলেজে তার সহকর্মী একজন শিক্ষক তার সম্পর্কে বলেন, &#8220;মুজিবুল্লাহ ছাত্রদের ফেল করাতে পছন্দ করে।&#8221; তিনি ২০০৯ সালের টেস্ট পরীক্ষার কয়েক দিন পূর্বে কলেজের ২য় বর্ষের দুইজন শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে কলেজ ছাড়তে বাধ্য করেছেন। তিনি কলেজের অভ্যন্তরীণ ও বোর্ডের পরীক্ষায় পরীক্ষার হলে অসহযোগিতা করেন, রূঢ় ব্যবহার করেন। তিনি কলেজের অভ্যন্তরীণ ও বোর্ডের ব্যবহারিক পরীক্ষায় হয়রানি করেন। তিনি তুচ্ছাতিতুচ্ছ কারণে শিক্ষার্থীদের গার্ডিয়ান কল করে দুর্ব্যবহার করেন ও অপদস্থ করেন। তিনি গার্ডিয়ান কল করে তাদেরকে নিজের ফোন নম্বর এবং ঠিকানা দেন যেন তারা তাদের ছেলে-মেয়েদের তার কাছে পড়তে পাঠান। তিনি শিক্ষার্থীদের অপমান করে ক্লাসে সময়ক্ষেপণ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের গালিগালাজ করেন। উল্লেখ্য, তিনি শিক্ষার্থীদের হয়রানি করলেও শুধু ছাত্রীদের পড়ান। মুজিবের কাছে যারা ভর্তি হয়েছিল, তাদের মধ্যে প্রচুর গণিতে ফেল করেছিল।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>এ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক ওমর হায়াত খান প্রাইভেট পড়ানোর জন্য শিক্ষার্থীদের ফেল করান। ২০০৮ সালের ১ম বর্ষের ১ম সাময়িক পরীক্ষায় এক ছাত্রীর খাতা গায়েব করে ফেলেন। তিনি অবতরণিকা নামে একটি নোট কিনতে বাধ্য করেন এবং এখান থেকে প্রশ্ন করেন, যা উচ্চ মাধ্যমিক সিলেবাস তো দূরের কথা, বোর্ড অনুমোদিত পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের কোনো লেখকের কোনো লেখকের বইতে নেই। তার বিরুদ্ধে ফলাফল জালিয়াতি ও কারচুপির অভিযোগ আছে। তিনি কয়েক বছর পূর্বে ক্লাস টেনের টেস্টের প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন যা সে সময়ে চট্টগ্রামের স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি কলেজের অভ্যন্তরীণ ও বোর্ডের ব্যবহারিক পরীক্ষায় হয়রানি করেন। এইচএসসি ২০০৯ এ তিনি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক পরীক্ষায় প্রচন্ড হয়রানি করেন এবং শিক্ষার্থীদের থেকে জোরপূর্বক টাকা হাতিয়ে নেন। তিনি শিক্ষার্থীদের সরাসরি তার কাছে ভর্তি হতে বলেন। তিনি প্রাইভেট পড়ানোর জন্য নিজেই শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে হাজির হন এবং মোটা অঙ্কের (৫০০০-৮০০০) টাকা দাবি করেন। কোনো কোনো শিক্ষার্থীকে তিনি পড়ালেও আরো টাকার লোভে তিনি ঐ শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে পড়ানোর জন্য ঐ শিক্ষার্থীকে ফেল করিয়ে দেন। তিনি কিছু শিক্ষার্থীদের দ্বারা ব্যক্তিগত কাজ করান। দেখা যায়, যেসব শিক্ষার্থী তার ব্যক্তিগত কাজ করে দেয়, তারা কঠিন প্রশ্নেও বরাবরই ভাল নম্বর পাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের থেকে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকেন এবং শিক্ষার্থীদের টাকায় বিভিন্ন ব্যক্তিগত কাজ করান। তিনি কলেজের ব্যবহারিক ল্যাবে তার প্রাইভেট ছাত্রদের পড়ান। তিনি অন্য শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিষেদাগার করে ক্লাসে সময়ক্ষেপণ করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের অশ্রাব্য গালিগালাজ করেন। ২০১০ সালের এইচএসসি ব্যবহারিক পরীক্ষার আগের দিন হায়াত শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্র্যাকটিস করতে দেয়নি।</p>
<p>শিক্ষার্থীরা মূলত এ দুজন শিক্ষকের কাছে জিম্মি। তাদের প্রাইভেট ছাত্ররা পরীক্ষার খাতায় সব লিখতে না পারলেও তারা তাদের বাসায় বসিয়ে লেখান। তাছাড়া তারা প্রাইভেট ছাত্রদের দ্বারা খাতা পরীক্ষণ, নম্বরফর্দ ও রিপোর্ট কার্ড তৈরির কাজ করান। ফলে ছাত্ররা তাদের ইচ্ছেমত নম্বর তুলে থাকে। উল্লেখ্য, তিনি শিক্ষার্থীদের হয়রানি করে প্রাইভেট পড়ালেও ছাত্রীদের পড়ানোর ক্ষেত্রে তার বিশেষ আগ্রহ পরিলক্ষিত হয়।</p>
<p>ইস্পাহানির প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং বিগত বছরসমূহে যেসব কলেজের শিক্ষার্থীরা ইস্পাহানি কলেজ কেন্দ্রে এইচ এস সি পরীক্ষা দিয়েছে তাদের থেকে এসব অভিযোগের সত্যতা জানা যাবে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/14432/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17554</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17554#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 08:45:57 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Razu Ahmed Khan</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17554</guid>
		<description><![CDATA[একটি রাষ্ট্রের বিকাশ ঘটে গণতন্ত্রের মাধ্যমে , আর গণতন্ত্র বিকশিত হয় সরকারের কাজের সমালোচনার সুষ্ঠু পরিবেশ দিয়ে, আর সেই সমালোচনা করবেন বিরোধীদল, এটাই স্বাভাবিক । বিরোধীদলকে প্রতিপক্ষ ভেবে সরকার যদি দমন পীড়ন নীতি অনুসরণ করেন তা যেমন অন্যায় , অনুরূপ শুধুমাত্র বিরোধীতার খাতিরে বিরোধীতা করে বিরোধী দলের উচিত নয় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করা ।<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17554"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>একটি রাষ্ট্রের বিকাশ ঘটে গণতন্ত্রের মাধ্যমে , আর গণতন্ত্র বিকশিত হয় সরকারের কাজের সমালোচনার সুষ্ঠু পরিবেশ দিয়ে, আর সেই সমালোচনা করবেন বিরোধীদল, এটাই স্বাভাবিক । বিরোধীদলকে প্রতিপক্ষ ভেবে সরকার যদি দমন পীড়ন নীতি অনুসরণ করেন তা যেমন অন্যায় , অনুরূপ শুধুমাত্র বিরোধীতার খাতিরে বিরোধীতা করে বিরোধী দলের উচিত নয় সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করা । সংসদ বর্জণ না করে , হরতাল না করে , অন্য কোন উপায়েও কিন্তু সরকারের কাজের কঠোর সমালোচনা সম্ভব , তাছাড়া &#8216;আন্দোলন&#8217; বলতে আমরা যা বুঝি তাহলো পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসার জন্য কাজ করাকে বোঝায় যে কাজের প্রভাব জনগনের আস্থা অর্জণে সহায়ক হবে এবং আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে জনগনের সেবা দানের দায়িত্ব গ্রহনের সুযোগ মিলবে, তার অর্থ এই নয় যে আন্দোলনের মাধ্যমে কোন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সদলবলে টেনে হিঁচড়ে নামিয়ে দিয়ে নিজেরা ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নিতে হবে। তাই দেশে একটা &#8216;সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি&#8217; প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন। হরতাল, গাড়ি-ভাংচুর দিয়ে বিরোধীদল, আর মামলা, পুলিশি নির্যাতন, টিয়ার গ্যাস, গরম পানি দিয়ে সরকার কখনোই গণতন্ত্রের লালন করতে পারবে না , বিচার প্রার্থনার শেষ আশ্রয়স্থল &#8216;বিচারক&#8217; শিক্ষা গ্রহনের ঝর্নাধারা &#8216;শিক্ষক&#8217; এবং জীবন ধারনের স্পর্শ-কাতর স্থান &#8216;ডাক্তার&#8217; এসব নিরপেক্ষ পেশাগত স্তরে অনুচিত হবে ঘৃন্য দলীয়করন রাজনীতির চর্চা করা। তাই &#8216;আদালত&#8217; &#8216;শিক্ষা প্রতিষ্ঠান&#8217; এবং &#8216;হাসপাতাল&#8217; যেন কোন রূপ রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই কাজ করতে পারে সেই নিশ্চয়তা গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত । আমার মনে হয় বংশানুক্রমিক রাজ্য শাসনের যুগ অতিবাহিত হয়েছে, দেশের অভ্যুদয়ে আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য অনেক , অসাধারণ ভূমিকার জন্য তাঁদেরকে আমরা পিতার আসনে বসিয়েছি , মানুষের পিতা চিরকাল বাঁচেনা, তাই বলে আমরা আমাদের প্রয়াত নেতাদের আদর্শ ও আত্মত্যাগের শিক্ষাকে কাজে লাগাতে পারি , যারা আমাদের স্বাধীনতা ও স্বনির্ভরতায় জনকের ভূমিকা রেখেছেন, তাদের প্রতি সন্মান রেখেই বলছি, রাজনীতিতে &#8216;ওয়ারিশতন্ত্র&#8217; কারো কাম্য নয়, তবে যেহেতু পুর্ব পুরুষের অভিজ্ঞতা ও ইমেজ কাজে লাগিয়ে জনগনের আস্থা অর্জণ সম্ভব তাই আমি পরিবারতন্ত্রকে একেবারে অবৈধ বলতে নারাজ । এখন শুধু প্রয়োজন একটু &#8216;রাজনৈতিক সংস্কৃতি&#8217; </p>
<div>
<form action="http://www.facebook.com/ajax/ufi/modify.php" method="post">
<div>
<div><button name="like" type="submit">&quot;,&quot;type&quot;:22}&#8221;&gt;Like</button> ·</div>
</div>
</form>
</div>
</div>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17554/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>এইগুলোও কি ইভিটিজিং নয়?</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17551</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17551#comments</comments>
		<pubDate>Sat, 19 May 2012 08:35:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Moniruzzaman Dipu</dc:creator>
				<category><![CDATA[ইভটিজিংমুক্ত বাংলাদেশ চাই]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=17551</guid>
		<description><![CDATA[আত্নহননের পথে একটি মেয়ে-কেন? আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ কোথায়? আরও একটা বিষয় এখনো জোড়ালো ভাবে আলোচনায় আসেনি। মেয়েদের স্কুল, মেয়েদের কলেজে কিছু শিক্ষকদের মধ্যেও এরকম বাজে নোংরা প্রবনতা লক্ষ করা যায়। যেমন মেয়েদের গায়ে হাত দিয়ে কথ বলা, কৌশলে তাদের কাছাকাছি যাওয়া, পড়ানোর ফাঁকে অশ্লিল মুখভঙ্গি করা থেকে শুরু করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য এবং ভিন্ন সম্পর্ক<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17551"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আত্নহননের পথে একটি মেয়ে-কেন? আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ কোথায়?  আরও একটা বিষয় এখনো জোড়ালো ভাবে আলোচনায় আসেনি। মেয়েদের স্কুল, মেয়েদের কলেজে কিছু শিক্ষকদের মধ্যেও এরকম বাজে নোংরা প্রবনতা লক্ষ করা যায়। যেমন মেয়েদের গায়ে হাত দিয়ে কথ বলা, কৌশলে তাদের কাছাকাছি যাওয়া, পড়ানোর ফাঁকে অশ্লিল মুখভঙ্গি করা থেকে শুরু করে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য এবং ভিন্ন সম্পর্ক করার চেষ্টাও উল্লেখযোগ্য।  শিক্ষকের বয়স হয়ে গেছে অথচ বার চৌদ্দ বছরের মেয়েদের সাথে আচরণ অত্যন্ত নিম্নমানের। মেয়েরাও ভয়ে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে পারেনা । শিক্ষকরা মানুষ গড়ার কারিগর। অথচ অনেক মেয়েরা এই সমস্যার সম্মুখিন। এই ধরনের  সমস্যাও কি ইভটিজিং বা যৌন উত্ত্যক্তকরণ-এর পর্যায়ে পড়েনা? একটি শিশু বা কিশোর অপরাধী হওয়া না হওয়ার পেছনে  তার পারিবারিক অবস্থা, বাবা-মার দায়িত্ব, শিক্ষা, অর্থনৈতিক অবস্থা,  তার চারপাশের পরিবেশ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দায়ী। একজন শিক্ষক এ ধরনের কাজ করলে কাকে দায়ী করব ? কোন না কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ সমস্যা আছেই। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হোক অথবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠান, এ ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/17551/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>

