<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বদলে যাও বদলে দাও</title>
	<atom:link href="http://www.bodlejaobodledao.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.bodlejaobodledao.com</link>
	<description>বদলে যাও বদলে দাও</description>
	<lastBuildDate>Wed, 22 May 2013 13:35:23 +0000</lastBuildDate>
	<language>en</language>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
	<generator>http://wordpress.org/?v=3.2.1</generator>
		<item>
		<title>আমাদের প্রিয় রাজধানী ঢাকা! </title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/74642</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/74642#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 22 May 2013 13:32:04 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুধা রেজা</dc:creator>
				<category><![CDATA[ঢাকা বাঁচাতে ড্যাপ বাস্তবায়ন চাই]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=74642</guid>
		<description><![CDATA[DHAKA বানানটি  অতীতে  DACCA বানানে লিখা হতো। আবার মুঘল শাসকদের আমলে ঢাকা কে জাহাঙ্গীর নগর নামে পরিচিত ছিল। আধুনিক ঢাকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক  জীবনের প্রধান কেন্দ্র! ঢাকার অবকাঠামো পৃথিবীতে সর্ব নিন্ম হলেও জন সংখ্যা বৃদ্ধি, যানজট, বায়ু দূষণের কারনে শহরের সমস্যা হয়েছে ভয়ংকর! প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ঢাকার বুকে পাড়ি জমায় একটি কাজের আশায়। সকলের<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/74642"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>DHAKA</strong> বানানটি  অতীতে  <strong>DACCA</strong> বানানে লিখা হতো। আবার মুঘল শাসকদের আমলে ঢাকা কে জাহাঙ্গীর নগর নামে পরিচিত ছিল। আধুনিক ঢাকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক  জীবনের প্রধান কেন্দ্র! ঢাকার অবকাঠামো পৃথিবীতে সর্ব নিন্ম হলেও জন সংখ্যা বৃদ্ধি, যানজট, বায়ু দূষণের কারনে শহরের সমস্যা হয়েছে ভয়ংকর! প্রতিদিন প্রচুর মানুষ ঢাকার বুকে পাড়ি জমায় একটি কাজের আশায়। সকলের ধারনা ঢাকা গেলেই একটি চাকরী, একটি কাজ, কর্মসংস্থান মিলবে!<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/imagesমনমমমং্.jpeg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/imagesমনমমমং্.jpeg" alt="" title="imagesমনমমমং্" width="355" height="250" class="aligncenter size-full wp-image-90859" /></a></p>
<p><strong>ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। মসজিদের শহর ঢাকা। কিন্তু ঢাকা শহরের বর্তমান মানচিত্র  কেমন!</strong></p>
<p><strong>ঢাকা আসলে দুইটা- </strong></p>
<p><strong>-উত্তর ঢাকা<br />
</strong></p>
<p><strong>-দক্ষিন ঢাকা<br />
</strong></p>
<p>তারপর যদি এলাকা অনুযায়ী ভাগ করতে হয়,<br />
তাহলে হওয়া উচিত ছিল<strong> আবাসিক, বাণিজ্যিক, শিল্প, শিক্ষা</strong>, এভাবে! কিন্তু এভাবে কি পরিকল্পনা করা আছে? কিংবা বাস্তব চিত্রটা কি?</p>
<p><strong>মিরপুর</strong> &#8211; আবাসিক এলাকা?  কিন্তু মিরপুরকে গার্মেন্টসের এলাকা বললেই বেশি দৃষ্টি নন্দন ও  অতি বাস্তব লাগে! এক সময় মিরপুর বাসিন্দা ছিলাম! সকাল বেলায় যখন অফিস আসতাম। তখন অনেক নারীর ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলতাম! সবাই ছুটছে গার্মেন্টসে কাজ করতে। ওই নারীদের মানবেতর জীবন যাপনের বর্ণনা দিলাম না। বহুদিন বছর আগে একজন গাড়ি চালক আমাকে বলেছিল, &#8220;<strong> আপা এটা মিরপুর? শুনেছি এখানে নাকি অনেক গার্মেন্টস? খুব ইচ্ছা ছিল এই এলাকাটা দেখার! &#8220;</strong> লোকটার কথায় বুঝা যাচ্ছিলো আমিও একজন গার্মেন্টস কর্মী! তাই মিরপুরে থাকি অথবা ছুটে আসা। খুব মজা পেয়েছিলাম সেদিন।</p>
<p><strong>মতিঝিল</strong> &#8211; এটা এখনও বাণিজ্যিক এলাকা হিসেবে ধরা যায়। তবে ব্যাংক পাড়া বললেই বেশি মধুর শুনা যাবে!</p>
<p><strong>মোহাম্মদপুর</strong> &#8211; আবাসিক এলাকা! অলিতে গলিতে প্রতিটি বাড়ির নিচেই গরে উঠেছে স্কুল এবং কোচিং সেন্টার! সাথে যুক্ত হয়েছে অসংখ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টার। কিছু সরকারী হাসপাতালের সংস্পর্শে গড়ে উঠেছে এইসব অসাধু, সাধু ব্যবসা! মানব সেবার নামে কসাই খানা।</p>
<p><strong>ধানমণ্ডি-</strong> বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস, বিপণী বিতান, ক্লিনিক, হাসপাতাল, খাবার দোকানের ভিড়ে আবাসিক ভবনগুলু ছেয়ে গেছে বাণিজ্যিক কাজে। সাথে তো যুক্ত আছেই অসংখ্য ইংলিশ মাধ্যমের খ্যাত অখ্যাত স্কুল। প্রতিদিনের যানজট বলে দেয় এলাকাটির মুল বৈশিষ্ট্য। ইমারত নির্মাণ বিধিমালাও সবাই মানে না। কিছু সুউচ্চ ভবনও গড়ে উঠেছে ধানমণ্ডি এলেকায়। যেগুলু রাজউকের নীতিমালা বহির্ভূত।</p>
<p><strong>গুলশান, বনানী</strong> &#8211; অফিস, ইংলিশ মাধ্যম স্কুল, বিপণী বিতান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, খাবার দোকানে ছেয়ে গেছে প্রতিটি ভবন। মাঝে মাঝে দু একটি ভবনের ভাড়া দেয়ার বিজ্ঞাপনে উল্লেখ থাকে &#8220;<strong> শুধু মাত্র আবাসিক &#8220;</strong> কখনো বা <strong>&#8221; শুধু মাত্র অফিস ভাড়া হবে &#8220;</strong>! কিন্তু প্রতিটি ভবনের নির্মাণের সময় অনুমতি নেয়া হয় রাজউক থেকে আবাসিক বলে! আবার মাঝে মাঝে সরাসরি গড়ে উঠেছে বাণিজ্যিক ভবন কিংবা সুউচ্চ শপিং মল।</p>
<p>রাজধানীতে বংশাল, বেচারাম দেউরি, সুত্রাপুর, চকবাজার, তাঁতিবাজার, শাঁখারিবাজার, ইত্যাদি  এলাকাগুলু নিজেদের ঐতিহ্য মানচিত্র ধরে রাখতে আজ সক্ষম হয়েছে। যদিও ঐ এলাকাগুলু খুব ঘনবসতি, পুরানো ভবনগুলু ঝুঁকিপূর্ণ। রাস্তা ঘাট খুব সরু।</p>
<p>রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা, দুর্নীতি, সিটি কপরেশনের  দুর্নীতি অবহেলার কারনে রাজধানীর সৌন্দর্য বিনষ্ট হচ্ছে। ঢাকা বাঁচাও নামে একটি সংগঠনও আছে। আরবান ডিজাইনাররা কি করছেন সেটাও এড়িয়ে যাওয়া যায় না। টিভিতে  টক, ঝাল, তিতা শো করতে প্রায়শই দেশের নামকরা স্থপতিবৃন্দ, আবার কখনো আরবান ডিজাইনাররা এসে লম্বা নীতিমালা শুনিয়ে যান! আসলে তারা আসেন নিজেদের ব্যক্তিগত পরিচতি বাড়াতে! তারপর থেকে সব বাকী! স্বপ্ন হয়ে যায় দুঃস্বপ্ন।</p>
<p><strong>আমাদের দেশের বেশির ভাগ স্থপতিদের অফিসগুলুই গড়ে উঠেছে ধানমণ্ডি, গুলশান, বনানী, লালমাটিয়ায়! যারা ঢাকা নগরের পরিকল্পনা করেন তারাই আবাসিক ভবনকে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করছেন  যুগ যুগ ধরে! </strong> যারা নগর ভবন অঙ্কন করছেন, যারা নগর পরিকল্পনা করছেন তারাই দুর্নীতিগ্রস্থ, নিয়ম ভঙ্গে তারাই এক নম্বর !</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/74642/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>1G এর যুগই এখনও দেখলাম না আবার বলে 3G, 4G এর যুগ! </title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90463</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90463#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 22 May 2013 11:46:14 +0000</pubDate>
		<dc:creator>A LIBRARY OF RURAL DEVELOPMENT(SAYED CHOWDHURY)</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=90463</guid>
		<description><![CDATA[ইন্টারনেট একটি বড় মাধ্যম । কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার তা এখনও দেশের ৭০ শতাংসের বেশী মানুষই জানেনা । ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় যার ভূমিকা সবচেয়ে বেশী হওয়ার কথা সেই ইন্টারনেট পদ্ধতিতে সব ধরনের যোগাযোগের পদ্ধতি এবং সুযোগ সুবিধায় দেশের মানুষ এখনও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র । আমাদের দেশের উদ্যোগ এত বেশী নেওয়া হয় যে কোনটি<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90463"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ইন্টারনেট একটি বড় মাধ্যম । কিন্তু কোন কোন ক্ষেত্রে এর ব্যবহার তা এখনও দেশের ৭০ শতাংসের বেশী মানুষই জানেনা । ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় যার ভূমিকা সবচেয়ে বেশী হওয়ার কথা সেই ইন্টারনেট পদ্ধতিতে সব ধরনের যোগাযোগের পদ্ধতি এবং সুযোগ সুবিধায় দেশের মানুষ এখনও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র । আমাদের দেশের উদ্যোগ এত বেশী নেওয়া হয় যে কোনটি আগে বাস্তবায়ন হবে তা আর মনেই থাকেনা । একসময় কম্পিউটার ছোট্ট বাচ্চাদের চেনানোর জন্য সকল প্রাথমিক বিধ্যালয়ে কম্পিউটার দেওয়ার ব্যবস্থা করা হল । আর এখন সেই কম্পিউটার অনেক স্কুল শিক্ষকদের বাসায় তার ছেলেমেয়েদের শেখানোর কাজে বা ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যবহার হচ্ছে । খুব দুঃখজনক হলেও এ কাজগুলো করেই আমাদের কিছু শিক্ষক শিক্ষকদের জন্য কলঙ্কের কালিমা একে দিচ্ছেন ।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/Teletalk-3G-Final1.jpg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/Teletalk-3G-Final1.jpg" alt="" title="Prothom Alo half page" width="420" height="294" class="aligncenter size-full wp-image-90798" /></a></p>
<p>যাই হোক তেমনি আরেকটা উদ্যোগ সরকার নিলো আর সেটা হলো দেশে তারা তাদের নেটওয়ার্ক অর্থাৎ টেলিটক দিয়ে 3G প্রযুক্তির ইন্টারনেট সেবা দিবে । আপনারা এবং আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা বেশীরভাগই এই মোবাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমেই কাজ করে যাচ্ছি । টেলিটক দিয়ে যখন কথা বলা হয় তখন ঘরের ভিতর থাকলে কমপক্ষে দুবার লাইন কেটে যায় । যদিও এটা আমার বাড়ির কথা বলছি কিন্তু শুনেছি শহরাঞ্চলে অর্থাৎ ঢাকায় নাকি নেটওয়ার্ক কিছুটা ভালো ।এই যে একাংশে ভালো নেটওয়ার্ক দিয়ে শুরু করা 3G প্রযুক্তির কথা বলা হল তা কি আদৌ 3G প্রযুক্তির ? কোনভাবেই এখনও একে 3G প্রযুক্তির বলা যাবে না । আমি এর কারন বিশ্লেষন করতে যাবোনা কারন যারা এই প্রযুক্তি ইতোমধ্যে ব্যবহার করেছেন তারা বিষয়টি সম্পর্কে সম্যক অবগত । তবুও সরকারকে ধণ্যবাদ জানাচ্ছি তারা চেষ্টা চালিয়ে এই প্রযুক্তি এদেশে আনার চেষ্ট করেছে । কিন্তু তাতে কি লাভ হয়েছে ? একটি কাজের যদি কোন ফলাফল না থাকে তবে সে কাজের কি উদ্যেশ্য ?</p>
<p>সরকার কোন কোন কাজে এই 3G প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য চালু করল বা যদি কোন উদ্যেশিত কাজে এই প্রযুক্তি চালু করাই হল তবে তা কেন একটি নির্দিষ্ট মোবাইল কোম্পানিতে আটকে রাখা হল ? আমরা এদেশের মানুষ সবাই জানি টেলিটকের মালামাল ক্রয় নিয়ে চরম দুর্নীতি হয়েছে । কিন্তু সব দুর্নীতির মত এটারও কোন বিচার হয়নি । এখন শুধু একটি নির্দিষ্ট মোবাইল কোম্পানিকে এই প্রযুক্তির করে কি আরেকটি দুর্নীতির ফাঁদ পাতা হয়নি ?</p>
<p>সেটাও না হয় বাদ দেয়া গেল কিন্তু এই যে আমাদের প্রযুক্তিগত উন্নতি এটা বাদ দিবো কিভাবে ? প্রযুক্তিগত উন্নতির জন্য ইন্টারনেট ভিত্তিক ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতেই হবে কারন তথ্যকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে এর কোন বিকল্প নেই ।আর এর জন্য অবশ্যই প্রয়োজন</p>
<p>* অধিকতর গতিশীল ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবস্থা ।</p>
<p>* সব মানুষের বোধগম্য করে এই সুযোগ তৃনমূল পর্যায়ে পৌছে দেওয়া ।</p>
<p>* ইন্টারনেটের ব্যবহারের জন্য এর সাবস্ক্রিপশন ফি কমিয়ে এক জিবি ৫০ টাকায়, ২ জিবি ৮০ টাকায় এবং ৩ জিবি ১১০ টাকা করা ।</p>
<p>* মানুষকে ইন্টারনেট সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন ভিত্তিক সেবা কেন্দ্র এবং স্কুল ভিত্তিক প্রশিক্ষন কেন্দ্র গড়ে তোলা ।</p>
<p>* দেশের অন্যান্য মোবাইল কোম্পানিকে3G প্রযুক্তির লাইসেন্স দেওয়া ।</p>
<p>* 3G প্রযুক্তির জন্য ব্যবহারের মূল্যতালিকা হাতের নাগালে রাখার জন্য ব্যবস্থা করা ।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>গত কয়েকদিন যাবৎ ইন্টারনেটকে সবার কাছে পৌছে দেওয়ার লক্ষে দাবি উঠেছে ইন্টারনেট সাবস্ক্রিপশন ফি কমানোর জন্য । এই দায়িত্বশীল এবং বাস্তব দাবিটির প্রতি সম্মান দিয়ে বাংলাদেশ তথ্য অধিদপ্তরের কাছে দাবি জানাচ্ছি আপনারা এ ব্যপারটির প্রতি দৃষ্টি দিয়ে আমাদের তথ্যকে হাতের মুঠোয় পৌছে দেওয়ার জন্য সুযোগ করে দিন।</p>
<p>বর্তমানে সব বানিজ্যিক ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্বভোগীর যে অধিক লাভ করার প্রবনতার বিস্তার তা বন্ধের জন্য গতিশীল এবং তথ্য ভিত্তিক ইন্টারনেটের গুরুত্ব অনেক অনেক বেশী । শুধু তাই নয় বিনোদন থেকে শুরু করে চিকিৎসা পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে অবাধ তথ্যই দিতে পারে সঠিক দিকনির্দেশনা আর যাতে কমে যাবে ভয়ানক হয়ে ওঠা দুর্নীতি নামক ব্যধির সঞ্চার ।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90463/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>মেট্রোরেলের উচ্ছিষ্ট টাকায় মতিঝিল-মিরপুর-১৪ রাস্তাটি এক বছরেই যানজটমুক্ত করা সম্ভব</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/25234</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/25234#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 22 May 2013 11:36:41 +0000</pubDate>
		<dc:creator>swapon mollal</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার2]]></category>
		<category><![CDATA[যানজটমুক্ত ঢাকা চাই]]></category>
		<category><![CDATA[সড়ক দুর্ঘটনা কি চলতেই থাকবে?]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=25234</guid>
		<description><![CDATA[রাস্তাটিতে যা যা বাস্তবায়ন করতে হবে: মতিঝিল থেকে গুলিস্তান, হাইকোর্ট, শাহবাগ, ফার্মগেইট, খামারবাড়ি, আগারগাঁও, রোকেয়া স্মরনী,মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর-১৪নম্বর পর্যন্ত রাস্তাটিকে সম্পূর্নরূপে যানজটমুক্ত করতে সর্বোচ্চ ১০টি ওভার পাস নির্মান করতে হবে এবং উক্ত রাস্তাটির কিছু অংশকে ওয়ানওয়ে রাস্তায় রূপান্তর করতে হবে। ওভারপাসগুলির দৈর্ঘ্য হবে গড়ে প্রায় ৩৫০মিটার এবং দুই লেইন বিশিষ্ট। ওভারপাসগুলির ৮টি হবে ইংরেজী &#8216;ইউ&#8217;টাইপাকৃতির<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/25234"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p><strong>রাস্তাটিতে যা যা বাস্তবায়ন করতে হবে:</strong> মতিঝিল থেকে গুলিস্তান, হাইকোর্ট, শাহবাগ, ফার্মগেইট, খামারবাড়ি, আগারগাঁও, রোকেয়া স্মরনী,মিরপুর-১০ হয়ে মিরপুর-১৪নম্বর পর্যন্ত রাস্তাটিকে সম্পূর্নরূপে যানজটমুক্ত করতে সর্বোচ্চ ১০টি ওভার পাস নির্মান করতে হবে এবং উক্ত রাস্তাটির কিছু অংশকে ওয়ানওয়ে রাস্তায় রূপান্তর করতে হবে। ওভারপাসগুলির দৈর্ঘ্য হবে গড়ে প্রায় ৩৫০মিটার এবং দুই লেইন বিশিষ্ট। ওভারপাসগুলির ৮টি হবে ইংরেজী &#8216;ইউ&#8217;টাইপাকৃতির এবং ২টি হবে সোজাকৃতির। </p>
<p>উপরোক্ত প্রতিটি ওভার পাসের সর্বোচ্চ নির্মান ব্যয় হবে গড়ে প্রায় ২৫কোটি টাকার মতো। এই ওভার পাসগুলির নির্মান স্থল হবে যথাক্রমে-বাংলামোটর ও রূপসিবাংলা হোটেল পর্যন্ত রাস্তায় একটি, হোটেল সোনার গাঁ হতে প্রথম আলো পত্রিকা অফিস পর্যন্ত রাস্তায় একটি, আগারগাঁও হতে শেওড়াপাড়া পর্যন্ত রাস্তায় দুইটি, কাজীপাড়া হতে মিরপুর-১০ গোলচক্কর পর্যন্ত রাস্তায় দুইটি, মিরপুর-১০ গোলচক্করে দুইটি, মিরপুর গোলচক্কর হতে পল্লবী পর্যন্ত রাস্তায় দুইটি। আর প্রথম ওয়ানওয়ে রাস্তাটি হবে মতিঝিল বিআরটিসি বাস কাউন্টার সংলগ্ন পেট্রোল পাম্প হতে শুরু হয়ে দক্ষিন দিক দিয়ে যাওয়া রাস্তাটি হোটেল পূর্বাণী ও বিমান অফিসের মাঝখান দিয়ে শিল্পভবন এর সামনে গিয়ে বামদিকে টার্ন নিয়ে রাজউক ভবনের পশ্চিম দিক দিয়ে গিয়ে যথাক্রমে গুলিস্তান, জিরোপয়েন্ট, গুলিস্তানমাজার, ঢাকা দক্ষিন সিটিকর্পোরেশন, বংগবাজার, রেলওয়ে হাসপাতাল, হাইকোর্ট মাজারগেইট, প্রেসক্লাব সংলগ্ন কদমফোয়ারা, মৎসভবন মোড়, শাহবাগ মোড়, রূপসিবাংলা হোটেল মোড়, মিন্টুরোড মোড়, রমনা পার্কের পূর্বপার্শ্বের রাস্তা হয়ে কাকরাইল মসজিদের সামনে দিয়ে আবার মৎস ভবন হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে দিয়ে গিয়ে পল্টন মোড়, দৈনিকবাংলা মোড় হয়ে আবার মতিঝিলের বিআরটিসি বাসকাউন্টার সংলগ্ন পেট্রোলপাম্পের উত্তরপ্রান্ত পর্যন্ত। <a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/SydneyMonorail1.jpg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/SydneyMonorail1.jpg" alt="" title="SydneyMonorail1" width="400" height="300" class="aligncenter size-full wp-image-90741" /></a></p>
<p>উক্ত রাস্তাটির মধ্যে আবার কিছু অংশ হবে টুওয়ে পদ্ধতির, যেমন, জনতাব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে বিমান অফিস পর্যন্ত, দৈনিকবাংলা মোড় থেকে শিল্পব্যাংক পর্যন্ত, জিরোপয়েন্ট থেকে শিক্ষাভবন পর্যন্ত, কদমফোয়ারা থেকে মৎসভবন পর্যন্ত রাস্তাগুলি হবে টুওয়ে পদ্ধতির। দ্বিতীয় ওয়ানওয়ে রাস্তাটি ফার্মগেইট পুলিশবক্স হতে শুরু হয়ে খামারবাড়ি হয়ে সংসদভবন ও মনিপুরীপাড়ার মাঝখান দিয়ে বিজয়স্মরনীর বিমানচত্বর হয়ে চীন মৈত্রীসম্মেলন কেন্দ্র হয়ে সোজা আগারগাও আইডিবি ভবনের দক্ষিন দিক দিয়ে পঙ্গুহাসপাতালের দিকের রাস্তা দিয়ে কিছদূর পর্যন্ত অগ্রসর হয়ে ডানদিকে টার্ন নিয়ে এলজিইডি ভবনের  সামনের রাস্তাদিয়ে গিয়ে কম্পিউটার সিটির উত্তরদিক দিয়ে গিয়ে আবার কম্পিউটার সিটি ও আইডিবি ভবনের পূর্বদিক দিয়া গিয়ে পুরাতন বিমান বন্দরের ভিতর দিয়া নির্মিত রাস্তা হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গিয়া আবার ডানদিকে টার্ন দিয়া সোজা ফার্ম গেইটের পুলিশবক্সের সামনে গিয়া শেষ হবে । বিজয় স্মরনীর বিমানচত্বর হতে রেংগসভবন সংলগ্ন স্বাধীনতা চত্বর পর্যন্ত রাস্তাটি হবে টুওয়ে পদ্ধতির।</p>
<p><strong>রাস্তাটি কিভাবে যানজট মুক্ত হবে:</strong></p>
<p>উপরে বর্নিত রাস্তাটিতে উপরোল্লিখিত ওভারপাস গুলি নির্মান এবং ওয়ানওয়ে পদ্ধতি বাস্তবায়ন করলে মতিঝিল থেকে মিরপুর-১৪ পর্যন্ত রাস্তাটির কোথাও আর ট্রাফিক সিগনালের কারনে গাড়ি থামাতে হবে না। ফলে গাড়ি নিয়ে উক্ত রাস্তায় বাধাহীনভাবে সমগতিতে মতিঝিল থেকে মিরপুর-১৪ পর্যন্ত যাতায়াত করা যাবে। ওভারপাস গুলির উপর দিয়ে রাস্তার বামলেনে চলাচলকারী গাড়িগুলি ডানলেনে যাবে এবং ডানলেনে চলাচলকারী গাড়িগুলি বামলেনে যাবে এবং চৌরাস্তাগুলির প্রধান সড়কের উপর ডিভাইডার স্থাপন করে আড়াআড়ি রাস্তা ক্রস করা বন্ধ করে দেওয়া হবে। ফলে সিগনাল দিয়ে একদিকের গাড়ি থামিয়ে রেখে আরেক দিকের গাড়ি চলাচল করতে দেওয়ার আর প্রয়োজন হবে না। ফলে রাস্তায় গাড়ি জমে যানজট সৃষ্টির আর কোন সুযোগ থাকবে না। </p>
<p>আর যে সমস্ত রাস্তাগুলিকে ওয়ানওয়ে রাস্তায় রুপান্তর করা হবে, সেই রাস্তাগুলির কোথাও আর কোন ক্রসিং পয়েন্ট থাকবে না। ফলে ঐ সকল রাস্তাগুলিতে আর ট্রাফিক সিগনাল পদ্ধতিতে গাড়ি নিয়ন্ত্রনের প্রয়োজন হবে না এবং ঐ রাস্তাগুলি দিয়া গাড়িগুলি সম্পূর্ন বাধাহীনভাবে চলাচল করতে পারবে। ফলে ওয়ানওয়ে রাস্তায় গাড়িগুলির যানজটে পড়ার আর কোন সুযোগই থাকবে না ।</p>
<p><strong>যেহেতু এই পথে মেট্রোরেল হবে, তখন এর কি দরকার?</strong><br />
<strong>কারন</strong>: মেট্রোরেলের কাজ শুরু হবে ২০১৯ সালে, আর শেষ হবে ২০২৪ সালে অর্থ্যাৎ এই মেট্রোরেল থেকে সুবিধা পেতে হলে আপনাকে কমপক্ষে অপেক্ষা করতে হবে প্রায় ১১ বৎসর । এই দীর্ঘকালে কি এই রাস্তায় চলাচলকারীদের আরো বেশী যানজটের সম্মুখীন হতে হবে না? যদি কোন সহজ উপায়ে এই যানজট দূর করা যায়, তবে কেন আমরা এতো দীর্ঘকাল যানজটের কারনে কষ্ট ভোগ করব? আমার দেওয়া ফর্মূলা অনুযায়ী উক্ত রাস্তার যানজট দূর করতে মাত্র প্রয়োজন হবে সর্বসাকুল্যে ২৫০কোটি থেকে ৩০০কোটি টাকা, যা মেট্রোরেলের প্রাক্কলিত নির্মান খরচের (প্রায় ২১হাজার কোটি টাকার) উচ্ছিটের চেয়েও কম। আর সময় লাগবে মাত্র এক বছর। এতো অল্প টাকায় যেহেতু উক্ত রাস্তাটিকে সম্পূ্র্ন যানজটমুক্ত করা সম্ভব, তখন কেন আমরা এই সুযোগটা গ্রহন করব না?</p>
<p><strong>মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন সমস্যা হবে কি?</strong></p>
<p>উত্তর: না, কোন সমস্যা হবে না । কারন, মেট্টোরেলের জন্য যে পথটি নির্মান করা হবে, তা রাস্তা থেকে প্রায় ৬০ফুট উপরে হবে, আর ওভারপাসগুলির জন্য প্রয়োজন মাত্র ৩০ফুট উচ্চতা । আর মেট্রোরেলের জন্য যে পিলারগুলি নির্মান করা হবে, সেই পিলারগুলির ফাকে ফাকেই ওভারপাসগুলি নির্মান করা সম্ভব।</p>
<p><strong>বি:দ্র:</strong>যানজট নিরসনের আমার এই প্রস্তাবটির প্রয়োজনীয় নির্দেশনামূলক নকশাটি আমার ফেইসবুক পেইজে দেওয়া আছে, যা থেকে কিছুটা বাস্তব ধারনা আপনারা পেতে পারেন। নকশাটিতে ঢাকামহানগরীর প্রায় আশিভাগ এলাকার যানজট নিরসনের ধারনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। নকশাটিতে তীর চিহ্নের সাহায্যে গাড়ির গতিপথ বুঝানো হইয়াছে । নীচে আমার ফেইসবুক আইডিটা দেওয়া হলো:http://www.facebook.com/asad.rahman.7906</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/25234/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>1</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>অচীনপুরের গল্প ও রুদ্রমূর্তির বাংলাদেশ</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90604</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90604#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 22 May 2013 11:25:34 +0000</pubDate>
		<dc:creator>নূরুল ইসলাম</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=90604</guid>
		<description><![CDATA[ভবঘুরে যুবক চলতি পথে একদা পৌঁছে গেলেন বিচিত্র এক দেশে। পথের মধ্যে জটলা পাকানো মানুষের বাক-বিতন্ডা দেখে থমকে দাঁড়ালেন কৌতুহলী যুবক। শুনতে পেলেন, ‘না না আমি রাজা হবো না, এবার তুমি হও।’ অন্যজন বলছে, ‘না ভাই, এ বছরের জন্য তুমিই রাজা হও।’ যুবক ভাবলেন, বেকুব নাকি এদেশের মানুষ! রাস্তার, ধারে জটলা পাকিয়ে কিনা সংলাপ চালায়<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90604"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>ভবঘুরে যুবক চলতি পথে একদা পৌঁছে গেলেন বিচিত্র এক দেশে। পথের মধ্যে জটলা পাকানো মানুষের বাক-বিতন্ডা দেখে থমকে দাঁড়ালেন কৌতুহলী যুবক। শুনতে পেলেন, ‘না না আমি রাজা হবো না, এবার তুমি হও।’ অন্যজন বলছে, ‘না ভাই, এ বছরের জন্য তুমিই রাজা হও।’ যুবক ভাবলেন, বেকুব নাকি এদেশের মানুষ! রাস্তার, ধারে জটলা পাকিয়ে কিনা সংলাপ চালায় কে রাজা হবেন! এদের কি লুইকানের অমর স্থাপনা নেই? না জানি কোন্ ফকিরের দেশে এসে পড়লাম! পরম আরাধ্য রাজাও নাকি হবে না! ভাবলেন, তার দেশে দেশ চালানোর দায়িত্ব পাওয়ার জন্য এখন রুদ্রমূর্তি ধারণ করে আছেন কর্তারা। </p>
<p>ইতোমধ্যে এক মাসের জন্য সভা-সমাবেশের নিষিদ্ধের ঘোষনা দিয়েছেন মন্ত্রী। অনেকটা অঘোষিত জরুরী অবস্থা চলছে দেশে। যুবক কৌতুহলে বলেই ফেললেন, ‘কি ভাই, আপনাদের এত ঝগড়া কেন, সবাই বলছে রাজা হবেন না; কি সমস্যা একটু শুনতে পারি?’ কান পাতলা একজন বলেই ফেললেন, ‘আপনাকে সমস্যা জানিয়ে কি লাভ আমাদের? সমস্যা কি আপনি সমাধান করে দিতে পারবেন?’। মুক্তিযুদ্ধে পাকসেনাদের তাড়ানো টাইগারের উত্তরসুরী বুকে সাহস রেখে মুখের উপর বলে দিলেন, ‘হ্যাঁ, কথা দিলাম সাহায্য করবো।’ মূহুর্তেই তর্কাতর্কি রূপ নিল পিন পতন নিস্তব্ধতায়। এক জন বলে দিলেন, ‘আমাদের এখানে আগামী বছরের জন্য কেহ রাজা হতে চাচ্ছেন না। এ নিয়ে ঝগড়া হচ্ছে। এবার বলেন আপনি আমাদের রাজা হবেন?’ </p>
<p>বিচিত্র সমস্যা শুনে যেন আকাশ থেকে পড়লেন যুবক। ষষ্ঠ ঈন্দ্রিয় কাজে লাগিয়ে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ আমি রাজা হবো।’ সবাই খুশিতে হাত তালি দিলেন। এবার যুবককে বুঝিয়ে দেয়া হলো রাজা বিষয়ে তাদের নিয়ম কানুন। এক বছরের জন্য রাজা নির্বাচন করা হয় সে দেশে। রাজা হলে রাজকীয় সব জৌলুসে তিনি রূপায়িত হন পুরো এক বছর। সবাই রাজার অনুগত থাকেন। কোন বিশৃংখলা কিংবা না পাওয়ার হাহুতাস থাকে না আপামর জনসাধারণের। সমস্যা হচ্ছে অন্য জায়গায়, এক বছরের রাজত্ব যে দিন শেষ হবে, সেদিন তাকে বেত দিয়ে মারতে মারতে রাজকীয় পোষাক খুলে নেওয়া হয়। শিউরে উঠার পালা যুবকের! তার দেশের প্রধানকে কিংবা সরকারের পদস্থ কাউকে হুমকি দেওয়ার পরদিনই হুমকি দাতাকে চার দেয়ালে নেওয়া হয় এবং এটি সে ভাল উদ্যোগ হিসেবেই গ্রহণ করেছে। কিন্তু আফসোস, আল্লাহ ও তারঁ রাসুল (সাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি করা যুবকরা থাকে বহাল তবিয়তে। ধর্মপ্রেমী মানুষের চাপে পড়ে এক সময় হয়তোবা তাদের কাউকে কাউকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু আইনের ফাঁক ফোকর দিয়ে ঠিকই বেরিয়ে আসে শুভ’রা। অসুন্দরকে বাঁচানোর পক্ষে তার দেশের আইনে এত ফাঁক ফোকর কেন! দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে যুবক। </p>
<p>রীতি অনুযায়ী তারপর মারতে মারতে রাজাকে নেওয়া হয় এমন এক দ্বীপে যেখানে থাকার কোন ঘর নেই, নেই কোন পানীয় জলের যোগান, আবার সম্বিৎ ফিরে পায় যুবক। শুনতে পায়, সে দ্বীপে তাদের রাজা অনাহারে ধুকে ধুকে মরে! এক বছরের নরম গদি ও তাবৎ ক্ষমতার জন্য ভবিষ্যতের এহেন উপহার কে নেবে বলেন! তাই আমাদের এখানে কেহ রাজা হতে চায় না। মনছবিতে আবার হারিয়ে যায় যুবক। ঘরে ঘরে চাকরি দেওয়া কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়ে যারা তারুণ্যের হৃদয় জয় করেছেন, ১০ টাকায় চাল দেবার কথা বলে যারা গরীবের ক্ষুধার্ত মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন, সে দেশের স্বপ্নে বিভোর সাধারণ মানুষদের স্বপ্নগুলো এখন অনেকটা ফিকে হয়ে গেছে। এসব কি কর্তাদের বিবেককে নাড়া দেয়? যুবকের মনে তথ্যগুলো ঢেউ খেলে যায়। হয়তো প্রতারণা শিখে শিখে বড় হওয়া যুবক ভাবলেন, দে না ক্ষমতা! ভাতের উপর চাপ কমাতে আলু খাওয়াবো তোদের! ক্ষমতা ছাড়াবি আমায়! প্রতিবাদী মানুষদের কিভাবে ঢাকা ছাড়া (মতান্তরে দুনিয়া ছাড়া) করতে হয় ঢের জানা আছে আমার! আমি রাজা হবো, মুখের উপর বলে দিলেন যুবক! </p>
<p>রাজকীয় পোশাক পরিয়ে যথাযোগ্য সম্মানের সাথে যুবককে বসানো হলো সিংহাসনে। রাজ্য শাসন চলছে নিয়ম মতোই। সুখের দিন পার করছেন আমাদের রাজা। একদা ঘুম থেকে উঠে সিংহাসনে আসীন রাজা দেখতে পেলেন লোকজন দল বেঁধে লাঠি সোটা নিয়ে সিংহাসনের দিকে ধেয়ে আসছে। দেখতে দেখতে এক বছরের রাজত্বকাল কি তবে ফুরিয়ে গেলো, টেরই পায়নি যুবক। যথারীতি রাজাকে কান ধরে সিংহাসন থেকে নামানো হলো। এর পর মারতে মারতে খুলে নেওয়া হলো রাজকীয় পোশাক। নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সেই অচীন পুরে যেখানে গেলে তাকে সাহায্যের জন্য কাউকে তিনি পাবেন না। দেশের পুলিশেরা যে মোটা বেত দিয়ে কদাচিৎ প্রতিবাদী সাধারণ মানুষদের নির্দয়ভাবে পিটান সেই সাইজের লাল বেত দিয়ে আমাদের যুবককে মারা হচ্ছে। অথচ কি আশ্চর্য যুবক হাসছে! মারের পরিমান যতই বাড়ছে ততই বাড়ছে যুবকের হাসির ফোয়ারা। রহস্য বুঝে উঠতে পারেন না কেউ। অভূতপূর্ব এই পরিবেশে ত্যক্ত বিরক্ত বেসামাল যুবকদের গণপিঠুনি বাড়ছেই। </p>
<p>অচীন পুরের পথে রাজাকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে কাফেলা। পথিমধ্যে এক বুদ্ধিমান মানুষের নজরে এলো তাদের বার্ষিক রীতির প্রতিক্রিয়ায় যুবকের হাসাহাসি। যুবককে থামানো হলো। ‘আপনি কি জানেন, আপনাকে কোথায় নেওয়া হচ্ছে?’ খুব জানি, সপ্রতিভ উত্তর যুবকের। আমাকে নেওয়া হচ্ছে সেই নির্জন দ্বীপে যেখানে খাদ্য পানির কোন ব্যবস্থা নেই, আরামের কোন ঘর নেই। আমাকে নেওয়া হচ্ছে সেই দ্বীপে যেখানে গেলে ধুকে ধুকে মরতে হয়। ‘তারপরও আপনি হাসছেন কেন?’ এবার রহস্য জানানো শুরু করলেন যুবক। এক বছরের রাজত্বকালীন আমার মনে ছিল ক্ষমতা শেষে আমাকে সেই অচীন পুরে রেখে আসা হবে। আমি জানতাম, আমার রাজকীয় পোশাক খুলে নেওয়া হবে। তাই রাজত্ব করার সময় এ দেশের সবচে’ ভাল মানের দর্জি দিয়ে মসলিনের কাপড় বানিয়ে আমি সেই নির্জন দ্বীপে পাঠিয়েছি। আমি জানতাম, সেখানে আমার জন্য কোন খাদ্য থাকবেনা। তাই আমি সর্বাধুনিক বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ঐ দ্বীপে আমার জন্য চিনিগুড়ার চাষাবাদ করেছি, এখানকার প্রাজ্ঞ কৃষকদের ওখানে পাঠিয়ে আমি সব ধরনের খাদ্যদ্রব্যের উৎপাদন করিয়েছি। আমি জানতাম ওখানে আমার জন্য কোন ঘর থাকবে না। তাই আমার পরিনতির কথা চিন্তা করে দেশের বুদ্ধিমান ও চৌকষ ইঞ্জিনিয়ারিং দল পাঠিয়ে ওখানে আমার জন্য বানিয়েছি সুরম্য অট্টালিকা। </p>
<p>ভাবার অবকাশ নেই এটি বাংলাদেশের রানা প্লাজা’র মতো ধ্বসে পড়ে হাজারের বেশি মানুষের প্রাণ পাখি উড়িয়ে দেবে। আমি জানতাম অচীন দ্বীপে যাওয়ার জন্য আমাকে জাহাজে তুলে দেওয়া হবে। তাই আমি প্রাজ্ঞ জাহাজ তৈরীকারক দল পাঠিয়ে আমার জন্য বানিয়েছি উত্তাল সাগর পাড়ি দিতে সক্ষম ‘জাহাজ ই সিন্দাবাদ’। যেহেতু এটি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই তাই ‘আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে’ বলে আফসোস করার জো নেই। জানতাম সেখানে কোন বিদ্যুৎ থাকবে না। ভয় পাবেন না আপনাদেরকেও প্রলোভন দেখিয়ে সেখানে নিয়ে যাবো আর রাতের আধারে পিষে মারবো। ওখানে আমি বিদ্যুৎ বিভাগের চৌকষ দল পাঠিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছি। আলোয় ঝিলমিল সে অচীনপর আমাকে বরণের জন্য মুখিয়ে আছে। আমি বিশ্বাস করি, ওপারের আরাধ্য সুখের কাছে আপনাদের এ জাগতিক সুখ অবর্ণনীয় ফিকে। অথচ আমরা অনেকেই ক্ষমতার অশুভ প্রতিক্রিয়ায় অচীন পুরের কথা ভুলে যাই। আমি চললাম, বিদায়! </p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/90604/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>হ্যালো বন্ধুরা- শোনেন গার্মেন্টস কর্মীদের করুন জীবন কাহিনী!</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89706</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89706#comments</comments>
		<pubDate>Wed, 22 May 2013 10:09:20 +0000</pubDate>
		<dc:creator>শাহিন (shopnoshiri)</dc:creator>
				<category><![CDATA[ফিচার1]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=89706</guid>
		<description><![CDATA[বলতে পারেন তারা কি খায় দুপুরে? খুব অবাক লাগছে হঠাৎ এই প্রশ্ন শুনে? অবাক হবার কথা, কিন্তু যা আপনাদের বলব, এটাই সত্যি। যে মেয়েরা দিন রাত পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে যাদের উছিলায় ব্যাঙ্ক, বীমা, শিপিং লাইন্স, ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি চলে তারা দুপুর কী খায় তা আপনাদের জানার অধিকার রয়েছে। সুইং অপারেটর যারা সেলাই করে<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89706"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বলতে পারেন তারা কি খায় দুপুরে? খুব অবাক লাগছে হঠাৎ এই প্রশ্ন শুনে? অবাক হবার কথা, কিন্তু যা আপনাদের বলব, এটাই সত্যি। যে মেয়েরা দিন রাত পরিশ্রম করে দেশের অর্থনীতি সচল রাখে যাদের উছিলায় ব্যাঙ্ক, বীমা, শিপিং লাইন্স, ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি চলে তারা দুপুর কী খায় তা আপনাদের জানার অধিকার রয়েছে।</p>
<p>সুইং অপারেটর যারা সেলাই করে তাদের মাসিক বেতন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। তারা নিয়মিত ভাতের সাথে একটা ভাজি খায় কখনো কখনো ভাজির বদলে ভর্তা খায়। তারমানে তারা একই সাথে ভর্তা ভাজি খেতে পারে না। আপনারা হয়ত ভাবছেন ভর্তার সাথে ডাল অথবা ভাজির সাথে ডাল হলে তো খাওয়াটা খারাপ হয় না। কিন্তু আপনারা জেনে অবাক হবেন যে তাদের বেশিরভাগ ডাল খায় না মানে ডাল কেনার সামর্থ্য নেই। তারমানে ওদের খাবার শুধুমাত্র ভর্তা+ভাত আর ডালের পরিবর্তে অনেকে লবন পানি মেশায় যাতে খাওয়াটা গলা দিয়ে নামে। শুকনো খাবার সহজে গলা দিয়ে নামে না।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/21145_6096513.jpg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/21145_6096513.jpg" alt="" title="21145_6096513" width="400" height="309" class="aligncenter size-full wp-image-90629" /></a></p>
<p>যেসব অবিবাহিত মেয়েদের বেতন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা তারা টাকা পেয়ে প্রথমে বাড়ি ভাড়া দেয়, আশুলিয়া অঞ্চলে সিট ভাড়া ১০০০ টাকার নিচে নেই। ছেলেরা যেকোন স্থানে থাকতে পারে কিন্তু মেয়েরা একটু নিরাপদে থাকতে চায়। এজন্যই ওদের একটু বেশি ভাড়ায় থাকতে হয়। যে আইটেমের খাবারের কথা বলেছি এই আইটেম আপনি যদি নিজে রান্না করেন তাহলেও কম হলেও বিশ থেকে পঁচিশ টাকা খরচ হবে। তাহলে ঘুরে ফিরে মাসে দুই হাজার টাকা খাওয়ার পেছনে চলে যাবে। এইসব মেয়ের প্রত্যেকের টার্গেট থাকে মাসে কপক্ষে দুই হাজার টাকা বাড়িতে পাঠাবে, তা না হলে বাড়ির লোকজন কষ্টে থাকবে।</p>
<p>এক মেয়েকে লাঞ্চে কখনো খেতে দেখতাম না অথচ সে লাঞ্চের সময় ফ্যাক্টরিতেই থাকে। যারা লাঞ্চের সময় ফ্যাক্টরিতে থাকে তারা সাধারণত খাবার নিয়ে আসে। বাকিরা বাসায় গিয়ে ভাত খায়। ঐ মেয়েকে জিজ্ঞেস করলাম এ ব্যপারে। সে উত্তরে জানাল দুপুর হলে সে পাঁচ টাকার বাদাম খায়। বাদাম খেলে নাকি খিদা লাগে না। সন্ধ্যা সাতটায় ছুটি হলে বাসায় গিয়ে রাতের খাবার খায়। সকালে বাসা থেকে বেশি করে খেয়ে আসে যাতে দুপুরে সহজে খিদা না লাগে।</p>
<p>একজন মানুষ সকাল সাত টায় যতই পেট ভরে খাক কাজ করতে করতে দুপুর একটায় তার ভাল খিদা লাগবে। মেয়েটার কথায় যুক্তি নেই। অবশ্য যুক্তি থাকলেও কিছু করার নেই, কারণ তার বাড়িতে বাবা অসুস্থ, ইনকাম করতে পারে না। এই মেয়েকে বাড়িতে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমান টাকা পাঠাতে হয়। এই টাকা পাঠাতে হলে তাকে একবেলা না খেয়ে কাটাতে হয়।</p>
<p>সন্ধ্যা সাতটার পর ডিউটি করলে যেকোন ফ্যাক্টরি টিফিন দেয়। সেই টিফিন হল সাধারন এক পিস বন রুটি, একটা কলা আর একটা সেদ্ধ ডিম। ফ্যাক্টরি টু ফ্যাক্টরি ভেদে এই টিফিন ভিন্ন হয়। এই টিফিন খেয়ে তাদের ৯টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়। অনেকে আছে এই টিফিন খেয়ে রাতে আর ভাত খায় না শুধু টাকা বাঁচানোর জন্য। আবার অনেকে এই টিফিন বাসায় নিয়ে যায়। টিফিনের সময় পেট ভরে পানি খায়। বাসায় গিয়ে রাতে ভাতের বদলে এই টিফিন খায়। কিছু মেয়ে দেখেছি যারা সকালে বাসায় কিছু খায় না ফ্যাক্টরিতে ভাত নিয়ে আসে। এই ভাত তারা এগারটার দিকে দশ মিনিট ছুটি নিয়ে খায়। তাতে সকালের খাবার হল আর দুপুরের খাবারও হল। এটা হল বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের একটা অংশের খাদ্য তালিকা।</p>
<p>কিছু বিশেষ কারনে নিজে লেখার সুযোগ হচ্ছে না তবে নিজে যা বলতে চাই তার কাছাকাছি কিছু লেখা সংগ্রহ করে প্রকাশ করছি। </p>
<p>ধারাবাহিক সংগ্রহ পর্ব-২। লেখাটি সংগ্রহ করা হয়েছ<br />
Emon Rafiqul এর পোস্ট থেকে.</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89706/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আত্মহত্যা : মৃত্যুই কি একমাত্র সমাধান?</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/88988</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/88988#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 21 May 2013 08:04:07 +0000</pubDate>
		<dc:creator>প্রীতি রাহা</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>
		<category><![CDATA[আত্মহত্যা]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=88988</guid>
		<description><![CDATA[স্কুল জীবনে অল্পসময়ের জন্য স্কাউটে যোগ দেবার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই সময়ে কয়েকজন সিনিয়রের সাথে পরিচয় হয়েছিল। বড় আপুরা ভীষণ ভালো ছিলেন। একদিন শুনলাম সেই আপুদের মধ্যে একজন আত্মহত্যা করেছেন। কারণ শুধুমাত্র ইভটিজিং। তখনকার সময়ে এ বিষয়টি নিয়ে মানুষ ততটা সজাগ ছিল না যতটা এখন আছেন। পরবর্তীতে একাদশ শ্রেণীতে ওঠার তিন মাসের মাথায় আমাদের এক নাম<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/88988"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>স্কুল জীবনে অল্পসময়ের জন্য স্কাউটে যোগ দেবার সুযোগ পেয়েছিলাম। সেই সময়ে কয়েকজন সিনিয়রের সাথে পরিচয় হয়েছিল। বড় আপুরা ভীষণ ভালো ছিলেন। একদিন শুনলাম সেই আপুদের মধ্যে একজন আত্মহত্যা করেছেন। কারণ শুধুমাত্র ইভটিজিং। তখনকার সময়ে এ বিষয়টি নিয়ে মানুষ ততটা সজাগ ছিল না যতটা এখন আছেন। পরবর্তীতে একাদশ শ্রেণীতে ওঠার তিন মাসের মাথায় আমাদের এক নাম না জানা, মুখ না চেনা সহপাঠী আত্মহত্যার সংবাদ নিজেদের মনকে ভারী থেকে ভারীতর করেছে। এই শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার কারণ সম্পূর্ণরূপে ব্যাক্তিগত রয়ে গেছে। তার জন্য সেদিন শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা শোক সভার আয়োজন করেছিলেন। সেখান থেকে বের হয়ে আমার চোখে জল দেখে আমার এক বান্ধবী বলেছিল যে নিজের জীবনের মায়া করে না; তার জন্য কাঁদতে নেই। তখন মনে মনে ভেবেছিলাম, কত কঠিন কথা; কতটা সহজে হয়ে গেল বলা।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/attohotta.gif"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/attohotta.gif" alt="" title="attohotta" width="300" height="200" class="aligncenter size-full wp-image-89572" /></a></p>
<p>আচ্ছা আপনাদের কি সেই মেয়েটার কথা মনে আছে? একটি পত্রিকার সাহিত্য কমিটির সক্রিয় সদস্য ছিল সে। সংস্কৃতিমনা, সদালাপী ও সদা হাস্যময় এই মেয়েটির আত্মহত্যার কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি। মেয়েটি মৃত্যুর আগের দিনেও যার যা বোঝানোর দরকার, যাকে যা দেবার প্রয়োজন তাকে তা দিয়ে নিজের দায়িত্বগুলো সম্পন্ন করে গেছে। পরের দিন বন্ধুদের সাথে নিজের সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনার কথা ছিল। যা আর করা হয়নি অথবা করতে চায়নি। এক্ষেত্রে কি মনে হচ্ছে আত্মহত্যাটি পরিকল্পিত ছিল? এর উত্তর আমাদের জানা নেই। এক অভিনব কায়দায় সে তা সম্পন্ন করেছিল। তার বন্ধুদের দাবী সে আত্মহত্যা করতে পারে না। পরবর্তীতে এ নিয়ে কোন তদন্ত হতে দেখা যায়নি।</p>
<p>কয়েক বছর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছিলেন। যার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল আর্থিক অস্বচ্ছলতা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতকে। ঘটনার দিন বিকালে সে বাজার থেকে দড়ি কিনে নিয়ে এসেছিল। সে এই দড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসার সময় তার পরিচিতদের অনেকেই লক্ষ্য করেছিল। কিন্তু কেউ কোন ব্যবস্থা নেইনি। আসলে ব্যস্ততা নামক একধরণের ব্যাধিতে বর্তমানকালের মানুষেরা আক্রান্ত। এই ব্যাধির কারণেই আমরা কাউকে নিয়ে চিন্তা করতে পারি না। কারো ভালো চাওয়ার, কারো ভালো ভাবার সময় আমাদের কই? আমরা তো সময়ই করে উঠতে পারি না। অথচ হিসেব করে দেখবেন, দিনে কতটা সময় নিজের পেছনে অযথা ব্যয় করছেন। ঐ অযথা ব্যয় করা সময়ের অল্প কিছুটাও কি মানুষের ভালোর জন্য ব্যয় করা যায় না?</p>
<p>১৯ এপ্রিল, ২০১২ একটি মেয়েআত্মহত্যা করেছিল। যার চিরকুটে লেখা ছিল, &#8216;আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। আমি আর সহ্য করতে পারছি না&#8217;। তার মৃত্যুর একমাত্র কারণ, তার একমাত্র বড় ভাইয়ের মৃত্যু। আত্মহত্যার দেড় বছর আগে তার বড় ভাই আমেরিকার একটি সুইমিং পুলে ডুবে মারা গিয়েছিলেন। ভাইয়ের মৃত্যুশোক সহ্য করতে না পেরে সে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিল। পুত্রশোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই কন্যাশোকে বাবা-মায়ের কি অবস্থা তা আমরা জানি না। তবে প্রত্যক্ষভাবে না জানলেও একজন মানুষ হিসেবে বুঝতে পারি, সন্তানদের হারিয়ে বাবা-মায়ের কি অবস্থা হতে পারে।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/Suicide-sm2010123.jpg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/Suicide-sm2010123.jpg" alt="" title="Suicide-sm2010123" width="352" height="250" class="aligncenter size-full wp-image-89573" /></a></p>
<p>বাংলাদেশে আত্মহত্যা’ একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যার নাম। পৃথিবীর অন্যান্য দেশে সাধারণত বয়স্ক পুরুষেরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেও আমাদের দেশের চলন কিন্তু এক্ষেত্রে ভিন্ন। আত্মহত্যার ওপর দেশব্যাপী কোন জরিপ পরিচালনা করা সম্ভব না হলেও বিভিন্ন জেলায় তা এরই মাঝে সম্পন্ন করা হয়েছে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য মতে, বাংলাদেশে বাৎসরিক আত্মহত্যার হার প্রতি লাখে ৮ &#8211; ১০ জন। বাংলাদেশের আত্মহত্যার সর্বোচ্চ হার পরিলক্ষিত হয় ঝিনাইদহ ও যশোর জেলায়। বিভিন্ন সমীক্ষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে এ জেলাগুলোয় বাৎসরিক আত্মহত্যার হার প্রতি লাখে ২৯ &#8211; ৩৩ জন। এ জেলা দুটিতে আত্মহত্যার প্রধান কারণ যৌতুক, পারিবারিক অশান্তি ও দারিদ্রতা। ২০০৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক হিসাব থেকে দেখা যায়, পৃথিবীতে প্রতি বছর ১০ লাখ মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। প্রতি বছর বিশ্বে যত মানুষ আত্মহত্যা করে তার ৩০ শতাংশই ভারত উপমহাদেশের। </p>
<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালগুলোর জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের ২০ শতাংশই আত্মহত্যার চেষ্টা করে জখম হওয়া বা এই কারণে অসুস্থ হওয়া। হাসপাতালে আনার পরও অনেককেই বাঁচানো সম্ভব হয় না। ২০১০ সালের ১১ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনটি তৎকালীন সময়ে গ্রামীণ জনপদে প্রচালিত একটি সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরী করা হয়েছিল। যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ বিভাগ ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গা জেলার মোমিনপুর ইউনিয়নে এ গবেষণা চালানো হয়েছিল। এর ব্যাপ্তিকাল ছিল ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল । এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল যে, দেশের প্রায় ৬৫ লাখ মানুষ আত্মহত্যার ঝুঁকিতে রয়েছে। আত্মহত্যার প্রবণতাসম্পন্ন মানুষের মধ্যে প্রতি লাখে আত্মহত্যা করে ১২৮ দশমিক ৮ জন। এদের ৮৯ শতাংশই নারী। </p>
<p>এক্ষেত্রে উল্লেখ্য, আমাদের দেশে আত্মহত্যাকারীদের ৮২ দশমিক ৯ শতাংশই কিশোর ও তরুণ বয়সী এবং এরা অবিবাহিত। এই আত্মকারীদের বেশির ভাগের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছর। তবে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে আত্মহত্যার প্রবণতা বেশি বলে এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে আরোও উল্লেখ করা হয়, নিকটজনদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ওভাব, প্রেমের সম্পর্ক, প্রেমে প্রতারিত আর্থিক অনটন, পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়া-সহ দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা আত্মহত্যার অন্যতম কারণ। বিবাহিতদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ থেকে আত্মহত্যার প্রবণতাও বেশি। আরোও উল্লেখ্য যে, এই এলাকায় জরিপকালীন সময়ে যতগুলো আত্মহত্যা সম্পন্ন হয়েছে তার ৬৩ শতাংশই ঘটেছে পারিবারিক কলহের কারণে।<br />
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিকভাবে বিপর্যস্তদের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশই আত্মহত্যা করে থাকে। গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরাঞ্চলে এর হার বেশি। তাদের মতে দেশের ৬৪ লাখ মানুষ আত্মহত্যার ঝুঁকিতে বসবাস করছে। যে সংখ্যক মানুষ আত্মহত্যা করে এর ১০ গুণ বেশি মানুষ আত্মহত্যার চেষ্টা করে থাকে। আত্মহত্যা করবে বলে চিন্তা করে থাকে এরও ১০ গুণ মানুষ। তাদের মতে, ব্যাক্তিগত সম্পর্ক, পারিবারিক অশান্তি ও কর্মক্ষেত্রের সমস্যায় বিপর্যস্ত হওয়ার কারণেই বেশিরভাগ মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। তাদের মতে, ভবিষ্যতে আরো ব্যাপকভাবে গবেষণা চালানোর মাধ্যমে সে তথ্যানুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করলে আত্মহত্যার এই হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।</p>
<p>বেশ কয়েক মাস আগে হেমলক সোসাইটি’ নামে একটি ভারতীয় বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছিল। এই সিনেমার ‘এখন অনেক রাত’ গানটি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিখ্যাত। যারা বাংলা সিনেমা দেখতেন না তারাও এই গানটি শোনার পর থেকে ছবিটি দেখার প্রতি উৎসাহ প্রকাশ করেছেন। ছবিটির মূল বিষয় আত্মহত্যা’। এটি ঠিক আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়া নয়; বরং কৌশলে আত্মহত্যা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে শিক্ষা দিয়েছে। আসলে কোন মানুষই সম্পূর্ণরূপে সুখী নয়। সুখ-দুঃখ নিয়েই তো মানুষের জীবন। আর হার-জিত সবসময়ই থাকবে। কাউকে জেতানোর জন্য, কাউকে না কাউকে হারতেই হবে। তবে পাওয়া জিনিস হারানোতে ভীষণ দুঃখ, ভীষণ কষ্ট। এই দুঃখ সহ্য করা খুব কঠিন। এই মূহুর্তে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর এই বাণীটি মনে এসে গেল &#8211; সত্য যে কঠিন কঠিনেরে ভালবাসিলাম/ সে কখনো করে না বঞ্চনা ছোটবেলায় আমার বাবা বলেছিলেন, শোককে শক্তিতে পরিণত করতে হয়। </p>
<p>আমার মনে হয়, আসলে জীবন মানেই যুদ্ধ। এখানে যুদ্ধ করেই টিকে থাকতে হয়। জীবন একটা চলার পথ। সত্যিকারের চলার পথে যেমন অলি-গলি থাকে, আমাদের জীবনেও তেমন আছে। আর চলার পথটাও খুব একটা মসৃণ হয় না। আরেকটি বিষয় উত্থান-পতন না থাকলে আসলে জীবনের মানেটাই ঠিক থাকে না। ছোট্ট শিশুরা যখন হাঁটতে শিখে তখন বার বার চেষ্টা করে, যেমন করে আমরাও চেষ্টা করেছি। এখন তো আমরা নিজের পায়েই হাঁটি। তবে কেন মরণের চিন্তা। একটুখানি চাপ সহ্য করতে না পারলেই কেন মনে হবে, মরে যাওয়াটাই শ্রেয় মারা যাওয়াটাই জীবনের একমাত্র সমাধান হতে পারে না। </p>
<p>আত্মহত্যা করা মানেই আপনি জীবনের কঠিন বাস্তবতার কাছে হেরে গেলেন। জীবিত থাকাটা একটা যুদ্ধ। যুদ্ধ করে বেঁচে থাকার মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত সুখ। স্বেচ্ছামৃত্যুকে গ্রহণ করে জীবনের ইতি টানার মধ্যে কোন সুনাম নেই। আছে শুধু কষ্ট দেয়া-নেয়ার এক অন্তিম অধ্যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর সঞ্চয়িতা কাব্যগ্রন্থ থেকে ‘প্রাণ’ শীর্ষক কাব্যের দুটি লাইন উল্লেখ করছি &#8211; মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/88988/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>3</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title> ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? &#8211; হঠকারী সিদ্ধান্তটি বাতিল করুন</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89561</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89561#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 21 May 2013 07:58:05 +0000</pubDate>
		<dc:creator>বদলে যাও বদলে দাও</dc:creator>
				<category><![CDATA[রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=89561</guid>
		<description><![CDATA[রাজধানী ঢাকায় আগামী এক মাস কোনো দলকে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর কী যুক্তি ও কোন আইনের বলে এ ঘোষণা দিলেন? গত রোববার তিনি যখন এ ঘোষণা দেন, তখন কি বিস্মৃত হয়েছিলেন যে বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের সভা-সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে? অথবা তিনি ও তাঁর<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89561"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানী ঢাকায় আগামী এক মাস কোনো দলকে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হবে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর কী যুক্তি ও কোন আইনের বলে এ ঘোষণা দিলেন? গত রোববার তিনি যখন এ ঘোষণা দেন, তখন কি বিস্মৃত হয়েছিলেন যে বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের সভা-সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে? অথবা তিনি ও তাঁর সরকার কি মনে করছেন যে তাঁরা ইচ্ছা করলেই জনগণের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিতে পারেন?</p>
<p>বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদে পরিষ্কার ভাষায় লেখা রয়েছে: ‘জনশৃঙ্খলা ও জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হইবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।’ রাজধানীতে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার এই সিদ্ধান্ত জানানোর সঙ্গে সঙ্গে সরকার বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কর্তব্য ছিল, কী কারণে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা জনসাধারণকে ব্যাখ্যা করে বলা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একটি ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই বলে যে, রাজনৈতিক দলগুলোর সভা-সমাবেশের সময় ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও ইত্যাদি দুর্বৃত্তপনা করা হয় বলে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বললেন, সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণকার্য পরিচালনার সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কার কথা কতটা সত্য কে জানে, তবে সরকারের ভেতরে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের ঘাটতি বেশ স্পষ্ট।</p>
<p>সভা-সমাবেশের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। সে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন ব্যবস্থা করতে চান, যেন দায়িত্বটা আদৌ পালন করতে না হয়। দেশে যদি এমন গুরুতর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়ে থাকে যে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা অপরিহার্য বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মনে করছে, তাহলে সে কথা পরিষ্কার ভাষায় জনগণকে বলা দরকার। একদিকে তাঁরা বলবেন, সবকিছু তাঁদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, অন্যদিকে সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার খর্ব করবেন—এটা তো গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার গুরুতর অবনতি ছাড়া সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার দৃষ্টান্ত সাম্প্রতিক ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল। বিপজ্জনক পরিস্থিতির আশঙ্কা সৃষ্টি হলে কিছু নির্দিষ্ট স্থানে বা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার মতো নিবর্তনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয় কেবল জরুরি আইনে। সরকার কি বলতে চায়, দেশে এখন সে রকম অবস্থাই বিরাজ করছে? রাজধানীতে এক মাস সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার মানে কি সেই অর্থে ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’?</p>
<p>সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করতে গিয়ে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি থেকে বিচ্যুত হয়ে এমন দমনমূলক আচরণ করছে, যা স্বৈরতান্ত্রিক। এভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অধিকারচর্চার গণতান্ত্রিক পথগুলো বন্ধ করে দিলে অস্থিরতা ও উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকটতর হবে। সেটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সরকার হঠকারী সিদ্ধান্তটি বাতিল করলেই ভালো হবে।</p>
<p>প্রথম আলো। সম্পাদকীয়। তারিখ: ২১-০৫-২০১৩</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89561/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>পর্যটন শিল্পের বাংলাদেশ ও পর্যটনের দুর্গতি!</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/79950</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/79950#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 21 May 2013 07:43:50 +0000</pubDate>
		<dc:creator>সুধা রেজা</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=79950</guid>
		<description><![CDATA[বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যুগে যুগে ভ্রমনকারীদের একসময় মুগ্ধ করেছে। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যের লীলাভূমি উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিন এশিয়ার একটি পর্যটন মডেল হতে পারতো যদি সুন্দর করে সব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারতো। আমাদের দেশি আয়তনে অনেক দেশের তুলনায়ই ছোট। কিন্তু বিদ্যমান পর্যটন আকর্ষণে যে বৈচিত্র্য আছে সেটা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণে আনা যেতো। কিন্তু সেই সম্ভাবনার দ্বার আস্তে<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/79950"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যুগে যুগে ভ্রমনকারীদের একসময় মুগ্ধ করেছে। প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যের লীলাভূমি উন্নয়নের মাধ্যমে দক্ষিন এশিয়ার একটি পর্যটন মডেল হতে পারতো যদি সুন্দর করে সব সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারতো। আমাদের দেশি আয়তনে অনেক দেশের তুলনায়ই ছোট। কিন্তু বিদ্যমান পর্যটন আকর্ষণে যে বৈচিত্র্য আছে সেটা সহজেই পর্যটকদের আকর্ষণে আনা যেতো। কিন্তু সেই সম্ভাবনার দ্বার আস্তে আস্তে বন্ধ হয়েই যাচ্ছে। সেই দিকে কারও নজর নেই তাই বাড়ছে বিদেশে ভ্রমনে আগ্রহ।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/imagesলবসলরর.jpeg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/imagesলবসলরর.jpeg" alt="" title="imagesলবসলরর" width="259" height="194" class="aligncenter size-full wp-image-89555" /></a></p>
<p><strong>একক, পারিবারিক, অফিসিয়াল, বন্ধু আড্ডা  যে কোনো ধরনের ভ্রমন মানেই মালায়শিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এই তিনটি দেশ টপ চার্ট-এ আছে!  দার্জিলিং, সিমলা, মানালি ভারত ভ্রমন কমে গেছে।! তবে যারা বিত্তশালী তাদের হিসাবটা ইউরোপ ট্যুর, এশিয়া ট্যুর  ধরনের হয়ে থাকে।</strong> কিন্তু কেন এই দেশগুলুতে ভ্রমন করতে যাওয়া হয়? এমন ৮/১০ জনের সাথে আমি কথা বলেছি। কারন আমি বিদেশ ভ্রমনে যাইনি। কিন্তু আমি দেশের বেশীরভাগ দর্শনীয় স্থানগুলু পরিদর্শন করেছি নানা সময়ে। কিছু কিছু যায়গায় একাধিকবারও গিয়েছি! কিন্তু আমার চেনা জানা যারা একাধিকবার বিদেশ ভ্রমনে গিয়েছেন তাদের মধ্যে কেউ কেউ দেশে দু একটি জায়গাতে বেড়াতে গেলেও এমন কয়েকজন আছেন যারা নাক সিটকে কথা বলেন!<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/PORJOTONBG.gif"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/PORJOTONBG.gif" alt="" title="PORJOTON(BG" width="450" height="300" class="aligncenter size-full wp-image-89557" /></a></p>
<p><strong>তাহলে এবার তাদের কয়েকজনের সাক্ষাতকারমূলক মন্তব্যগুলু শুনি! যেগুলুর পিছনের যুক্তিগুলু যুক্তিযুক্ত এবং বিরক্তিকরও বটে! </strong></p>
<p>১. বাহ রে বিদেশে গেলে খরচ কম ! ঢাকা ব্যাংকক ঢাকা বিমান ভাড়া মাত্র ১৭০০০/ টাকা ( যেটা ব্যাংকক এয়ার আজকে অফার দিছে)! </p>
<p>২. সুন্দর পরিছন্ন দেশ </p>
<p>৩. পর্যটন কেন্দ্র গুলু খুব গুছানো এবং আকর্ষণীয়! </p>
<p>৪. কেনা কাটা ইয় মানসম্মত পণ্য পাওয়া যায় ! </p>
<p>৫. আমি গিয়েছি খাবার দাবার, প্রসাধন সামগ্রী আনতে (যিনি ব্যাংকক গিয়েছেন) </p>
<p>৬. ব্যাংকক গিয়েছি সুন্দর পাতায়া বীচ দেখতে! </p>
<p>৭.  মালয়শিয়া গিয়েছি  কম্পিউটার এর যন্ত্রাংশ কিনতে, ওখানে সহজলভ্য এবং সকল রকমের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায় </p>
<p>৮. সিঙ্গাপুর গিয়েছি বার্ড পার্ক দেখতে ! </p>
<p>৯. একটি ছোট দেশ কত গুছানো পরিস্কার সিঙ্গাপুর !</p>
<p>১০. নিরাপত্তা শতভাগ  </p>
<p>১১.  বিদেশ ভ্রমন করা হল</p>
<p>আহা অহঙ্কারে বুক ভরে যায়! সংক্ষেপে যদি বলা হয় তবে –</p>
<p>-  ব্যাংকক এর পাতায়া বীচ এটি আসলে একটি লেক! যেটিকে ঐ দেশি সরকার সুন্দর করে গুছিয়ে পর্যটন কেন্দ্র খোলা হয়েছে।</p>
<p>-  সিঙ্গাপুরের  বার্ড পার্কে কি আছে? নানা প্রজাতির পাখি ! সুন্দর সুন্দর রঙ ঢঙের।</p>
<p>-  মালয়শিয়া! খুবই গুছানো দেশ! পেট্রোনাশ টাওয়ারটা খুব দর্শনীয়।</p>
<p><strong>পক্ষান্তরে আমাদের দেশে কি নেই?  আমাদের দেশে পরিচিত অপরিচিত অনেক পর্যটক এবং আকর্ষক স্থান আছে !  কি কি আছে যদি সেটির একটি ছোট তালিকা তুলে ধরি তাহলে দেখা যায় &#8211; </strong></p>
<p><strong> প্রাকৃতিক: </strong></p>
<p>- পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত, কক্সবাজার </p>
<p>- পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন, খুলনা</p>
<p>- একমাত্র সুমুদ্র সৈকত যেখানে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত একসাথে দেখা যায়, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী </p>
<p>- লাউয়াছড়া ইকোপার্ক,  সিলেট</p>
<p>- নিঝুম দ্বীপ,  নোয়াখালী</p>
<p>- জাফলং , সিলেট</p>
<p><strong>ধর্মীয়: </strong></p>
<p>- হযরত শাহজালাল মাজার,  সিলেট</p>
<p>- কান্তজী মন্দির,  দিনাজপুর</p>
<p>- ময়নামতি, কুমিল্লার</p>
<p>- ঢাকেশ্বরী মন্দির , ঢাকা</p>
<p>- হোশনি দালান,  ঢাকা</p>
<p><strong>প্রাচীন স্থাপত্য:</strong></p>
<p>- লালবাগ কেল্লা, ঢাকা</p>
<p>- আহসান মঞ্জিল, ঢাকা</p>
<p>- সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ</p>
<p>- বড় কাটরা, ঢাকা</p>
<p>-পাহাড়পুর  বৌদ্ধ বিহার (বর্তমান মহাস্থানগড়), বগুড়া</p>
<p><strong> ব্রিটিশ স্থাপত্য </strong></p>
<p>- কার্জন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</p>
<p>- নর্থ ব্রুক হল, ঢাকা</p>
<p><strong>আধুনিক স্থাপত্য </strong></p>
<p>-জাতীয় স্মৃতিসৌধ, সাভার </p>
<p>-বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, শাহবাগ , ঢাকা</p>
<p>-জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা</p>
<p>- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকা</p>
<p>- নভো থিয়েটার, ঢাকা</p>
<p>কিন্তু এত কিছু থাকতেও আমাদের পর্যটক নেই কেন?  আমরাই আমাদের দেশের দর্শনীয় স্থানগুলু দেখার পর্যটক নই তাহলে বিদেশী পর্যটক আসবে কি করে! কারন অবকাঠামোগত অসুবিধা ছাড়াও নিরাপত্তা নিয়ে পর্যটকরা সবসময় আতঙ্কে থাকেন। পর্যটন কেন্দ্রগুলুতে ফেরিওয়ালাদের উৎপাত এবং জিনিস পত্রের চড়া দর দামে পর্যটকরা বিরক্ত এবং পন্যের গুনাগুন নিয়ে তো শঙ্কা আছেই। এই জন্য পর্যটকেরা অনুৎসাহিত হন ঐ সব যায়গায় ভ্রমন করতে।</p>
<p>আমাদের দেশের পর্যটনের প্রাপ্য অর্থ এক অর্থে বিদেশ পাচার হচ্ছে! একটু নজর দিলেই আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার বেহাল দশা অনেক ভাবেই আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি।  এর মধ্যে পর্যটন বিভাগটি অন্যতম!</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/79950/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>7</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>আওয়ামী লীগ কি বাকশালের পথে হাঁটছে?</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89314</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89314#comments</comments>
		<pubDate>Tue, 21 May 2013 07:25:30 +0000</pubDate>
		<dc:creator>Md. Galib Mehadi khan</dc:creator>
				<category><![CDATA[রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=89314</guid>
		<description><![CDATA[রাজধানীতে আগামী এক মাস সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সভা-সমাবেশ,মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এটা কি সরকারের এমন কোন টেস্ট কেস যে, দেখা যাক কি ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? যদি তাই হয় তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি। সামনে এই সময় সীমা বর্ধিত করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ বিএনপি’র বর্তমান যে সাংগঠনিক অবস্থা তাতে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89314"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>রাজধানীতে আগামী এক মাস সব রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সভা-সমাবেশ,মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এটা কি সরকারের এমন কোন টেস্ট কেস যে, দেখা যাক কি ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়? যদি তাই হয় তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি। সামনে এই সময় সীমা বর্ধিত করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ বিএনপি’র বর্তমান যে সাংগঠনিক অবস্থা তাতে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সভা সমাবেশ করার ক্ষমতা তাদের আছে বলে মনে হয় না। তারমানে নির্বিঘ্নেই কেটে যাবে একটি মাস। ফলে সরকার বিরোধীদের আন্দোলন ঠেকাতে হয়ত এই অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকেই যুতসই বলে ধরে নিয়ে এর সময় এবং পরিধি আরও বাড়াতে চাইবে সরকার। কিন্তু তাতে আখেরে কে লাভবান হবে?</p>
<p>বিএনপি সুযোগ পাবে নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার। মোক্ষম অস্ত্র পাবে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার। কারণ সাধারণ মানুষ দেখবে একদিকে লাগামহীন ছাত্রলীগ অস্ত্রবাজী করে চলছে অন্যদিকে আওয়ামী লীগ পুনরায় বাকশালের পথে হাটতে শুরু করেছে। যা এদেশের জনগণ একবার প্রত্যাখ্যান করেছে। আওয়ামী লীগের অন্ধ ভক্ত ছাড়া কেউই এই আচরণকে সমর্থন করবে না। স্বাভাবিকভাবেই আওয়ামী লীগের নীরব সমর্থকরা তাদের সমর্থন প্রত্যাহার করে নেবে। আর আওয়ামীলীগ থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয়ার অর্থই হল তারা বিএনপিকে সমর্থন করবে। কেননা এ ছাড়া তাদের আর গত্যন্তর নেই।<a href="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/hasina.jpg"><img src="http://www.bodlejaobodledao.com/wp-content/uploads/2013/05/hasina.jpg" alt="" title="hasina" width="340" height="319" class="aligncenter size-full wp-image-89621" /></a></p>
<p>সংসদের আসন্ন বাজেট অধিবেশনে যোগ না দিলে বিএনপিকে সদস্য পদ হারাতে হবে। তাই মাথা নিচু করে হলেও তাদের সংসদে যেতেই হবে। সেইসাথে সহিংস জামাতের সঙ্গ, হেফাজতকে সমর্থন, ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এমনিতেই তাদের কোণঠাসা করে রেখেছিল। এর উপরে রয়েছে বিপর্যস্ত সাংগঠনিক অবস্থা। এমন অবস্থায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত বিএনপিকে ঘুরে দাঁড়ানোরই সুযোগ করে দেবে।</p>
<p>এখন আর হরতাল দিলেও তা কার্যকর হয়না। খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য নেতাদের সভা সমাবেশে লোক সমাগম হয়না বলেই চলে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় বিএনপির নেতাদের তত্ত্বাবধায়কের দাবী আওরানো ছাড়া এ মুহূর্তে তা আদায়ের মত মনোবলও আর অবশিষ্ট নেই। আর তা বুঝেই ক্ষমতাসীন সরকার তত্ত্বাবধায়কের দাবী নিয়ে যখন যেমন সুবিধা তেমন বলছে। এক অর্থে এই দাবীটা অনেকটাই হালকা হয়ে আসছে। আর তা জেনে বুঝেও আঠার দলের কিছু করনীয় আছে বলে মনে হয় না। যখন প্রায় সব কিছুই সরকারের নিয়ন্ত্রণে, এমনকি স্বপক্ষে ছিল বলেই মনে হচ্ছিল ঠিক এমন সময় এ ধরনের একটি সিদ্ধান্ত কি সরকারের ভিতরের অস্থিরতাকেই নির্দেশ করছে না? এটা তো ঠিক এই সিদ্ধান্তটি সরকারের জন্য এবং দল হিসেবে আওয়ামী লীগের জন্য মোটেই ভাল কিছু বয়ে আনবে না বরং বুমেরাং হয়ে দেখা দিবে।</p>
<p>ঘূর্ণিঝড় মহাসেনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন তৎপরতা নির্বিঘ্নে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে বলা হলেও তা ধোপে টিকবে না কারণ রাজধানীতে এ মুহূর্তে কোনও ত্রাণ কাজ চলছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যদিও বলছেন ‘শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশের অনুমতি নিয়ে বিরোধী দল ভাঙচুর,জ্বালাও-পোড়াও করে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে। মসজিদে হামলা করে পবিত্র কোরআনে আগুন দেয়। বলে তাদের সভা সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবেনা। কিন্তু তিনি তো ঐ সব কারণ দেখিয়ে নিষিদ্ধ না করে এক মাস সভা সমাবেশ না করার আহবানও জানাতে পারতেন। তাঁর অনুরোধকে উপেক্ষা করে যদি বিরোধী দল সভা সমাবেশ করে পুনরায় একই ধরনের নৈরাজ্য চালাত তাহলে তখন হয়ত সরকার জনসাধারণের কাছেই এর বিচারের ভার অর্পণ করতে পারত। আর সে বিচারে নিশ্চয়ই সরকারই লাভবান হত। তা না করে এভাবে বিরোধী শিবিরের কণ্ঠরোধের চেষ্টা নিজেদের জন্যই ক্ষতিকর হয়ে দেখা দেবে সন্দেহ নেই।</p>
<p>পরিশেষে দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের সভা-সমাবেশ,মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত থেকে অবিলম্বে সরে আসার দাবী জানাচ্ছি। এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা ক্ষমতাসীন দল এবং দেশ উভয়ের জন্যই মঙ্গল।</p>
<p>kmgmehadi@yahoo.com</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/89314/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>0</slash:comments>
		</item>
		<item>
		<title>বেঁচে থাকাই সব &#8211; বেঁচে থাক</title>
		<link>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/87898</link>
		<comments>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/87898#comments</comments>
		<pubDate>Mon, 20 May 2013 12:11:38 +0000</pubDate>
		<dc:creator>নূরুল আমীন</dc:creator>
				<category><![CDATA[অন্যান্য]]></category>

		<guid isPermaLink="false">http://www.bodlejaobodledao.com/?p=87898</guid>
		<description><![CDATA[আর কতটা শোধ করলে তবে সবটুকু দেনা শোধ হবে; আর কতটা প্রাণ ঝরলে তবে খানিকটা স্বাধীনতা পাওয়া হবে? আর কততা নিরবে সইলে তবে তাহাদের হৃদয় পূর্ণ হবে; আর কতটা প্রতিবাদহীন হলে তবে খানিকটা স্বাধীনতা পাওয়া হবে? স্বাধীনতার স্বাদ নিচ্ছ চুপ করে থেকে? চুপ করে থাক; এতগুলো তাজা প্রাণ ঝরেছিল তো পরাধীনতা কেনার জন্য &#8211; স্বাধীনতা<a class="readmore" href="http://www.bodlejaobodledao.com/archives/87898"> <br /><br /> &#2476;&#2495;&#2488;&#2509;&#2468;&#2494;&#2480;&#2495;&#2468;</a>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<p>আর কতটা শোধ করলে তবে<br />
সবটুকু দেনা শোধ হবে;<br />
আর কতটা প্রাণ ঝরলে তবে<br />
খানিকটা স্বাধীনতা পাওয়া হবে?</p>
<p>আর কততা নিরবে সইলে তবে<br />
তাহাদের হৃদয় পূর্ণ হবে;<br />
আর কতটা প্রতিবাদহীন হলে তবে<br />
খানিকটা স্বাধীনতা পাওয়া হবে?</p>
<p>স্বাধীনতার স্বাদ নিচ্ছ চুপ করে থেকে? চুপ করে থাক; এতগুলো তাজা প্রাণ ঝরেছিল তো পরাধীনতা কেনার জন্য &#8211; স্বাধীনতা নামের পরাধীনতা। চুপ করে থাক; কিছু কিছু উপলক্ষে মেকি শ্রদ্ধায় সেই শহীদদের স্মরণ কর &#8211; তারা তো প্রাণ দিয়েছিল শুধুমাত্র তোমাদের এই মেকি ফুলের তোড়ায় মোড়ানো শ্রদ্ধার জন্য। চুপ করে থাক; প্রভুদের তোষামোদ কর &#8211; এতেই যে সফলতা। চুপ করে থাক; ভিনদেশীদের পা লেহন কর &#8211; এতেই যে আধুনিকতা। চুপ করে থাক; স্বাধীন দেশের পরাধীন নাগরিক হয়ে থাক &#8211; প্রতিবাদ কর না।</p>
<p>চুপ করে থাক &#8211; বেঁচে থাক<br />
প্রতিবাদ কর না &#8211; বেঁচে থাক<br />
মেরুদন্ডহীন হও &#8211; তবুও বেঁচে থাক<br />
বেঁচে থাকাই সব &#8211; বেঁচে থাক।</p>
]]></content:encoded>
			<wfw:commentRss>http://www.bodlejaobodledao.com/archives/87898/feed</wfw:commentRss>
		<slash:comments>4</slash:comments>
		</item>
	</channel>
</rss>
