প্রস্তাব

  • সড়ক দূঘটনা বন্ধ করতে হলে প্রথেমে আইনের পরিবতর্ন করতে হবে কারণ আইন কঠোর না হণে গাড়ী চালক সর্তক হবে না্ এছাড়া আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশিচত করতে হবে। আমাদের  রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করতে হবে । সর্বোপরি আমাদের সকলের বিশেঘ করে গাড়ী চালক , আইন প্রয়োগকারী মানসিকা  পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে েএখন  অন্য একজনের দুর্ঘটনা গয়েছে ভবিষ্যতে আমাদের ঘটতে পারে।
    -
  • বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট লেভেলক্রসিংয়ের শতকরা ৯৯ ভাগ রেলগেটে ডিভাইস পদ্ধতির সিগন্যাল সিস্টেম নেই। প্রায় আড়াই হাজার লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে গেট ব্যারিয়ার ও গেটম্যান রয়েছে মাত্র ৩৭০টিতে। বাকিগুলো অরক্ষিত। গেটম্যানের দায়িত্ব যারা পালন করেন তারাও অস্থায়ীভাবে চুক্তিভিত্তিক স্বল্প মজুরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত। এমন বাস্তবতা দুর্ঘটনার সংখ্যা বৃদ্ধির উপযোগী বটে। তাই দেখা যাচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনার সঙ্গে গাড়ির চালক, মালিক ছাড়া সরকার বা রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থাও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ।
  • 1st of all,our policy makers should posses minimum educational status.we should pick up promising,devoted honest leaders.we have to know how to use our merit properly.a rikshaw puller can never drive a car,it should’nt be.choose the right person to lead,people will help.we want change,it will come,definitely come.no doubt about this.
  • সড়ক দুঘর্টনার প্রধান কারন হিসেবে বলা হয় চালকের অসতর্কতার কথা।সেক্ষেত্রে চালকদের মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া কোনও উপায় নেই তার কারন সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে বড় উপায় হল নিজেকে সেই সমস্যা সম্পকে সচেতন করা।চালক ভাইরা অধিকাংশই অশিক্ষিত হয় বিধায় মানবিকতার মত বড় বড় ব্যপার গুলো তাদের বোঝার কথা নয়।তাদের সেটা বোঝানোর দায়িত্ব নিতে হবে।
  • সমস্ত বাংলাদেশে দুলাইনের রাস্তা এবং আঁকা বাঁকা রাস্তা সোজা না করলে সড়ক দুর্ঘটনা কখনোই বন্ধ হবে না। – মিজানুর রহমান

    * 1 Avoid over speeding and reckless drivers should be charged in courts of laws.
    * 2 Avoid drinking and taking any harmful drugs like marijuana because are the serious causes of accidents today.
    * 3 Modernize roads by keeping road divider and putting on road signs to follow for example traffic lights.
    * 4 Driving permits and licences should be given by BRTA to only experienced and well trained drivers.
    * 5 Road users should respect road regulations in order to reduce on accidents.
    * 6 Traffic laws should be put into service and every driver must have his/her own driving licence recommended by (BTRA) traffic laws.
    * 7 Under age drivers should be denied to get driving licences and not allowed to drive.
    * 8 Drivers should be tested first before they start to drive or given licences.
    * 9 The laws to be change to ”To be hanged in front of public” when the driver kill the innocents.
    * 10Public awareness required for road crossing
    * 11 All the transport ( Cars / Bus / Tracks ) to be checked yearly basis.
    * 12 All the corrupted BRTA staff to be sucked.
    * Please start doing this from today and get the result immediately.
    *
    Published by ahmad4252@gmail.com

    Published by khelagor in সড়ক দুর্ঘটনা কি চলতেই থাকবে? on নভেম্বর 26th, 2011

    “Road Accident” আজকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনার একটি। প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫ জন লোক মারা যায় শুধু এই কারনে। পৃথিবীর আর কোথাও এর নজির নেই। গরিব-ধনি, শিক্ষিত-অ শিক্ষিত কেউ বাদ নেই। যে পরিবারের জীবন যার যায় সেই জানে! কি দুক্ষ বেদনাময় বাকিটা জীবন। তবে আজ আমরা মাঠে নেমেছি। সবার ভাল মন্দ পরামর্শের সাথে আমার কিছু পরামরশ শেয়ার করলাম।

    * আমাদের এত আন্দোলন, সচেতনতা, টক’শো, পত্রিকায় লেখা খেয়াল করলে দেখা যাবে এর কোনটিই professional driver দের খুব একটা নজরে আসেনা। কারন তাদের সেই সুযোগ নেই বললেই চলে । তাই তাদের এই ব্যাপারে সচেতনতা দৃষ্টির লক্ষে বাস কাউউন্টার, ট্রাক মালিক সমিতি, ট্যাক্সি মালিক সমিতি গুলোতে সচেতনতা ও সাবধানতা মূলক ভিডিও বাধতামুলক ভাবে প্রচার করতে হবে। প্রচার না করলে করলে শাস্তি।

    * ড্রাইভার দের কাছে জানতে হবে রাস্তায় তারা কি কি সমস্যা ফেইস করে , সে অনুযায়ী আমাদের রাস্তা গুলি সংস্কার করতে হবে।

    * রাস্তার যে কোন গুরুত্বপূর্ণ বাঁকে অবশ্যই ২ লেইন বিশিষ্ট রাস্তা রাখতে হবে। বাঁক গুলোর আশেপাশে কোন দোকানপাট , বাড়িঘর বা কোন স্থাপনা থাকতে পারবেনা।

    * প্রতিটি মহাসড়কে নির্দিষ্ট দুরত্বে কন্ট্রোলরুম থাকতে হবে যেখানে CC TV, Ambulance, Emergency চিকিৎসা সেবা সহ ডাক্তার ও নার্স থাকাটা অপরিহার্য। গাড়ির ওজন scale থাকতে হবে।

    * যেকোনো দুর্ঘটনায় মানুষ মারা গেলে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহত হলে ৩ লক্ষ পর্যন্ত জরিমানা আদায় এর জন্য আইন পাশ করতে হবে।

    আপাতত এততুকু , সবাইকে ধন্যবাদ।।
    আমজাদ
    …………………………………………………………….
    Published by আলী রীয়াজ, রেজা সেলিম, মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান
    আমাদের ধারণা, সড়ক পরিবহন খাতের নৈরাজ্যের অবসান এবং প্রতিদিন সংঘটিত দুর্ঘটনা, যা সহজেই পরিহারযোগ্য, মোকাবিলার জন্য আমাদের করণীয় কাজকে আমরা তিনটি ভাগে ভাগ করতে পারি। এগুলো হচ্ছে: জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরি ও তার কাঠামো তৈরি; সমস্যা মোকাবিলায় স্থানীয়ভাবে মডেল তৈরি; এবং এই খাতের সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সমস্যার বিভিন্ন দিক সুনির্দিষ্ট করে জাতীয় পর্যায়ে নীতি ও কর্মপদ্ধতি তৈরি করা।

    জবাবদিহির সংস্কৃতি ও কাঠামো
    সড়ক পরিবহন খাতে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনা অভাবনীয় হারে বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও দেশের সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো রকম দায়িত্ব গ্রহণ করার কোনো মনোভাব প্রদর্শন করেনি। ১৩ আগস্টের পর সংশ্লিষ্ট দুজন মন্ত্রী যে কেবল পদত্যাগ করতেই অস্বীকার করেছেন তা নয়, তাঁরা এ জন্য কোনো রকম দায়িত্ব পর্যন্ত নেননি। যোগাযোগমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর মধ্যে প্রকাশ্য বিতর্কেও দেখা যায়, কেউই মনে করেন না যে অব্যাহত এই পরিস্থিতির জন্য সরকার ও কোনো সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে। জবাবদিহির এই অভাব কেবল পরিবহন খাতেই রয়েছে তা নয়, সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যান্য ক্ষেত্রেও তা সমভাবে উপস্থিত। স্মরণ করা দরকার যে এটি কেবল বর্তমান সরকারেরই বৈশিষ্ট্য নয়। ১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর আশা করা হয়েছিল, সরকার জনসাধারণের কাছে জবাবদিহির পরিচয় দেবেন। কোনো রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় যাওয়ার পর এ বিষয়ে কোনো রকম উত্সাহ দেখায়নি। পরিবহন খাত নিয়ে সারা দেশের মানুষের ক্ষোভের পটভূমিকায় প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য ও পদক্ষেপ জবাবদিহির অভাবকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। এই বিষয়টি বোঝার জন্য জাতীয় সংসদে ক্ষমতাসীন দলের একজন শীর্ষপর্যায়ের নেতার মন্তব্যই যথেষ্ট: ‘দায়িত্ব নেওয়ার জন্য এখন আর কাউকেই পাওয়া যাচ্ছে না’।
    জবাবদিহি গণতন্ত্রের একটি অত্যাবশ্যকীয় শর্ত এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকারের মতোই একটি অধিকার। আর তাই সবার কর্তব্য হচ্ছে জবাবদিহির সংস্কৃতি তৈরির জন্য দাবি তোলা ও চাপ প্রয়োগ করা। এই লক্ষ্যে দরকার জবাবদিহির জন্য প্রতিষ্ঠান তৈরি এবং যেসব প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলোকে শক্তিশালী করা। বাংলাদেশ সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে যে ন্যায়পালের কথা বলা হয়েছে, তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন, দুর্নীতি দমন কমিশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার দাবি হচ্ছে জবাবদিহির সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। প্রত্যক্ষভাবে পরিবহন খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো, সংশ্লিষ্ট মালিক-শ্রমিক ইউনিয়ন, মন্ত্রণালয়, এসবের কেউ দায়িত্ব পালনে ব্যত্যয় ঘটালে তার দায়িত্ব কার ওপর বর্তায়, তা সবারই জানার অধিকার রয়েছে। তার জন্য সাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা দরকার এবং সরকারকে এসব বিষয়ে স্বচ্ছতা তৈরিতে বাধ্য করা দরকার।

    স্থানীয়ভাবে সমস্যা মোকাবিলা করা
    পরিবহন খাতের সমস্যা জাতীয় পর্যায়ের সমস্যা হলেও একে স্থানীয়ভাবে কী করে মোকাবিলা করা যায়, তা নিয়ে আমাদের ভাবা দরকার। সম্প্রতি বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় আমাদের গ্রাম প্রকল্পের উদ্যোগে পরিবহন বিশৃঙ্খলা নিরসনে একটি স্থানীয় উদ্যোগ এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য। এলাকার জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা, পরিবহন সেক্টরের প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, এনজিওসহ সমাজের বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিদের এই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি এগিয়ে এসেছে পরিবহনশ্রমিক এবং এ খাতে বিনিয়োগকারীরাই। এদের বক্তব্য বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য, সড়কের নৈরাজ্য এ খাতকে ক্রমাগত লোকসানের দিকেই ঠেলে দেয়। তাই এই অবস্থা তাদের কাম্য নয়। এ ছাড়া নেতিবাচক পরিস্থিতি নিম্ন আয়ের শ্রমিকদেরই ভোগায় বেশি। রামপালের উদ্যোগে তাই একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে, যেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা, অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষকমণ্ডলী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, পরিবহনশ্রমিক-মালিক সবাই মিলে নিশ্চিত করবে যে নিজেদের এলাকায় কোনো দুর্ঘটনা ঘটবে না। এই ‘দুর্ঘটনামুক্ত উপজেলা’ গঠনের প্রতিশ্রুতি প্রতিটি এলাকার শান্তি ও নির্বিঘ্ন পথ চলাচলের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।

    জাতীয় পর্যায়ে নীতি ও কর্মপদ্ধতি প্রণয়ন
    আমরা এমন এক সময়ে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনাগুলো জ্যমিতিক হারে বাড়তে দেখছি, যখন মাত্র কয়েক মাস আগে জাতিসংঘের নিরাপদ সড়কসংক্রান্ত কর্মসূচির (UN Decade of Action for Road Safety 2011-20) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার বেশ ঘটা করে একাত্মতা ঘোষণা করেছে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে সংরক্ষিত চমত্কার সব ডকুমেন্ট আর নিরীক্ষা-রিপোর্ট দেখলে যে কারও মনে হতে বাধ্য যে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আমাদের অগ্রগতি সন্তোষজনক। কিন্তু বাস্তবতা কতটা ভিন্ন, তা দেশের সাধারণ মানুষ ভালোই জানেন। আমরা মনে করি, বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে যেসব সরকারি-বেসরকারি সংস্থা কাজ করছে, তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। তা ছাড়া বুয়েট বা ব্র্যাকের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ যেসব গবেষণাকর্ম হচ্ছে, সে সম্পর্কেও নাগরিক সমাজ ভালোভাবে জানার সুযোগ পাচ্ছে না। এতে সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগ এবং দাবি আদায়ের কর্মকৌশল নিয়ে নাগরিক সমাজ ততটা কার্যকরভাবে উত্সাহী মনোভাব দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা এই অবস্থার একটি আশু সমাধান চাই। আমরা আরও মনে করি, প্রচলিত এবং জনপ্রিয় কর্মসূচির বাইরেও নাগরিক সমাজের নানা রকমের উদ্যোগ নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে, যা টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য নিয়ে এগোতে পারবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করবে। এ ব্যাপারে আমরা একটি জাতীয় কনভেনশন আয়োজন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি, যেখানে স্বার্থসংশ্লিষ্ট সবাই অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। এই কনভেনশনের কয়েকটি দিক নিয়ে আমাদের ভাবনাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
    ১। সাধারণত সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনার সিংহভাগই সরকারি কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞ ও গুটিকয়েক এনজিওর মধ্যে আমরা সীমিত থাকতে দেখেছি। আমরা মনে করি, এতে নিরাপদ সড়কসংক্রান্ত নানা উদ্যোগের সঙ্গে জনমানুষের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয় না। তাই প্রস্তাবিত জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে আমরা একটি জাতীয় ফোরাম গঠন করতে পারি, যেখানে বিভিন্ন ধাপে বুয়েটের কিছু বিভাগ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের গবেষক, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা, সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাবেক কর্মকর্তা/সচিব, ডাক্তার, পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের প্রতিনিধি, ঠিকাদার, সাংবাদিক, এনজিও কর্মী, মনোবিজ্ঞানী ও ভিকটিমদের পরিবারের প্রতিনিধিরা স্থান পাবেন।
    ২। জাতীয় কনভেনশনের মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে পরিচিত করানোর একটি সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বিরোধী দলের কাছে থেকে সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক রাজনৈতিক অঙ্গীকার আদায়ের বিষয়টিও থাকবে। এ ব্যাপারে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জানানো হবে। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলাদা তহবিল গঠন, মহাসড়কগুলোর কাছাকাছি দুর্ঘটনার জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠাসহ নতুন ধরনের কিছু প্রস্তাব আমরা এই কনভেনশনের মাধ্যমে সরকারের কাছে পেশ করতে পারি। এই উদ্যোগে বেসরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের জাতীয় সংগঠনকে অঙ্গীভূত করতে হবে।
    ৩। সড়ক নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সফলতাগুলো কীভাবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কাজে লাগানো যায়, সে ব্যাপারে কর্মকৌশল প্রণয়ন। যেসব সংস্থা ও নাগরিক উদ্যোগ বিভিন্ন দেশে কাজ করছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন। তা ছাড়া, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু করে কীভাবে থানা পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে সড়ক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে নাগরিক সমাজ যুক্ত হতে পারে, তার দিকনির্দেশনা প্রণয়ন।
    ৪। সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে শিশু শিক্ষা কর্মসূচির একটি পরিকল্পনার কথা আমরা জানতে পেরেছি, যা উত্সাহব্যঞ্জক। তবে এ ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগ (ইন্টারনেটে এ-সংক্রান্ত ডকুমেন্টগুলো বেশ সহজলভ্য) বিবেচনায় এনে নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজনীয়।
    ৫। বাংলাদেশে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে হলে প্রচলিত ক্যাম্পেইন কৌশলে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, সড়ক ব্যবহারকারীদের সবারই অভ্যাস ও আচরণ পরিবর্তন করা একটি দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। কাজেই প্রস্তাবিত জাতীয় কনভেনশনে মনোবিজ্ঞানী এবং পাবলিক ক্যাম্পেইন বিশেষজ্ঞদের নতুন ধরনের প্রস্তাব দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
    ৬। নিরাপদ সড়ক নিয়ে গবেষণা ইনস্টিটিউট গঠনের প্রয়োজনীয়তা বিভিন্ন সময়ে বলা হয়েছে। আমরা মনে করি, এ খাতে গবেষণা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বুয়েট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায় থেকে সাহায্য করা জরুরি। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পরিবহন খাতে যারা ব্যবসা করছে, তাদেরকে এই অর্থায়ন-প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হতে উত্সাহিত করা দরকার।
    ৭। প্রস্তাবিত জাতীয় কনভেনশনটির একাধিক দিক থাকতে পারে। এখানে গবেষণাভিত্তিক লেখালেখি থেকে শুরু করে প্রস্তাব/কর্মকৌশল সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে আহ্বান করা যেতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদেরও আমন্ত্রণ করা হবে, যাতে করে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার আদায় সম্ভব হয়। চূড়ান্তভাবে এই কনভেনশনের মাধ্যমে সরকার, এনজিও ও নাগরিক সমাজের এই পারস্পরিক যোগাযোগের সম্পর্ক তৈরি ও অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর ভিত্তি করে নিরাপদ সড়ক নিয়ে নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করার কাজে এগোতে হবে।
    উল্লিখিত তিনটি করণীয় সামনে রেখে পরিবহন খাতের নৈরাজ্য অবসান এবং সবার জন্য নিরাপদ সড়ক প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টাকে একত্র করা জরুরি। এ বিষয়ে বোধ করি কারোরই সন্দেহ নেই যে বাংলাদেশে সড়ক অব্যবস্থাপনার সঙ্গে আর্থিক দুর্নীতি ও অসততা জড়িয়ে আছে। তাই অনেকেই নাগরিক সমাজের নানা উদ্যোগের সফলতার ব্যাপারে সন্দিহান থাকেন। তবে আমরা বিশ্বাস করি, এ ব্যাপারে নাগরিক সমাজের ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ ও ‘লেগে থাকবার’ কৌশল একসময় সামাজিক সচেতনতা তৈরি করবেই এবং অব্যবস্থাপনার বিষয়টি আমরা একসময় সবাই মিলেই কাটিয়ে উঠতে পারব। তৃণমূল পর্যায় থেকে, বিশেষ করে ‘ছাত্র-শিক্ষক-পেশাজীবী-জনতা’ ফোরাম থেকে যেসব দাবি উঠেছে, তার মধ্যে যেমন আশু দাবি রয়েছে তেমনি রয়েছে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আকাঙ্ক্ষা। সমস্যা সমাধানে জনসম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখতে তৃণমূলের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সমর্থন অব্যাহত রাখা দরকার। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে যারা সক্রিয়, তাঁদের এই প্রচেষ্টায় অঙ্গীভূত করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য সংস্থা, গোষ্ঠী ও ব্যক্তিদের যথাযথ অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো রকম দীর্ঘমেয়াদি সমাধান করা যাবে না। দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজে বের করা, তার বাস্তবায়নের অনুকূল পরিবেশ তৈরি এবং তার জন্য অব্যাহত চাপ প্রয়োগের জন্যই সবাইকে একটি প্ল্যাটফর্মে শামিল করাতে আমাদের উদ্যোগ নেওয়া দরকার, যেন আমরা আমাদের ভবিষ্যত্ বংশধরদের বলতে পারি, আরেকটি মিরসরাইয়ের ঘটনা কখনোই ঘটবে না।
    …………………………………………………………….
    শাপ্রবি-এর গোল টেবিল বৈঠকে সচেতনতা তৈরীতে ৩টি নমুনা লিফলেট:

    পথচারীদের জন্য:
    (১) মহাসড়কে বিপ্তিভাবে আড্ডা দেবেন না।
    (২) অব্যশ্যই রাস্তার ডানদিক দিয়ে হাঁটবেন। অপরদিকের গাড়িগুলো দেখার সর্বোত্তম পদ্ধতি হল ডানদিক দিয়ে হাঁটা।
    (৩) সাথে বাচ্চা থাকলে তাকে আপনার ডানদিকে রাখুন।
    (৪) দাঁড়ানো গাড়ির পেছন দিয়ে রাস্তা পার হবেন না।
    (৫) মহাসড়কে দ্রুতগামী গাড়ির কাছাকছি হঠাৎ এমন কোন আচরণ করবেন না যাতে চালক আতঙ্কিত হয়।
    (৬) মহাসড়কে বাঁকের পরপরই কোন দোকান বা ঘর বানানো থেকে বিরত থাকুন।
    (৭) কখনই দৌড়ে মহাসড়ক পার হবেন না। স্পীড লিমিট না থাকার কারণে মহাসড়কের গাড়িটি ঠিক কতটা আসছে তা বোঝা অসম্ভব। অপো করুন, নিরাপদে পার হউন।
    (৮) রাস্তায় ধান বা অন্য কিছু শুকানো থেকে বিরত থাকুন।
    (৯) বাচ্চাদের কখনও মহাসড়কে খেলতে দেবেন না।
    (১০) মহাসড়কের উপর বাজারগুলোতে সড়কের জায়গা দখল করতে বিরত থাকুন এবং বাধা দিন।
    (১১) যেকোন দুর্ঘটনায় পতিত মানুষের রক্তপাত বন্ধে প্রথমে সচেষ্ট হউন।

    যাত্রীদের প্রতি:
    (১) বাসে না ঘুমোনোর চেষ্টা করুন। গবেষণায় দেখা হেছে সচেতন যাত্রীর দুূর্ঘটনায় য়তির পরিমান ঘুমন্ত যাত্রীর এক পঞ্চমাংশ।
    (২) ছোট হলেও একটি ‘ফার্ষ্ট এইড’ বক্স সাথে রাখুন।
    (৩) দুর্ঘটনায় নিজে বা অন্য কেউ তিগ্রস্থ হলে প্রথমে রক্তপাত বন্ধে সচেষ্ট হউন। যে কোন কাপড় জাতীয় কিছু দিয়ে তস্থান শক্তভাবে চেপে ধরলে রক্তপাত বন্ধ হবে। এছাড়া গাড়ির ব্রেক ওয়েল একটি উত্তম এন্ট্রি সেপটিক।
    (৪) কখন দ্রুত চালানোর জন্য চালককে চাপ দেবেন না, উপরোন্তু যদি চালক কখনো বেপরোয়া গাড়ি চালায় অন্য যাত্রীদের নিয়ে জনমত গঠন করুন এবং একসাথে প্রতিবাদ করুন।
    (৫) আপনি যে যানবাহনে যাচ্ছেন তা যদি অন্য কোন ছোট যান বা মানুষকে আঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে অবশ্যই তাকে সমর্থন না করে অন্যান্য যাত্রী সহযোগে তাকে গাড়ি থামাতে বাধ্য করুন। একটি কথা মনে রাখবেন- আপনার সাময়িক অসুবিধা হবে মহাসড়কে, হয়তো গভীর রাত, কিন্তু আপনারা ৪০-৫০জন যাত্রী একসাথে আছেন-নিরাপত্তা সুনিশ্চিত। কিন্তু আপনাদের প্রতিবাদ হয়তো বাঁচাবে অনেক প্রাণ। চালকেরাও আরও সতর্ক হবে।
    (৬) রাস্তায় দুর্ঘটনায় পতিত গাড়িকে সাহায্য করুন। একই ঘটনা আপনারও হতে পারে।

    চালকদের প্রতি:
    (১) মনে রাখবেন- ছোট গাড়ির ওজন ৭০০ থেকে ১২৫০ কেজি. মাইক্রেবাস বা জিপের ওজন ১৫০০ থেকে ৩০০০ কেজি. কিন্তু সাধারণ একটি বাস বা ট্রাকের ওজন ৫০০০ কেজি. থেকে ১২০০০ কেজি. এছাড়া বাংলাদেশে পণ্য বোঝাই ট্রাকের ওজন হতে পারে ৩০টন-৩৫টন। গাড়ির ভরের সাথে গুণিতক হচ্ছে এর গতিবেগ। সুতরাং স্বাভাবিক গতিতে চলমান ভারী বাস বা ট্রাক নিজেই একটি মৃত্যুদূত।
    (২) পণ্য বোঝাই ট্রাকের সামনে কখনই হাইব্রেক করবেন না।
    (৩) বাংলাদেশের মহাসড়ক উচ্চগতির জন্য এখনও প্রস্তুত নয়, ছোট গাড়ি সহযোগে মহাসড়ক ভ্রমণ যথাসম্ভব পরিহার করুন।
    (৪) মনে রাখবেন গতি বৃদ্ধির সাথে সাথে নিয়ন্ত্রণ মতা কমে।
    (৫) শহরের চালক মহাসড়কে এবং সমতলের চালককে পাহাড়ে নেয়া থেকে বিরত থাকুন।
    (৬) ট্রেইলর তাঁর চারপাশে খানিকটা বায়ুশুন্য অবস্থার সৃষ্টি করে যা ছোট গাড়ির জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এদের ওভারটেক করার সময় যথেষ্ট ফাঁক রাখুন।
    (৭) বাংলাদেশের রাস্তায় ষ্টিল বেল্টেড টায়ার ব্যবহারে যথাসম্ভব বিরত থাকুন। অন্তত: সামনের চাকাগুলো নাইলনের ব্যবহার করুন।
    (৮) নির্দিষ্ট মাইলেজ হবার সাথে সাথে ষ্টিল বেল্টেড টায়ার পাল্টে ফেলুন।
    (৯) মালিকদের অনুরোধ বা আদেশেও ত্র“টিপূর্ণ গাড়ি নিয়ে মহাসড়কে যাবেন না। মনে রাখবেন, আপনার উপর নির্ভরশীল আরও অনেকগুলো যাত্রীবেশী প্রাণ।
    (১০) ট্রাক চালকেরা জানেন, আপনার ট্রাকের মতা কত টন এবং আপনি কতটা বেশী লোড নিয়েছেন। প্রতিটি খারাপ রাস্তা বাঁক, ব্রীজ, ওভারটেকিং এবং বাজারে আপনার অস্বাভাবিক লোডের কথা খেয়াল রাখুন।
    (১১) হায়াৎ-মউত আল্লাহর হাতে হলেও একথা মনে রাখবেন আপনার ভুলের কারণে যদি কারও মৃত্যু হয় বা পঙ্গুত্ব বরণ করে তার জন্য আল্লাহ অবশ্যই রোজ কেয়ামতের দিন আপনার বিচার করবেন এবং ভয়ঙ্কর শাস্তি দিবেন।
    (১২) আপনাদের গাড়িতে যদি এন্টি সেপটিক না থাকে গাড়ির ব্রেক ওয়েল বাক্সটা ছেড়ায় ব্যবহার করুন এবং যেকোন তের রক্ত পড়া আগে বন্ধ করুন।
    (সংক্ষেপিত)
    …………………………………………………………….
    nasim haider

    এই কথার সাথে একমত হতে পারিনাই।আমরাই পারি । কারন আমাদের প্রতি মুহুরতের অবস্তান ই পারে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে। কিভাবে
    ১. আমরা যখন গাড়ি চালাবো তখন সতর্কতা পালন করব।
    ২. গাড়ি বেশি জোরে চালাবনা ।
    ৩. দেখে শুনে রাস্তা পার হব ।
    ৪. ওভারব্রীজ ব্যবহার করব।
    ৫. ড্রাইভার যাতে গাড়ি চালানোর সময় যাতে মোবাইল ব্যবহার না করতে পারে তার জন্য প্রতিবাত করব ।
    ৬. একটি দুর্ঘটনা সারা জিবনের কানা তা সব সময় মনে রাখা ।
    ……………………………………………………………

    Published by atik_bd_99@yahoo.com

    আমার মতে ঢাকাকে বাচাতে কিছু emergency medicine (EM), কিছু স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী, দীর্ঘমেয়াদী এখনি নিতে হবে:

    ১) যানজট কমাতে প্রত্যক প্রাইভেট কারে ২-৩ লাখ টাকা করে বার্ষিক TAX বসানো উচিত শুধু ঢাকার জন্য– কারন কমপক্ষে ৫০% হল প্রাইভেট কার, আর তা ব্যবহার করা কর্তা-ব্যাক্তিরা জনসংখার ৪-৫% বেশী হবে না…এর ফলে আর্থিক ভাবে সামর্থবান উচ্চ বিত্তরাই তা ব্যবহার করবে আর বাকি কারগুলো ঢাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য হবে।

    ২) গার্মেন্টসগুলোকে দ্রুত ঢাকার দূরে সরান এতে গার্মেন্টের কাজ করতে আমাদের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ দ্রুত সরে যাবে। তারা ঢাকার ব্যয়বহুল জীবনযাপন থেকে মুক্তি পাবে।

    ৩) অতি গুরুত্বপুর্ন যানজট এলাকায় link-road এর জায়গার বিন্দুমাত্র সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগানো উচিত যত বর বাঘা আমলারা প্রতিবাদ করুক না কেন।

    ৪) মেট্র রেলের কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন করা
    ৫) প্রথমে পুরো ঢাকায় ৩-৪ বছরের মধ্যে পাতাল রেলের network এর শুরু এবং শেষ করা। পরে future এ দীর্ঘমেয়াদী plan এ বিকেন্দ্রীকরণ করা প্রশাসনের অংশকে যে এলাকায়/ঢাকার পাশের কোন শহরে পাঠান হবে তার সাথে network স্থাপন করা।

    ৬) উন্নত মানের কয়েক শ দোতলা ভলবো গাড়ী চালু করা যা বর্তমানে সদ্য private car চড়া কর্তাদের জন্য বিকল্প হবে। এতে জালানী তেলও বাচবে , খরচ উভয়েরই
    (সরকার ও গাড়ির মালিক) অর্ধেকে নেমে আসবে।

    ৭) প্রশাসনকে বিকেন্দ্রীকরন করা —আপাতত: এইগুলোও যদি করে তাতে অনেক কাজ হবে।।
    …………………………………………………………….

    Published by polash
    Sobaike suvechha!

    Sarak durgotona rodh korte hole sobar age dorkar anek besi shochetonota, sudhu matra GOVT. er upor nirvor korle amder kotha bola khub besi hobe kaj kicu hobena.

    Nijeder jibon bachanor tagide jante hobe sarake cholar upai nijekei sundor vabe law mene cholte hobe.

    Example:1. amara sobai durgotona chaina kintu jhokon rastai nami khub besi tarahura kore traffic signal manina, rastai elo melo vabe par hoi. jodi nished kora hoi tahole logic dai ase pashe foot over bridge nai tai e dik die par hochhi.

    2. Pothiker karone rastai accedent hoi 1jon manush more jaoer sathe sathe gari vanchur kori kintu ektu bibechona kori na dosh ta kar cilo. jemon, prothom alo r same rasta par hower sujog nai kintu rasta par hoe opare na gete pete pash die kata ase jekhane hata suru kori accedent to ekane hotei pare.

    3. Ektu jodi kheal kori kono na kono somoi trafic thambei & Zebra crossing die par hoa jabe tobe ektu wait keno kori na.

    4. Ekon o Motor Cycle chalok ra jane na law ki so that tara ulta rastai ase, foot pate ase & sob che mojar bapar Motor cycle er samne “News Paper” lekha thake, so amra jodi nijeder ke na bodlai kono lav hobe na.

    5. Driver ra oshikkito hote pare kintu malik ra ta noi, to driver jodi wrong gari chalai tahole ki malik ra “NO” bolte pare na, ogotha harn, upper light, wrong turn, ulta pothe chola esob to sovvo deshe na tobe ki amra osovvo.

    6. Media der uddeshe bolci, Channel SHONBAD, ETV, ATN NEWS, ATN Bangla, Bangla Vision sobar anek gari ase sonbad collect korar jonne kintu sob channel er Journalist ra ulta pothe chole, driver der amra nished korle amader mediar voi dekai, Journalist ra bastotart ojuhat dekai.

    Aro anek likhbo & liktei thakbo ja ami satti kori, sarak er jonne, ami sob somoi try kori law ta jante and mante. Sudhu kotha na asun na ja vabi ta sobar samne dekai.

    Polas
    …………………………………………………………….

    Published by GIAS MOHAMMED

    1.shobai nij nij obosthane shob traffic signal mene chola.

    2.je traffic rule jne na thake jante help kora,

    3.driver der modde shochotonota shiristy kora,

    4.kno garite over loaded passenger na newa and over loaded mone hole oi garite na chorda,

    5.adonik n shomoy opojogi traffic rule banano and oi ruler jota joto proyog kora,

    6.shob high way,bestho shorok,commercial area te shob road k double way te partition die alada alada dirrection er jonno alada road kora.

    7.more er modde RED signal er jota joto proyog and effective educated police force use kora,

    8.road er parshoborti school,college,university ,industry,garments,residence area thakle oishob jaigai foot bridge banate hobe and oishob foot bridge k safe rakte hobe o public k oishob use korar jonno convince korte hobe,

    9.meyad ottirno jan bohon road e cholte dewa jbe na eijonno govt er vomika rakte hobe and public k eishob porano jan bohon chorda thake dore thakta hobe,

    10.amader RAILWAY adonikayon kore prothiti shohore metro rail kora jai ete kore road e traffic kome jabe and life onk safe hobe,shomoi bachano shombob hobe.
    …………………………………………………………….

    Published by globalhero

    By the grace of almighty I have got chance to visit some countries.

    We can follow some of there rules:

    1. School zone speed limit should be 30-40km

    2. School vehicle Should be used by all student & its color should be yellow (So that every body can understand)

    3. Basic rules of road should be included in text book.

    4. Every office/org should have self transportation system (bus) & Parking system.

    5. Road should be divided in slow & fast track.

    6. There should be bus bay for bus stop (or same as other vehicle)

    7. Office time can be 0800-1600 & 1000-1800.

    8. Everybody should obey the traffic rules & regulation.
    …………………………………………………………….
    Published by bokasoka
    লক্ষ্য করুন: একটু পরে রাস্তাই নামলেই আমরা যেগুলো সহজেই করতে পারি (যদি আমরা সত্যি সভ্য প্রাণী হয়ে থাকি):

    ১. আপনার চালক যদি অকারণ ওভার টেকিং করার জন্য উঠে পড়ে লাগে তাহলে তার কান মলে দিন, চাকরি থেকে বিচ্যুত করুন।

    ২. আপনার চালক যদি টার্নিং এ গতি না কমায়, গাড়ি থামান, চালকের কান মলে দিন, চাকরি থেকে বিচ্যুত করুন।

    ৩. হাইওয়েতে যাবতিয় টার্নিং এবং রাউন্ড-এবাউটে শর্টকাট মারতে দিবেন না (যেমন ডানে টার্ন নেয়ার সময় ওপাশে যথেষ্ট পরিমান জায়গা না রেখে রং সাইড দিয়ে টার্ন নেয়া, রাউন্ড-এবাউট বা গোল চক্করে সঠিক পথ এবং দিক না মানা), কোন ক্ষমা করবেন না, গাড়ি থামান চালোকের কান মলে দিন, এবং চাকরি থেকে বিদায় করুন।

    ৪. আপনার চালক যদি পথচারি কে সম্মান না জানায় (i.e: নিজে থেমে পথচারিকে আগে যেতে না দেয়) এবং অযথা হর্ন বাজায়, তার কান মলে দিন, চাকরি থেকে বিচ্যুত করুন।

    ৫. হাইওয়েতে কোন অবস্থাতেই ৮০ কিমি/ঘন্টা এর বেশি গতিতে গাড়ি চালাতে দিবেন না, এবং বিশেষ স্থানে রোড সাইন অনুযায়ী চালোক কে গতি কমাতে বলুন।

    ৬. হাইওয়েতে বিশেষ যায়গায় (যেমন ব্রিজে উঠার আগে, স্পিড ব্রেকারের সামনে, এবং যাবতিয় নির্দেশিত স্থানে) কোন অবস্থাতেই ওভারটেকিং করতে দিবেন না।

    ৭. হাইওয়েতে চলার সময় চালক বাদেও অন্তত একজন সবসময় জেগে থাকুন, চালকের দেখভাল করার জন্য, এবং জাগিয়ে রাখার জন‍্য। দুরের যাত্রা শুরুর আগে চালক যথেষ্ট পরিমাণ ঘুমিয়েছে কি না, বিশ্রাম নিয়েছে কিনা সে বেপারে নিশ্চিত হয়ে যাত্রা শুরু করুন।

    আর আপনি নিজে ড্রাইভ করার সময় যদি ওগুলো করেন তাহলে তো আর কিছু বলার নাই, দোয়া করি আপনি তাড়াতাড়ি মারা যান, অন্যদের বাঁচতে দিন।

    এই কথাগুলো এগুলো হয়ত সবাই জানেন, চালোকেরাও হয়ত জানেন। তাহলে প্রতিজ্ঞা করুন, কানে ধরুন আর কোনদিন এগুলো করবেন না, এবং আপনি গাড়িতে থাকাকালীন কখনও এগুলো করতে দিবেন না।

    আর আপনার পরিবারে অথবা বন্ধুমহলে সড়ক বিভাগ/সিটি কর্পোরেশন এর কোন প্রকৌশলি/ঠিকাদার থাকলে তাদেরকে এই কথাটি পৌঁছে দিন:

    “আপনি ঘুষের পয়সা দিয়ে নিজেকে এবং আপনার পরিবারকে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত‍্যু
    উপহার দিচ্ছেন।”
    …………………………………………………………….

  • © বদলে যাও, বদলে দাও!